কিভাবে ব্লগ অথবা ওয়েবসাইটের Page Impressions এবং Traffic বৃদ্ধি করতে হয়?


গুগল AdSense Page Impression কিঃ Page Impression এর কথাটি বল্লেই প্রথমে গুগল AdSense Page Impression এর বিষয়টি চলে আসে। এই জন্য আমি গুগল AdSense Page Impression দিয়ে শুরু করলাম। মূলত Page Impression এর অর্থ হচ্ছে ভিজিটররা কত সময় আপনার ব্লগে অবস্থান করে এবং কতগুলি পোষ্ট/পেজ ভিজিট করে। আপনি যদি Google Adsense কিংবা অন্য কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন Use করে থাকেন তাহলে এই বিষয়টি আপনার জন্য খুবই জরুরী। কারণ আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এবং Page View না থাকলে আপনি যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেও সফল হতে পারবেন না। এই জন্য ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এবং Page View পাওয়ার জন্য আপনার ব্লগে ভাল মানের কনটেন্ট থাকতে হবে। আপনি যখন ব্লগে ইউনিক এবং ভাল মানের কনটেন্ট লিখবেন, তখন ব্লগ ভিজিট করার জন্য কাউকে বলতে হবে না। আপনার ব্লগের কনটেন্টই সার্চ ইঞ্জিন হতে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এবং Page View নিয়ে আসবে। Page Impression এবং ভিজিটর বৃদ্ধি করার জন্য নিম্নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরলাম।
  • ভাল মানের কনটেন্টঃ আমি বার বারই এই কথাটি সবাইকে পরামর্শ দিয়ে থাকি যে, ব্লগে সব সময় ভালমানের ইউনিক কনটেন্ট লিখার জন্য। কারণ ব্লগে ভিজিটর পাওয়ার জন্য সহজ ও প্রধান মাধ্যম হচ্ছে ভালমানের কনটেন্ট। আপনি যখন ব্লগে নিত্য নুতন ইউনিক কনটেন্ট ব্যবহার করবেন তখন এই কনটেন্টই আপনার ব্লগে ভিজির নিয়ে আসবে। আর যখন ভিজিটররা আপনার ব্লগে পড়ে ভালমানের কনটেন্ট পাবে তখন তারা পুনরায় আপনার ব্লগ ভিজিট করবেই। অন্যের ব্লগ থেকে কনটেন্ট কপি করে আপনার ব্লগে ব্যবহার করলে আপনি কোন ভাবেই সফল হতে পারবেন না।
  • নেভিগেশন ম্যানুবারঃ আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইট যে কোন ধরনেরই হোক না কেন অবশ্যই একটি Menu Bar যু্ক্ত করবেন। ম্যানুবারে আপনার ব্লগের প্রধান বিষয়গুলির Label লিংক যুক্ত করে দেবেন। এতে করে ভিজিটররা সহজে বুঝে নিতে পারবে যে, আপনার ব্লগের বিষয় বস্তু কি। যার ফলে সহজে আপনার ব্লগের Page Impression বাড়তে থাকবে।
  • হোম পেজের পোষ্ট Summary: এটি হচ্ছে যে কোন ব্লগের Page Impression বাড়ীয়ে নেওয়ার সহজ একটা পদ্ধতী। আপনার ব্লগের হোম পেজে পোষ্টগুলির Summary সস্পূর্ণ না দিয়ে অল্প কিছু দেবেন এবং বাকী অংশগুলি Read More বাটন যুক্ত করে দিতে পারেন। এতে করে ব্লগের Page View বাড়বেই।
  • ব্লগের Load Time উন্নত করাঃ আপনার ব্লগটি যদি খুব ধীর গতির হয় তাহলে ব্লগে কোনভাবেই ভিজিটর এবং Page View পাবেন না। কারণ ব্লগ যদি Load নিতে বেশী সময় নেয় তাহলে ভিজিটররা বিরক্ত বোধ করবে এবং আপনার ব্লগ থেকে বেরিয়ে যাবে। অধীকন্তু বাংলাদেশের ইন্টারনেট স্পীডের যা অবস্থা তাতে করে বুঝতেই পারছেন যে, ব্লগ স্লো গতির হলে কি হবে।
  • Popular Posts widget যুক্ত করাঃ আপনার ব্লগে পাঠক ধরে রাখার জন্য এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। ভিজিটররা যখন সার্চ ইঞ্জিন হতে কোন একটি পোষ্টের মাধ্যমে আপনার ব্লগে প্রবেশ করবে, তখন সে আপনার জনপ্রিয় পোষ্টগুলি দেখা মাত্র ভিজিট করতে চাইবে। এটি আপনার ব্লগের সাইডবারে যুক্ত করে রাখতে পারেন।
  • Related Posts যুক্ত করাঃ এটি অবশ্যই আপনার ব্লগ পোষ্টের নিচে যুক্ত করে রাখবেন। আপনার ব্লগের পাঠক যখন কোন একটি পোষ্ট পড়বে তখন ব্রাউজার অটোমেটিক পোষ্ট বাছাই করে এ ধরনের Related Posts শো করবে। এর ফলে পাঠক হয়তো এই পোষ্টগুলিও পছন্দ করতে পারে। কাজেই আপনার ব্লগে পাঠক Engage রাখার জন্য এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
  • Random Posts Widget যুক্ত করাঃ এমন কিছু ভিজিটর থাকবেই যারা প্রতিদিন আপনার ব্লগটি ভিজিটর করে। কাজেই তারা এক ধরনের পোষ্ট দেখতে দেখতে বিরক্তবোধ করবে। আপনি যদি Random Posts Widget টি যুক্ত করে রাখেন তাহলে এটি আপনার ব্লগের অগোছাল পোষ্টগুলি শো করবে। এতে করে পাঠক আপনার ব্লগ এর পোষ্ট সম্পর্কে আরও বেশী ধারনা পাবে।
  • Search Box যুক্ত করাঃ ব্লগে অবশ্যই একটি ভালমানের সুন্দর Search Box যুক্ত করে রাখবেন। কারণ পাঠক যখন আপনার ব্লগে তার পছন্দের কোন কিছু খুজবে তখন সে চাইবে সব পোষ্টগুলি না ঘেটে সার্চ করে খুজে নিতে। এ ক্ষেত্রে যদি আপনার ব্লগে সার্চ বক্স না থাকে তাহলে সে বিরক্ত হয়ে চলে যাবে।
  • পোষ্টের মধ্যে Permalink তৈরীঃ যখন আপনি কোন পোষ্ট লিখবেন তখন এই পোষ্ট সম্পর্কিত পূর্বের পোষ্টগুলি Anchor text আকারে Permalink তৈরী করে দিতে পারেন। এর ফলে ভিজিটর আপনার পোষ্টটি পড়ার সময় পূর্বের ঐ পোষ্টটিও সহজে পড়ে নিতে পারবে। যার ফলশ্রুতিতে আপনার ব্লগের Page Impression বাড়তে থাকবে।
  • সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার এবং Forum এ অংশগ্রহনঃ নতুন পোষ্ট করার সাথে সাথে অব্যশই পোষ্টটি Facebook, Twitter এবং Google+ সহ বিভিন্ন সোসিয়াল মিডিয়া সাইটে শেয়ার করে দেবেন। এছাড়া আপনার ব্লগ সম্পর্কিত অন্য কোন ভালমানের ফোরামে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মাধ্যমে আপনার পোষ্টের লিংকটি শেয়ার করে দিতে পারেন। এতে করে ঐ সমস্ত সাইটগুলি থেকে আপনার ব্লগে ভিজিটর বাড়তে থাকবে।
  • পরিষ্কার Background এবং সুন্দর ফন্টঃ ব্লগে কালো রংয়ের Background এবং অস্বচ্ছ Font ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি এমন রংয়ের Background এবং Font ব্যবহার করবেন যাতে ব্লগটির কনটেন্ট পাঠক সহজে দেখতে পারে এবং পড়তে পারে। বাংলা ব্লগের ক্ষেত্রে ফন্ট সমস্যা সামাধানের একটি পোষ্ট করে রাখতে পারেন, যাতে করে সহজে পাঠক ফন্ট সমস্যার সমাধান করে নিতে পারে।
  • বিজ্ঞাপনঃ বেশী লাভের আশায় ব্লগের যেখানে সেখানে ইচ্ছামত নিম্নমানের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করবেন না। এতে করে পাঠকরা বিরক্তবোধ করবে এবং হিতের বিপরীত হতে পারে। কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় সঠিক মাপের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে আপনার ইনকাম বাড়বে এবং পাঠকরাও কোন বিরক্তবোধ করবে না।
শেষ কথাঃ আপনি যদি উপরের সবগুলি পোষ্ট ভালভাবে মেনে চলেন তাহলে আপনার ব্লগের ভিজিটর এবং Page Impression অবশ্যই বাড়বে। আর যারা Google Adsense বিজ্ঞাপন ব্যবহার করছেন তাদের ব্লগের Page Impression বাড়ার মানেই হচ্ছে আয় বেড়ে যাওয়া। তবে সব কিছুর মূলেই হচ্ছে ব্লগের কনটেন্ট। ব্লগে অবশ্যই ভালমানের ইউনিক কনটেন্ট থাকতে হবে। কোন উপায়েই কপি করা কনটেন্ট ব্যবহার করা যাবে না।

Online হতে টাকা আয় করার ৬ টি সহজ টিপস

আরও অন্য দশজন স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মত আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। মাঝে মাঝে আমার নিজের প্রতিও খুব দুঃখ হয় কেন আমি বিগত দুই বৎসর এ সকল সাইটে সময় ব্যয় করলাম। আমি নিজে প্রায় দুই বৎসর ফেইসবুক, টুইটার এবং বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলে সময় পার করেছি। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং করে কাটালাম না।

এ রকম আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। আপনি যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ২-৩ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতয় গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আমিত নির্ধিদ্বায় বলতে পারি এর শুরু থেকে শেষ অব্দি শুধু শূন্য আর শূন্য।


আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, social media and gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর বয়সি আধুনিক জেনারেশনরা ইন্টারনেট হতে অল্প কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।
কেন ছাত্রদের টাকার প্রয়োজনঃ স্কুল কিংবা কলেজ সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু Extra Pocket Money এর প্রয়োজন হয়। এই অল্প টাকা দিয়েই সে তার নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট খাটো সখ এবং প্রয়োজন গুলি মিটিয়ে নিতে পারে। তাছাড়াও স্বাভাবিক ভাবেই এখনকার জেনারেশনের ছাত্রদের Smartphone, Gaming consoles, Cool cloths ইত্যাদি লাগেই। এ গুলি তাদের চলার পথকে আর Smart এবং সুগম করে। এই ছোট খাটো ব্যাপার গুলি অনেক সময় আপনার ফ্যামেলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হতো তেমনি প্রয়োজন গুলিও মিটে যেত। তাছাড়া অনেক গৃহিনী আছেন যাদের বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজই থাকে না। তারা বেশীরভাগ সময় ব্যয় করে ফেইসবুকে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করে। আপনি অযথা এই সময় ব্যয় না করে যদি নিজের কিছু প্রয়োজন মিঠাতে পারেন বা অল্প আয় করতে পারেন তাহলে দুষের কি? নিচে আমি অনলাইন হতে আয় করা সহজ কিছু কৌশল দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে কিছু পয়সা উপার্জন করে নিতে পারবেন।

০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে।
০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।
০৩। Freelancing – একজন লেখক হয়েঃ Freelancing হচ্ছে এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।
০৪। Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Adsense Approv করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approv হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।
০৫। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা উপার্জন করবেন।
০৬। EBAY and AMAZON এ আপনার Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।

উপসংহারঃ আপনারা পোষ্টটি পড়ে হয়তো ভাবছেন এখানে ইন্টারনেট হতে আয় করার কথা বার বার বলা হচ্ছে কিন্তু কিভাবে করবো তা দেখানো হচ্ছে না কেন? আসলে কিভাবে আয় করবেন এটা নিয়ে বর্ণনা করা এই পোষ্টের উদ্দেশ্য নয়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের শুধু আয় করার সহজ কয়েকটি পথ দেখিয়ে দিলাম। যার ফলে আপনি এই পথ ধরে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আর আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে এ সম্পর্কে ইন্টারনেট হতে বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন। তবে আমরাও পরবর্তীতে আলাদাভাবে সব টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। ততক্ষণ আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ..

অনলাইনে আয়

বর্তমানে অনলাইন আয়ের সবচেয়ে আস্থাশীল এবং গ্যারান্টেড ওয়ে হচ্ছে ব্লগিং। আপনার যদি একটা ব্লগ থাকে এবং সেখানে যদি রেগুলার ট্রাফিক থাকে তবে আপনি অবশ্যই সেখান থেকে একটা পরিমাণ আয় জেনারেট করতে পারবেন। ব্লগকে মনিটাইজ করার নানা ধরণের রাস্তা আছে। আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমি ব্লগকে মনিটাইজ করার সেরা পাঁচটি ওয়ে সম্পর্কে বলবো। সাতটি মনিটাইজেশন ওয়ে হচ্ছে – ১. প্রোডাক্ট রিভিউ ২. ইউডেমি কোর্স ৩. গুগল এডসেন্স ৪. এডসেন্স অল্টারস – মিডিয়া ডট নেট ৫. সিপিএ মার্কেটিং ১. প্রোডাক্ট রিভিউ অনলাইনে প্রতিদিন প্রচুর পণ্য কেনাবেচা হয়ে থাকে। আপনি আপনার ব্লগে যেকোন প্রোডাক্টের সম্পুর্ন একটা রিভিউ লিখে সেখানে রেফারেল লিংক দিয়ে ওই পণ্যের দাম থেকে একটা নির্দিষ্ট কমিশন ইনকাম করতে পারেন। অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট এই জন্য সবচেয়ে সুপরিচিত। আপনার ব্লগে অ্যামাজনের প্রোডাক্ট রিভিউ পাবলিশ করবেন। নিস টার্গেটেড ভিজিটর যদি আপনার ব্লগে আসে তাহলে তারা আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে কোন পণ্য কিনলে সেখান থেকে আপনি কমিশন পাবেন। অ্যামাজন ছাড়া ও আরো নানা ধরণের অ্যাফিলিয়েট মার্কেট প্লেস আছে। ডিজিটাল প্রোডাক্টের জন্য ক্লিকব্যাংক সুপরিচিত। ২. ইউডেমি কোর্স ইউডেমি নানা ধরণের কোর্স কেনাবেচার সবচেয়ে সেরা জায়গা। আপনি ওখানের একজন অ্যাফিলিয়েট হিসেবে সাইন আপ করে কোর্স গুলো নিয়ে আপনার ব্লগে রিভিউ লিখতে পারেন। আপনার ব্লগের লিংক থেকে যদি কেউ এসে কোন কোর্স কিনে তাহলে সেখান থেকে আপনি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। ৩. গুগল এডসেন্স আপনি যদি আপনার সাইটকে এড দিয়ে মনিটাইজ করতে চান তাহলে সবচেয়ে সেরা উপায় হল গুগল এডসেন্স। আমার মতে আরো নানা ধরণের এড নেটওয়ার্ক থাকলে ও গুগল এডসেন্স সবচেয়ে রিলায়েবল এবং সুপরিচিত। আমি নিজে গুগল এডসেন্স ইউজার এবং এই রিলেটেড বিস্তারিত ব্লগ পোস্ট নেক্সট টাইম পাবলিশ করা হবে। ৪. এডসেন্স অল্টারস – মিডিয়া ডট নেট এডসেন্সের পরেই সবচেয়ে রিলায়েবল এড নেটওয়ার্ক হলো মিডিয়া ডট নেট। এডসেন্সের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ওরা খুবই স্পর্শকাতর, সামান্য এদিক সেদিক হলে আপনি ব্যান খেতে পারেন। কিন্তু মিডিয়া ডট নেটে সেই সমস্যা নেই। ৫. সিপিএ মার্কেটিং অনলাইন মার্কেটিং এর অন্যতম উপায় হল সিপিএ মার্কেটিং। এর পুর্ন রুপ হচ্ছে কস্ট পার একশন। সিপিএর নানা মার্কেটপ্লেস রয়েছে ম্যাক্সবাউন্টি, পারফ্লি, সিপিএলীড এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। এসব মার্কেটপ্লেস থেকে অফার চুজ করে আপনি আপনার ব্লগে প্রমোট করতে পারেন।

অনলাইনে আয় করার জনপ্রিয় উপায়


ঘরে বসে অনেকভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা এই নিবন্ধ পড়লে তুমি জানতে পারবে। আমি তোমাকে বলে রাখতে চাই যে, অনলাইনে আয় করা বাস্তব জীবনে আয় করার মতোই কঠিন। এখানে এমন কিছু রাস্তা আছে যেগুলোতে কাজ শুরু করা সহজ কিন্তু, এগুলো থেকে বেশী টাকা রোজগার করা যায় না। এ তুলনায় অন্যান্য উপার্জনের পন্থায় ভালো আয়ও হয় আবার, তা ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে। বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের উপায়গুলো নিম্নরুপ,
১।পেড রিভিউ-এর মাধ্যমে আয় রোজগার

সার্ভে বা জরিপ একটা পুরাতন পদ্ধতি আর আমার মনে হয় তুমি এ বিষয়ে জানো। “সার্ভে” সাইটে তুমি গিয়ে নিবন্ধিত হবে আর সার্ভে বা জরিপ আসার অপক্ষা করবে; সার্ভে ফর্ম পূরণ করে তোমার মতামত জানাবে, ব্যস! প্রতিটি সার্ভের জন্যে তুমি টাকা পাবে। এখানে, এমন কিছু ব্যবস্থাও আছে যেখানে, ইমেইল পড়ার ও জবাব দেওয়ারও কাজ থাকে। সার্ভে সাইট হিসেবে অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে-সার্ভে সেভী।
২।নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার

এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো পাঠকদের লেখায় আপডেট হতে থাকে। কোন কোন সাইটে তারা লেখকদের সাথে মুনাফা ভাগ করে নেয়। তুমি এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারো আর তোমার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, তুমি ততো বেশি টাকা পাবে। “শুভং” নামক একটা ওয়েবসাইট আছে যারা তাদের লেখকদের সাথে শতকরা ১০ ভাগ গুগল এডসেন্স-এর লভ্যাংশও ভাগ করে নেয়।
৩।পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এ আয় রোজগার

পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এর সাহায্যে তুমি ওয়েবসাইট(শুধুমাত্র স্পনসরড্ সাইটগুলো‌)ব্রাউজ করার জন্যে টাকা পাবে। এতে আরো উপায় আছে যাতে ওয়েবসাইট সার্ফ করে, ওয়েবসাইট দেখে আর ওয়েবসাইট সার্চ করে টাকা উপার্জন। সত্যকথা বলতে কি, এই সাইটগলো আয়ের তুলনায় অনেক বেশী সময় অপচয় করে। এরা তোমার একেক ইউনিট এডের পেছনে তোমার ব্যয়ের তুলনায় খুবই কম টাকা দেয়। একটা জনপ্রিয় পিটিসি সাইট যারা ভালো অর্থ প্রদানও করে থাকে সেটি হচ্ছে- বাকস্‌.টু
৪।তোমার তোলা ছবির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন

যদি তুমি একজন ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হয়ে থাকো, তবে তোমার তোলা আকর্ষনীয় ছবিগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। অনলাইনের ডিজাইনার্‌রা তাদের প্রজেক্টের জন্যে অনেক ছবি খুঁজে থাকেন, তুমি তাদের নিকট তোমার ছবিগুলো বিক্রি করতে পারো। তুমি তোমার ছবিগুলো আই-স্টক-ফটোস্‌ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে পারো।
৫।গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার

গুগল এডসেন্সে আয় করার জন্যে তোমার একটা সচল ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ প্রয়োজন। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো এমন বিলবোর্ড বা পোস্টার যেখানে তারা(জনৈক অসাধু ব্যবসায়ীরা) দাবি করে যে, তুমি এখান ১০ থেকে ২০ ডলার দৈনিক আয় করতে পারবে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা! গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় তখন যখন, কেউ গুগলের সেসব এডে ক্লিক করে। কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে তোমাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে। কিন্তু, তোমাকে সেসব নকল এডসেন্স শেখার জায়গায় এই সেখানো হয় যে, কিভাবে চুরির লেখা দিয়ে একটা নকল ওয়েবসাইট বানাতে হয়, এটাতো আসল নয় কারণ এটা একটা ধোঁকাবাজি।
google.com/adsense
৬।তোমার মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা পাবে

হ্যাঁ, এটিই নতুন দিনের আয় রোজগার মাধ্যম, এখন তুমি টাকা নিয়ে যেকোন ওয়েবসাইট বা কোম্পানীর ব্যাপারে তোমার মতামত দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে ফেলো তোমার ব্লগে। পেড রিভিউ সাইটগুলো কল্যাণে, এখন তারা(কোম্পানী বা ওয়েবসাইটগুলো) তোমাকে তাদের ব্র্যান্ড, পন্য বা ওয়েবসাইটের বিষয়ে লেখার জন্যে অর্থ পরিশোধ করবে। তোমার এই মতামত বা ব্লগ তাদের নিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করবে আর তারা পাবে অধিক পাঠক ও ক্রেতা। এরকম একটা জনপ্রিয় পেড্‌ রিভিউ সাইট হচ্ছে-সোস্যালস্পার্ক
৭।এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর মাধ্যমে আয় রোজগার(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)

এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে কোন পন্যের প্রচার করবে আর যখন পন্য বিক্রি হবে, তখন তুমি এর থেকে কমিশন পাবে। এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পন্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; তুমি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারো। তুমি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পন্য বিক্রয় করতে পারো।
৮।ব্যানার এডস্‌ বা “ব্যানার” জাতীয় বিজ্ঞাপন বিক্রি করে আয় রোজগার

যদি তোমার একটা প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে, তবে বিজ্ঞাপনদাতারা তোমার ব্লগে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। একেই বলে, ব্যানার এডস্‌ অথবা সরাসরি ইনকামের সুযোগ। তোমার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা যতো বেশি হবে তোমার পাঠক সংখ্যা বাড়বে ততো বেশি হবে আর তোমার আয়ও বাড়তে থাকবে।
৯।ফ্রি-লেন্সিং বা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে অর্থ উপার্জন

ঘরে বসে ফ্রি-লেন্সিং করা আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ। তোমার যদি ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা এড্‌মিনিস্ট্রেশন বা তদারকির কাজে দক্ষতা থাকে তাহলে, তুমি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারো। তুমি চাইলে ফ্রিলেন্সিংভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারো।
১০।টুইটার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা

বিজ্ঞাপনদাতাগণ বর্তমানে তাদের ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপন উদ্যোগগুলো “টুইটার” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন। এজন্যে, তোমার কোন ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট থাকারও প্রয়োজন নেই। এমন অনেক কোম্পানী রয়েছে, যারা টুইটার বিজ্ঞাপনের কাজ করে থাকে যেমন- মেগ-এ-পাই।
অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে পাবেন?

ক।চেকে টাকা পাওয়া

এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম।

খ।পেপেল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

পেপেল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে। অবশ্য, এখনও পেপেল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু শীঘ্রই আসবে।

গ।পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড

এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা রাস্তা। তুমি অডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি।

ঘ।মানিবুকারস্‌ থেকে টাকা প্রাপ্তি

মানিবুকারস্‌ অনেকটা পেপেলের মতোই আর এটা তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা প্রচলিত আছে। মানিবুকারস্‌

ঙ।এলার্টপে-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

এটিও পেপেলের মতোই আর বাংলাদেশে প্রচলিত আছে। তুমি এর টাকা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন থেকে উঠাতে পারো। এলার্টপে

চ।ই-গোল্ড ব্যবহার টাকা প্রাপ্তি

পেপেলের মতোই…ই-গোল্ড

মেসেজ পাঠানোর নতুন অ্যাপ নিয়ে আসছে ইনস্টাগ্রাম


ছবিভিত্তিক সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম তাদের সাইটে মেসেজ পাঠানোর একটি স্বতন্ত্র অ্যাপ চালু করার পরিকল্পনা করছে। গত বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামের এক কর্মকর্তা খবরটি নিশ্চিত করেন বলে জানিয়েছে দ্য ভার্জ।এর আগে ফেসবুক তার মেসেজ পাঠানোর অপশনটিকে স্বতন্ত্র অ্যাপ ‘মেসেঞ্জার’ হিসেবে মুক্তি দিয়েছিল। ইনস্টগ্রামও ফেসবুকের পথ অনুসরণ করে মেসেজ পাঠানোর জন্য ‘ডিরেক্ট’ নামের অ্যাপটি তৈরি করছে।উল্লেখ্য, লেখা বা টেক্সট দিয়ে পোস্ট দেয়ার পরিবর্তে ইনস্টাগ্রামে মূলত ছবি দিয়ে পোস্ট দেয়া হয়। ব্যাপক জনপ্রিয় এই সামাজিক মাধ্যমটি ২০১২ সালে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার দিয়ে কিনে নিয়েছিল ফেসবুক।

‘ডিরেক্ট’ চালু করা হলে ভিন্নধর্মী এই সামাজিক মাধ্যমটির গ্রাহকরা নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

ইনস্টাগ্রামের এক কর্মকর্তা জানান, কাছের বন্ধুদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করা সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা যেন আরও সহজে করা যায় তার জন্য ডিরেক্ট তৈরি করা হচ্ছে। ডিরেক্ট ব্যবহার করে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা ক্যামেরা ব্যবহার করে বন্ধুদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখতে পারবেন।

এখন পর্যন্ত চিলি, ইজরায়েল, ইতালি, পর্তুগাল, তুরস্ক ও উরুগুয়েতে ‘ডিরেক্ট’ অ্যাপ ছাড়া হয়েছে।

চীনে খুলছে গুগলের বিরাট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাগার


চীনে গুগল সেবা বন্ধ থাকলেও সেখানে বেশ বড় আকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেন্টার খুলতে যাচ্ছে টেক জায়ান্ট গুগল। সিলিকন ভ্যালিতে গুগলের এধরণের একাধিক সেন্টার থাকলেও এশিয়াতে এধরণের সেন্টার এই প্রথম। ওই সেন্টারে স্থানীয় ও আঞ্চলিক ভাবে কর্মী নিয়োগ করা হবেও বলে গুগল ব্লগ পোস্টে জানা গেছে।

চীন নিজেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এআই সেক্টরে অনেক কাজ করে যাচ্ছে। গুগলের এই ঘোষণা টেক দুনিয়াতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ইতিমধ্যে এআই সেক্টরে ড্রাইভার ছাড়া গাড়ি, রোবট ফ্যাক্টরি ও ফেসিয়াল রিকগনিশন সফটওয়্যারের মতো নানা বিষয়ে বিপুল সম্ভাবনার কথা উচ্চারিত হচ্ছে সারাবিশ্বে।

এআই প্রধান কোম্পানি হিসেবে গুগলের জন্য এই সেন্টার বেশ গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে গুগলের ক্লাউড ও মেশিন লার্নিং বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেছেন, সিলিকন ভ্যালি, বেইজিং বা অন্য অনেক জায়গায় এর (এআই) প্রচলন থাকলেও সারাবিশ্বের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এআই এর অনেক সম্ভাবনা আছে।

চীনের গুগলের প্রায় ৬০০ কর্মী সরাসরি দুটি অফিসে কাজ করলেও রাষ্ট্রীয় সেন্সরশীপের (গ্রেট ফায়ারওয়াল) কারণে সার্চ ইঞ্জিনসহ গুগলের বিভিন্ন সেবা এখনও বন্ধ। তবে অবস্থার পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে বলে আশাবাদী সেখানকার গুগল কর্তারা।

হ্যাশট্যাগ কি, এবং কেনো ব্যবহার করা হয়?


বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে আমরা প্রতিদিনই #ট্যাগ (হ্যাশট্যাগ) কথা শুনে আসছি। এবং দেখে আসছি কেউ কেউ এটা ব্যবহার করছেন। তবে একসময় যখন ল্যান্ডলাইনের প্রচলন ছিল তখনো টেলিফোন সেটের সবগুলো বাটনের সঙ্গে আমাদের পরিচয় ছিলনা। তখন শুধু এক থেকে নয় এবং শুন্য বাটনের সঙ্গেই আমাদের সাধারণ মানুষের পরিচয় ছিল। তবে যারা তাদেন ফোন লক করে রাখতেন তাদের অবশ্য টেলিফোন সেটের হ্যাশ (#) এবং স্টার(*) বাটনের সঙ্গেও পরিচয় ছিল। কারণ ঐ রকম কিছু কিছু কাজে ব্যবহার করা হতো #ট্যাগ (হ্যাশট্যাগ) ও (*) স্টার বাটন।যখন মোবাইল ব্যবহার অনেক বেড়ে গেলো তখন এ দুইটি বাটনের সঙ্গে সবার বেশি বেশি পরিচয় ঘটে। কারণ মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে এবং ব্যালেন্স দেখতে এ দুইটি বাটনের প্রয়োজন হয়।

তবে গত কয়েক বছরে মোবাইলের বাটন ডায়াল করা ছাড়াও আমরা # বাটনের একটি ব্যবহার দেখছি। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর তা হলো, যেকোনো ইভেন্ট বা বিষয়কে একতাবদ্ধ করতে এর ব্যবহার। প্রায়ই আমাদের চোখে পড়ে হ্যাশট্যাগ (#ট্যাগ) সম্বলিত স্ট্যাটাস বা ছবি।

অনেকেই বুঝতে পারেন না, এই স্ট্যাটাস বা ছবির পেছনে কেনো আঠার মতো লেগে আছে হ্যাশ (#)। এটা দিয়ে ব্যবহারকারীরা কি বুঝাতে চাচ্ছেন?

আসলে এটাকে মাইক্রোব্লগিং এর ভাষায় বলা হয় হ্যাশট্যাগ। এটা একই ধরনের বক্তব্যকে একীভূত করে। যেমন, সামনে আসছে একুশের বই মেলা। এখন যদি কেউ মেলা সম্পর্কে তথ্য বা কোনো বক্তব্য দিতে ব্যবহার করে #একুশেরমেলা তবে বুঝতে হবে এই রিলেটেড আরো বক্তব্য বা তথ্য আছে এই হ্যাশট্যাগে।

আপনি যখন কোনো শব্দের শুরুতেই হ্যাশট্যাগ (#ট্যাগ) ব্যবহার করবেন তখন সেটি নীল বর্ণ ধারণ করবে। অর্থাৎ সেটা একটা লিংক-এ পরিণত হবে। পরবর্তিতে এই রিলেটেড সকল স্ট্যাটাস বা ছবি যদি একই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে দেয়া হয় তবে সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহারকারীরা সহজেই সব এক জায়গাতে পাবেন। অর্থাৎ এটি সবার মতামত এক করার একটি উদ্যোগ।

তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হয়, হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের সময় ব্যবহৃত শব্দে যাতে কোনো স্পেস না থাকে। স্পেস থাকলে এটা লিংক তৈরি করতে পারে না।

সাধারণত কোনো বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে হ্যাশট্যাগের ব্যবহার বেশি। ইদানিং অবশ্য এর বিভিন্ন ব্যবহার বেড়েছে। আজকাল সিনেমার প্রচারেও এর ব্যবহার ব্যাপক ভাবে হচ্ছে। আবার কেউ কোনো বিষয়কে প্রাধান্য দিতেও একই কাজ করেন। কেউবা শুধুই নিজেদের ভেতর আড্ডার জন্যেও এমনটা করতে পারেন।

হ্যাশট্যাগের ব্যবহার শুরু হয় মূলত মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে। পড়ে ২০১৩ সালের জুনে ফেসবুকেও এর ব্যবহার শুরু হয়। এখন গুগলপ্লাসেও এর ব্যবহার দেখা যায়। হ্যাশট্যাগের জনপ্রিয়তা এতো বেড়ে যায় যে শেষ পর্যন্ত ‘হ্যাশট্যাগ’ শব্দটি ২০১৪ সালের জুন মাসে অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারিতেও জায়গা করে নেয়।