Showing posts with label অনলাইন থেকে আয়. Show all posts
Showing posts with label অনলাইন থেকে আয়. Show all posts

ব্লগিং ? আমাকে কি জানতে হবে? ব্লগিং করে লাভ কি?

ব্লগিং সম্পর্কে কিছু ধারনা। আজকে আমি যেই বিষয় গুলি নিয়ে আলচনা করব, সেগুলি হলঃ
১. ব্লগিং কি?
২. আমাকে কি জানতে হবে?
৩. ব্লগিং করে লাভ কি?

আমরা আজকে এই তিনটি বিষয় সম্পর্কে ধারনা নেয়ার চেস্টা করব। আশা করি এই ক্লাসের মাধ্যমেই আপনি ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা পাবেন।

১. ব্লগিং কিঃ

ব্লগিং হল এমন একটি বিষয়, যেখানে আপনাকে শুধু একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগে লিখতে হবে। সাধারনত যেই ওয়েবসাইটে ব্লগিং করা হয় সেটাকে ওয়েবসাইট না বলে ব্লগ বলা হয়। আমরা পরবর্তী ক্লাশে ব্লগ সম্পর্কে জানব। ব্লগে আপনার লেখালেখিকেই মূলত ব্লগিং বলা হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ব্লগে কি নিয়ে লেখা হয়? উত্তরঃ একজন ব্লগার যা জানেন তাই ব্লগে লিখে থাকেন, সেটা যেকোনো বিষয় নিয়ে হতে পারে। যেমনঃ ভ্রমন সম্পর্কিত তথ্য, প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য, বই সম্পর্কিত তথ্য, মুভি বিষয়ক তথ্য, কম্পিউটার বিষয়ক তথ্য, ইত্তাদি। আবার অনেক ব্লগার আছেন যারা শুধুমাত্র তার নিজের দৈনন্দিন কারযবলি নোট করে থাকেন। এক কথায় কোন ব্লগে লেখালেখিকেই ব্লগিং বলা হয়। ব্লগিং আবার দুই ধরনের হয়,
ক. প্রফেশনাল ব্লগিং,
খ. গেস্ট ব্লগিং।

প্রফেশনাল ব্লগিং: প্রফেশনাল ব্লগিং হল, নিজস্ব একটা ব্লগ তৈরি করে সেখানে ব্লগিং করা। প্রফেশনাল ব্লগাররা নিজস্ব ডোমেইন ও হস্টিং কিনে তার নিজস্ব ব্লগিং প্লাটফর্ম তৈরি করেন। মূলত এটাই আদর্শ ব্লগিং ব্যবস্থা।

গেস্ট ব্লগিং: গেস্ট ব্লগিং হল অন্য কারো ব্লগে গিয়ে লেখা। ইন্টারনেটে অনেক ব্লগ আছে যেখানে, আপনি লেখার সুযোগ পাবেন। আর আপনার লেখা থেকে যতটুকু আয় হবে তার থেকে আপনি একটা অংশ পাবেন।

এই হল ব্লগিং। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আরও কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন।
২. আমাকে কি জানতে হবেঃ

ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে যা জানতে হবে তা হল, ১. যে ভাষায় ব্লগিং করবেন (ইংরেজি হলেই বেস্ট), ২. রাইটিং স্পিড, ৩. ধৈর্য।
এই তিনটি বিষয় জানা থাকলেই আপনি আপনার ব্লগিং লাইফ শুরু করতে পারেন। আর আপনাকে গাইড লাইন দেয়ার জন্য ব্লগিং স্কুলতো আছেই। ব্লগিং জগতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় হচ্ছে ধৈর্য। ধৈর্য ছাড়া আপনি এখানে উন্নতি করতে পারবেন না। আপনি এক সময় খুবই বিরক্ত হয়ে পরবেন, কিন্তু তখনই আপনাকে আপনার ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে। আর আপনি যদি ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, তাহলেই আপনি সাফল্য পাবেন।
৩. ব্লগিং এর লাভঃ

এতক্ষণে মনে হয় বুঝে গেছেন ব্লগিং কি? এখন আপনাদের বলছি এটি করে কি লাভ? আপনারা জানেন আপনার লেখা গুলি অন্য কেউ পরে উপকৃত হচ্ছে। আপনি যদি খুবই ভালো ভালো বিষয় সম্পর্কে লিখতে পারেন, তাহলে আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিসিটর আসবে। আর ভিসিটর আসলেই আপনার লাভ। যত বেশী ভিসিটর আসবে ততই লাভ। এখন আপনাকে প্রচুর পরিমানে ভিসিটর আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যতদিন আপনি ভালো ভিসিটর না পান, ততদিন আপনাকে বিনামূল্যে কাজ করে যেতে হবে। এতে হতাশার কিছুই নেই। এই শ্রমটুকুই আপনাকে একদিন সাফল্য এনে দিবে।
৪. ব্লগ থেকে আয়

এখন বলি কিভাবে আয় করবেন। ব্লগ থেকে আয়ের বিভিন্ন উপায় আছে, যেমনঃ এফিলেশন, বিজ্ঞাপন প্রদর্শন, স্পন্সর পোস্ট, ইত্যাদি। এখান থেকে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনই সবচেয়ে জনপ্রিয়। ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংস্থা আছে, যারা আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিবে। বিনিময়ে আপনি কি পাবেন? আপনি পাবেন আপনার কাংখিত আয়। বিজ্ঞাপন প্রদর্শন নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলচনা করা হবে।
এভাবেই আপনি আপনার ব্লগ থেকে আয় করতে পারবেন।

ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। সেগুলি নিয়েই আজকের ক্লাশটি সাজানো হয়েছে।



ব্লগিং সম্পর্কে নিশ্চয় জেনেছেন। এখন ব্লগিং শুরু করার পালা। এই যে ভাই, খারান। এখনি দৌড় মারতেছেন। মনে হচ্ছে দোকান থেকে কিনে নিয়ে আসবেন। আরে ভাই এত সহজ না। ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে এমনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যেন পরে না আটকে যান। যাই হোক আজকের ক্লাস এখান থেকেই শুরু করছি।
ব্লগিং শুরু করার আগে যা ভাববেনঃ

১. ব্লগিং এ ইনভেস্ট করবেন কিনাঃ

ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে ইনভেস্ট করবেন কিনা। ইনভেস্ট বলতে আপনার ব্লগ সাইটটি তৈরির কথা বলা হচ্ছে। আপনি প্রথমে ফ্রি ব্লগ দিয়েও শুরু করতে পারেন। আর যদি প্রথমেই প্রফেশনালদের মত শুরু করতে চান, তাহলে কিছু ইনভেস্ট তো করতে হবেই। ইনভেস্ট করা হবে আপনার ব্লগের জন্য ডোমেইন এবং হস্টিং কেনার জন্য। ডোমেইন এবং হস্টিং সম্পর্কে আমি কিছু বলতে চাই না। আমি শুধু বলব, ব্লগিং শুরু করলে ডোমেইন হস্টিং কিনেই শুরু করা উচিত। সেক্ষেত্রে সব মিলিয়ে আপনার ২ থেকে ৩ হাজার টাকার বেশী খরচ হবে না। আর যদি কেউ মনে করে আমি প্রথমেই ইনভেস্ট করব না, তার জন্যও উপায় আছে।
২. ব্লগিং প্লাটফর্মঃ

দ্বিতীয়ত আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কোন প্লাটফর্মে ব্লগ তৈরি করবেন। নিম্নে জনপ্রিয় দুইটি প্লাটফর্ম নিয়ে আলোচনা করা হল।
ওয়ার্ডপ্রেসঃ প্রফেশনাল ব্লগারদের জন্য ওয়ার্ডপ্রেসই বেস্ট। কারন ওয়ার্ডপ্রেসকে ব্লগিং জগতের হিরো বলা হয়। ব্লগিং এ সম্পূর্ণ স্বাধীনতা আপনি ওয়ার্ডপ্রেস থেকেই পেতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেসের সবচেয়ে সুবিধা হল, ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ তৈরি করতে আপনাকে ওয়েব ডেভেলপিং সম্পর্কে জানতে হবে না। ইন্টারনেট সম্পর্কে ধারনা থাকলেই আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটি সুন্দর ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরি করতে হলে আপনাকে ডোমেইন এবং হস্টিং কিনে কাজ করতে হবে।
ব্লগস্পটঃ যারা ফ্রি ব্লগিং করতে চান, তাদের জন্য ব্লগস্পট আশীর্বাদ স্বরূপ। ব্লগস্পট সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের একটি সার্ভিস, তাই এর নিরাপত্তা ১০০% । আপনি ব্লগস্পট এর মাধ্যমে খুব সুন্দর একটি ব্লগ সম্পূর্ণ ফ্রিতে তৈরি করে ফেলতে পারেন। ব্লগস্পট দিয়ে ব্লগ তৈরি করলে আপনার এক টাকাও খরচ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
৩. ব্লগিং এর বিষয়ঃ

এখন আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কি নিয়ে ব্লগিং করবেন। অনেকে আছেন হুট করে এক বিষয় নিয়ে ব্লগিং শুরু করে দেন। এতে তিনি এক পর্যায়ে গিয়ে থামতে বাধ্য হন। কারন তার জ্ঞানের ঝুলি শেষ। তাই আপনাকে এমন একটি বিষয় বেছে নিতে হবে, যেটা আপনি সবচেয়ে ভালো বুঝেন। ধরুন আপনি ঘুরতে ভালোবাসেন, বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান নিয়ে আপনি ব্লগিং করলেই আপনার ভালো হবে। কারন আপনি সেটা সম্পর্কে জানেন। যদি আপনি একটা দর্শনীয় জায়গায় গেলেন কিন্তু আপনি বেড়াতে ভালোবাসেন না। আপনি কি একটা জায়গা সম্পর্কে জানেন জন্যই সেই বিষয় নিয়ে ব্লগিং শুরু করবেন? এটা থবে আপনার ভুল। কারন আপনি ভ্রমন সম্পর্কে আর কিছুই জানেন না। এজন্যই আপনাকে এমন একটা বিষয় বেছে নিতে হবে, যার সম্পর্কে আপনার বিস্তর জ্ঞান রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কিছু জানার নিশ্চয়তা আছে।
৪. সময় দেয়ার নিশ্চয়তাঃ

অনেকেই আছেন শখের বশে ব্লগিং শুরু করেন, কিন্তু পরে সময় দিতে পারেন না। এতে তার কোন লাভ হবে না। কারন হাতে প্রচুর সময় থাকলেই ব্লগিং করা উচিৎ। সাফল্য পাওয়ার পরে বেশী সময় না দিলেও চলে। তাই আপনাকে ব্লগিং এ সময় দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেই ব্লগিং এ নামতে হবে। নতুবা আপনি খুব তাড়াতাড়িই ব্লগিং থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পরবেন।

২০১৭ নতুন এবং পরিবর্তিত গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল প্রসেস ! সহজ পদ্ধতি


এটা কারো অজানা নয় যে অ্যাডসেন্স হল বিশ্বের সবথেকে High Paying Contextual অ্যাড প্রোগ্রাম। তাই এগুলো পুনরায় বলার কোন দরকার নেই। এতদিন পর্যন্ত অ্যাডসেন্স (Google adSense ) অ্যাপ্রুভাল প্রসেস খুবই সহজ ছিল। শুধু এপ্লাই করতে হত, গুগল টিম সেটা রিভিউ করত, আর সব ঠিকঠাক থাকলে কয়েক দিনেই অ্যডসেন্স অ্যাপ্রুভ হয়ে যেত। কিন্তু এটা খুবই খুশির খবর যে সম্প্রতি গুগল, নতুন পাবলিশার দের জন্য অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল প্রসেস আরো সহজ করে দিয়েছে। কি কি সুবিদা দেওয়া হয়েছে নতুন এই অ্যাপ্রুভাল প্রসেসে নিচে থেকে স্টেপ বাই স্টেপ দেখেনিন।

চলুন দেখে নেওয়া যাক নতুন অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল প্রসেস :

১) প্রথমে আপনি অ্যাডসেন্সের নীতিমালা মেনে সব কটি সূত্র পূরণ করুন।
২) তারপর অ্যাডসেন্স এ গিয়ে Get Started এ ক্লিক করুন।

৩) এখন আপনার তথ্যগুলি সঠিকভাবে দিয়ে ফর্মটি পূরণ করলে একবারেই আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।

৪) আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে লগ ইন করুন।

৫) এবার আপনার ব্লগের জন্য একটি অ্যাড কোড বানিয়ে আপনার ব্লগে সেটি যোগ করে দিন।

৬) ব্লগ খুলে দেখুন, আপনি যেখানে অ্যাড বসিয়েছিলেন সেখানে ফাকা জায়গা দেখা যাচ্ছে, কোন অ্যাড শো করছে না। ভয়ের কিছু নেই।

৭) যদি আপনার সাইট গুগলের সব নীতি মেনে চলে, তাহলে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সেই ফাকা স্থানে অ্যাড দেখানো শুরু করবে। এবং আপনাকে গিমেলে একটা মেই সেন্ড করা হবে গুগলের তরফ থেকে ।

৮) আপনার আয় যখন ১০ ডলারে পৌঁছোবে তখন গুগল আপনাকে একটি পিন দিয়ে মেল পাঠাবে, এর জন্য অবশ্যই আপনাকে তাদের কিছু তথ্য দিতে হবে কি দিতে হবে সেখানেই দেখতে পাবেন। যদি পিন না আসে চিন্তার কিছু নেই আপনি আবার পিন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং সঠিক ঠিকানা দেবেন, যদি তাও পিন না আসে তাও ভয়ের কিছু নেই আপনি কোন একটা ID প্রুফ দিয়ে আপনার অ্যাড্রেস ভেরিফাই করে নিতে পারবেন, যেমন পাসপোর্ট, ভোটার ID কার্ড ইত্যাদি।

৯) সেই পিন কোড টি আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে দিয়ে দিলেই আপনার ফাইনাল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল হয়ে যাবে।

১০। আপনার ইনকাম যখুন ১০০$ হবে তখুন আপনি অ্যাডসেন্স থেকে টাকা নিতে পারবেন, এর জন্য আপনাকে আগে থেকে আপনার অ্যাকাউন্ট এর বিস্তারিত দিয়ে রাখতে হবে অ্যাডসেন্স সেটিং এ আপনি সব কিছু পেয়ে যাবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করার আগে যা যা করণীয় ?


আমি নিচে যে বিষয় বলেছি তা সব নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কোন ইংরেজি ব্লগ থেকে কপি বা অন্য কোন ব্লগারের অভিজ্ঞতা থেকে না, আমি যেভাবে অ্যাডসেন্স পেয়েছি

অ্যাডসেন্স আবেদন করার পূর্ব চেক করে নিন আমি নিচে যা যা বলেছি তা আপনার ব্লগে আছে কিনা বা আমার বলার সঙ্গে মিচ্ছে কিনা। যদি মিলে তাহলে আপনি নির্দ্বিধাই আবেদন করে দিতে পারেন।

১। ব্লগের বয়স কত হওয়া উচিৎঃ

এই বিষয় টা প্রথমে তুল ধরার একটি বিশেষ কারন হল আমি যত  অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করেছি তার সব কটি ব্লগের বয়স ছিল ৫-৬ মাস+। তাই আমি এটা বলবনা যে আপনার ব্লগ বয়স ৫-৬ মাস হতে হবে এটা আমার অভিজ্ঞতা বললাম, তবে ব্লগের বয়স যদি একটু বেশি হয় তাহলে ভাল হয়, তবে ব্লগের মান, পোস্টের মান, যদি ভাল হয় তাহলে এর কম সময় হলেও সমস্যা নেই। তবে যদি প্রথম বারেই অ্যাডসেন্স পেতে চান তাহলে ব্লগে সময় দিয়ে কিছু ভাল পোস্ট করে, কিছু ভাল ভিজিটর হবার পর আবেদন করুন এতে অ্যাডসেন্স ৯৯% পাবার চান্স থাকে।

২। ব্লগে পোস্ট এর সংখ্যা কত থাকলে অ্যাডসেন্স এর ক্ষেত্রে ভাল ঃ

অনেকেই মনে করে অ্যাডসেন্স এর জন্য ৫০ পোস্ট থাকা চাই কিন্তু এটা আমি বিশ্বাস করিনা, আমি আগেই বলেছি এই পোস্টে সম্পূর্ণ আমার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। আপনি যদি ভাল মানের ১০-১৫ পোস্ট করেন এবং আপনার ব্লগের বয়স যদি একটু পুরনো হয় তাহলে আপনি এই পরিমান পোস্ট দিয়ে অ্যাডসেন্স পেতে পারেন। উদাহারান স্বরূপ এই  ব্লগে পোস্ট ২০ টি আছে কিন্তু আমি অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম ১৫ পোস্টে এবং Approved ও পেয়েছি । তবে আমি বলব আপনি ভাল মানের বেশ কিছু পোস্ট লিখুন তারপর আবেদন করুন এতে disapproved হবার চান্স অনেকটা কমে যাই।

৩। ব্লগে ভিজিটর কত থাকলে অ্যাডসেন্স এর ক্ষেত্রে ভাল ঃ

আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা আমি শেষ যে অ্যাডসেন্স Approved পাই সেই ব্লগে পোস্ট মাত্র ১৫ টি আর পেজ ভিউ প্রতিদিন ছিল ১০ এরও কম লাইফটাইম ২০০০ মত। তবে অনেকেই বলে ব্লগে মিনিমাম ১০০০ ভিজিটর থাকলে তবেই অ্যাডসেন্স পাবেন, কিন্তু আমার সঙ্গে ২ বার এমন হয়নি কম ভিজিটর দিয়েই আমি পেয়ে গেছি, তবে আপনি চেস্ট করুন ভাল কিছু ভিজিটর আনতে তারপর অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করুন। কারন ভাল ভিজিটর না থাকলে অ্যাডসেন্স পেয়েও তো লাভ নেই কারন ইনকাম হবেনা তাই মোটামোটি ভিজিটর বাড়ানোর চেস্টা করুন তারপর আবেদন করুন।
৪। ব্লগকে অবশ্যই Webmastertools এ সাবমিট করুন ঃ

আপনি যদি গুগল থেকে ভিজিটর পেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই webmastertools এ ব্লগ সাবমিট করতে হবে, আর যদি না করেন তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স পাবার আশাও অনেকটা কমে যাবে। তাই এই বিষয় টি ভাল ভাবে লক্ষ রাখেবেন আপনার ব্লগ webmastertools এ সাবমিট আছে কিনা।

৫। ব্লগ পোস্টে কত ওয়ার্ড এর পোস্ট থাকলে অ্যাডসেন্স পেতে সুবিদা ঃ

দেখুন এটা কোন কথাই না, ধরুন আপনি একটি পোস্ট লিখছেন যেটাতে ওয়ার্ড এর প্রয়োজন ৩০০ কিন্তু আপনি ফালতু ১০০০-২০০০ লিখতে যাবেন কেন! তবে হ্যা বেশি ওয়ার্ড এর পোস্ট থাকলে ভাল গুগল ভাল চোখে দেখে থাকে, তবে আমার অভিজ্ঞতার সঙ্গে এই ওয়ার্ড এর সঙ্গে অ্যাডসেন্স এর সম্পর্ক খুজে পাচ্ছিনা। তবে আপনি চেষ্টা করবেন একটু ভাল মানের পোস্ট লিখতে যাতে ভিজিটর আপনার পোস্ট পড়ে আনান্দ পাই। তবে পোস্ট ওয়ার্ড এর সাথে অ্যাডসেন্স এর কোন সম্পর্কে আছে বলে আমার মনে হয়না, শুধু কিছু ভাল মানের পোস্ট লিখুন এখুন ভাল মানের পোস্ট বলতে কি বুঝাতে চাইছি বুঝেতেই পারছেন 😉।

৬। ব্লগ ডিজাইন কতটা গুরুত্ব পূর্ণ অ্যাডসেন্স এর ক্ষেত্রে ঃ

আমি অনেক ব্লগারকে দেখেছি অ্যাডসেন্স নিয়ে পোস্ট লিখেছে এবং সেখানে এই ডিজাইন এর বিষয় টিকে সিরিয়াস ভাবে তুলে ধরেছে, কিন্তু আমি এখুন পর্যন্ত এমন কিছু ব্লগে অ্যাডসেন্স দেখছি যাদের ব্লগ ডিজাইন সব থেকে নিম্ন মানের। তবে চেস্টা করুন একটু ডিজাইন টা সাদা মাটা রাখতে। ফ্রী থিম ব্যবহার করুন আর পেইড কোন সমস্যা নেই, আমার মনে হয় এই ডিজাইন এর বিষয় টা নিজের কাছে অহেতুক ব্লগ ভারি করবেন না ইউজার ফ্রেন্ডলি করবেন তাহলেই চিন্তা নেই

৭। ব্লগার না ওয়ার্ডপ্রেস অ্যাডসেন্স এর জন্য কোনটা ভাল হবে ঃ

আমি এখুন পর্যন্ত ৩ টি অ্যাডসেন্স Approved পেয়েছি যার মধ্যে ২ টি ব্লগার প্লাটফর্ম দিয়ে বানান ব্লগ আর একটি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে 😊। তবে ব্লগার যেহেতু গুগলের আর অ্যাডসেন্সও গুগলের তাই একটু হাল্কা সুবিধা পেতে পারেন তবে আমি সেরকম পার্থক্য লক্ষ করিনি, সম্পূর্ণ নিজের অভিজ্ঞতা বললাম। অ্যাডসেন্স পেতে প্লাটফর্ম নয় কন্টেন্ট টাই মূল বিষয় তাই সেই দিকটাই বেশি জোর দিন।
৮। কি ধরনের ডোমেইন ব্যবহার করা উচিৎ ঃ

আপনি আপনার ব্লগে যেকোনো টপ লেবেল ডোমেইন ব্যবহার করতে পারেন যেমন .com, .in. .net, .org ইত্যাদি তবে ভুলেও ফ্রী ডোমেইন দিয়ে আবেদন করেন না যদিও আমি পরীক্ষা করিনি তবে ফ্রী ডোমেইন দিয়ে না পাবার চান্স ৯৯%, ফ্রী ডোমেইন বলতে আমি .TK, .ML এই সব ফালতু ডোমেইন গুলর কথা বলতে চাইছি। যখুন ব্লগে অ্যাডসেন্স ব্যবহার করবেন অর্থ উপার্জন করবেন তখুন একটু নিজের পকেট থেকে অর্থ ব্যয় করুন না মশাই 😉। আর হ্যা সাবডোমেইন দিয়েও আমি চেস্টা করিনি, তবে শেষ কথা একটা টপ লেবেল ডোমেইন দিয়েই অ্যাডসেন্স আবেদন করুন।

৯। ব্লগে ক্র্যাক , প্যাচ, কপি পোস্ট, গান, মুভি ইত্যাদি নিয়ে পোস্ট করা যাবে কি ঃ

দেখুন অ্যাডসেন্স বলে না আপনি যদি ব্লগার প্লাটফর্ম ব্যবহার করেন এবং ক্র্যাক, প্যাচ, কপি পোস্ট করেন তবুও ব্লগ ডিলিট হয়ে যাই আর এটা তো অ্যাডসেন্স এর বিষয়। আমি নিজেও এসো বন্ধু ব্লগে গান, মুভি, ক্র্যাক সফটওয়্যার অনেক শেয়ার করেছিলাম তবে সব পোস্ট ডিলিট করি তারপর আবেদন করি আপনিও সেটাই করুন তা নাহলে মুশকিল, এখুন আপনার মনে প্রশ্ন থাকতে পারে, বাংলার কিছু বড় বড় ব্লগ গুল তো এই সব কটেন্ট দিয়েও অ্যাডসেন্স পেয়েছে তাহলে বলি গুগল যদি ধরতে পারে তাহলে বিনা নোটিশে ব্যান্ড হবে সেই সব অ্যাকাউন্ট। তাই এই বিষয় টি সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে ভাববেন।

১০। অ্যাডসেন্স আবেদনের আগে ব্লগে যে সকল পেজ থাকা আবশ্যক ঃ

এই বিষয়টি খুবি গুরুত্ব পূর্ণ, আপনি যখুন অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে যাবেন তখুন নিচের যে যে পেজ গুল আমি বলেছি সেগুল অবশ্যই আপনার মেনু সে অ্যাড করে নিবেন, তা না হলে সমস্যাই পড়বেন।

প্রাইভেসি পলিসি পেজ
ব্লগ বা লেখক সম্পর্কে একটি পেজ বানাবেন
যোগাযোগ পেজ বানাবেন
Disclaimer পেজ বানাতে পারেন না হলেও সমস্যা নেই।
সাইট ম্যাপ পেজ বানাবেন।

উপরের পেজ গুল অবশ্যই নিজের ব্লগে মেনু কিংবা সাইড বারে অ্যাড করে নিবেন, তা নাহলে Approved হবে আপনার অ্যাকাউন্ট।

১১। Blogspot.com এই ডোমেইন দিয়ে কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে ঃ

এই বিষয় টি আমি সত্যি ক্লিয়ারনা তবে এখুন মনে হয় অ্যাডসেন্স দেইনা, তবে আগে দিত, আপনি সব সময় টপ লেবেল ডোমেইন দিয়ে চেস্টা করুন অবশ্যই অ্যাডসেন্স পেয়ে যাবেন।

শেষ কিছু কথা ঃ
পরে আমি সব নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি যেগুল আমি অনুসরণ করেছি এবং অ্যাডসেন্স পেয়েছি, তাই আমি উপরে যা বলেছি আপনি অনুসরণ করুন সেই ভাবে নিজের ব্লগটা তৈরি করুন দেখুন আপনার ব্লগ অ্যাডসেন্স পেয়ে যাবে। বাকি গুগল অ্যাডসেন্সের যে Terms and Conditions আছে সেটা নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি পোস্ট করবো। পোস্টটি বেশি বড় করলাম না, জানি যারা নতুন তাদের মধ্যে আরও অনেক একাধিক প্রশ্ন আছে যে গুলো আসতে আসতে পোস্ট করবো আপাতও এই টিপস গুলো ফলো করুন দেখুন কাজে হয়ে যাবে।

গুগল অ্যাডসেন্স এ CPC, Page RPM ও Page CTR কি?


এ্যাডসেন্স পাবলিশারদের জন্য খুবই জরুরী একটি বিষয়। অনেকে এ সহজ বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে না জানার কারনে তাদের এ্যাডসেন্স একাউন্ট হতে আয় বৃদ্ধি করতে পারেন না। গুগল মূলত CPC ও RPM হিসেব করে এ্যাডসেন্স পাবলিশারদের বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা প্রদান করে থাকে। সেই ক্ষেত্রে যার ওয়েবসাইটের CPC ও RPM Rate যত বেশী হবে তার ওয়েবসাইটের ইনকাম তত বেশী হবে। এই সহজ তিনটি বিষয় নিয়ে যাদের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে, তারা আজকের এই পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

গুগল এ্যাডসেন্স থেকে আয় বৃদ্ধি করার প্রধান এবং একমাত্র উপায় হচ্ছে ব্লগের ট্রাফিক বৃদ্ধি করা। যার ব্লগে যত বেশী ভিজিটর থাকবে এ্যাডসেন্স হতে সে তত বেশী আয় করতে সক্ষম হবে। পোষ্টের মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার পূর্বে এটি বিষয় বলে রাখছি যে, আমাদের আজকের পোষ্টের মূল বিষয় CPC ও RPM বৃদ্ধি করা নয়, শুধুমাত্র গুগল AdSense CPC, Page RPM ও Page CTR সম্পর্কে বেসিক ধারনা নেওয়া।
।CPC, Page RPM ও Page CTR কি?
আমরা আজ এই তিনটি বিষয় নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আলাদা আলাদা অংশে ভাগ করে আলোচনা করব। তবে তার পূর্বে এগুলির সাথে সম্পৃক্ত আরো কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলি না জানলে বা পরিষ্কারভাবে ধারনা না নিলে আপনার কনসেপ্ট ক্লিয়ার হবে না।
  • Click কিঃ গুগল এ্যাডসেন্সের ক্ষেত্রে Click বলতে শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন ক্লিককে বুঝানো হয়। এ ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটের কতগুলো পেজে ক্লিক হয়েছে সেটি নির্দেশ করে না।
  • Impression কিঃ এটি দ্বারা আপনার ব্লগের প্রত্যেকটি Page View কে বুঝানো হয়ে থাকে। অধীকন্তু আপনার ব্লগের Page View, Ad View সহ কোন Individual Ad View কেও নির্দেশ করে। সাধারণত Impression তিন ধরনের হয়ে থাকে, যথা-Page views, Page impression ও Ad impression.
  • Page views কিঃ Page views দ্বারা বুঝানো হয়ে থাকে আপনার কাঙ্খিত ব্লগের পেজ এর মাধ্যমে ভিজিটর কতটি বিজ্ঞাপন দেখতে পেয়েছে। ধরুন আপনার ব্লগের একটি পেজে মোট ৩ টি বিজ্ঞাপন রয়েছে, কিন্তু ভিজিটর ঐ পেজের সবগুলি বিজ্ঞাপন দেখেনি অর্থাৎ একটি বিজ্ঞাপন নিচের দিকে থাকার কারনে সেটি ব্রাউজারের উপরে উঠেনি। সে ক্ষেত্রে এখানে আপনার Page views হিসেবে ২ গণনা করা হবে।
  • Page impression কিঃ Page views এবং Page impression একই জিনিস। দুটি দ্বারা প্রায় একই ধরনের বিষয় বুঝানো হয়ে থাকে।
  • Ad impression কিঃ এটি দ্বারা আপনার ব্লগের প্রত্যেকটি পেজের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের হিসাব গণনা করা হয়। ধরুন আপনার ব্লগের একটি পোষ্টে ৩ টি বিজ্ঞাপন রয়েছে এবং পোষ্টটি সর্বমোট ৫ বার ভিজিট করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে Ad impression হিসাব করা হবে ৩x৫=১৫ অর্থাৎ কাঙ্খিত পোষ্টের ১৫ Ad impression গণনা করা হবে।

CTR (Click Through Rate) কি?
একটি ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপনের মোট ভিউ এর মধ্যে কতবার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হয়েছে সেটি বুঝাতে CTR ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ হিসেবে- ধরুন আপনার ব্লগের বিভিন্ন পেজ ১০০ বার ভিউ হয়েছে এবং Add এ মাত্র ১০ জন ভিজিটর ক্লিক করেছে। সে ক্ষেত্রে আপনার CTR হবে ১০% । যদি আপনার ব্লগের পেজ ভিউ হয় ১০০ এবং ৫০ বার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হয়ে থাকে, তবে আপনার CTR দাড়াবে ৫০%। এই CTR দ্বারা শুধুমাত্র আপনার বিজ্ঞাপনের মোট ভিজিটরের ভিউয়ের ক্লিক সংখ্যা হিসাব করা হয়।
CPC (Cost Per Click) কি?
Cost Per Click সম্পর্কে বেশী কিছু বলার প্রয়োজন নাই। কারণ এটি দ্বারা কি বুঝানো হয় তা আপনি নিজেই বুঝতে পারছেন। আপনার বিজ্ঞাপনের প্রতি Click এর কারনে এ্যাডসেন্স আপনাকে কত ডলার পরিশোধ করবে সেটি বুঝানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে যার ক্লিট রেট যত বেশী হবে তার আয়ও তত বেশী হবে। ধরুন-আপনার CPC রেট 0.03$, সে ক্ষেত্রে আপনি প্রতি এড Click এ পাবেন 0.03$ ডলার।
RPM (Revenue Per Mile) কি?
এটি দ্বারা একটি ব্লগের বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক ব্যতীত শুধুমাত্র প্রতি ১০০০ পেজ ভিউ হিসেবে কত ডলার দেওয়া হবে সেটি গণনা করা হয়। ধরুন- আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের RPM 1.25$, এ ক্ষেত্রে গুগল আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের প্রতি ১০০০ বার ভিউ এর জন্য 1.25$ ডলার পরিশোধ করবে।
CTR, CPC ও RPM এর সর্বমোট হিসাবঃ
ইতোপূর্বে আপনি উপরের তিনটি বিষয় থেকে পরিষ্কার ধারনা পেয়েছেন যে, Google AdSense কিভাবে হিসেব করে বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা পরিশোধ করে এবং কিভাবে আপনার এ্যাডসেন্সের আয়ের পরিমান হ্রাস ও বৃদ্ধি পায়। এখন আমি উদাহরনের মাধ্যমে তিনটি বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করব।

উদাহরণ- মনেকরুন আপনার ব্লগে প্রতি মাসে এক লক্ষ পেজ ভিউ হয় এবং আপনার ব্লগের CTR ৩%। অর্থাৎ প্রতি একশত পেজ ভিউ এর মধ্যে মাত্র তিন জন আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে। এ ক্ষেত্রে আপনার নীট CTR হবে (মোট ভিউ x CTR ÷ ১০০) অর্থাৎ (১০০০০০x৩÷১০০) = ৩০০০ বার। আপনার ব্লগের এক লক্ষ পেজ ভিউ এর মধ্যে ৩০০০ জন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেছে। সেই হিসাবে আপনার ব্লগের CPC রেট 0.03$ হয়ে থাকলে মোট ক্লিক রেট হবে (৩০০০x০.৩) = ৯০০ ডলার। অর্থাৎ এক লক্ষ ভিউয়ার এর মধ্যে ৩০০০ বিজ্ঞাপন ক্লিক এর কারনে গুগল আপনাকে ৯০০ ডলার পরিশোধ করবে।

অন্যদিকে আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের RPM 1.25$ হলে আপনি মোট ভিউ হিসাব করে (মোট ভিউ ÷ ১০০০ x ১.২৫) অর্থাৎ (১০০০০০ ÷ ১০০০ x ১.২৫) = ১২৫ ডলার। CTR ব্যতীত শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনের ভিউয়ের জন্য গুগল আপনাকে আরো ১২৫ ডলার পরিশোধ করবে। সেই হিসেবে দেখা যায় কেউ যদি উপরোক্ত যোগ্যতা সম্পন্ন ব্লগের সমন্বয়ে এক লক্ষ ভিউয়ার পায়, তাহলে সে গুগল এ্যাডসেন্স থেকে মাসে ৯০০ + ১২৫ = ১০২৫ ডলার আয় করতে সক্ষম হবে।
সর্বশেষঃ উপরে প্রদত্ত হিসাব এবং AdSense CPC, Page RPM ও Page CTR থেকে আপনি বুঝতে পারছেন যে, আপনি কেন গুগল এ্যাডসেন্স থেকে কম উপার্জন করছেন বা অন্যকেউ কম ভিজিটর পেয়েও আপনার চাইতে বেশী আয় করছে। আপনার ব্লগের CPC, Page RPM ও Page CTR যত বেশী হবে এ্যাডসেন্স থেকে তত বেশী আয় করতে পারবেন। সাধারণত ব্লগের কনটেন্টের মান, র‌্যাংকিং এবং বিজ্ঞাপনের লোকেশনের উপর ভিত্তি করে CPC ও RPM কম বেশী হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে আপনি ভালমানের কনটেন্টের সমন্বয়ে উন্নত দেশের বিজ্ঞাপনকে টার্গেট করতে পারলে এ্যাডসেন্স CPC ও RPM বৃদ্ধি করে ব্লগের আয় বাড়াতে পারবেন।

কিভাবে ব্লগ অথবা ওয়েবসাইটের Page Impressions এবং Traffic বৃদ্ধি করতে হয়?


গুগল AdSense Page Impression কিঃ Page Impression এর কথাটি বল্লেই প্রথমে গুগল AdSense Page Impression এর বিষয়টি চলে আসে। এই জন্য আমি গুগল AdSense Page Impression দিয়ে শুরু করলাম। মূলত Page Impression এর অর্থ হচ্ছে ভিজিটররা কত সময় আপনার ব্লগে অবস্থান করে এবং কতগুলি পোষ্ট/পেজ ভিজিট করে। আপনি যদি Google Adsense কিংবা অন্য কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন Use করে থাকেন তাহলে এই বিষয়টি আপনার জন্য খুবই জরুরী। কারণ আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এবং Page View না থাকলে আপনি যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেও সফল হতে পারবেন না। এই জন্য ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এবং Page View পাওয়ার জন্য আপনার ব্লগে ভাল মানের কনটেন্ট থাকতে হবে। আপনি যখন ব্লগে ইউনিক এবং ভাল মানের কনটেন্ট লিখবেন, তখন ব্লগ ভিজিট করার জন্য কাউকে বলতে হবে না। আপনার ব্লগের কনটেন্টই সার্চ ইঞ্জিন হতে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এবং Page View নিয়ে আসবে। Page Impression এবং ভিজিটর বৃদ্ধি করার জন্য নিম্নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরলাম।
  • ভাল মানের কনটেন্টঃ আমি বার বারই এই কথাটি সবাইকে পরামর্শ দিয়ে থাকি যে, ব্লগে সব সময় ভালমানের ইউনিক কনটেন্ট লিখার জন্য। কারণ ব্লগে ভিজিটর পাওয়ার জন্য সহজ ও প্রধান মাধ্যম হচ্ছে ভালমানের কনটেন্ট। আপনি যখন ব্লগে নিত্য নুতন ইউনিক কনটেন্ট ব্যবহার করবেন তখন এই কনটেন্টই আপনার ব্লগে ভিজির নিয়ে আসবে। আর যখন ভিজিটররা আপনার ব্লগে পড়ে ভালমানের কনটেন্ট পাবে তখন তারা পুনরায় আপনার ব্লগ ভিজিট করবেই। অন্যের ব্লগ থেকে কনটেন্ট কপি করে আপনার ব্লগে ব্যবহার করলে আপনি কোন ভাবেই সফল হতে পারবেন না।
  • নেভিগেশন ম্যানুবারঃ আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইট যে কোন ধরনেরই হোক না কেন অবশ্যই একটি Menu Bar যু্ক্ত করবেন। ম্যানুবারে আপনার ব্লগের প্রধান বিষয়গুলির Label লিংক যুক্ত করে দেবেন। এতে করে ভিজিটররা সহজে বুঝে নিতে পারবে যে, আপনার ব্লগের বিষয় বস্তু কি। যার ফলে সহজে আপনার ব্লগের Page Impression বাড়তে থাকবে।
  • হোম পেজের পোষ্ট Summary: এটি হচ্ছে যে কোন ব্লগের Page Impression বাড়ীয়ে নেওয়ার সহজ একটা পদ্ধতী। আপনার ব্লগের হোম পেজে পোষ্টগুলির Summary সস্পূর্ণ না দিয়ে অল্প কিছু দেবেন এবং বাকী অংশগুলি Read More বাটন যুক্ত করে দিতে পারেন। এতে করে ব্লগের Page View বাড়বেই।
  • ব্লগের Load Time উন্নত করাঃ আপনার ব্লগটি যদি খুব ধীর গতির হয় তাহলে ব্লগে কোনভাবেই ভিজিটর এবং Page View পাবেন না। কারণ ব্লগ যদি Load নিতে বেশী সময় নেয় তাহলে ভিজিটররা বিরক্ত বোধ করবে এবং আপনার ব্লগ থেকে বেরিয়ে যাবে। অধীকন্তু বাংলাদেশের ইন্টারনেট স্পীডের যা অবস্থা তাতে করে বুঝতেই পারছেন যে, ব্লগ স্লো গতির হলে কি হবে।
  • Popular Posts widget যুক্ত করাঃ আপনার ব্লগে পাঠক ধরে রাখার জন্য এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। ভিজিটররা যখন সার্চ ইঞ্জিন হতে কোন একটি পোষ্টের মাধ্যমে আপনার ব্লগে প্রবেশ করবে, তখন সে আপনার জনপ্রিয় পোষ্টগুলি দেখা মাত্র ভিজিট করতে চাইবে। এটি আপনার ব্লগের সাইডবারে যুক্ত করে রাখতে পারেন।
  • Related Posts যুক্ত করাঃ এটি অবশ্যই আপনার ব্লগ পোষ্টের নিচে যুক্ত করে রাখবেন। আপনার ব্লগের পাঠক যখন কোন একটি পোষ্ট পড়বে তখন ব্রাউজার অটোমেটিক পোষ্ট বাছাই করে এ ধরনের Related Posts শো করবে। এর ফলে পাঠক হয়তো এই পোষ্টগুলিও পছন্দ করতে পারে। কাজেই আপনার ব্লগে পাঠক Engage রাখার জন্য এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
  • Random Posts Widget যুক্ত করাঃ এমন কিছু ভিজিটর থাকবেই যারা প্রতিদিন আপনার ব্লগটি ভিজিটর করে। কাজেই তারা এক ধরনের পোষ্ট দেখতে দেখতে বিরক্তবোধ করবে। আপনি যদি Random Posts Widget টি যুক্ত করে রাখেন তাহলে এটি আপনার ব্লগের অগোছাল পোষ্টগুলি শো করবে। এতে করে পাঠক আপনার ব্লগ এর পোষ্ট সম্পর্কে আরও বেশী ধারনা পাবে।
  • Search Box যুক্ত করাঃ ব্লগে অবশ্যই একটি ভালমানের সুন্দর Search Box যুক্ত করে রাখবেন। কারণ পাঠক যখন আপনার ব্লগে তার পছন্দের কোন কিছু খুজবে তখন সে চাইবে সব পোষ্টগুলি না ঘেটে সার্চ করে খুজে নিতে। এ ক্ষেত্রে যদি আপনার ব্লগে সার্চ বক্স না থাকে তাহলে সে বিরক্ত হয়ে চলে যাবে।
  • পোষ্টের মধ্যে Permalink তৈরীঃ যখন আপনি কোন পোষ্ট লিখবেন তখন এই পোষ্ট সম্পর্কিত পূর্বের পোষ্টগুলি Anchor text আকারে Permalink তৈরী করে দিতে পারেন। এর ফলে ভিজিটর আপনার পোষ্টটি পড়ার সময় পূর্বের ঐ পোষ্টটিও সহজে পড়ে নিতে পারবে। যার ফলশ্রুতিতে আপনার ব্লগের Page Impression বাড়তে থাকবে।
  • সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার এবং Forum এ অংশগ্রহনঃ নতুন পোষ্ট করার সাথে সাথে অব্যশই পোষ্টটি Facebook, Twitter এবং Google+ সহ বিভিন্ন সোসিয়াল মিডিয়া সাইটে শেয়ার করে দেবেন। এছাড়া আপনার ব্লগ সম্পর্কিত অন্য কোন ভালমানের ফোরামে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মাধ্যমে আপনার পোষ্টের লিংকটি শেয়ার করে দিতে পারেন। এতে করে ঐ সমস্ত সাইটগুলি থেকে আপনার ব্লগে ভিজিটর বাড়তে থাকবে।
  • পরিষ্কার Background এবং সুন্দর ফন্টঃ ব্লগে কালো রংয়ের Background এবং অস্বচ্ছ Font ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি এমন রংয়ের Background এবং Font ব্যবহার করবেন যাতে ব্লগটির কনটেন্ট পাঠক সহজে দেখতে পারে এবং পড়তে পারে। বাংলা ব্লগের ক্ষেত্রে ফন্ট সমস্যা সামাধানের একটি পোষ্ট করে রাখতে পারেন, যাতে করে সহজে পাঠক ফন্ট সমস্যার সমাধান করে নিতে পারে।
  • বিজ্ঞাপনঃ বেশী লাভের আশায় ব্লগের যেখানে সেখানে ইচ্ছামত নিম্নমানের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করবেন না। এতে করে পাঠকরা বিরক্তবোধ করবে এবং হিতের বিপরীত হতে পারে। কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় সঠিক মাপের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে আপনার ইনকাম বাড়বে এবং পাঠকরাও কোন বিরক্তবোধ করবে না।
শেষ কথাঃ আপনি যদি উপরের সবগুলি পোষ্ট ভালভাবে মেনে চলেন তাহলে আপনার ব্লগের ভিজিটর এবং Page Impression অবশ্যই বাড়বে। আর যারা Google Adsense বিজ্ঞাপন ব্যবহার করছেন তাদের ব্লগের Page Impression বাড়ার মানেই হচ্ছে আয় বেড়ে যাওয়া। তবে সব কিছুর মূলেই হচ্ছে ব্লগের কনটেন্ট। ব্লগে অবশ্যই ভালমানের ইউনিক কনটেন্ট থাকতে হবে। কোন উপায়েই কপি করা কনটেন্ট ব্যবহার করা যাবে না।

Online হতে টাকা আয় করার ৬ টি সহজ টিপস

আরও অন্য দশজন স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মত আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। মাঝে মাঝে আমার নিজের প্রতিও খুব দুঃখ হয় কেন আমি বিগত দুই বৎসর এ সকল সাইটে সময় ব্যয় করলাম। আমি নিজে প্রায় দুই বৎসর ফেইসবুক, টুইটার এবং বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলে সময় পার করেছি। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং করে কাটালাম না।

এ রকম আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। আপনি যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ২-৩ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতয় গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আমিত নির্ধিদ্বায় বলতে পারি এর শুরু থেকে শেষ অব্দি শুধু শূন্য আর শূন্য।


আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, social media and gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর বয়সি আধুনিক জেনারেশনরা ইন্টারনেট হতে অল্প কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।
কেন ছাত্রদের টাকার প্রয়োজনঃ স্কুল কিংবা কলেজ সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু Extra Pocket Money এর প্রয়োজন হয়। এই অল্প টাকা দিয়েই সে তার নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট খাটো সখ এবং প্রয়োজন গুলি মিটিয়ে নিতে পারে। তাছাড়াও স্বাভাবিক ভাবেই এখনকার জেনারেশনের ছাত্রদের Smartphone, Gaming consoles, Cool cloths ইত্যাদি লাগেই। এ গুলি তাদের চলার পথকে আর Smart এবং সুগম করে। এই ছোট খাটো ব্যাপার গুলি অনেক সময় আপনার ফ্যামেলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হতো তেমনি প্রয়োজন গুলিও মিটে যেত। তাছাড়া অনেক গৃহিনী আছেন যাদের বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজই থাকে না। তারা বেশীরভাগ সময় ব্যয় করে ফেইসবুকে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করে। আপনি অযথা এই সময় ব্যয় না করে যদি নিজের কিছু প্রয়োজন মিঠাতে পারেন বা অল্প আয় করতে পারেন তাহলে দুষের কি? নিচে আমি অনলাইন হতে আয় করা সহজ কিছু কৌশল দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে কিছু পয়সা উপার্জন করে নিতে পারবেন।

০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে।
০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।
০৩। Freelancing – একজন লেখক হয়েঃ Freelancing হচ্ছে এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।
০৪। Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Adsense Approv করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approv হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।
০৫। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা উপার্জন করবেন।
০৬। EBAY and AMAZON এ আপনার Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।

উপসংহারঃ আপনারা পোষ্টটি পড়ে হয়তো ভাবছেন এখানে ইন্টারনেট হতে আয় করার কথা বার বার বলা হচ্ছে কিন্তু কিভাবে করবো তা দেখানো হচ্ছে না কেন? আসলে কিভাবে আয় করবেন এটা নিয়ে বর্ণনা করা এই পোষ্টের উদ্দেশ্য নয়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের শুধু আয় করার সহজ কয়েকটি পথ দেখিয়ে দিলাম। যার ফলে আপনি এই পথ ধরে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আর আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে এ সম্পর্কে ইন্টারনেট হতে বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন। তবে আমরাও পরবর্তীতে আলাদাভাবে সব টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। ততক্ষণ আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ..

অনলাইনে আয়

বর্তমানে অনলাইন আয়ের সবচেয়ে আস্থাশীল এবং গ্যারান্টেড ওয়ে হচ্ছে ব্লগিং। আপনার যদি একটা ব্লগ থাকে এবং সেখানে যদি রেগুলার ট্রাফিক থাকে তবে আপনি অবশ্যই সেখান থেকে একটা পরিমাণ আয় জেনারেট করতে পারবেন। ব্লগকে মনিটাইজ করার নানা ধরণের রাস্তা আছে। আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমি ব্লগকে মনিটাইজ করার সেরা পাঁচটি ওয়ে সম্পর্কে বলবো। সাতটি মনিটাইজেশন ওয়ে হচ্ছে – ১. প্রোডাক্ট রিভিউ ২. ইউডেমি কোর্স ৩. গুগল এডসেন্স ৪. এডসেন্স অল্টারস – মিডিয়া ডট নেট ৫. সিপিএ মার্কেটিং ১. প্রোডাক্ট রিভিউ অনলাইনে প্রতিদিন প্রচুর পণ্য কেনাবেচা হয়ে থাকে। আপনি আপনার ব্লগে যেকোন প্রোডাক্টের সম্পুর্ন একটা রিভিউ লিখে সেখানে রেফারেল লিংক দিয়ে ওই পণ্যের দাম থেকে একটা নির্দিষ্ট কমিশন ইনকাম করতে পারেন। অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট এই জন্য সবচেয়ে সুপরিচিত। আপনার ব্লগে অ্যামাজনের প্রোডাক্ট রিভিউ পাবলিশ করবেন। নিস টার্গেটেড ভিজিটর যদি আপনার ব্লগে আসে তাহলে তারা আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে কোন পণ্য কিনলে সেখান থেকে আপনি কমিশন পাবেন। অ্যামাজন ছাড়া ও আরো নানা ধরণের অ্যাফিলিয়েট মার্কেট প্লেস আছে। ডিজিটাল প্রোডাক্টের জন্য ক্লিকব্যাংক সুপরিচিত। ২. ইউডেমি কোর্স ইউডেমি নানা ধরণের কোর্স কেনাবেচার সবচেয়ে সেরা জায়গা। আপনি ওখানের একজন অ্যাফিলিয়েট হিসেবে সাইন আপ করে কোর্স গুলো নিয়ে আপনার ব্লগে রিভিউ লিখতে পারেন। আপনার ব্লগের লিংক থেকে যদি কেউ এসে কোন কোর্স কিনে তাহলে সেখান থেকে আপনি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। ৩. গুগল এডসেন্স আপনি যদি আপনার সাইটকে এড দিয়ে মনিটাইজ করতে চান তাহলে সবচেয়ে সেরা উপায় হল গুগল এডসেন্স। আমার মতে আরো নানা ধরণের এড নেটওয়ার্ক থাকলে ও গুগল এডসেন্স সবচেয়ে রিলায়েবল এবং সুপরিচিত। আমি নিজে গুগল এডসেন্স ইউজার এবং এই রিলেটেড বিস্তারিত ব্লগ পোস্ট নেক্সট টাইম পাবলিশ করা হবে। ৪. এডসেন্স অল্টারস – মিডিয়া ডট নেট এডসেন্সের পরেই সবচেয়ে রিলায়েবল এড নেটওয়ার্ক হলো মিডিয়া ডট নেট। এডসেন্সের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ওরা খুবই স্পর্শকাতর, সামান্য এদিক সেদিক হলে আপনি ব্যান খেতে পারেন। কিন্তু মিডিয়া ডট নেটে সেই সমস্যা নেই। ৫. সিপিএ মার্কেটিং অনলাইন মার্কেটিং এর অন্যতম উপায় হল সিপিএ মার্কেটিং। এর পুর্ন রুপ হচ্ছে কস্ট পার একশন। সিপিএর নানা মার্কেটপ্লেস রয়েছে ম্যাক্সবাউন্টি, পারফ্লি, সিপিএলীড এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। এসব মার্কেটপ্লেস থেকে অফার চুজ করে আপনি আপনার ব্লগে প্রমোট করতে পারেন।

অনলাইনে আয় করার জনপ্রিয় উপায়


ঘরে বসে অনেকভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা এই নিবন্ধ পড়লে তুমি জানতে পারবে। আমি তোমাকে বলে রাখতে চাই যে, অনলাইনে আয় করা বাস্তব জীবনে আয় করার মতোই কঠিন। এখানে এমন কিছু রাস্তা আছে যেগুলোতে কাজ শুরু করা সহজ কিন্তু, এগুলো থেকে বেশী টাকা রোজগার করা যায় না। এ তুলনায় অন্যান্য উপার্জনের পন্থায় ভালো আয়ও হয় আবার, তা ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে। বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের উপায়গুলো নিম্নরুপ,
১।পেড রিভিউ-এর মাধ্যমে আয় রোজগার

সার্ভে বা জরিপ একটা পুরাতন পদ্ধতি আর আমার মনে হয় তুমি এ বিষয়ে জানো। “সার্ভে” সাইটে তুমি গিয়ে নিবন্ধিত হবে আর সার্ভে বা জরিপ আসার অপক্ষা করবে; সার্ভে ফর্ম পূরণ করে তোমার মতামত জানাবে, ব্যস! প্রতিটি সার্ভের জন্যে তুমি টাকা পাবে। এখানে, এমন কিছু ব্যবস্থাও আছে যেখানে, ইমেইল পড়ার ও জবাব দেওয়ারও কাজ থাকে। সার্ভে সাইট হিসেবে অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে-সার্ভে সেভী।
২।নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার

এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো পাঠকদের লেখায় আপডেট হতে থাকে। কোন কোন সাইটে তারা লেখকদের সাথে মুনাফা ভাগ করে নেয়। তুমি এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারো আর তোমার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, তুমি ততো বেশি টাকা পাবে। “শুভং” নামক একটা ওয়েবসাইট আছে যারা তাদের লেখকদের সাথে শতকরা ১০ ভাগ গুগল এডসেন্স-এর লভ্যাংশও ভাগ করে নেয়।
৩।পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এ আয় রোজগার

পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এর সাহায্যে তুমি ওয়েবসাইট(শুধুমাত্র স্পনসরড্ সাইটগুলো‌)ব্রাউজ করার জন্যে টাকা পাবে। এতে আরো উপায় আছে যাতে ওয়েবসাইট সার্ফ করে, ওয়েবসাইট দেখে আর ওয়েবসাইট সার্চ করে টাকা উপার্জন। সত্যকথা বলতে কি, এই সাইটগলো আয়ের তুলনায় অনেক বেশী সময় অপচয় করে। এরা তোমার একেক ইউনিট এডের পেছনে তোমার ব্যয়ের তুলনায় খুবই কম টাকা দেয়। একটা জনপ্রিয় পিটিসি সাইট যারা ভালো অর্থ প্রদানও করে থাকে সেটি হচ্ছে- বাকস্‌.টু
৪।তোমার তোলা ছবির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন

যদি তুমি একজন ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হয়ে থাকো, তবে তোমার তোলা আকর্ষনীয় ছবিগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। অনলাইনের ডিজাইনার্‌রা তাদের প্রজেক্টের জন্যে অনেক ছবি খুঁজে থাকেন, তুমি তাদের নিকট তোমার ছবিগুলো বিক্রি করতে পারো। তুমি তোমার ছবিগুলো আই-স্টক-ফটোস্‌ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে পারো।
৫।গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার

গুগল এডসেন্সে আয় করার জন্যে তোমার একটা সচল ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ প্রয়োজন। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো এমন বিলবোর্ড বা পোস্টার যেখানে তারা(জনৈক অসাধু ব্যবসায়ীরা) দাবি করে যে, তুমি এখান ১০ থেকে ২০ ডলার দৈনিক আয় করতে পারবে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা! গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় তখন যখন, কেউ গুগলের সেসব এডে ক্লিক করে। কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে তোমাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে। কিন্তু, তোমাকে সেসব নকল এডসেন্স শেখার জায়গায় এই সেখানো হয় যে, কিভাবে চুরির লেখা দিয়ে একটা নকল ওয়েবসাইট বানাতে হয়, এটাতো আসল নয় কারণ এটা একটা ধোঁকাবাজি।
google.com/adsense
৬।তোমার মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা পাবে

হ্যাঁ, এটিই নতুন দিনের আয় রোজগার মাধ্যম, এখন তুমি টাকা নিয়ে যেকোন ওয়েবসাইট বা কোম্পানীর ব্যাপারে তোমার মতামত দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে ফেলো তোমার ব্লগে। পেড রিভিউ সাইটগুলো কল্যাণে, এখন তারা(কোম্পানী বা ওয়েবসাইটগুলো) তোমাকে তাদের ব্র্যান্ড, পন্য বা ওয়েবসাইটের বিষয়ে লেখার জন্যে অর্থ পরিশোধ করবে। তোমার এই মতামত বা ব্লগ তাদের নিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করবে আর তারা পাবে অধিক পাঠক ও ক্রেতা। এরকম একটা জনপ্রিয় পেড্‌ রিভিউ সাইট হচ্ছে-সোস্যালস্পার্ক
৭।এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর মাধ্যমে আয় রোজগার(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)

এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে কোন পন্যের প্রচার করবে আর যখন পন্য বিক্রি হবে, তখন তুমি এর থেকে কমিশন পাবে। এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পন্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; তুমি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারো। তুমি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পন্য বিক্রয় করতে পারো।
৮।ব্যানার এডস্‌ বা “ব্যানার” জাতীয় বিজ্ঞাপন বিক্রি করে আয় রোজগার

যদি তোমার একটা প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে, তবে বিজ্ঞাপনদাতারা তোমার ব্লগে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। একেই বলে, ব্যানার এডস্‌ অথবা সরাসরি ইনকামের সুযোগ। তোমার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা যতো বেশি হবে তোমার পাঠক সংখ্যা বাড়বে ততো বেশি হবে আর তোমার আয়ও বাড়তে থাকবে।
৯।ফ্রি-লেন্সিং বা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে অর্থ উপার্জন

ঘরে বসে ফ্রি-লেন্সিং করা আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ। তোমার যদি ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা এড্‌মিনিস্ট্রেশন বা তদারকির কাজে দক্ষতা থাকে তাহলে, তুমি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারো। তুমি চাইলে ফ্রিলেন্সিংভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারো।
১০।টুইটার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা

বিজ্ঞাপনদাতাগণ বর্তমানে তাদের ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপন উদ্যোগগুলো “টুইটার” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন। এজন্যে, তোমার কোন ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট থাকারও প্রয়োজন নেই। এমন অনেক কোম্পানী রয়েছে, যারা টুইটার বিজ্ঞাপনের কাজ করে থাকে যেমন- মেগ-এ-পাই।
অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে পাবেন?

ক।চেকে টাকা পাওয়া

এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম।

খ।পেপেল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

পেপেল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে। অবশ্য, এখনও পেপেল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু শীঘ্রই আসবে।

গ।পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড

এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা রাস্তা। তুমি অডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি।

ঘ।মানিবুকারস্‌ থেকে টাকা প্রাপ্তি

মানিবুকারস্‌ অনেকটা পেপেলের মতোই আর এটা তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা প্রচলিত আছে। মানিবুকারস্‌

ঙ।এলার্টপে-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

এটিও পেপেলের মতোই আর বাংলাদেশে প্রচলিত আছে। তুমি এর টাকা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন থেকে উঠাতে পারো। এলার্টপে

চ।ই-গোল্ড ব্যবহার টাকা প্রাপ্তি

পেপেলের মতোই…ই-গোল্ড
ইউটিউব থেকে আয় করার ৫ টি উপায়

ইউটিউব থেকে আয় করার ৫ টি উপায়


বেশিরভাগ মানুষ ইউটিউব ব্যাবহার করে সম্পূর্ণ মজার খোঁড়াক হিসেবে। কেউ ব্যাবহার করে নিজের বিভিন্ন ক্রিয়েটিভিটি প্রদর্শন করে রাতারাতি খ্যাতি পাওয়ার জন্য আবার কেউ এটি ব্যাবহার করে নিজের এবং বন্ধুবান্ধবদের একান্ত কিছু স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সারাজীবন। কিংবা কেউ হয়তো বিদেশে থাকা প্রিয়জনের কাছে নিজেদের বিশেষ আয়োজন বা মুহূর্ত পৌঁছে দেয় ইউটিউব এ আপলোড করা একটি ভিডিও এর মাধ্যমে।

কিন্তু যেসকল মানুষ প্রতিনিয়ত ইউটিউব ব্যাবহার করে শুধু শখের বসে তারা জানেই না যে আপনার আপলোড করা এই ভিডিও গুলো অনায়াসে হতে পারে আপনার আয়ের উৎস। খুব সহজ সাধারন কিছু নিয়ম অনুসরন করে অনলাইনের আয়ের যেকোনো ক্ষেত্র থেকে অনেক দ্রুত আয় করা যায় ইউটিউব থেকে। শুধু জানতে হয় আয়ের সঠিক পথ। তো চলুন দেখে নেই কি কি ভাবে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন –

১. ইউটিউব থেকে আয় করুন অ্যাডসেন্স দিয়ে

এটাই ইউটিউব থেকে আয় করার সবথেকে জনপ্রিয় এবং বড় মাধ্যম। আমরা সকলেই জানি যে ইউটিউব হচ্ছে গুগল এর একটি সেবা। আবার গুগল অ্যাডসেন্স ও গুগলের। তাই ইউটিউব এর ব্যাপারে গুগলের প্রাধান্য অনেক। এমনকি আপনি মাত্র কয়েকটা ছোট ছোট ভিডিও দিয়েই একটি অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ করাতে পারবেন। আর সবথেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য ইউটিউব হচ্ছে অন্যতম সহজ একটি পদ্ধতি। সেরা আর্নাররা শুধুমাত্র ইউটিউব অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করে মাসে কয়েক লক্ষ ডলার পর্যন্ত আয় করে থেকে!

২. নিজের পণ্য বিক্রি করে

ধরুন আপনার নিজের একটা ফ্যাশন হাউজ আছে। এখন আপনি যদি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ডজ সম্পর্কে কিছু ভিডিও তৈরি করেন এবং সাথে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছুটা রিভিও যুক্ত করে আপলোড করেন তবে ইউটিউব হতে পারে আপনার নিজের পণ্য মার্কেটিং এর সবথেকে বড় মাধ্যম। এখন আপনি বলতে পারেন যে এভাবে কত জনই বা কিনতে পারে। কিন্তু আপনি জানেন কি ইউটিউব এ আপনি কি পরিমান ভিসিটর পেতে পারেন? যেকোনো বিষয়ের উপর ভিডিও গুলোর ভিউ থেকে আপনি সহজেই তা বুজতে পারবেন। আর সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে ওয়েব সার্চ এর তাবৎ ক্রয়যোগ্য (অর্থাৎ যে কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে মানুষ কোন প্রোডাক্ট কিনার জন্যই সার্চ করে) সার্চের বেশিরভাগটাই ইউটিউবে হয়। মানে কেউ কোন পণ্য কিনার জন্য মন স্থির করলে সেই পণ্য সম্পর্কে জানতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউটিউব ভিডিওই দেখে থাকে।

৩. এফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর রিভিউ করে

এটি ইউটিউব ব্যাবহারের আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এই ক্ষেত্রে মানুষ আমাজন বা অন্য কোন এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এর পণ্যের এফিলিয়েশন করে থাকে। সাধারনত নিজের এফিলিয়েট লিঙ্ক ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে দিয়ে দেওয়া হয় এবং ভিডিও তে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিও প্রদান করা হয়। সেই ভিডিও থাকাকালীন কেউ যদি ঐ লিঙ্কের মাধ্যমে গিয়ে কোন পণ্য ক্রয় করে থাকে তবে এফিলিয়েটর কমিশন পায়। এইভাবে এফিলিয়েশন করলে খুবই কম খরচে বা বিনা খরচে আপনি সহজেই মাস গেলে অনেক টাকা কামিয়ে নিতে পারবেন।

৪. ইউটিউব এর পার্টনার হোন

বর্তমানে পৃথিবী ব্যাপী প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি ইউটিউব পার্টনার আছেন। পার্টনাররা ভাড়ার ভিত্তিতে ভিডিও অভারলেয় করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং আয় ইউটিউব এর সাথে ভাগাভাগি করে নেয়। তাদেরদে অনেক সময় ব্রান্ডদের এন্টারটেইনার বা ভিডিও মার্কেটার হিসেবে হায়ার করাও হয়ে থাকে। অনেক সময় একটা ব্রান্ডের জন্য বিশেষ ভিডিও তৈরি করেও এরা অনেক টাকা উপার্জন করে।

৫. আপনার ভিডিওর ডেসক্রিপশনে লিঙ্ক বিক্রি করুন

এটা অনেক মজার একটা আয়। ধরুন যেকোনো বিষয়ের উপর আপনার একটা ভিডিও ইউটিউব এ প্রথম দিকে আছে। এই মুহূর্তে এই ধরনের প্রোডাক্ট যাদের আছে আপনি চাইলেই তাদের কাছে এককালীন অথবা দীর্ঘমেয়াদী শর্তে একটা লিঙ্ক বিক্রি করতে পারেন যা আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে থাকবে। কয়েকটা ভিডিও তে এসইও করেই আপনি এইভাবে লিঙ্ক বিক্রি শুরু করতে পারেন।

তবে এই ক্ষেত্রে ভিডিও তে অবশ্যই ভালো মানের ভিসিটর থাকতে হবে আর এভাবে লিঙ্ক দিয়ে আপনি আপনার নিজের ওয়েবসাইট বা ওয়েব ব্লগেও প্রচুর পরিমান ট্রাফিক আনতে পারেন।

এইধরনের আরও বেশ কিছু উপায় আছে ইউটিউব থেকে আয় করার। তবে সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে কাজ করার মানসিকতা। নিয়মিত কাজ করলে যেকোন উপায়েই আপনি আয় করতে পারবেন। কিংবা আপনি নিজেও আরও আরও উপায় খুজে পাবেন আয় করার।