Showing posts with label বিজনেস. Show all posts
Showing posts with label বিজনেস. Show all posts

উন্মোচিত হলো ‘মুক্তিযুদ্ধের গেম’


মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর গেম ‘মুক্তিক‍্যাম্প’ উন্মোচন করা হয়েছে। গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘মাইন্ড ফিশার গেমস’ গেমটি আপাতত শুধু অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মের জন্য আনা হচ্ছে। আর এই গেম খেলতে ১.৫ গিগাবাইট র‍্যামের স্মার্টফোন প্রয়োজন হবে।

এই গেমের শুরুতে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পরিত্যক্ত একটি গ্রাম দেখা যাবে যেখানে কয়েকজন মুক্তিকামী বাঙালি একটি ক্যাম্প বানাতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। ক্যাম্পে আশপাশের গ্রামের লোকজনকে যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার থেকে শুরু করে রোগমুক্তির জন্য ওষুধ সবই মজুদ করা হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে পাকিস্তানি হানাদার নিধনের পরিকল্পনা।

প্রাথমিক পর্যায়ে গেমটি অফলাইনে খেলা যাবে। আগামী বছর এপ্রিল পর্যন্ত এই অফলাইন সংস্করণে দেওয়া হবে বিভিন্ন হালনাগাদ এবং যুক্ত হবে নতুন লেভেল। আর আগামী বছর এপ্রিল মাসেই অনলাইন সংস্করণটি বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

‘হিরোজ অব ৭১’ এর প্রতিষ্ঠান ‘পোর্টব্লিস’ এবং ‘গেম ওভার স্টুডিও’ এক হয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় ‘মাইন্ড ফিশার গেমস’। এই প্রতিষ্ঠানে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জামিলুর রশিদ ও প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা মাশা মুস্তাকিম।

চীনে খুলছে গুগলের বিরাট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাগার


চীনে গুগল সেবা বন্ধ থাকলেও সেখানে বেশ বড় আকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেন্টার খুলতে যাচ্ছে টেক জায়ান্ট গুগল। সিলিকন ভ্যালিতে গুগলের এধরণের একাধিক সেন্টার থাকলেও এশিয়াতে এধরণের সেন্টার এই প্রথম। ওই সেন্টারে স্থানীয় ও আঞ্চলিক ভাবে কর্মী নিয়োগ করা হবেও বলে গুগল ব্লগ পোস্টে জানা গেছে।

চীন নিজেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এআই সেক্টরে অনেক কাজ করে যাচ্ছে। গুগলের এই ঘোষণা টেক দুনিয়াতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ইতিমধ্যে এআই সেক্টরে ড্রাইভার ছাড়া গাড়ি, রোবট ফ্যাক্টরি ও ফেসিয়াল রিকগনিশন সফটওয়্যারের মতো নানা বিষয়ে বিপুল সম্ভাবনার কথা উচ্চারিত হচ্ছে সারাবিশ্বে।

এআই প্রধান কোম্পানি হিসেবে গুগলের জন্য এই সেন্টার বেশ গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে গুগলের ক্লাউড ও মেশিন লার্নিং বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেছেন, সিলিকন ভ্যালি, বেইজিং বা অন্য অনেক জায়গায় এর (এআই) প্রচলন থাকলেও সারাবিশ্বের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এআই এর অনেক সম্ভাবনা আছে।

চীনের গুগলের প্রায় ৬০০ কর্মী সরাসরি দুটি অফিসে কাজ করলেও রাষ্ট্রীয় সেন্সরশীপের (গ্রেট ফায়ারওয়াল) কারণে সার্চ ইঞ্জিনসহ গুগলের বিভিন্ন সেবা এখনও বন্ধ। তবে অবস্থার পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে বলে আশাবাদী সেখানকার গুগল কর্তারা।

বিজনেস এর জন্য ফেসবুক কিভাবে কাজে লাগাবেন


ফেসবুক এ বিস্তারিত তথ্য দিন

ফেসবুক পেজে আপনার পেজের বিস্তারিত তথ্য দিন, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় কিন্তু আমরা মনে হয় এই ব্যাপারটাই সবার আগে ভুলে যাই, তাই ফেসবুক পেজ যখন ওপেন করবেন তখন ই আপনার বিজনেস সম্পরকে বিস্তারিত তথ্য দিন। যেখানে আপনার নাম, ইমেইল, ওয়েবসাইট, ফোন নাম্বার এবং অ্যাড্রেস দিন।

মানুষকে আকৃষ্ট করুন

এখন তো আপনার একটা ফেসবুক পেজ হলো, এরপর? প্রথমেই বিজনেস শুরু করবেন? প্রোডাক্ট এর ছবিসহ পোস্ট, সেটা বুস্ট করা ইত্যাদি? এখানেই মনে হয় ভুল করি আমরা। প্রথমে মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেন। কিভাবে? উপকারীমূলক পোস্ট দেন, প্রশ্ন জিজ্ঞাস করুন, ভোটাভুটি করুন, প্রতিযোগিতা চালান ইত্যাদি, কেউ যদি আপনার পেজ সম্পর্কে ভালো কোন পরামর্শ দেয় সেটা পেজে জানান, জানান যে আপনার ফ্যান আপনার সম্পর্কে কতটুকু চিন্তা করছে।
শুধু লেখা না দিয়ে সাথে ছবি ও দেন

এটা কোন সিক্রেট না যে ফেসবুক এর ইউজার ছবি বেশি পছন্দ করে, আর এটা সব থেকে বেশি কাজ করে যখন আপনার পোস্টটা শেয়ার করার মত একটা পোস্ট হবে, শুধু লেখা পোস্ট কেউ শেয়ার করলে সেটা দেখা যায় না বললে ই চলে, তাই পোস্ট এ ছবি ব্যবহার করেন। আর শুধু ছবি না দিয়ে সেটার মধ্যে যদি পোস্ট এর বিষয় লিখে দেয়া যায় তাহলে আরো ভালো হয়।
কিছু পেইড মার্কেটিং করে লাইক নিয়ে আসুন

আপনি যখন পেজে কাজ শুরু করে দিয়েছেন, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটা পোস্ট দিয়ে দিয়েছেন তখন আপনি আপনার পেজের লাইক বাড়ানোর জন্য কিছু পেইড মার্কেটিং করেন, তবে লক্ষ্য রাখবেন এখানে যেন আপনার পেজ খালি না থাকে কিছু পোস্ট দেন পেড মার্কেটিং করার আগে এবং অবশ্যই চেষ্টা করেন টার্গেট করে পেইড মার্কেটিং করার জন্য, কারন আপনার বিজনেস যদি হয় বাংলাদেশ ভিত্তিক সারা পৃথিবীব্যাপী মার্কেটিং করে আপনার লাইক অনেক আসতে পারে কিন্তু লাভ খুব বেশি হবার কথা না।
শেয়ার করার মত ব্যাপার পোস্ট দিন

অনেক মজার কোন ভিডিও, কোন মজার ট্রল, অথবা শিখার কোন বিষয়, অনেক সুন্দর কোন বানী এরকম ব্যাপারগুলি বেশি করে পোস্ট করার চেষ্টা করুন, তাহলে অনেকেই আপনার পোস্ট শেয়ার করবে আর শেয়ার যত হবে আপনার পেজ তত বেশি প্রাণবন্ত হবে, সাধারন পোস্ট আপনি দিলেন আর লিখে দিলেন শেয়ার করুন সেটাতে যতটা লাভ হবে তার থেকে বেশি লাভ হবে যদি আপনি উপকারি এবং আকর্ষণীয় পোস্ট দেন তাহলে আপনার শেয়ার করার কথা বলা ও লাগবে না, অনেকেই শেয়ার করবে আপনার পোস্ট।

আপনার পোস্ট শিডিউল করে রাখুন

আপনি হয়ত সারাদিন ফেসবুক বসে থাকতে পারবেন না অথবা সারাদিন আপনার পেজে সময় দিতে পারবেন না, সে জন্য ফেসবুক এর পেজ শিডিউল এ দিতে পারেন। আপনি ইচ্ছা করলে অনেক দিনের পোস্ট একসাথে শিডিউল করে রাখতে পারেন। আপনি হয়ত কিছু তথ্য পেলেন সেটা ধারাবাহিক ভাবে শিডিউল করে রাখতে পারেন তাহলে শিডিউল অনুযায়ী আপনার পোস্ট ফেসবুক এ পোস্ট হয়ে যাবে।

ইনসাইট সম্পর্কে জানুন

আপনার কোন পোস্ট কত জন মানুষ দেখলো, দেখে কত জন মানুষ উৎসাহবোধ করলো, আপনার পেজে ছেলেরা নাকি মেয়েরা বেশি আগ্রহী, কোন বয়সের মানুষের বেশি আগ্রহী, ইত্যাদি আপনি জানতে পারবেন সেটা বিশ্লেষণ করে আপনি পরবর্তী পোস্ট ঠিক করতে পারবেন। যদি দেখেন আপনার পেজে মেয়েরা বেশি আগ্রহী তাহলে করে মেয়েরা যে পোস্ট পছন্দ করবে সেগুলি দেন। আবার এটাও দেখতে হবে কোন বয়স থেকে কোন বয়স পর্যন্ত বেশি আগ্রহী এটা ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ আপনার পেজের পোস্ট কি ধরনের হবে সেটা বুঝতে। আবার এমন যদি হয় আপনার পোস্ট দেখেছে অনেক ই কিন্তু লাইক কমেন্ট করেছে অনেক কম, শেয়ার হয়েছে অনেক কম তাহলে এটা ভাবতে হবে যে পোস্ট অনেকেই দেখেছে কিন্তু উৎসাহ পায় নাই। তাই অন্য কিছু চিন্তা করুন।

ফেসবুক থেকে টাকা আয়


ফেসবুক সবচেয়ে বড় সোস্যাল সাইট।এখানে প্রতিদিন লোক জয়েন্ট করছে।এটা বিশাল একটা নেটওয়ার্ক প্রায় লোকই ফেসবুক ব্যবহার করে।কিন্তু এই ফেসবুক ব্যবহার করে যদি আপনার কোন উপকার হয় তাহলে ভালো না!
আমি এখানে আমার নিজের মত করে লিখব আপনাদের কারো আলাদা কোন মত থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন।

কিভাবে আয় করবেন?
বেশ কিছু মাধ্যমে আপনি ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারেন।আমি তার মধ্যে কিছু পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবো।নিচে একে একে দেয়া হলো।

নিজস্ব পণ্য বিক্রয় করেঃ
এটা একটা বড় মাধ্যম।আপনার যদি কোন নিজস্ব পণ্য থাকে তাহলে আপনি সেগুলো ফেসবুকের মাধ্যমে বিক্রয় করে সেখান থেকে আয় করতে পারেন।এর জন্য আপনি ফেসবুক পেজ ,গ্রুপ,নিজের প্রোফাইল ব্যবহার করতে পারেন।
রেফারেল লিঙ্কের মাধ্যমেঃ
রেফারেল লিঙ্কের মাধ্যমে আয় করতে হলে আপনাকে ইবে,আমাজন,বা অন্য কোন জায়গার রেজিস্টার করে সেখানকার রেফারেল লিঙ্ক ফেসবুকে শেয়ার করতে হবে।এবং এর মাধ্যমে যারা জয়েন্ট করবে তাদের থেকে আপনি আয় করতে পারবেন।এটা খুব সুন্দর একটা পদ্ধতি।

বিজ্ঞাপন প্রচার করেঃ
ফেসবুক থেকে সবচেয়ে বেশি লোক আয় করে এই মাধ্যমে।ধরেন আপনার একটা পেজ আছে সেখানে অনেক লাইক আছে তো আপনাকে কেউ তার পেজের জন্য লাইক চাইল আপনি আপনার পেজে তার পেজে লাইক দেবার জন্য অনুরোধ করলেন কিংবা আপনার নিজের সাইটের বিজ্ঞাপন দিয়ে ও ভালো আয় করতে পারেন।তবে এর জন্য আপনার একটা ভালো পেজ থাকতে হবে।

ডাউনলোড লিঙ্ক শেয়ার করেঃ
এটা সবচেয়ে সহজ মাধ্যম ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার জন্য।এর জন্য আপনাকে তেমন বেশি কিছু জানতে ও হবে না।প্রথমে কোন সাইটে একটা ফাইল আপলোড করেন(যেখানে ফাইল আপলোড করে তা ডাউনলোড এর মাধ্যমে টাকা দেয়) এবার সেই ফাইল ডাউনলোড করার জন্য আপনার বন্ধুদের আমন্ত্রণ করুন।এবার এই ফাইল টি যত বেশিবার ডাউনলোড হবে সে হারে আপনি টাকা পাবেন।এই পদ্ধতিতে অনেকেই টাকা আয় করে থাকে।আপনি ও পারেন।

শেষ কথাঃ
তবে এই টাকা আয় করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটা পেজ বানাতে হবে এবং সেখানে অনেক লাইক থাকতে হবে বা কোন গ্রুপ তৈরি করতে হবে যেখানে অনেক মেম্বার থাকবে। আশা করি আপনার লেখাটি ভালো লাগবে আর যদি কোন কিছু ভূল হয়ে থাকে তাহলে ধরিয়ে দিবেন।

এবার হোয়াটস অ্যাপ নিয়ে আসছে নতুন ফিচার


নিত্য নতুন ফিচার নিয়ে আসছে হোয়াটস অ্যাপ। সহজে মেসেজ পাঠানোর জন্য হোয়াটস অ্যাপ পছন্দের শীর্ষে।

তার ওপর এত নতুন নতুন ফিচার্স পেয়ে দারুণ খুশি ব্যবহারকারীরা। ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন মেটাতে এবং খুশি করতে আরো দারুণ ফিচার্স নিয়ে আসতে চলেছে জনপ্রিয় এই মেসেজিং অ্যাপ।

এবার হোয়াটস অ্যাপ নিয়ে আসছে এমন এক ফিচার যার মাধ্যমে গ্রুপ ব্যবহারকারীরা গ্রুপের মধ্যে থেকেই গ্রুপের কোনো এক সদস্যকে গোপনে মেসেজ পাঠাতে পারবেন। গ্রুপের বাকি সদস্যরা তা দেখতেও পাবেন না। তবে, এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন শুধুমাত্র হোয়াটস অ্যাপের গ্রুপ অ্যাডমিনরাই।

এখানেই হোয়াটস অ্যাপের ফিচার্সের সম্ভার শেষ নয়। এবার ব্লক করে রাখা কোনো ব্যক্তির নামের ওপর একটা ট্যাপ করেই আনব্লক করা যাবে এবং তাঁর সঙ্গে চ্যাটিংও করতে পারবেন। তবে, হোয়াটস অ্যাপের নতুন সমস্ত ফিচার্সই আপাতত শুধুমাত্র আইওএস ব্যবহারকারীরাই পাবেন। অ্যানড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধা ঠিক কবে থেকে শুরু হবে তা এখনো জানা যায়নি।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

পুঁজি লাগবে না এমন ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া


এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে চাকরির আশায় বসে বসে বেকার জীবনযাপন করার কোন মানে নেই। তবে কী করবেন? ব্যবসা? পুঁজি লাগবে না? না, এই অনলাইনের যুগে একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকেন পুঁজি ছাড়াই আজ থেকেই আপনি ব্যবসায় নামতে পারেন।

আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া।

০১. এসইও কনসালটেন্ট : আপনি কি সার্চ ইঞ্জিনের বিষয়ে অভিজ্ঞ? মানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানেন; কিন্তু কোথাও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রতিষ্ঠানের আশায় বসে না থেকে অনলাইনেই শুরু করুন এসইও সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া। অনেক প্রতিষ্ঠান পাবেন যারা আপনার পরামর্শ নেওয়ার জন্য বসে আছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটে এমন কাজ পাবেন। না হলে সোজা গুগল সার্চ দিন।

০২. বিজনেস প্রশিক্ষণ : আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতেই পারে। কিন্তু পয়সার অভাবে নিজের স্বপ্ন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে পারছেন না। আপনার এই অভিজ্ঞতা বসে বসে নষ্ট করার কোন মানে নেই।

অনলাইনে এমন অনেককে পাবেন যারা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাইছে। লিংকডইনে যান, সেখানে আপনি ব্যবসা সংক্রান্ত আর্টক্যাল লিখতে পারবেন। এর দ্বারা সেখানে আপনি অনেক ক্লায়েন্ট পাবেন। তাদের সদুপদেশ দিয়ে নিজের মেধা এবং অভিজ্ঞতা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে টু-পাইস ইনকাম তো আছেই।

০৩. স্পেশালাইজড রিটেইলার : বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন দেশের সব বড় শহরগুলোতেই স্পেশালাইজড শপ বা সুপারশপ আছে। এদের মধ্যে অনেক ছোট বড় প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের প্রচার এবং বিজনেস শুরু করতে ইচ্ছুক। সেই সব প্রতিষ্ঠানের কোন একটির সঙ্গে চুক্তি করে আপনি তাদের পণ্যসম্ভার দিয়ে একটি অনলাইন শপ চালু করে ফেলতে পারেন। ঘরে বসে হয়ে যান রিটেইলার শপার।

০৪. সোশ্যাল মিডিয়া পরামর্শক : তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল সাইটগুলো চরম উত্কর্ষ অর্জন করেছে। জীবনের সব সমস্যার সমাধান যেন হয়ে উঠছে ফেসবুকের মত মাধ্যমগুলো। নিত্য নতুন ফিচারের পাশাপাশি বাড়ছে সোশ্যাল সাইট হ্যাক করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করার মত ঘটনা। আপনার যদি সোশ্যাল সাইটগুলোর ব্যবহারবিধি, নিরাপত্তাসহ ফ্রেন্ড-ফলোয়ার বৃদ্ধির বিভিন্ন ট্রিকস জানা থাকে হবে আপনি হয়ে যেতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়া কনসাল্টেন্ট। এমনটা করলে অনেক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজ পেতে পারেন।

০৫. ওয়েব ডিজাইন : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিজনেস এটা। এখন একটি ছোটখাট প্রতিষ্ঠানও চিন্তা করে তাদের একটা ওয়েবসাইট থাকা দরকার। আপনার যদি ওয়েব ডিজাইন জানা থাকে তবে বসে থাকার কোন মানে নেই। ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোতে নিজের পোর্টফোলিও পোস্ট করুন। একটি নমুনা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে রাখুন। বাজারদর বিবেচনা করে সাশ্রয়ী পারিশ্রমিক ঘোষণা করুন। আপনাকে আর ঠেকায় কে?

০৬. আবেদনপত্র/কভার লেটার লেখা : আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে অনেক শিক্ষিত মানুষ সুন্দর করে একটি চাকরির আবেদনপত্র লিখতে জানে না। কিন্তু চাকরিক্ষেত্রে একটি সুন্দর গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্র কিংবা কভার লেটার অন্যদের সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আপনার এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকলে লিংকডইন কিংবা সোশ্যাল সাইটগুলোয় এই বিষয়ে ক্লায়েন্ট খুঁজতে পারেন। ক্লায়েন্ট যে পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।

০৭. টাস্ক ম্যানেজার/সহকারী : আপনার যদি ভাল অর্গানাইজিং দক্ষতা থাকে তবে আপনি এই ব্যবসার উপযুক্ত। আপনি কি অনলাইনের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিতে পারেন? তবে আপনার এই দক্ষতা একজন ব্যাক্তিগত সহকারী কিংবা অনলাইন টাস্ক ম্যানেজার হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। TaskRabbit কিংবা Zirtual এর মত কোম্পানীগুলো টাকার বিনিময়ে আপনার মত মানুষকেই খুঁজে থাকে। এসব সাইটে আপনি ডাটা রিসার্চ, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট সহ বিভিন্ন কাজে সহকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

০৮. প্রফেশনাল ফ্রিল্যন্সার : ফ্রিল্যান্সিং বলতে সাধারণত অবসর সময়ের কাজকেই আমরা বুঝে থাকি। কিন্তু সময়ের পাশাপাশি ধারণাও পাল্টে গেছে। এখন প্রচুর বেকার তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংকে মূল পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। আপনি চাইলে পার্টটাইম কাজও করতে পারেন। বেকার বসে না থেকে আজই যুক্ত হোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে।

০৯. মার্কেটিং : আপনি যদি আমাজানের মত সাইটগুলোতে পণ্যের রিভিউ লেখায় অভ্যস্ত থাকেন তবে এখনই তা বন্ধ করুন। কারণ বিনামূল্যে কেন আপনি কোন পণ্যের মার্কেটিং করবেন? ওয়ার্ড অব মাউথ-এর মত অনেক কোম্পানী আছে যারা নিজেদের প্রোডাক্ট অনলাইনে প্রমোট করার জন্য আপনাকে পয়সা দেবে। আপনার যদি প্রচুর ফলোয়ার সমৃদ্ধ সাইট কিংবা সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থাকে তবে তো সোনায় সোহাগা। আজই লেগে যান কাজে।

১০. ই-বুক লেখক : আপনার লেখালেখির হাত, ভাষার দক্ষতা এবং টাইপিং স্পীড যদি ভাল থাকে তবে আপনি অনায়াসে একজন ই-বুক রাইটার হতে পারেন। এটি অনেক সহজ একটা কাজ। ই-বুকের চাহিদা এত পরিমাণে বাড়ছে যে ই-বুক রাইটার খুঁজতে পাবলিকেশন্সগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। অনলাইনে এমন গ্রাহক খুঁজে নিতে পারেন সহজেই।

১১. প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান : অনেক ছোটখাট কোম্পানী আছে যাদের কোন আইটি স্পেশালিস্ট নেই। তাদের প্রযুক্তিগত কোন সমস্যা হলে বাইরের লোক ডাকতে হয়। আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বসেই শুরু করতে পারেন প্রযুক্তগত পরামর্শ প্রদান। সমস্যা হলে তারা আপনাকে জানাবে এবং আপনি ঘরে বসেই সমাধান দিয়ে দেবেন। আর কী চাই?

১২. ভার্চুয়াল চালান : শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এই কাজটি আপনি নিজেই অহরহ করে থাকেন ব্যাংক কিংবা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। আপনার একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে গুগল চেকআউটের মত ট্রানজেকশন হ্যান্ডল করতে পারেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের অনলাইন চালানসমূহ অর্গানাইজ করার জন্য আপনাকে খুঁজে নেবে। আপনি তাদের সাইট থেকে পণ্যের ছবি বিবরণ কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে আনুন। তারপর নির্দিষ্ট আর্থিক চুক্তির বিনিময়ে নেমে পড়ুন পণ্য বিক্রয়ে।

১৩. হস্তশিল্প বিক্রেতা : অটোমেটিক মেশিনের যুগে হস্তশিল্পের কদর মোটেই কমেনি। বরং প্রচারের অভাবে এই প্রাচীণ শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না। আপনি এমন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন। তাদের পণ্য আপনি অনলাইনে বিক্রি করবেন। গ্রাহকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জ নিয়ে আপনি কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন তাদের কাছে।

১৪. অ্যাপ ডেভলপার : স্মার্টফোনের যুগে অ্যাপের ছড়াছড়ি। মানুষ এখন কম্পিউটারে বসে সাইট ব্রাউজ করার চাইতে স্মার্টফোন অ্যাপেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে আগ্রহী। আপনি যদি কোডিং সম্পর্কে ভাল জেনে থাকেন তবে লেগে পড়ুন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন সফওয়্যার ডেভলপার কোম্পানীও অনলাইনে ডেভলপার চায়। প্রথমে নিজে একটি আকর্ষণীয় অ্যাপ তৈরি করে নমুনা হিসেবে দেখান এবং যৌক্তিক পারিশ্রমিক দাবি করুন। আপনার কাজ পাওয়া নিশ্চিত।
সূত্র: কালের কণ্ঠ