Showing posts with label অনলাইন. Show all posts
Showing posts with label অনলাইন. Show all posts

ব্লগস্পট কি? ব্লগস্পট ব্লগিং সম্পূর্ণ নিয়ম

ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম ব্লগস্পট সম্পর্কে যেনে গেছেন। আজকে ব্লগস্পট নিয়েই আলোচনা করব।


ব্লগস্পট কি?

ব্লগস্পট কি? ব্লগস্পট হল সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের একটি ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম। বর্তমানে যতগুলো ফ্রি ব্লগ সার্ভিস আছে তার মধ্যে সেরা হল ব্লগস্পট। ব্লগস্পটের লিঙ্ক হলঃ http://www.blogger.comএখানে আপনি ফ্রিতে আপনার প্রথম ব্লগটি সুন্দরভাবে তৈরি করতে পারবেন। কোন প্রোগ্রামিং জ্ঞান ছাড়াই এখানে একটি খুব সুন্দর মানের ব্লগ তৈরি করা সম্ভব।
ব্লগস্পট এর সুবিধাঃ

ব্লগস্পট এর মালিক গুগল চেষ্টা করে গ্রাহক কে সর্বচ্চো সুবিধা দেয়ার। আপনি ব্লগ ডিজাইনে ব্লগস্পট থেকে মোটামুটি পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন। ব্লগস্পটের রয়েছে বেশকিছু নিজস্ব থিম। এছাড়া ইন্টারনেটে ফ্রিতে অসংখ্য থিম পাওয়া যায়। আপনি যেকোনো একটি থিম নিয়ে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন। ব্লগস্পোত এর রয়েছে হাই পারফর্মেন্স সার্ভার। আর সবচেয়ে বড় কথা হল এটি এসইও ফ্রেন্ডলি ব্লগিং প্লাটফর্ম, ফলে গুগল থেকে আপনি পাবেন অসংখ্য ভিজিটর। অনেক ব্লগ আছে যেগুলি টাকা দিয়ে তৈরি ব্লগ এর চেয়েও বেশী ভিসিটর পায়। তাই আমি আপনাদের ব্লগস্পট দিয়েই ব্লগিং শুরু করার কথা বলব। তাছাড়া অনেকে প্রথমেই টকা খরছ করতে চায় না, তাদের জন্য তো অবশ্যই ব্লগস্পট।
কেন এটি সেরা?

অনেকেই হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন যে, কেন এটি সেরা? আমি বলব এর মালিক গুগল তাই এটি সেরা। এর ইন্টারফেস আপনার পছন্দ না হলেও এটি সেরা, কারন এর মালিক গুগল। আপনারা আবার বলতে পারেন যে গুগল বলেই সেরা? হ্যাঁ, কারন ব্লগের প্রাণই হচ্ছে ভিজিটর। আপনি যদি কোন ভিজিটর না পান, তাহলে সুন্দর ডিজাইন আপনার কোন কাজে আসবে না। গুগল ব্লগসট কে যে চোখে দেখবে অন্যান্য ফ্রি ব্লগকে নিশ্চয়ই সেই চোখে দেখবে না। ফলে ভিজিটর কিন্তু ব্লগস্পটেই বেশী পাঠাবে। আর আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে, গুগল ই সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন। তাই আগেই ভাবুন, পরে ব্লগস্পটের দিকে এলে আপনিই পিছিয়ে পরবেন। ব্লগস্পটে রয়েছে ডোমেইন পারকিং এর সুবিধা, যা অনেক জায়গাতেই নেই। আর এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। গুগল আপনার কাছ থেকে একটি টাকা চাইবে না, বা কোন প্রকার সুবিধা দাবি করবে না। সব বিষয় চিন্তা করে বলা যায়, ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম হিসেবে ব্লগস্পটই সেরা।
এখান থেকে কি আয় করা সম্ভব?

হ্যাঁ, ব্লগস্পট এর আরেকটি সুবিধা হল এখান থেকে প্রচুর আয় করা সম্ভব। আপনার ব্লগ যদি গুনগত মান-সম্মত হয়, তাহলে আপনি গুগল এর কাছে বিজ্ঞাপনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি অন্যান্য বিজ্ঞাপন সংস্থা থেকেও এখানে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। এজন্য গুগল আপনার কাছ থেকে টাকার ভাগ চাবে না। অনেক ব্লগার আছেন যারা ব্লগস্পট এ ব্লগিং করেই মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন। আমার এক ফ্রেন্ড আছে, যে গত মাসে ৬০ হাজার টাকা আয় করেছে তার দুইটা ব্লগস্পট ব্লগ থেকে। তাই আপনাদের বলব ব্লগস্পটে অন্যান্য প্রফেশনাল ব্লগ এর মতই আয় করা যায়।
কিছু অসুবিধাঃ

সব কিছুতেই একটু অসুবিধা থাকে, তারপরে এটি ফ্রি সার্ভিস। এর অসুবিধা গুলি নিম্নে দেয়া হলঃ
এখানে আপনি সহজেই অন্যদের লেখার সুযোগ দিতে পারবেন না।
এখানে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের মত সম্পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন না।
এখানে গুগলের নির্ধারিত নিয়ম-কানুন গুলি মেনে চলতে হবে।
নিয়ম ভঙ্গ করলে আপনাকে ব্যান করা হতে পারে।
সম্পূর্ণ প্রোগ্রামিং সুবিধা পাবেন না।
ব্লগিং ইন্টারফেস পরিবর্তন করতে পারবেন না।
আপনি শুধুমাত্র ডিজাইন টাই কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

এর পরেও ব্লগস্পটই সেরা, কারন অন্যান্য জায়গায় এর চেয়েও বেশী অসুবিধা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

ব্লগস্পট এ ব্লগ তৈরির সম্পূর্ণ নিয়ম দেখব। ব্লগস্পট এ ব্লগ তৈরি অনেক সহজ। আশা করি আজকের ক্লাশটির পরে আপনারা সবাই ব্লগস্পট এ ব্লগ তৈরি করতে পারবেন।

ব্লগস্পটে ব্লগ খুলতে আপনাকে প্রথমে ব্লগস্পট এর হোমপেজ http://blogger.com এ যেতে হবে।

এখানে আপনার Gmail আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন-ইন করুন। Gmail আইডি না থাকলে তৈরি করে নিন।
কিছুক্ষণের মধ্যে আপনি ব্লগস্পট ড্যাশবোর্ড এ প্রবেশ করবেন।

এখানে আপনার ব্লগ গুলির লিস্ট দেখাবে। নতুন ব্লগ খুলতে New Blog এ ক্লিক করুন।

এখন আপনি নতুন ব্লগ খোলার একটি ফর্ম পাবেন।

এখানে আপনার নতুন ব্লগের ইনফরমেশন (যেমনঃ টাইটেল, এড্রেস, টেমপ্লেট) গুলি দিন। এড্রেস এর সময় একটা এড্রেস Not available দেখালে আরেকটি দিয়ে চেস্টা করুন। এখন Create blog এ ক্লিক করুন।

এখন ব্লগ লিস্টে আপনি আপনার ব্লগটি দেখতে পারবেন।



আপনার ব্লগ এর নামের উপর ক্লিক দিন। এখন আপনাকে আপনার ব্লগ এর কনট্রোল প্যানেল এ নিয়ে যাবে। এখান থেকেই আপনি আপনার ব্লগটি নিয়ন্ত্রন করবেন।


এখানে আপনি আপনার ব্লগের এনালাইটিক্স ট্রাফিক দেখতে পাবেন। আর ব্লগ কিন্তু ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। যেহেতু আপনার ব্লগে কোন পোস্ট নেই, সেহেতু আপনি আপনার ব্লগটি পরীক্ষা করতে পারছেন না। তাই পোস্ট করতে New post এ ক্লিক করুন।

এখন পোস্ট এডিটর ওপেন হবে।



এখানে আপনি আপনার পোস্টটি লিখুন। আশা করি, কিভাবে লিখবেন এটা বলে দিতে হবে না। পোস্ট লিখার পরে Publish বাটনে ক্লিক করুন।

Publish বাটনে ক্লিক করার পরে আপনার সামনে পোস্ট মেনু আসবে।


এখানে আপনি আপনার পোস্ট এর লিস্টগুলি দেখতে পাবেন। এখন আপনি আপনার ব্লগটি দেখতে পারেন। আপনার ব্লগটি দেখতে আপনার ব্লগ এর এড্রেস এ ঢুকুন (ব্লগ খোলার সময় যেটা দিয়েছিলেন) অথবা, View blog এ ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডোতে আপনার ব্লগটি ওপেন হবে।



হয়ে গেল আপনার ব্লগ। আপনার এখন একমাত্র কাজ বেশী বেশী পোস্ট করা। কারন, যত বেশী পোস্ট তত বেশী ভিজিটর - যত বেশী ভিজিটর তত বেশী টাকা।

Online হতে টাকা আয় করার ৬ টি সহজ টিপস

আরও অন্য দশজন স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মত আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। মাঝে মাঝে আমার নিজের প্রতিও খুব দুঃখ হয় কেন আমি বিগত দুই বৎসর এ সকল সাইটে সময় ব্যয় করলাম। আমি নিজে প্রায় দুই বৎসর ফেইসবুক, টুইটার এবং বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলে সময় পার করেছি। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং করে কাটালাম না।

এ রকম আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। আপনি যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ২-৩ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতয় গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আমিত নির্ধিদ্বায় বলতে পারি এর শুরু থেকে শেষ অব্দি শুধু শূন্য আর শূন্য।


আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, social media and gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর বয়সি আধুনিক জেনারেশনরা ইন্টারনেট হতে অল্প কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।
কেন ছাত্রদের টাকার প্রয়োজনঃ স্কুল কিংবা কলেজ সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু Extra Pocket Money এর প্রয়োজন হয়। এই অল্প টাকা দিয়েই সে তার নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট খাটো সখ এবং প্রয়োজন গুলি মিটিয়ে নিতে পারে। তাছাড়াও স্বাভাবিক ভাবেই এখনকার জেনারেশনের ছাত্রদের Smartphone, Gaming consoles, Cool cloths ইত্যাদি লাগেই। এ গুলি তাদের চলার পথকে আর Smart এবং সুগম করে। এই ছোট খাটো ব্যাপার গুলি অনেক সময় আপনার ফ্যামেলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হতো তেমনি প্রয়োজন গুলিও মিটে যেত। তাছাড়া অনেক গৃহিনী আছেন যাদের বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজই থাকে না। তারা বেশীরভাগ সময় ব্যয় করে ফেইসবুকে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করে। আপনি অযথা এই সময় ব্যয় না করে যদি নিজের কিছু প্রয়োজন মিঠাতে পারেন বা অল্প আয় করতে পারেন তাহলে দুষের কি? নিচে আমি অনলাইন হতে আয় করা সহজ কিছু কৌশল দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে কিছু পয়সা উপার্জন করে নিতে পারবেন।

০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে।
০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।
০৩। Freelancing – একজন লেখক হয়েঃ Freelancing হচ্ছে এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।
০৪। Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Adsense Approv করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approv হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।
০৫। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা উপার্জন করবেন।
০৬। EBAY and AMAZON এ আপনার Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।

উপসংহারঃ আপনারা পোষ্টটি পড়ে হয়তো ভাবছেন এখানে ইন্টারনেট হতে আয় করার কথা বার বার বলা হচ্ছে কিন্তু কিভাবে করবো তা দেখানো হচ্ছে না কেন? আসলে কিভাবে আয় করবেন এটা নিয়ে বর্ণনা করা এই পোষ্টের উদ্দেশ্য নয়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের শুধু আয় করার সহজ কয়েকটি পথ দেখিয়ে দিলাম। যার ফলে আপনি এই পথ ধরে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আর আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে এ সম্পর্কে ইন্টারনেট হতে বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন। তবে আমরাও পরবর্তীতে আলাদাভাবে সব টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। ততক্ষণ আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ..

অনলাইনে আয়

বর্তমানে অনলাইন আয়ের সবচেয়ে আস্থাশীল এবং গ্যারান্টেড ওয়ে হচ্ছে ব্লগিং। আপনার যদি একটা ব্লগ থাকে এবং সেখানে যদি রেগুলার ট্রাফিক থাকে তবে আপনি অবশ্যই সেখান থেকে একটা পরিমাণ আয় জেনারেট করতে পারবেন। ব্লগকে মনিটাইজ করার নানা ধরণের রাস্তা আছে। আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমি ব্লগকে মনিটাইজ করার সেরা পাঁচটি ওয়ে সম্পর্কে বলবো। সাতটি মনিটাইজেশন ওয়ে হচ্ছে – ১. প্রোডাক্ট রিভিউ ২. ইউডেমি কোর্স ৩. গুগল এডসেন্স ৪. এডসেন্স অল্টারস – মিডিয়া ডট নেট ৫. সিপিএ মার্কেটিং ১. প্রোডাক্ট রিভিউ অনলাইনে প্রতিদিন প্রচুর পণ্য কেনাবেচা হয়ে থাকে। আপনি আপনার ব্লগে যেকোন প্রোডাক্টের সম্পুর্ন একটা রিভিউ লিখে সেখানে রেফারেল লিংক দিয়ে ওই পণ্যের দাম থেকে একটা নির্দিষ্ট কমিশন ইনকাম করতে পারেন। অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট এই জন্য সবচেয়ে সুপরিচিত। আপনার ব্লগে অ্যামাজনের প্রোডাক্ট রিভিউ পাবলিশ করবেন। নিস টার্গেটেড ভিজিটর যদি আপনার ব্লগে আসে তাহলে তারা আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে কোন পণ্য কিনলে সেখান থেকে আপনি কমিশন পাবেন। অ্যামাজন ছাড়া ও আরো নানা ধরণের অ্যাফিলিয়েট মার্কেট প্লেস আছে। ডিজিটাল প্রোডাক্টের জন্য ক্লিকব্যাংক সুপরিচিত। ২. ইউডেমি কোর্স ইউডেমি নানা ধরণের কোর্স কেনাবেচার সবচেয়ে সেরা জায়গা। আপনি ওখানের একজন অ্যাফিলিয়েট হিসেবে সাইন আপ করে কোর্স গুলো নিয়ে আপনার ব্লগে রিভিউ লিখতে পারেন। আপনার ব্লগের লিংক থেকে যদি কেউ এসে কোন কোর্স কিনে তাহলে সেখান থেকে আপনি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। ৩. গুগল এডসেন্স আপনি যদি আপনার সাইটকে এড দিয়ে মনিটাইজ করতে চান তাহলে সবচেয়ে সেরা উপায় হল গুগল এডসেন্স। আমার মতে আরো নানা ধরণের এড নেটওয়ার্ক থাকলে ও গুগল এডসেন্স সবচেয়ে রিলায়েবল এবং সুপরিচিত। আমি নিজে গুগল এডসেন্স ইউজার এবং এই রিলেটেড বিস্তারিত ব্লগ পোস্ট নেক্সট টাইম পাবলিশ করা হবে। ৪. এডসেন্স অল্টারস – মিডিয়া ডট নেট এডসেন্সের পরেই সবচেয়ে রিলায়েবল এড নেটওয়ার্ক হলো মিডিয়া ডট নেট। এডসেন্সের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ওরা খুবই স্পর্শকাতর, সামান্য এদিক সেদিক হলে আপনি ব্যান খেতে পারেন। কিন্তু মিডিয়া ডট নেটে সেই সমস্যা নেই। ৫. সিপিএ মার্কেটিং অনলাইন মার্কেটিং এর অন্যতম উপায় হল সিপিএ মার্কেটিং। এর পুর্ন রুপ হচ্ছে কস্ট পার একশন। সিপিএর নানা মার্কেটপ্লেস রয়েছে ম্যাক্সবাউন্টি, পারফ্লি, সিপিএলীড এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। এসব মার্কেটপ্লেস থেকে অফার চুজ করে আপনি আপনার ব্লগে প্রমোট করতে পারেন।

অনলাইনে আয় করার জনপ্রিয় উপায়


ঘরে বসে অনেকভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা এই নিবন্ধ পড়লে তুমি জানতে পারবে। আমি তোমাকে বলে রাখতে চাই যে, অনলাইনে আয় করা বাস্তব জীবনে আয় করার মতোই কঠিন। এখানে এমন কিছু রাস্তা আছে যেগুলোতে কাজ শুরু করা সহজ কিন্তু, এগুলো থেকে বেশী টাকা রোজগার করা যায় না। এ তুলনায় অন্যান্য উপার্জনের পন্থায় ভালো আয়ও হয় আবার, তা ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে। বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের উপায়গুলো নিম্নরুপ,
১।পেড রিভিউ-এর মাধ্যমে আয় রোজগার

সার্ভে বা জরিপ একটা পুরাতন পদ্ধতি আর আমার মনে হয় তুমি এ বিষয়ে জানো। “সার্ভে” সাইটে তুমি গিয়ে নিবন্ধিত হবে আর সার্ভে বা জরিপ আসার অপক্ষা করবে; সার্ভে ফর্ম পূরণ করে তোমার মতামত জানাবে, ব্যস! প্রতিটি সার্ভের জন্যে তুমি টাকা পাবে। এখানে, এমন কিছু ব্যবস্থাও আছে যেখানে, ইমেইল পড়ার ও জবাব দেওয়ারও কাজ থাকে। সার্ভে সাইট হিসেবে অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে-সার্ভে সেভী।
২।নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার

এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো পাঠকদের লেখায় আপডেট হতে থাকে। কোন কোন সাইটে তারা লেখকদের সাথে মুনাফা ভাগ করে নেয়। তুমি এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারো আর তোমার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, তুমি ততো বেশি টাকা পাবে। “শুভং” নামক একটা ওয়েবসাইট আছে যারা তাদের লেখকদের সাথে শতকরা ১০ ভাগ গুগল এডসেন্স-এর লভ্যাংশও ভাগ করে নেয়।
৩।পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এ আয় রোজগার

পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এর সাহায্যে তুমি ওয়েবসাইট(শুধুমাত্র স্পনসরড্ সাইটগুলো‌)ব্রাউজ করার জন্যে টাকা পাবে। এতে আরো উপায় আছে যাতে ওয়েবসাইট সার্ফ করে, ওয়েবসাইট দেখে আর ওয়েবসাইট সার্চ করে টাকা উপার্জন। সত্যকথা বলতে কি, এই সাইটগলো আয়ের তুলনায় অনেক বেশী সময় অপচয় করে। এরা তোমার একেক ইউনিট এডের পেছনে তোমার ব্যয়ের তুলনায় খুবই কম টাকা দেয়। একটা জনপ্রিয় পিটিসি সাইট যারা ভালো অর্থ প্রদানও করে থাকে সেটি হচ্ছে- বাকস্‌.টু
৪।তোমার তোলা ছবির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন

যদি তুমি একজন ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হয়ে থাকো, তবে তোমার তোলা আকর্ষনীয় ছবিগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। অনলাইনের ডিজাইনার্‌রা তাদের প্রজেক্টের জন্যে অনেক ছবি খুঁজে থাকেন, তুমি তাদের নিকট তোমার ছবিগুলো বিক্রি করতে পারো। তুমি তোমার ছবিগুলো আই-স্টক-ফটোস্‌ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে পারো।
৫।গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার

গুগল এডসেন্সে আয় করার জন্যে তোমার একটা সচল ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ প্রয়োজন। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো এমন বিলবোর্ড বা পোস্টার যেখানে তারা(জনৈক অসাধু ব্যবসায়ীরা) দাবি করে যে, তুমি এখান ১০ থেকে ২০ ডলার দৈনিক আয় করতে পারবে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা! গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় তখন যখন, কেউ গুগলের সেসব এডে ক্লিক করে। কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে তোমাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে। কিন্তু, তোমাকে সেসব নকল এডসেন্স শেখার জায়গায় এই সেখানো হয় যে, কিভাবে চুরির লেখা দিয়ে একটা নকল ওয়েবসাইট বানাতে হয়, এটাতো আসল নয় কারণ এটা একটা ধোঁকাবাজি।
google.com/adsense
৬।তোমার মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা পাবে

হ্যাঁ, এটিই নতুন দিনের আয় রোজগার মাধ্যম, এখন তুমি টাকা নিয়ে যেকোন ওয়েবসাইট বা কোম্পানীর ব্যাপারে তোমার মতামত দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে ফেলো তোমার ব্লগে। পেড রিভিউ সাইটগুলো কল্যাণে, এখন তারা(কোম্পানী বা ওয়েবসাইটগুলো) তোমাকে তাদের ব্র্যান্ড, পন্য বা ওয়েবসাইটের বিষয়ে লেখার জন্যে অর্থ পরিশোধ করবে। তোমার এই মতামত বা ব্লগ তাদের নিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করবে আর তারা পাবে অধিক পাঠক ও ক্রেতা। এরকম একটা জনপ্রিয় পেড্‌ রিভিউ সাইট হচ্ছে-সোস্যালস্পার্ক
৭।এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর মাধ্যমে আয় রোজগার(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)

এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে কোন পন্যের প্রচার করবে আর যখন পন্য বিক্রি হবে, তখন তুমি এর থেকে কমিশন পাবে। এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পন্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; তুমি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারো। তুমি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পন্য বিক্রয় করতে পারো।
৮।ব্যানার এডস্‌ বা “ব্যানার” জাতীয় বিজ্ঞাপন বিক্রি করে আয় রোজগার

যদি তোমার একটা প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে, তবে বিজ্ঞাপনদাতারা তোমার ব্লগে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। একেই বলে, ব্যানার এডস্‌ অথবা সরাসরি ইনকামের সুযোগ। তোমার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা যতো বেশি হবে তোমার পাঠক সংখ্যা বাড়বে ততো বেশি হবে আর তোমার আয়ও বাড়তে থাকবে।
৯।ফ্রি-লেন্সিং বা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে অর্থ উপার্জন

ঘরে বসে ফ্রি-লেন্সিং করা আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ। তোমার যদি ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা এড্‌মিনিস্ট্রেশন বা তদারকির কাজে দক্ষতা থাকে তাহলে, তুমি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারো। তুমি চাইলে ফ্রিলেন্সিংভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারো।
১০।টুইটার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা

বিজ্ঞাপনদাতাগণ বর্তমানে তাদের ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপন উদ্যোগগুলো “টুইটার” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন। এজন্যে, তোমার কোন ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট থাকারও প্রয়োজন নেই। এমন অনেক কোম্পানী রয়েছে, যারা টুইটার বিজ্ঞাপনের কাজ করে থাকে যেমন- মেগ-এ-পাই।
অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে পাবেন?

ক।চেকে টাকা পাওয়া

এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম।

খ।পেপেল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

পেপেল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে। অবশ্য, এখনও পেপেল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু শীঘ্রই আসবে।

গ।পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড

এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা রাস্তা। তুমি অডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি।

ঘ।মানিবুকারস্‌ থেকে টাকা প্রাপ্তি

মানিবুকারস্‌ অনেকটা পেপেলের মতোই আর এটা তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা প্রচলিত আছে। মানিবুকারস্‌

ঙ।এলার্টপে-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

এটিও পেপেলের মতোই আর বাংলাদেশে প্রচলিত আছে। তুমি এর টাকা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন থেকে উঠাতে পারো। এলার্টপে

চ।ই-গোল্ড ব্যবহার টাকা প্রাপ্তি

পেপেলের মতোই…ই-গোল্ড

শিশুদের জন্য ফেসবুকের বিশেষ সেবা


সারা দিনের শত কর্মব্যস্ততার মধ্যেও এক-দুবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঢুঁ মারা চাই-ই চাই। বিশেষ করে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের মধ্যে আগ্রহটা যেন আরো বেশি। তবে ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী ১৩ বছর বয়স না হলে অ্যাকাউন্ট খোলা যায় না।

অবশ্য অনেকেই বয়স বাড়িয়ে কারসাজি করে খোলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। তবে এখন সে সমস্যাও সমাধান হয়ে গেল। কেননা, এবার শিশুদের জন্যও সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমটি ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে এসেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় সোমবার শিশুদের ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা একটি মেসেঞ্জার বাজারে ছেড়েছে ফেসবুক। তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত অ্যাপলের আইফোনেই মিলবে এই সুবিধা।

ফেসবুকের প্রোডাক্ট ম্যানেজার লরেন চেংয়ের বরাত দিয়ে খালিজ টাইমস জানায়, শিশুদের মেসেঞ্জারে থাকছে চ্যাটিং ও ভিডিওকলের সুবিধা। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুরা ব্যবহার করতে পারবে মেসেঞ্জারটি। এ ক্ষেত্রে নজরদারি করতে পারবেন মা-বাবারা।

লরেন বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য একটি মেসেজিং অ্যাপের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, যা একদিকে তাদের প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সহায়তা করবে, আবার মা-বাবার নিয়ন্ত্রণেও থাকবে।’

এক বিবৃতিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী ৯৩ শতাংশ শিশুর স্মার্টফোন অথবা ট্যাব ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ শিশুর নিজস্ব ফোন রয়েছে। ফলে তাঁরা ইচ্ছা করলেই ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু এই বয়সে ফেসবুক তাদের জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে।

ফেসবুক জানায়, শিশুদের জন্য মেসেঞ্জারটি টেকনোলজির ইতিবাচক, নিরাপদ, সঠিক দিকগুলো তুলে ধরবে।

এবার বাংলা ভাষায় চালু হলো গুগল অ্যাডসেন্স


বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল এবার বাংলা ভাষায় তাদের গুগল অ্যাডসেন্স সেবা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশের অনলাইন গণমাধ্যম প্রকাশকদের জন্য গুগল এই সেবা চালু করেছে, যাতে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের অনলাইনে বাংলা কনটেন্ট থেকে আয় করতে পারে। রাজধানীর লা মেরিডিয়েন হোটেলে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই সেবা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে গুগল।

এ উপলক্ষে গুগল টিম দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া প্রকাশকদের জন্য এক কর্মশালার আয়োজন করে। এতে মিডিয়া প্রকাশকদের গুগল অ্যাডসেন্স সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়, যাতে তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ফলপ্রসূ বা কার্যকর উপায়ে এটি ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারে। কর্মশালাটি আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো, গুগল অ্যাডসেন্স সেবার বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে এ সম্পর্কে প্রকাশকদের আরো অবগত করা এবং তাদের এ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সময়ের সেরা চর্চাগুলো বা উদাহরণগুলো জানানো। এতে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনকারী মিডিয়া প্রকাশকরা আরো বেশি পরিমাণে আয় করতে পারবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

বাংলা ভাষায় গুগল অ্যাডসেন্স সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নিজেদের এ-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন গুগলের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ম্যানেজার আহমদ শাহ নওয়াজ, গুগলের সাউথ এশিয়া ফ্রন্টিয়ারের কান্ট্রি কনসালট্যান্ট হাশমী রাফসানজানী, গুগলের সাউথ ইস্ট এশিয়ার (এসইএ) পার্টনার মানিটাইজেশন স্পেশালিস্ট অজয় লুথার, প্রথম আলো ডিজিটালের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আহতেরাম উদ্দিন এবং গুগলের সিপিটি পার্টনারের রিডহোয়ার-এর জিতিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৩৫টি মিডিয়া প্রকাশনা কোম্পানির প্রায় ৭০ জন অতিথি এতে অংশ নেন।

গুগল অ্যাডসেন্স ১২ বছরের বেশি সময় ধরে মিডিয়া প্রকাশকদের অনলাইন কনটেন্ট থেকে অধিক পরিমাণে আয় করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে আসছে। বর্তমানে ২০ লাখের বেশি মানুষ গুগল অ্যাডসেন্স সেবা ব্যবহারের মাধ্যমে আয় করছে। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে অনলাইন মিডিয়ায় বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পাওয়ার চাহিদা নিয়মিত বাড়ছে। সে জন্য বাংলাদেশি মিডিয়া প্রকাশকদের অনলাইনে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনের মাধ্যমে আয় করা এবং একই সঙ্গে বিজ্ঞাপনদাতাদেরও বাংলা অনলাইন মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান গ্রাহক বা পাঠকদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ এনে দিতে গুগল অ্যাডসেন্স সেবা চালু করা হয়েছে।

গুগলের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ম্যানেজার আহমদ শাহ নওয়াজ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সামাজিক সম্মিলনমূলক এই কর্মশালার আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল, গুগল অ্যাডসেন্স সেবার বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরে এ সম্পর্কে মিডিয়া প্রকাশকদের আরো অবগত করা এবং তাদের এ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সময়ের সেরা চর্চাগুলো বা উদাহরণগুলো জানানো, যাতে তারা বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনের মাধ্যমে আরো বেশি পরিমাণে আয় করতে পারেন। আমরা বাংলাদেশ ও ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা লাখ লাখ বাংলাভাষী মানুষের জন্য বাংলা ভাষায় গুগল অ্যাডসেন্স সেবা চালু করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত।’

গুগল সম্পর্কে
গুগলের মিশন বা অভীষ্ট লক্ষ্য হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী তথ্য সংগঠিত করা এবং সেটাকে যতটা সম্ভব সর্বজনীন ব্যবহার ও উপকার সাধনের উপযোগী করে তোলা। সার্চ ইঞ্জিন, ম্যাপস বা মানচিত্র, জিমেইল, অ্যান্ড্রয়েড, গুগল প্লে, ক্রোম ও ইউটিউব প্রভৃতি প্রযুক্তি সেবা ও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে শতকোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অর্থপূর্ণ ভূমিকা পালন ও অবদান রেখে চলেছে গুগল। একই সঙ্গে গুগল বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ও জনপ্রিয়তা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হয়ে উঠেছে। গুগল হচ্ছে অ্যালফাবেট ইনকরপোরেশনের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান।

রম্য : ইন্টারনেট আমাদের যেসব ক্ষতি করল


আজ বিশ্ব ইন্টারনেট দিবস। ইন্টারনেট যখন ছিল না, তখন এবং যখন আছে, তখনকার পার্থক্য কোথায়? পার্থক্য যেটাই হোক, ইন্টারনেট আসাতে আমাদের একটু ক্ষতিই হয়ে গেল। দেখা যাক সেসব ক্ষতি কী।

১. যখন ইন্টারনেট ছিল না, তখন ফেসবুক বলে কোনো বস্তু ছিল না। ইন্টারনেটের যুগে ফেসবুক ছাড়া যেন মানুষের চলেই না।

২. ইন্টারনেট না থাকার সময়ে ‘লাইক’, ‘কমেন্ট’, ‘শেয়ার’ নিয়ে মানুষের মাতামাতি ছিল না। ইন্টারনেট যুগে ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুকে কতগুলো লাইক, কমেন্ট আর শেয়ার পাওয়া গেল, তা চেক করে এখনকার মানুষ। এগুলো নিয়ে আছে ‘বাড়তি টেনশন’!

৩. ইন্টারনেট না থাকার যুগে মানুষ কষ্ট করে চিঠি লিখত, সেই চিঠি ডাকে পাঠিয়ে প্রার্থনা করত, ‘মাবুদ, চিঠি যেন প্রাপক বেঁচে থাকতে তার হাতে গিয়ে পৌঁছায়’! ইন্টারনেটের এ যুগে চিঠি যেন জাদুঘরে ঠাঁই নিচ্ছে। এ যুগে মানুষ মুহূর্তেই মেসেজ ‘সেন্ড’ করছে, ওপ্রান্তে ‘সিন’ হচ্ছে, ‘রিপ্লাই’ আসছে ত্বরিতগতিতে।

৪. যখন ইন্টারনেট ছিল না, তখন কেউ ‘পোক’ শব্দটার সঙ্গে পরিচিত ছিল না। ইন্টারনেট থাকার যুগে ফেসবুকে পোক মারা এখন ডালভাত।

৫. ইন্টারনেট না থাকার সময়ে কোনো সেলিব্রেটির মধ্যে ব্যক্তিগত আলাপচারিতার ‘স্ক্রিনশট’ অনলাইনে ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয় ছিল না। এ যুগে অহরহ সেলিব্রেটিদের বিভিন্ন ধরনের স্ক্রিনশট অনলাইনে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে!

৬. যখন ইন্টারনেট ছিল না, তখন মানুষের স্মরণশক্তি প্রখর ছিল। যেকোনো তথ্য মানুষ মনে রাখত। এ যুগে নিজের স্মরণশক্তির নিয়ে মানুষ নিজেই সংশয়ে থাকে। যেকোনো তথ্যের জন্য গুগল ছাড়া যেন গতি নই।

৭. ‘যেভাবে খেলে চিকন হবেন’, ‘অফিসে জনপ্রিয় হওয়ার অজানা কৌশল’ এ রকম উদ্ভট শিরোনামের কোনো সংবাদ দেখেনি ইন্টারনেটবিহীন যুগের মানুষ। ‘বউকে বশে রাখার ১০১টি উপায়’, ‘প্রেমিকার মন জয়ের গোপন কৌশল’ হাবিজাবি সব শিরোনামে কথিত সংবাদ এখন ইন্টারনেটে বানের জলের মতো ভেসে বেড়ায়!

ইন্টারনেট কি? | ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে? | মহাবিস্তারিত


যখন আপনি ইন্টারনেট এ কারো সাথে চ্যাট করেন কিংবা কাওকে মেইল সেন্ড করেন তখন কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে এই কাজ গুলো সম্পূর্ণ হতে কতোগুলো আলাদা কম্পিউটার একসাথে কাজ করে যাচ্ছে? আপনি টেবিলে বা কোলে আপনার কম্পিউটার নিয়ে বসে আছেন, আর আরেক প্রান্তে আপনার বন্ধু কম্পিউটার নিয়ে প্রস্তুত হয়ে বসে আছে আপনার সাথে যোগাযোগ করার জন্য। কিন্তু আপনি আর আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের ফাঁকের মধ্যে আরো ডজন খানি কম্পিউটার রয়েছে যা আপনার আর আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের মধ্যের ফাঁকা স্থান পূরণ করছে। আর এভাবেই একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটার সংযুক্ত রয়েছে গোটা পৃথিবী জুড়ে আর এটাই হলো দ্যা ইন্টারনেট। কিন্তু এই আলদা আলদা কম্পিউটার গুলো নিজেদের ভেতর সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হয় কীভাবে? বন্ধুরা চলুন এই সমস্ত বিষয়টি একদম কাছ থেকে পরিদর্শন করে আসি।
ইন্টারনেট কি?
বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যাবস্থা এখন অনেক উন্নত হয়ে গেছে আর এই সবই কৃতিত্ব তার, যার নাম হলো ইন্টারনেট। গত ২০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে মোটামুটি ২১০টি আলাদা দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে এর বিস্তার। এমনকি পৃথিবীর অনেক দরিদ্রতর দেশও সংযুক্ত হয়ে পড়েছে এই জালে।

আপনি আমি সহ বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন যে, ইন্টারনেট শব্দটির মানে হচ্ছে অনলাইনে চলে যাওয়া। কিন্তু সত্য কথা বলতে এটি একটি সাধারন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ছাড়া আর কিছুই নয়। মনেকরুন একটি রাস্তার কথা যা পুরো পৃথিবী জুড়ে পেঁচিয়ে রয়েছে। যেমন করে রাস্তা দিয়ে ট্র্যাফিক বয়ে গিয়ে তার গন্তব্যে পৌঁছে ঠিক তেমনি বিভিন্ন কম্পিউটার দিয়ে ডাটা বয়ে গিয়ে তার গন্তব্যে পৌঁছে। আর এটাই হলো ইন্টারনেট এর মূল ভিত্তি। ইন্টারনেট হলো আসলে একেকটি আলাদা কম্পিউটারের একসাথে সংযুক্ত হয়ে থাকার একটি সিস্টেম (আপনার ঘরের কম্পিউটার, অফিসের কম্পিউটার, স্কুল কলেজের কম্পিউটার)।

একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটারের সংযোগ করা থাকে বিভিন্ন উপায়ে। কোন কম্পিউটার গুলো সংযুক্ত থাকে পুরাতন কপার ক্যাবল দ্বারা আবার কোন গুলো ফাইবার-অপটিক ক্যাবল (যা আলোর স্পন্দনের মধ্যে ডাটা সেন্ড করে) দ্বারা আবার কোন কম্পিউটার গুলো বেতার কানেকশানে যুক্ত থাকে (বেতার কানেকশান মানে আমরা যাকে ওয়্যারলেস বুঝি, এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে) এবং কোন কম্পিউটার গুলো স্যাটালাইটের সাথে সংযুক্ত থাকে। আর এইভাবেই আমরা উপভোগ করতে পারি ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজ সুবিধা, ইমেইল সেবা, অথবা ডাউনলোড করি এমপিথ্রী মিউজিক ফাইলস।
ইন্টারনেটের আসল কাজ কি?

ইন্টারনেটের চাকরিটা আসলে খুব সহজ, সে শুধু এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ডাটার আদান এবং প্রদান করে, ব্যাস। যে মেশিন গুলো একত্রিত হয়ে ইন্টারনেট তৈরি করেছে তাদের প্রধান কাজই হলো ডাটা আদান আর প্রদান। বাস্তবিকভাবে তুলনা করতে গেলে ইন্টারনেটকে পোস্টাল সার্ভিসের সাথে তুলনা করা যায়।

পোস্টাল সার্ভিসে চিঠি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় আদান প্রদান করা হয়। কিন্তু এটা কোন ব্যাপার না যে চিঠি কার কাছ থেকে আসলো বা চিঠির ভেতর কি লেখা আছে। আবার চিঠি একদম ফাঁকা থাকলেও পোস্টাল সার্ভিসের কোন যায় আসে না। তার কাজ চিঠি পৌঁছানো ব্যাস তা পৌঁছে দেবে। ইন্টারনেটও একইভাবে কাজ করে।

পোস্টাল সার্ভিসের মতো ইন্টারনেটও অনেক তথ্য ধারণ করে তা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পৌঁছে দেয়। এরমানে হলো যদি কোন ডাটা আদান প্রদান করানো হয় তবে ইন্টারনেট সেটি সম্পূর্ণ করে দেবে। এখন আপনি ইমেইল পাঠালেন না কাওকে ম্যাসেজ করলেন এর সাথে ইন্টারনেটের কোন লেনাদেনা নেই। তবে যে কাজেই ডাটা আদান প্রদান করার বিষয় আছে সেটিই ইন্টারনেট সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করবে, ব্যাস। এখন এই ডাটা আদান প্রদানের সূত্রের উপর ভিত্তি করে আমরা নতুন নতুন ব্যবহার খুঁজে বেড় করছি। যেমন যখন দুই ইউরোপিয়ান বিনিয়োগকারী স্কাইপ তৈরি করলেন তখন তারা টেলিফোনের কথা বলাকে নেটে নিয়ে আসলেন। তারা একটি প্রোগ্রাম তৈরি করলেন যেখানে আমাদের কথা ডাটাতে পরিণত হতে পারে এবং তা আদান প্রদানের মাধ্যমে কথাবার্তা চলতে থাকে। কিন্তু কখনোয় সরাসরি আমাদের কথা আদান প্রদান করিয়ে স্কাইপের জন্য আলাদা ইন্টারনেট তৈরি করা সম্ভব ছিল না।
ইন্টারনেটের ডাটা গুলো কীভাবে আদান প্রদান করা হয়?

ইন্টারনেট মূলত টেলিফোন নেটওয়ার্ক এর মতো কাজ করে থাকে। কিন্তু ইন্টারনেটের ডাটা বহন করা আর টেলিফোন লাইনে কল করা আলাদা ব্যাপার। আপনি যখন আপনার কোন বন্ধুকে রিং করেন তখন আপনার টেলিফোনে আপনি এবং আপনার বন্ধুর মধ্যে একটি সরাসরি কানেকশান (বা সার্কিট) ওপেন হয়ে যায়। আপনি যতক্ষণ টেলিফোনে কানেক্ট হয়ে থাকেন, সার্কিটটি ততোক্ষণ ওপেন হয়ে থাকে। একটি টেলিফোনের সাথে আরেকটি টেলিফোনকে কানেক্ট থাকার পদ্ধতিকে সার্কিট সুইচিং বলা হয়। কখন কার কথা শোনা যাবে আর কার কথা পাঠানো হবে তা নিয়ন্ত্রন করে ইলেক্ট্রনিক টেলিফোন এক্সচেঞ্জ সিস্টেম।

কিন্তু বন্ধুরা একটু ভেবে দেখলে বুঝতে পারবেন যে, সার্কিট সুইচিং কোন নেটওয়ার্ক স্থাপন করার জন্য সত্যিই অদক্ষ একটি পদ্ধতি। আপনি যখনই ফোনে আপনার বন্ধুর সাথে সংযুক্ত হয়ে থাকবেন তখন সেই লাইনে আপনার সাথে অন্য কেউ সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেনা। (মনে করুন, আপনি কাওকে একটি ইমেইল টাইপ করছেন, টাইপ করতে ঘণ্টা লেগে যেতে পারে, আর এই সময়ে যদি আপনাকে আর কেউ কোন মেইল সেন্ড করতে না পারে তবে?) মনে করুন আপনি টেলিফোনে অনেক ধিরেধিরে কথা বলছেন বা কথা বলতে বলতে লম্বা ফাঁকা নিচ্ছেন বা কথা বলতে গিয়ে ফোন রেখে কফির মগ আনতে গেলেন। তো আপনি তো তখন কোন তথ্য প্রেরন করছেন না, কিন্তু তারপরেও আপনার ফোন আপনার বন্ধুর ফোনের সাথে কানেক্টেড হয়ে রয়েছে। আপনাকে প্রত্যেকটা সেকেন্ডের জন্য বিল চার্জ করা হচ্ছে এবং আপনি কথা বলুন আর নাই বলুন ফোন কানেক্টেড থাকা মানে আর অন্য কেউ সেই লাইনে ফোন করতে পারবে না। তাই সার্কিট সুইচিং কখনোয় আদর্শ নেটওয়ার্ক হতে পারে না। তাহলে ইন্টারনেট কি ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডাটা বহন করে?
প্যাকেট সুইচিং

ইন্টারনেট তার ডাটা বহন করতে এখনো কখনো কখনো সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। যেমন আপনি যদি ডায়াল-আপ কানেকশান (যেখানে আপনার কম্পিউটার আপনার ইন্টারনেট প্রদানকারীর কাছে পৌঁছাতে একটি টেলিফোন নাম্বার ডায়াল করে, আর এটি কোন সাধারন ফোন কলের মতোই কাজ করে) ব্যবহার করেন ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হতে। এখানে আপনি অনলাইনে আসার জন্য সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করলেন। তাই আমি কানেক্টেড থাকা পর্যন্ত কেউ আপনাকে ফোন করতে পারবেনা। এবং আপনাকে কানেক্ট থাকার প্রত্যেক সেকেন্ডের জন্য টাকা দিতে হবে। এবং বদলে আপনার নেট কানেকশান কাজ করবে একদম কচ্ছপ গতিতে।

কিন্তু বেশিরভাগ ইন্টারনেট ডাটা বহন করা হয়ে থাকে সম্পূর্ণ নতুন এক পদ্ধতিতে যার নাম হলো প্যাকেট সুইচিং। মনে করুন আপনি আপনার কোন ইন্ডিয়ান বন্ধুকে ইমেইল পাঠাতে চাচ্ছেন। তো এখানে আপনার ইন্ডিয়ান বন্ধু এবং আপনাকে সরাসরি কানেক্টেড থাকার কোন প্রয়োজন নেই এই সম্পূর্ণ মেইলটি একবারে পাবার জন্য। প্যাকেট সুইচিং এ আপনার মেইলটি পাঠানোর পরে তা অনেক গুলো খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। আর এই প্রত্যেকটি খণ্ডকে বলা হয়ে থাকে প্যাকেটস। প্রত্যেকটি প্যাকেটের গায়ে ট্যাগ করা থাকে যে তাদের কথায় যেতে হবে এবং তারা আলদা আলদা পথে ভ্রমণ করতে পারে। খণ্ডগুলো যখন তাদের গন্তব্যে পৌঁছে যায় তখন সেগুলো আবার একত্রিত হয়ে যায়, যাতে তা মেইল রূপে প্রদর্শিত হতে পারে।

প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি হতে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে থাকে। আপনার কখনোয় প্রয়োজন পড়বে না কারো সাথে একেবারে কানেক্টেড হয়ে থাকার। তাই আপনি কারো লাইন একদমই বন্ধ করে রাখছেন না। অন্য কেউ একই সময়েই একই লাইন ব্যবহার করতে পারে। এবং নির্দিষ্ট প্যাকেট গুলো ঠিক মতোই আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। যেহেতু প্যাকেট গুলো আলাদা আলাদা পথে ভ্রমন করে পৌছায় তাই কোন বাঁধা বিঘ্ন ঘটে না। ফলে অনেক ফাস্ট স্পীড দেখতে পাওয়া যায়।
প্যাকেট সুইচিং কীভাবে কাজ করে?

প্যাকেট সুইচিং কীভাবে কাজ করে তা বোঝার আগে আপনার বোঝা দরকার যে কীভাবে সার্কিট সুইচিং কাজ করে তার সম্পর্কে। মনে করুন আপনি অ্যামেরিকাতে থাকেন এবং বাংলাদেশে চলে আসার প্লান করলেন। মনে করুন আপনি শুধু আপনার মালপত্র নয় বরং সাথে আপনার বিল্ডিং ও তুলে নিয়ে আসার কথা ভাবছেন 😛 তবে ভেবে দেখুন একটি দুঃস্বপ্নের কথা যেখানে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে আপনার গোটা বাড়ি বহন করে নিয়ে আসছেন। তাহলে আপনাকে কি করতে হবে?

প্রথমত একটি এমন রাস্তা দেখতে হবে যা দিয়ে সহজে আপনি ভ্রমন করতে পারবেন। তারপরে আপনার কিছু ট্রাকের প্রয়োজন পড়বে। এবং সমুদ্র পার করার জন্য আপনার প্রয়োজন পড়বে একটি স্পেশাল জাহাজ। ভেবে দেখুন পুরা ব্যাপারটা কতটা কঠিন হয়ে পড়লো। আর এতো কিছু একসাথে বহন করার জন্য আপনি কয়েকদিন পিছিয়ে যাবেন। কারন আপনার গন্তব্য অনেক স্ল্যো হয়ে যাবে। আবার ঐ একই রাস্তায় যদি অন্যকেউ আসার চেষ্টা করে তবে সেও বাঁধাগ্রস্থ হয়ে পড়বে। আসলে সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি এই একইভাবে কাজ করে। এবং এই পদ্ধতিতেই টেলিফোন কল হয়ে থাকে।

এখন আরেকটি অবস্থা কল্পনা করুন। মনে করুন আপনি আপনার বিল্ডিংটি খুলে ফেললেন এবং প্রত্যেকটা ইট নাম্বারিং করলেন। প্রত্যেকটি ইটকে একেকটি খামে ভরলেন এবং একেকটি পথে তা আপনার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলেন। কোন গুলো গেলো হয়তো জাহাজে আবার কোন গুলো গেলো হয়তো আকাশ পথে। তারপর যখন সব ইটগুলো একত্রে পৌঁছে গেলো তখন ইটগুলোর নাম্বার গুলো মিলিয়ে আবার আগের বিল্ডিং তৈরি হয়ে যাবে। যেহেতু ইটগুলো আলাদা আলাদা রাস্তা দিয়ে ভ্রমন করে এসেছে তাই রাস্তায় কোন জ্যামের সৃষ্টি করবে না। এবং অন্যরা একই সময়ে একই রাস্তা ব্যবহার করতে পারবে।

আর ঠিক এই পদ্ধতিতেই প্যাকেট সুইচিং কাজ করে। যখন আপনি ইমেইল করেন বা ব্রাউজার দিয়ে কোন সাইট ব্রাউজ করেন তখন সকল ডাটাগুলো অনেক গুলো প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে যায় এবং তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।
কীভাবে কম্পিউটাররা ইন্টারনেটে বিভিন্ন কাজ করে থাকে?

পুরো ইন্টারনেট জুড়ে শতশত মিলিয়ন কম্পিউটার রয়েছে। কিন্তু এরা প্রত্যেকেই কিন্তু একই কাজ করে না। এদের মধ্যে কিছু কম্পিউটার শুধু তথ্য সংগ্রহ করে রাখে এবং কোন তথ্য কোথাও থেকে অনুরোধ করা হলে সেখানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর এই মেশিন গুলোকে বলা হয় সার্ভার। যে মেশিন গুলো কোন ডকুমেন্ট স্টোর করে রাখে তাদের বলা হয় ফাইল সার্ভার। যে সার্ভার গুলো আপনার আমার মেইল ধারণ করে রাখে, এদের বলা হয় মেইল সার্ভার। এবং যে সার্ভার গুলো ওয়েবপেজ ধারণ করে রাখে তাদের বলা হয় ওয়েব সার্ভার। ইন্টারনেটে বহুত মিলিয়ন সার্ভার রয়েছে।

যে কম্পিউটার গুলো সার্ভার থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এদের বলা হয় ক্লায়েন্ট কম্পিউটার। আপনি যখন মেইল চেক করার জন্য ইন্টারনেটে প্রবেশ করেন তখন আপনার কম্পিউটারটি হলো ক্লায়েন্ট, আপনার আইএসপি (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার) হলো সার্ভার এবং মেইলটি আসে মেইল সার্ভার থেকে। ইন্টারনেটে সার্ভারের তুলনায় ক্লায়েন্টের সংখ্যা বেশি, প্রায় বিলিয়ন খানেক।

যখন দুটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে তথ্য আদান প্রদান করতে থাকে তখন একে বলা হয়ে থাকে পিরস (Peers)। আপনি যদি আপনার বন্ধুর সাথে ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং করেন বা ফটো আদান প্রদান করেন তবে এটি হলো পির টু পির (peer-to-peer) (P2P) কমুনিকেসন। পি টু পি তে কখনো আপনার কম্পিউটার ক্লায়েন্ট হিসেবে আচরন করে আবার কখনো আপনার কম্পিউটার সার্ভার হসেবে আচরন করে। মনে করুন আপনি আপনার বন্ধুকে ফটো সেন্ড করলেন, তখন আপনার কম্পিউটার সার্ভার হিসেবে কাজ করলো (ফটো সেন্ড করলো)। এবং আপনার বন্ধুর কম্পিউটার ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করবে (ফটো অ্যাক্সেস করবে)। আবার আপনার বন্ধু ফটো সেন্ড করলে তার কম্পিউটার সার্ভার হিসেবে কাজ করবে (ফটো সেন্ড করলো) আর আপনার কম্পিউটার এবার ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করবে (ফটো অ্যাক্সেস করবে)।

শুধু সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট ছাড়াও আরেকটি মধ্যম কম্পিউটার রয়েছে যা ইন্টারনেটের আরেকটি অংশ। আর এর নাম হলো রাউটার। এটি শুধু আলাদা সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে থাকে। আপনার বাড়িতে বা স্কুলে বা অফিসে যদি একাধিক কম্পিউটার থাকে তবে রাউটার সকলকে একত্রিত করে ইন্টারনেটে কানেক্ট করতে সাহায্য করে।

টিসিপি/আইপি (TCP/IP) এবং ডিএনএস (DNS)

ইন্টারনেটে ডাটা আদান প্রদান করার আসল ব্যাপারটি কিন্তু মোটেও কোন ঘরের ইট খামে করে বহন করার মতো সহজ নয়। ইন্টারনেটের ডাটা গুলো কোন মানুষ যেমন আপনি বা আমি দ্বারা নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়। প্রত্যেকটি দিন নেটে অসংখ্য ডাটা আদান প্রদান করা হয়ে থাকে—খসড়া ভাবে প্রায় ৩ বিলিয়ন ইমেইলস এবং প্রচুর পরিমানে ট্র্যাফিক বিভিন্ন ডাটা ডাউনলোড এবং আপলোড করছে বিশ্বের ২৫০ মিলিয়ন ওয়েবসাইট জুড়ে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যদি এই সকল ডাটা গুলোকে প্যাকেটে পরিণত করে পাঠানো হয়ে থাকে এবং কারো যদি কোন কন্ট্রোলই না থাকে তবে কীভাবে এই প্যাকেট গুলো না হারিয়ে প্রত্যেকে আসল গন্তব্যে পৌঁছে যায়?

আর এর উত্তর হচ্ছে টিসিপি/আইপি (TCP/IP) বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল/ইন্টারনেট প্রোটোকল। এই সিস্টেমটিই সকল প্যাকেট গুলোকে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। এটি বলতে পারেন টু ইন ওয়ান সিস্টেম। কম্পিউটারের দুনিয়ায় “প্রোটোকল” মানে হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড যা প্রত্যেকে বিশ্বাস করে এবং সকল জিনিষ নিশ্চিতভাবে পৌঁছে গেছে তা নিশ্চিত করে। এখন আপনার মনে অবশ্যই প্রশ্ন জাগছে যে, টিসিপি/আইপি আসলে কি কাজ করে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ইন্টারনেট প্রোটোকল বা আইপি হলো একটি সাধারন অ্যাড্রেসিং সিস্টেম। ইন্টারনেটে অবস্থিত সকল মেশিন আমারটা আপনারটা সবারটাতেই একটি ভিন্ন আইপি থাকে। যখন প্রত্যেকটি মেশিনে আলাদা আলাদা আইপি থাকবে তখন কোন মেশিন কোনটা তা সহজেই চেনা যাবে এবং সে অনুসারে প্যাকেট পাঠানো সম্ভব হয়ে থাকে। আইপি অ্যাড্রেস মূলত কিছু সংখ্যার সন্নিবেশ হয়ে থাকে। এবং সংখ্যা গুলো কমা বা কোলন ব্যবহার করে আলাদা করা হয়ে থাকে।

ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু আলাদা হয়ে থাকে। ওয়েবসাইটে আইপির বদলে সহজে মনে রাখার জন্য নাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন (Techubs.Net)। এই সিস্টেমের নাম হলো ডিএনএস বা ডোমেইন নেম সার্ভার। ডোমেইন নেম ব্রাউজারে প্রবেশ করানোর পড়ে কম্পিউটার এই আইপি খুঁজতে আরম্ভ করে এবং আইপি খুঁজে পেলে ওয়েব সার্ভার থেকে সাইট ওপেন হয়ে যায়।

আইপি মূলত দুই প্রকারের হয়ে থাকে। একটি হলো IPv4 এবং আরেকটি IPv6। আইপিভি৪ এ চার খণ্ডের ডিজিট থাকে। যেমন 12.34.56.78 অথবা 123.255.212.55। কিন্তু দ্রুত বর্ধমান ইন্টারনেট জগতে আজ আর নতুন কোন আইপিভি৪ অ্যাড্রেস অবশিষ্ট নেই। তাই নতুন এক সিস্টেম উদ্ভবন করা হয়েছে যার নাম হলো আইপিভি৬। এটি আইপিভি৪ এর তুলনায় অনেক লম্বা। 123a:b716:7291:0da2:912c:0321:0ffe:1da2 হলো আইপিভি৬ এর উদাহরণ। [আইপি অ্যাড্রেস নিয়ে আরো জানুন]

এই কন্ট্রোল সিস্টেমের আরেকটি অংশ হলো ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল বা টিসিপি। এই সিস্টেমটি নির্ধারণ করে যে, একটি আইপি থেকে আরেকটি আইপিতে কীভাবে প্যাকেট সেন্ড করতে হবে। এবং এই সিস্টেমটি রিসিভ হওয়া প্যাকেট গুলোকে একত্রিত করে। আবার প্যাকেট সেন্ড করার সময় কোন প্যাকেট হারিয়ে গেলে আবার রি-সেন্ড করে।

খবর: techubs.net

বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৩ জনের ১ জন শিশু: ইউনিসেফ


বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর তিন জনের মধ্যে এক জন শিশু। আজ ইউনিসেফের প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে, ডিজিটাল ওয়াল্ডের ঝুঁকিপূর্ণ দিক থেকে শিশুদের রক্ষায় তাদের জন্য অন-লাইনে নিরাপদ প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

ইউনিসেফ এই প্রথম ডিজিটাল প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে ব্যাপকভাবে জরিপ চালিয়ে শিশুদের ওপর এর প্রভাব এবং তাদের জীবনে ডিজিটাল প্রযুক্তির ঝুঁকি এবং সুযোগ উভয় বিষয় দি ‘স্টেট অব অব দি ওয়াল্ড’স চিলড্রেন ২০১৭’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উপস্থাপন করেছে।

এতে যুক্তিসহকারে উল্লেখ করা হয়,সরকারি এবং বেসরকারি উভয় খাতের কেউই শিশুদের ডিজিটাল প্রযুক্তির নতুন ঝুঁকি ও ক্ষতির ব্যাপারে পদক্ষেপ রাখেনি।

এ প্রসঙ্গে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক এ্যান্থনী লেক বলেন, আরো ভালোর জন্য এবং আরো খারাপের জন্য যাই বলি না কেন ডিজিটাল প্রযুক্তি এখন আমাদের জীবনে অপরিহার্য একটি বিষয়।

এসইও কী-ওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার

কী-ওয়ার্ড কী? কী-ওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার ও বাছাইকরণ ও বিশ্লেষন।
আজ আমরা কী-ওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে আলোচনা করবো। কী-ওয়ার্ড রিসার্চ কি , কেন কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করবেন, কিভাবে কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করবেন, কী-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস, কী-ওয়ার্ড রিলিভেন্স, লং টেইল কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবে, কম্পিটিটর এন্যালাইসিস পদ্ধতি, সার্চ রেজাল্ট এর CTR রেট, Keyword ROI কি এবং কিভাবে নির্ধারণ করবেন ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, আশা করছি যারা নতুন এবং যারা এডভান্স কী-ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত উত্তর গুলো খুজে পাবেন। 

প্রথমেই কী-ওয়ার্ড কি

সার্চইন্জিন অপটিমাইজেশনে কী-ওয়ার্ড একটা গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়।মূলত কী-ওয়ার্ডকে দুই ভাবে বলা যেতে পারে।১ম টি হচ্ছে যে সকল শব্দসমষ্টিকে কী-ওয়ার্ড বলে নিয়ে আপনি আপনার ওয়েব সাইটটি গঠন করেন তাকে আর ২য় টি হচ্ছে যে সকল মূলশব্দকে আপনি SEO করার জন্য বাছাই করেছেন তাকে কী-ওয়ার্ড।তবে আমার মত ২য় টাই SEO এর জন্য যথার্থ।কেননা SEO এর ভাষায় কী-ওয়ার্ড হল যে শব্দকে নিয়ে আপনি কাজ করবেন।


একটা উদাহারণ দেয়া যাক।যেমন আপনার একটা মুভি ডাউনলোডের সাইট আছে।সেক্ষেত্রে আপনার সাইটের কী-ওয়াড Download movie,Free download movie,movie watch and download এমন হওয়াই স্বভাবিক।আমরা যখন কোন কিছু সার্চ করার জন্য সার্চ বক্সে লিখি তখন সার্চ ইন্জিন সে শব্দের উপর ভিত্তি করেই ফলাফল প্রকাশ করে।আর আপনার প্রদত্ত শব্দটাই হয় কী-ওয়ার্ড।যেমন আপনি “bangladesh newspaper” লিখে সার্চ করলেন।এখানে

“bangladesh newspaper” হল আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড।এতে সার্চ ইন্জিন আপনাকে অনেক গুলো সাইটের ফলাফল দেখাবে ।এই ফলাফল দেখানোর মানে হল সার্চ ইন্জিন আপনার প্রদত্ত সার্চ কী-ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আপনাকে ফলাফল দেখাচ্ছে।এই ফলাফলের তালিকাই যেসকল সাইট আছে তারা সবাই bangladesh newspaper কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইটটি বানিয়েছে।তাহলে বুঝাই যায় যে কী-ওয়ার্ড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

কিভাবে ব্যবহার করবেন কী-ওয়ার্ড

কী-ওয়ার্ডসম্পর্কে আমরা মোটামুটি একটা ধারণা পেয়েছি।এখন দেখা যাক কিভাবে এই কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন।কী-ওয়ার্ড আপনি ২ ভাবে ব্যবহার করতে পারেন।যেমন

মেটা ট্যাগের মাধ্যমে

সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেল এর মাধ্যমে।

আসুন নিচে থেকে আরো বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

১. মেটা ট্যাগের মাধ্যমে

ওয়েব সাইট ডিজাইনের সময় আমরা অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ নিয়ে কাজ করি। এর মধ্যে

< meta name=”keywords” content=”some keyword,another keyword” />

এইট্যাগটি “মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ” নামে পরিচিত।এই মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ দ্বারা আপনি আপনার সাইটের কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের কাজ করতে পারবেন।এ জন্য আপনি আপনার সাইটের HTML এডিটর পেজে গিয়ে ও ট্যাগ এর মধ্যে আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি বসিয়ে দিন। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -

ব্যাস হয়ে গেল আপনার সাইটে মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা।আরো অনেক মেটা ট্যাগ আমরা সাইটে ব্যবহার করে থাকি ।এসব ট্যাগের ব্যবহার জানতে এই টিউনটিআপনারা দেখতে পারেন।তবে মেটা ট্যাগ ও কী-ওয়ার্ড এর ব্যবহারের বেশ কিছু নিয়ম বা টিপস মেনে চলা উচিত।ড়তে করে আপনি আরো ভালো ফলাফল পেতে পারেন।যেমন:

আপনর সাইটের যে কী-ওয়ার্ডটির উপর ভিত্তি করে বানাবেন সেই কী-ওয়ার্ডটি যেন আপনার মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে ৩ বারের বেশি না থাকে।

আপনার সাইটে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার করুন সর্বোচ্চ ১ বার।

মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে একটি কী-ওয়ার্ড বার বার না লিখে অন্য ভাবে তা লেখার চেষ্টা করুন,যেমন প্রথমে যদি লেখেন Download hindi movie, hindi movie তা হলে সেটাকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে download hindi movie বা আরএকটু পরিবর্তন করে download hindi movie online, hindi movie download করে নিতে পারেন।

কী-ওয়ার্ড এর বানান যেন কোনমতেই ভুল না যায় সেদিকে কড়া নজরদারি রাখতে হবে।যেমন বুশ লাদেন কে নজরদাড়িতে রেখেছিল

প্রতিটি কী-ওয়ার্ডের পর একটি করে কমা(,) ব্যবহার করুন এবং এর পর একটা স্পেস দিয়ে পরবর্তী কী-ওয়ার্ড দিবেন।

তারপরআপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলো অন্যান ট্যাগে ব্যবহার করুন।যেসকল ট্যাগে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন সেগুলো হলো:

Description- Meta Tag

Titel – Meta Tag

ALT- Meta Tag

২.সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলের মাধ্যমে

আমরাঅনেক মনে করি যে সার্চ ইন্জিন গুলো কেবল মেটা ট্যাগ নিয়ে সাইট ইনডেক্স করে।অনেক আবার এ ও মনে করেন যে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার না করলে হয়তো সাইট ইনডেক্স হবে না,ভালো ফল পাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি।তাই তাদের জন্য বলছি মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের জন্য অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।কিন্তু তা মানে এই নয় যে সাইট ইনডেক্স হবে না কিংবা সাইট ইনডেক্স হলেও ভালো ফল পাওয়া যাবে না।মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের ক্রাউলিং করার কাজকে অনেক সহজ করে দেয়।যেমন আপনি যদি একটি বই পড়ার সময় বইয়ের সূচিপত্র দেখে কোন তথ্য খোজ করেন তা সহজেই আপনি খুজে পাবেন।আর মেটা কী-ওয়ার্ডটি আপনার সাইটের সূচিপত্রের মত কাজ করে।যেটা থাকলে সার্চ ইন্জিন গুলোর কাজ করতে সুবিধা হয়।তো আসল কথায় আসি,


আপনি যখন আপনার সাইটের কোন কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখবেন তখন আপনি যে সকল শব্দ ব্যবহার করবেন তাই হল কী-ওয়ার্ড।তাই আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখুন।এটাই আপনার প্রথম কাজ।তাছাড়া অন্যান টিপস গুলো হলো….

প্রথমে আপনি আপানর বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলোর একটা খসড়া তালিকা তৈরী করুন।এই খসড়া তালিকায় কী-ওয়ার্ড গুলো আপনার পছন্দ আনুসারে সাজান।

আপনার বিষয় বস্তুর সাথে কোন কী-ওয়ার্ডটি বেশি মানায় সেটা নির্বাচন করুন।

আপনি আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার সময় কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের উপর জোর দিন।

আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি আপনার লেখা কনটেন্ট বা আর্টিকেলের প্রথম ২০০টি শব্দের মধ্যে রাখুন।এটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এতে করে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে অনেক ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।

শুধু মাত্র ১ টি কী-ওয়ার্ড নিয়ে পড়ে থাকবেন না।একই ধরণের কী-ওয়ার্ড গুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

গুগল সহ অন্যান সার্চ ইন্জিন কিন্তু কনটেন্ট বা আর্টিকেলে দেয়া কী-ওয়ার্ড গুলোর দিকে বেশি নজর দেয়,যা মেটা ট্যাগের চেয়ে অনেক গুন বেশিকিভাবে? আসুন দেখে নিই

মনে করুন আপনি গুগল সার্চ ইন্জিনে গিয়ে সার্চ করলেন “download indian movie” লিখে।এর পর যে সাইট গুলো আসবে তার পাশে লেখা “Cached” এ ক্লিক করুন। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -

তারপর গুগলের Cached করা সাইটের পাতাটি আপনার সামনে হাজির হবে। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -

সেখানে তারা মার্কিং করে দেখাবে যে সাইটে আপনার দেয়া কী-ওয়ার্ড গুলো কেমন ভাবে তারা ব্যবহার করেছে।

তো বুঝলেন সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলে আপনি যদি আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড ব্যবহার না করেন তাহলে কেমন ফল আপনি পেতে পারেন।

কেন এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ

আপনাদেরমনে প্রশ্ন জাগতে পারে কী-ওয়ার্ড তো হল কিন্তু এ আবার বাছাই করবো কেন।আমরা কোন ভালো জিনিস পেতে যেমন বাছাই করি তেমনি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে ভালো ফল পেতে সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের তুলনা হয় না।


আমরাঅনেক সময় ভলো ফল পাবার জন্য বিভিন্ন হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইট তৈরী করে থাকি।যেমন Download Software,Download Movie,Song,Music,Tips ইত্যাদি।এসব কী-ওয়ার্ড গুলো হাই ট্রাফিক সম্পূর্ণ।এক বার যদি এসব কী-ওয়ার্ডের ১ম পেজে থাকতে পারেন তাহলে কেল্লা ফতে।ভিজিটর নিয়া নো চিন্তা।কিন্তু এমন সব হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ডে আছে প্রচুর প্রতিযোগীতা।ভালো ভালো ওয়েবমাষ্টাররা ও মাথার ঘাম পায়ে ফেলেন এসকল কী-ওয়ার্ড নিয়ে। তবে আমরা যেহেতু প্রথম থেকে শুরু করছি তাই এত বড় বড় কী-ওয়ার্ড নিয়ে মাথা ঘামাবো না। তাই আমাদের বের করতে হবে কিভাবে অন্যান কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়। আর এই ভালো ভালো কী-ওয়ার্ড পাওয়ার জন্যই আপনার এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ।

চমৎকার সব কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন অনেক ভালো ট্রাফিক। আসুন দেখা যাক কিভাবে আমরা কী-ওয়ার্ড বাছাই করবো।

কী-ওয়ার্ডবাছাই এর সময় আমাদের কিছু বিষয় নিয়ে গবেষনা করতে হবে। এই ট্রামগুলাবিবেচনা করে আপনাকে আপনার সাইট এর জন্য সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাই করতে হবে। নিম্নে তা সংক্ষেপে আলচনা করেছেন সানি আহমেদঃ

কী-ওয়ার্ড রিলিভেন্স (Keyword relevance)

প্রথমেআপনার বিজনেস/সাইটটি কোন বিষয়বস্তুর উপর তা নির্ধারণ করুন। তারপর ওইবিষয়বস্তুটির Keyword কি সেটা নির্ধারণ করুন। ধরুন আপনার গাড়ীর পার্টস সেলিং (Car parts selling) রিলেটেড। লক্ষ্য করে দেখুন কার (CAR) কিওয়ার্ডটি highest volume keyword । এখন আপনাকে দেখতে হবে কতজন লোক গাড়ীর পার্টস (buy car parts) কিনতে CAR শব্দটি ব্যবহার করছে। এক্ষেত্রেআপনার কিওয়ার্ড কার (Car) হবে না। আপনার কিওয়ার্ড হবে আপনার সাইটের সাথে আরও Specific সম্পর্কযুক্ত। যেমন: BUY CAR PARTS, GETTING YOUR CAR PARTS। আপনার বিজনেস যদি গাড়ীর জানালা (CAR WINDOWS ) রিলেটেড হয় তাহলে আপনি আরও Specific কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। যেমন: buy car window। তখন আপনি সহজেই আপনার গ্রাহকের নিকট পৌছাতে পারবেন এবং গ্রাহকও আপনাকে সহজে খুজে বের করতে পারবে। আপনি হয়তো ভাবছেন এই কিওয়ার্ডটির Search Volume কম। তাই না? search volume কম হলেও Keyword Relevancy এর কারণে আপনার traffic ratio বাড়বে। তাই সারকথা হলো যতটুকু সম্ভব আপনি আপনার ‍ সাইট/বিজনেস এর সাথে Specific সম্পর্কযুক্ত Keyword নির্বাচন করুন।


অর্থাৎ, আপনি আপনারভিজিটরকে ঠিক কোন বিষয়টির দিকে (অর্থাৎ Keyword) আকৃষ্ট করতে চান কিংবা কোন ভিজিটরদের নিকট আপনি পৌছতে চান যা আপনার ব্যবসা/সাইটের সাথে সম্পর্কিত সেটাই কি-ওয়ার্ড রিলিভেন্সী।


কি-ওয়ার্ড সার্চ ভলিউম (Keyword Search Volume) :

যেপরিমাণ লোক কোনো নিদিষ্ট কিওয়ার্ডে সার্চ দেয় সেটাই ওই Keyword এরSearch Volume । ধরুন ১০,০০০ লোক Education কিওয়ার্ডটি দিয়ে সার্চ দেয়। তাহলে ওই ১০,০০০ লোক হলো উক্ত কিওয়ার্ড এর Search Volume। সার্চ ভলিউমএকটি একক শব্দের হতে পারে কিংবা একটি শব্দগুচ্ছেরও হতে পারে। আবার কোনোনির্দিষ্ট ওয়েবসাইটেরও সার্চ ভলিউম হতে পারে। web analytics Tools দিয়ে এই সার্চ ভলিউম পরিমাপ করা হয়। যেমন: Google Keyword tool, Word tracker ইত্যাদি।


উপযুক্ত Keyword নির্বাচন করা ভালো ভিজিটর এর প্রথম শর্ত। High Search volume এর কিওয়ার্ডগুলোতে বেশি traffic পাওয়া যায়। তাইKeyword নির্বাচন করার সময় বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে যেন কিওয়ার্ডটির সার্চ ভলিউম ভালো হয়।

এবার আসুন দেখি সার্চ ভলিউম এর রেজাল্টগুলো নিয়ে।

Search volume এর রেজাল্ট ৩ ধরনের হয়:

Broad

Exact

Phrase

আপনিযখন Google Adwords Keyword Tool ব্যবহার করবেন তখন দেখতে পাবেন Left Sidebar এর ছোট্ট একটি বক্স আছে যাতে তিনটি চেকবক্স দেখা যাচ্ছে।

এটি ব্যবহার করে কিওয়ার্ড এর সার্চ ভলিউম সম্পর্কে তিন ধরনের তথ্য বের করতে পারবেন।
১. (Broad)- উক্ত কি-ওয়ার্ড দিয়ে সামগ্রিকভাবে সার্চ ভলিউম কত
২. শুধুমাত্র (Exact) আপনার কিওয়ার্ড এর শব্দ/শব্দগুলো দিয়ে কি পরিমাণ সার্চ ভলিউম
৩. এবং Phrase এর সাথে Match করা কিওয়ার্ডগুলো দিয়ে সার্চ ভলিউম কি পরিমাণ।

প্রতিটিতেচেকবক্স এ টিক চিহ্ন বসিয়ে দেখুন একরকম রেজাল্ট দেখাবে আবার Broad এবংPhrase এর চেকবক্স উঠিয়ে দিলে অন্যরকম রেজাল্ট দেখাচ্ছে। এটি ব্যবহার করে কিওয়ার্ড এর বিভিন্ন Search Volume সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন।

কি-ওয়ার্ড প্রতিযোগীতা এবং প্রতিযোগী বিশ্লেষণ: (Keyword Competition & Competitor Analysis)-

Keyword Competition কি? কোনো Keyword কে rank এ নিয়ে আসার বাধাগুলোই মূলতKeyword Competition। Keyword এর জনপ্রিয়তার উপর নির্ভর করে উক্ত Keyword টিতে কি পরিমাণ Competition হবে। সার্চ মার্কেটাররা এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে কিছু বিষয় নির্ধারণ করেন। যেমন এই কিওয়ার্ডটি রেঙ্ক এ আনতে কতটুকু শ্রম এবং কি পরিমাণ সময় লাগাতে পারে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই সহজে কিওয়ার্ডকে rank এ আনার জন্য তুলনামূলক less competitive keyword গুলো নির্বাচন করা উচিত। এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে keyword competitiveness বিবেচনা/নির্ধারণ করা হবে? আর competitive Keyword Analysis এর সাথে কি কি বিষয় জড়িত? keyword competition কে effectively করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো Keyword tool আছে কি?

এখন বিষয় হলো, আপনি ১০ জন Internet Marketer কে সঠিক keyword competition কিভাবে পরিমাপ করা এ ব্যাপারেজিজ্ঞেস করুন। দেখবেন ১০ জন ১০ টি ব্যাতিক্রম সমাধান দিয়েছে। কিন্তু competition analyze করার জন্য সাধারণ কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো জানলে আপনি নিজেই ভালো analyzer হয়ে যাবে। আপনার প্রতিযোগীর সাইটগুলা বিবেচনা করলে আপনি আপনার কি-ওয়ার্ড এর কম্পিটিসন আন্দাজ করতে পারবেন।

এগুলো হলো:-

Relevant Content: keyword টি কি কনটেন্ট এর মধ্যে আছে?

Optimized Title : প্রতিযোগীর সাইটে আপনার নির্বাচিত keyword টি কি Title এ ব্যবহার করা হয়েছে?

Targeted Content: সাইটটিতে কি আপনার কিওয়ার্ডের উপর? নাকি জাস্ট পেজে কিওয়ার্ডটি মেনসন করা হয়েছে?

Page Links: উক্ত প্রতিযোগীর পেজে কতগুলো লিংক আছে?

Site Links: Root Domain এর উপর কতগুলো লিংক আছে?

Authority Links: উক্ত সাইটটিতে কি .edu, .gov, DMOZ, or Yahoo Directory link আছে?

Google Page Rank: সাইটটির Google Page Rank কত?

Site Age: Site টি কতদিন আগে তৈরী করা হয়েছে?

গুগল এ কত গুলো লিংক ইনডেক্স আছে ।

উক্ত সাইট গুলোর ব্যাক লিংক কত এবং তারা কি কি ধরনের ওয়েব সাইট থেকে ব্যাক লিংক পেয়েছে, আর এর জন্য আপনি backlinkwatch.com সাইট এর সাহায্য নিতে পারেন।

উক্ত সাইট গুলোর মধ্যে কতো গুলো সাইটের হোম পেজ এসেছে, অর্থাৎ ঐ কী-ওয়ার্ড যে রেজাল্ট এসেছে ওর মধ্যে কতো গুলো সাইটের মেইন ডোমেইন আছে।

Type of Site: রেঙ্ক এ থাকা বা প্রতিযোগী সাইটটি কি দুর্বল প্রকৃতির সাইট? যেমন: article directories, forums, Yahoo Answers, other Q&A sites, social sites, অথবা অন্য user generated type সাইট?


উপরোক্তপ্রশ্নগুলোর যখন উত্তর আপনার জানা হয়ে যাবে তখন আপনি নিজেই Keyword টি কতটুকু Competitive তা বুঝতে পারবেন। তাছাড়া আপনি board search result এবং exact search result ব্যবহার করেও keyword টির competition সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। আপনি গুগলে সার্চ দিয়েই এ সম্পর্কে আরও ধারণা পেতে পারেন। আমি শুধু আপনার সাথে কিছু টিপস শেয়ার করেছি। এর বেশি কিছু না। এটাকে কোনো মেথড মনে করবেন না। কারণ এটি সব categories তে কাজ নাও করতে পারে।


আপনিকিওয়ার্ডটি গুগলে সার্চ দেন। প্রথম ১০ টি সাইটকে বিশ্লেষণ করেন। যদি দেখে সবগুলোর মোট পেজরেঙ্ক ২৫ এবং exact match index count যদি 10K এর নীচে হয় তখন বুঝবেন এখানে minimal link building করে গুগুল সার্চে প্রথম চারের ভেতর পৌছা সম্ভব।


যদি মোট পেজরেঙ্ক ৩৫ এবং index count যদি 60K এর নীচে হয় তাহলে আপনাকে TOP-4 এ পৌছতে ২ কিংবা ৩ মাস সময় লাগবে। এক্ষেত্রেindex count যদি 100K এর নীচে হয় তবে দ্বিগুণ সময় লাগবে পারে।


আর যদিদেখেন পেজরেঙ্ক ৩৫ এর উপরে তখন index count যাই হোক না কেন বুঝতে হবে এটাinaccessible । এটি জাষ্ট একটা ট্রিকস. Don’t take it seriously কারণ একটি সকল niches সাইট অথবা ভিন্নধর্মী কোনো কিওয়ার্ডের ক্ষেত্রে কাজ নাও করতে পারে। আমি জাস্ট আপনাদের সাথে একটা উদাহরণ শেয়ার করলাম কিভাবে board search result এবং exact search result দিয়েও আপনি কম্পিটিসন বুঝতে পারবেন।


তা ছাড়া সবার ব্যাক লিংক যদি Avg. ১০০-১,০০০ এর মধ্যে থাকে ( এখানে শুধুমাত্র সেই লিংক এর ব্যাক লিংক এর কথা বলা হয়েছে যে লিংক সার্চ রেজাল্ট এ এসেছে, ঐ ওয়েব সাইটের হোম পেজ এর নয়) তাহলে ধরে নিতে হয়ে যে সেটি লো কম্পেটিশন ।


আর যদি ঐ কী-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিলে ৫০% ওয়েব সাইটের এর হোম পেজ আসে তাহলে ধরে নিতে হবে তা মোটামুটি হাই- কম্পেটিশন কী-ওয়ার্ড।

এবার আপনাদের সামনে সব কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস, লং টেইল কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবে নিয়ে লিখছেন রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য।

কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস

আপনারসাইট কে ভালভাবে অপটিমাইজ করার জন্য কীওয়ার্ড খুবই গুরত্তপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনার প্রত্যেকটি পেজ ভাল ভাল কীওয়ার্ড দ্বারা ভালভাবে অপটিমাইজ করা থাকে, তাহলে তারা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভাল এবং টার্গেটেড ভিজিটর আনতে পারে খুব সহজেই।


এখানে অনেক নিয়ম আছে আপনার পেজ এর জন্য ভাল কীওয়ার্ড খুজে বাহির করার। তাদের মধ্যে খুব ভাল এবং জনপ্রিয় হচ্ছে ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস গুলো কে কাজে লাগানো। তাই কিছু ভাল অনলাইন টুলস ( ফ্রি টুলস, ব্রাউজার এক্সটেনশান এবং কিছু পেইড সার্ভিস এর ফ্রি ভার্সান) নিয়ে আলোচনা করব। কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস গুলো রিয়েল টাইম কোন ডাটা দিতে পারেনা কীওয়ার্ড সম্পর্কে প্রতি সার্চ এ। তারা তাদের ক্যাশ থেকে তথ্য গুলা দিয়ে থাকে।

নিচে কিছু কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস নিয়ে আলোচনা করছিঃ

১. গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুলস

(https://adwords.google.com/select/KeywordToolExternal):


নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -

সম্ভবতএটা হচ্ছে সব ফ্রি রিসার্চ টুলস গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় টুল এসইও এর জন্য এবং এটা গুগল এর নিজস্ব কীওয়ার্ড টুল। শুধুমাত্র একটা কীওয়ার্ড অথবা প্রতি লাইনে একটি একটি বাক্য বসিয়ে রিলেটেড কীওয়ার্ড গুলো খুব সহজেই খুজে পাওয়া যায়। এখানে আপনি কীওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় ফিল্টার করতে পারবেন প্রয়োজনভেদে যেমন এক্সেট অথবা ফ্রেজ ম্যাচ টাইপ যা এসইও এর জন্য দরকার হয়। এরপর ও আপনি বিভিন্ন ভাষায় এবং দেশ ভেদে কীওয়ার্ড সার্চ করতে পারবেন। এর সাথেও আরো কিছু ফিচার আছে এটার যেমন আপনি কীওয়ার্ড আইডিয়া পেতে পারেন ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ ডিভাইস এবং মোবাইল ডিভাইস এর জন্য (ওয়াপ, মোবাইল ডিভাইস যাদের স্মার্ট ফোনের সুবিধা আছে), নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -

কীওয়ার্ডআইডিয়া ট্যাব এ আপনি একটা কলাম দেখবেন যেখানে থাকবে Competition, Global Monthly Searches, Global Local Searches, Ad Share, Google Search Network, Search Share, Approximate CPC (cost-per-click bid), Local Search Trends graph and Extracted From Webpage, আমি আপনাকে সাজেস্ট করব All Columns বাটন এ ক্লিক দিয়ে সবগুলো এনাবল করে দেয়ার জন্য ভাল সার্চ কীওয়ার্ড খুজে পেতে যা সাহাজ্য করবে। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন

রিসার্চশেষ করার পর আপনি আপনার রিসার্চ করা কীওয়ার্ড রেজাল্ট গুলো CSV format এ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। সবার মত আমরাও বলব যে এটা খুবই ইফেক্টিভ রিসার্চ টুল যার কাছে সব ধরনের ফিচার গুলো পাওয়া যায় এবং তা অবশ্যয় ফ্রিতে।

২. গুগল ইনসাইট/ ট্রেন্ড (http://www.google.com/trends/)নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন -

ইনসাইট গুগল হচ্ছে গুগল এর অন্য একটি উপকারি টুল কীওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য। এটার মাধ্যমে আপনি মাল্টিপল কীওয়ার্ড তুলনা করতে পারবেন কিছু প্যারামিটার এর উপর যেমন সিলেক্টেড ক্যাটাগরি অনুযায়ী, দেশ অনুযায়ী এবং টাইম ফ্রেম অনুযায়ী। এখানেও আপনি ফিল্টার করার সুযোগ পাবেন যেমন ওয়েব সার্চ, ইমেজ সার্চ, নিউজ এবং প্রোডাক্ট সার্চ। এখানে আরো একটি মজার অপশন হচ্ছে আপনি আপনার তথ্য কে ওয়ার্ল্ড ম্যাপ এর মাধ্যমে তুলনা করতে পারবেন। নিচের ছবিটি দেখুন -

৩. Ubersuggest.org

নিচের ছবিটি দেখুন -

এটাহচ্ছে ফ্রি কীওয়ার্ড সাজেশন টুল যা গুগল কে ব্যাবহার করেই প্রায় তৈরি হয়েছে। এটার প্রধান কাজ হচ্ছে সাজেশান করা। এখানেও আপনি আপনার পছন্দমত ভাষা এবং আপনার কী ওয়ার্ড এর ধরন (ওয়েব, নিউজ, শপিং, ভিডিও অথবা রেসিপি) সিলেক্ট করতে পারবেন। Ubersuggest আপনার কীওয়ার্ড কে বিভিন্নভাবে পরিবর্তন করে আপনাকে সাজেস্ট করতে সক্ষম কীওয়ার্ড এর সাথে বর্ণ লাগিয়ে অথবা ডিজিট লাগিয়ে। সাজেশান করা কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে যদি আপনি আবার সার্চ করেন তাহলে আরো লং টেইল সাজেশান পাবেন।

যেমন এস ই ও এর জন্য আমি ৩৮০ সাজেশান পেলাম। নিচের ছবিটি দেখুন -

মনেকরেন একজন ব্যক্তি মোবাইল ব্যাবহারকারী হিসেবে গুগল সার্চ করতে গেল একটা মোবাইল কেনার জন্য। তাহলে সাধারনত সে কখনই “Buy a mobile phone” লিখে সার্চ দিবেনা কারণ তার অবশ্যই কোন একটা মডেল পছন্দ থাকতে পারে। উদাহরণ দেয়া যাই তার একটি ৫ মেগাপিক্সেল এর নোকিয়া মোবাইল দরকার বাংলাদেশের কোন একটা স্পেসিফিক লোকেশান এ। তাহলে তার সার্চ অনুসন্ধান হবে “Nokia Mobile with 5 mega pixel camera in Bangladesh” তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে ব্র্যান্ড এর নাম উল্লেখ করা আছে, কিছু ফিচার ও আসছে এবং সাথে লোকেশান।

এটাকেই বলা হয়ে থাকে লং টেইল কীওয়ার্ড, যখন কোন কীওয়ার্ড ২, ৩ ও ৪ ওয়ার্ড ছেড়ে যাই তখন এটাকে লং টেইল কীওয়ার্ড বলা হয়ে থাকে। এটা খুবই প্রয়োজনীয়। কারণ, এই কীওয়ার্ড গুলোর কম্পিটিশন কম থাকে এবং লোকাল মাসিক সার্চ বেশি থাকে। এবং ব্যাবহারকারী দের দিক থেকে চিন্তা করলে ভাল একটা পন্য খুজে বাহির করতে লং টেইল কীওয়ার্ড হচ্ছে বেস্ট কীওয়ার্ড।

কেন এই কী-ওয়ার্ড ভালঃ

লং টেইল কীওয়ার্ড এর কম্পিটিশন কম থাকে।
লোকাল মাসিক সার্চ বেশি থাকে।
লো কম্পিটিশন থাকায় সহজেই রেঙ্ক করানো যায়।
লং টেইল কীওয়ার্ড এর সাথে শর্ট প্রেজ কীওয়ার্ড গুলো ও চলে আসে তাই ওগুলোসহ তাড়াতাড়ি রেঙ্ক হউয়ার চান্স অনেক বেশি থাকে।
লং টেইল কীওয়ার্ড টার্গেটেড ট্রাফিক সাইট এ পাঠাতে সাহাজ্য করে।
CTR অনেক বেশি থাকে।
ব্যবসা এর জন্য লং টেইল কীওয়ার্ড খুবই দরকারি।

কিভাবে বাছাই করবেনঃ

আপনিগুগল অ্যাডওয়ার্ডস কে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই লং টেইল কীওয়ার্ড বাছাই করতে পারবেন অথবা যে কোন শর্ট কীওয়ার্ড কে সেমরাশ এ দিয়ে দিলে আপনি লং টেইল কীওয়ার্ড পেয়ে যাবেন। এছারা আপনি যদি Ubersuggest.org এর ব্যাবহার জানেন তাহলে অনেক লং টেইল কীওয়ার্ড খুজে বাহির করতে পারবেন আপনার টার্গেটেড টপিক এর উপর।

Google Adwords এ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর পদ্ধতিঃ

এখনআমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে Google Adwords এ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর করবেন। নিচের ধাপ গুলো একে একে অনুসরন করেলেই আশা করছি বুঝতে পারবেন।

নির্বাচন করুন আপনার কী-ওয়ার্ডঃ

প্রথমেGoogle Adwords এ যান। মনে মনে আপনার কাঙ্ক্ষিত কী-ওয়ার্ড নির্বাচন করুন। মনে করুন আপনি FootBall বিষয়ক একটি সাইট বানাতে চান। কি ধরনের সাইট বানাতে চান Football নিয়ে? যেটি নিয়ে আপনি সহজেই কাজ করতে পারবেন বা আর্টিকেল লিখতে পারবেন সেটা নির্বাচন করুন। যেমন সেটি হতে পারে fantasy football . কিংবা আপনি শুধু Football লিখে সার্চ দেন। তাহলে দেখবেন অনেক রিলিভেন্ট কী-ওয়ার্ড চলে এসেছে। এবার যেই কী-ওয়ার্ড আপনার কাছে ভালো মনে হবে সেটা কি নির্বাচন করুন।


এখন আপনি দেখবেন যে কী-ওয়ার্ড এ সার্চ ভলিয়ম মোটামুটি ২,০০০-৫০,০০০ (Exact সার্চ) আছে সেগুলো বাছাই করতে।

আপনারমনের মতো কী-ওয়ার্ড খুজে পেলে সেই কী-ওয়ার্ডকে সার্চ দিন গুগল ট্রেন্ডস এ। এতে করে আপনি বুঝতে পারবেন যে এই কী-ওয়ার্ডটি এখনো লাইভ মানে সার্চ হয় কিনা। তাছাড়া ওখান থেকে আপনি দেখে নিতে পারবেন যে কোন কোন দেশ এ ঐ কী-ওয়ার্ড বেশি সার্চ হয়। এতে করে আপনি ঐ কী-ওয়ার্ড এর CPC ও নির্ধারণ করতে পারেন।

কম্পিটিটর এন্যালাইসিসঃ

কম্পিটিটর এন্যালাইসিস মানে হল আপনি যে কী-ওয়ার্ড নির্বাচন করেছেন সেই কী-ওয়ার্ড এ যে প্রথম ১০ টি সাইট আছে সেগুলোর কম্পিটিশন বা তাদের ভ্যালু কেমন সেটা নির্বাচন করা। আপনাকে আগে ভাবতে হবে আপনি যে কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করছেন সেই কী-ওয়ার্ড এ আপনি সহজেই রাংক করাতে পারবেন কিনা। কারন সব কী-ওয়ার্ডএর কম্পিটেশন এক থাকে না, এমন অনেক কী-ওয়ার্ড আছে যার সার্চ ভলিয়ম অনেক বেশি কিন্তু এই ধরনের কম্পেটিশন অনেক কম। ঠিক ধরেছেন! আপনাকে ঐ ধরনের কী-ওয়ার্ড নিয়েই কাজ করতে হবে।


এখন আসুন দেখে নেই কোন কোন বিসয়ের উপর নির্ভর করে আপনি নির্ধারণ করবেন যে আপনি ঐ কী-ওয়ার্ড এ কাজ করতে পারবেন কি না।

আরএই কাজ করার জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে SEO Quack এডঅন্স। যাদের এখন ওএই এডন্স নেই তারা ডাউনলোড করে আপনার ব্রাউজার এ ইন্সটল করে নিন।

কাজের ধাপঃ


প্রথমে আপনি যে কী-ওয়ার্ড সিলেক্ট করেছেন সেই কী-ওয়ার্ডটি গুগল এ সার্চ করুন।


এরপর যে ওয়েব সাইট গুলো আসবে সেখান থেকে দেখে নিন তাদের ভ্যালু গুলো। আর কি কি বিষয় গুলো দেখবেন তা উপর থেকে সানি ভাই এর লেখা কি-ওয়ার্ড প্রতিযোগীতা এবং প্রতিযোগী বিশ্লেষণ: এর পয়েন্ট গুলো পরে দেখেন।


আশা করি ঐ বিষয় গুলো ফলো করলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন যে আপনার নির্বাচিত কী-ওয়ার্ড দিয়ে আসলেই র্যাংিক আপ করাতে পারবেন কিনা।


আর যদি আপনি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে করতে চান তাহলে আমি আপনাদের রিকমেন্ড করব ট্রাফিক ট্রাভিস ব্যবহার করতে। তবে ম্যানুয়েলি করাই সবচেয়ে ভালো।


Keyword ROI কি এবং কিভাবে নির্ধারণ করবেন।


এতক্ষণেহয়তো অনেক কষ্ট করে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত কী-ওয়ার্ড পেয়ে গেছেন। যাক খুবই ভালো কথা, কিন্তু এই কী-ওয়ার্ডটি আসলেই কতটুকু লাভজনক হবে আপনার জন্য তা কি কখন ও ভেবে দেখেছেন?? হয়তো না। আর এই লাভ বা লোকসানই হল Keyword ROI। ROI এর মানে হল Return On Investment । কত লাভ করবেন আপনি, কত সময় লাগবে এই সব বিষয় হিসাব করাকেই বলা হয় Calculating Keyword ROI for SEO। আসুন দেখে নেই কিভাবে আপনি এর হিসাব নিকাশ করবেন।


সার্চ রেজাল্ট এর CRT রেটঃ


CRT= Click Through Rate । আমরা যখন সার্চ ভলিঊম দেখতে পাই একটি কী-ওয়ার্ড এ তখন সবারই ধারনা যে ভলিউম দেখায় ঠিক সেই ভলিউমই পাওয়া যায়। আসলে ধারনাটি সম্পূর্ণ ভুল। কারন একটি সার্চ রেজাল্ট পেজ এ ১০টি পেজ থাকে এবং প্রতিটা ওয়েব সাইট ই ভিজিটর পায় সেটা কম বা বেশি, যেমন আপনার সার্চ ভলিউম যদি হয় ৫০,০০০ প্রতিমাসে এবং আপনি যদি ১ম রেংক এ থাকেন তাহলে আপনি ৫০,০০০ ই পাবেননা, আপনার কী-ওয়ার্ড অনুসারে আপনি ৩০-৬০% পর্যন্ত পাবেন। তার মানে হলোআপনি ৫০,০০০ ভলিউম এর থেকে ১৫,০০০-৩০,০০০ ভিজিটর পাবেন। বাকি ভিজিটর গুলো অন্য রেংকিং এ থাকা ওয়েব সাইট গুলতে ভাগ হয়ে যায়।


আবার ভিন্ন ভিন্ন টাইপ এর কী-ওয়ার্ডএর CRT ও ভিন্ন হয়। SEOMoz থেকে পাওয়া কিছু তথ্য আজ আমি আপনাদের সামনে দেখাবো। তাহলে আপনি ও বুঝতে পারবেন যে আপনি যা টার্গেট করেছেন তার থেকে ঠিক কতোটুকু ভিজিটর আপনি পাবেন।


এটা হল কী-ওয়ার্ড টাইপ এর ছক

Average CTR of all queries

এখানেদেখা যাচ্ছে এভারেজ সব ধরনের কী-ওয়ার্ড এর ১ম পজিশনে থাকা ওয়েব সাইট ভিজিটর পায় ৫২%, ২য় পায় ৩২%, এভাবে ক্রামানুসারে ১০ম পজিশন এর সাইট পায় ৮%। এখানে দেখা যায় যে সব গুলোর CRT যোগ করলে হয় ২০৮%! এর মানে হল একজন মানুষ একটি কী-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করলে শুধু ১টি সাইট ই ভিজিট করে না, গড়ে প্রতিটি ভিজিটর সার্চের ২টি করে সাইট ভিজিট করে।


এভাবে অন্য সব কী-ওয়ার্ড এর CRT এর মধ্যে রয়েছে।


Average CTR of brand queries

Average CTR of product queries

Average CTR of general queries

Long tail queries

যেভাবে keyword RIO নির্ধারণ করবেন


নিচে keyword RIO নির্ধারণের পদ্ধতি গুলো স্টেপ বাই স্টেপ দেয়া হল।


১ম ধাপঃ প্রথমে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড এর Monthly Search Volume বের করুন। আর কিভাবে বের করবেন এতক্ষণে নিশ্চয়ই জেনে গিয়েছেন।


২য় ধাপঃ এবার আপনি আপনার সার্চ ভলিউম এর CRT নিন এবং দেখুন আপনি কতজন ভিজিটর পাবেন। যদি আপনার টার্গেট কী-ওয়ার্ড এর ভলিউম হয় ৪০,০০০ এবং আপনি ১ম পজিশন এ থাকেন তাহলে ধরুন ৬০% ভিজিটর আপনি পাবেন। অর্থাৎ ২৪,০০০ প্রতিমাসে। এখন এই ভলিউম থেকে আপনাকে আপনার Conversation রেট বের করতে হবে, এখানেআপনি আপনার যে ম্যাথড এর উপর আয় করতে চান তার উপর নির্ভর করে, যেমন আপনিযদি এডসেন্স ব্যবহার করেন তাহলে আপনি আপনার এড এর CRT ধরতে পারেন ৬-১০% এর মধ্যে। তাহলে আপনি প্রতিমাসে ২৪,০০০ ভিজিটর থেকে ১০% Conversation পাবেন। অর্থাৎ ২,৪০০ ক্লিক।


৩য় ধাপঃ এবার আপনি আপনার Conversation কে গুন করবেন আপনার CPC (Cost Per Click) দিয়ে, এখানে এডসেন্স হলে CPC আর এফিলিয়েট হলে আপনার কমিশন রেট। আমি এখানে এডসেন্স এর CPC ধরে হিসাব করলাম। অর্থাৎ আপনার CPC যদি $০.৮০ হয় তাহলে তা Conversation দিয়ে গুন করুন। তার মানে ২৪০০X০.৮০= $১৯২০ ডলার প্রতিমাসের আয়।


৪র্থ ধাপঃ এবার আপনি এই প্রতিমাসের আয়কে ৩০ দিন দিয়ে ভাগ করে বের করতে পারেন আপনার প্রতিদিনের আয়। আর উপরের হিসাব থেকে দেখা যায় আপনার প্রতিদিনের আয় হয় ৬৪ ডলার।


৫ম ধাপঃ এখানেইশেষ নয়, আপনার কাজ শুরু করার আগে টার্গেট নিতে হবে আপনি কয়মাস পর এই অবস্থানে যেতে পারবেন, সেটা হতে পারে ৩ মাস, ৬ মাস বা ১ বছর। যদি তা ৩মাস হিসাবে ধরেন তাহলে কিন্তু আপনি ৩মাসের আগে এই এমাউন্ট পাবেন না। অর্থাৎ আপনাকে ৩মাস ইনভেস্ট করতে হবে,( এখানে সময় ও অর্থ এর কথা বলা হয়েছে). এখন আপনার এই ৩ মাসে যে সময় এবং অর্থ ঐ ওয়েবসাইট র্যাং কিং এর জন্য ব্যয় করেছেন তার সমষ্টি যদি ৩ মাস পরের আয়ের সাথে মিলে যায় তাহলে বুঝবেন আপনার RIO ঠিক আছে। অর্থাৎ আপনি যা ইনভেস্ট করেছেন তা আপনার উঠে এসেছে, এবং আপনি যদি সব মিলিয়ে এই ৩ মাসে ১০০০ ডলার ইনভেস্ট করেন এবং ৩ মাস পর যদি আপনি ২০০০ ডলার ব্যাক পান তাহলে আপনার RIO হবে ২০০% মানে আপনার ইনভেস্ট এর দ্বিগুণ আপনি ফেরত পেলেন।

অনেক হিসাব নিকাশ হল তাই না?? আসলে একটু ঠাণ্ডা মাথায় সব কিছু দেখলেই এই RIO সম্পর্কে আপনার আর কোন সমস্যা হবে না, আজ এই পর্যন্তই। ইচ্ছা ছিলো আর অনেক কিছু নিয়ে আলোচনা করার, কিন্তু এতোলেখা একবারে অসম্ভব। আর কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর ব্যাপকতা অনেক, যা আসলে ধীরে ধীরে আপনাকে অর্জন করতে হবে, টেকনিক্যাল পথের সাথে অভিজ্ঞতার ও প্রয়োজন আছে আর সেটা সময় সাপেক্ষ। আর সময় দিতে থাকুন এবং শিখতে থাকুন কী-ওয়ার্ড রিসার্চ।

২য় ক্লাশের উত্তরসমূহঃ


আমাদের গ্রুপের নিয়ম অনুযায়ী গ্রুপে আমাদের ২য় ক্লাশের ডক প্রকাশ করার পর যে সকল প্রশ্ন এসে জমা হয়েছে তার উত্তর নিচে দেয়া হলঃ


প্রশ্ন ১. আর যদি দেখেন পেজরেঙ্ক ৩৫ এর উপরে তখন index count যাই হোক না কেন বুঝতে হবে এটা inaccessible”" এখানে Inaccessible মানে কি বোজানো হয়েছে ?


উত্তরঃ Inaccessible মানে বলতে অনেক কঠিন যেখানে র‌্যাঙ্ক করাটা প্রায় অসম্ভব হবে।


প্রশ্ন ২. এখানে minimal link building করে গুগুল সার্চে প্রথম চারের ভেতর পৌছা সম্ভব।”" minimum link building এর মাত্রা কতো ?


উত্তরঃ আসলে ওইভাবে লিঙ্ক বিল্ডিং এর পরিমাণ বলা যাবেনা। মিনিমাম বলতে সর্বনিম্ন কাজ মানে পরিমানে সবছে কম বুঝিয়েছি।


প্রশ্ন ৩. এটি জাষ্ট একটা ট্রিকস. Don’t take it seriously”" এই টেকনিক এর উপর কতোটুকু বিশ্বাসী এবং আপনার কিওয়ার্ড এর রেঙ্কিং পেতে কতো টুকু ইউজ করেন। শতকরা হিসেবে একটা মাত্রা জানতে চাচ্ছি।


উত্তরঃএটা একটা উদাহরণ ছাড়া কিছুই না। আমি কিভাবে গুগল সার্চ ব্যবহার করে কম্পিটিশন এর আন্দাজ করা যায় তাই বুঝাতে ছেয়েছি। আমি এটা ধারা একটা ধারণার নিয়ে থাকি। তবে পান্ডা আর প্যাঙ্গুইন আপডেটের আগে এটা ফলপ্রশু ছিল।


প্রশ্ন ৪. একটা কিওয়ার্ড এ টপ ১০ এ হোমপেজ আছে ৩ টা সাইট এর। এখন আমি যদি ওই কিওয়ার্ড দিয়ে আমার সাইট এর একটা পেজ কে রেঙ্ক পাওয়াতে চাই, তবে ওদের মোট শক্তি সামর্থ্য (এনালাইসিস করে বের করে) এর চেয়ে কয়গুন বেশি কাজ করতে হবে ?


উত্তরঃ ওইযে ওইভাবে বলা জায় না আগেই বললাম। কারও ১০টা লিঙ্ক মানে এমন না যে আপনি ১২টা করলেই তার থেকে এগিয়ে যাবেন। এটা কাজ করতে গেলে নিজের ধারণা হয়ে যাবে আস্তে আস্তে।


প্রশ্ন ৫. গুগল এডওয়ার্ড এ যে ভলিওম টা দেখায়, সেটা কতদিনের উপর ভিত্তি করে ? মানে এক মাস, তিন মাস, এইরকম, আসলে কোনটি ?


উত্তরঃ সঠিক উত্তর জানা নাই। অনেক বিষয়ের উপর এটা নির্ভর করে।

এসইও কি, কেন , সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর এলিমেন্ট গুলো কি- পর্ব ১

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কী

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কে ইংরেজীতে সংক্ষেপে SEO বলেএর পূর্ণাংগ অর্থ হল Search engine Optimizationসার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এমন একটা পদ্বতি যার মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিন ব্যবহার করে আপনার সাইটকে সকলের কাছে বিনামূল্য সকলের কাছে পৌছে দিতে পারেনমোট কথা যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে তুলতে হয় বা সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম দিকে নিয়ে আসেতে হয় সেটাকেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলা হয়আসুন উদাহারন দিয়ে বিষয়টি আরো পরিস্কার হয়ে নিই
আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায় সার্চ ইন্জিন এর সাথে পরিচিতgoogle, yahoo,ask ইত্যাদিতার মধ্যে গুগল খুবই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনআমরা যখন কোন কিছুএ সম্পর্কে জানতে চাই তখন আমরা সার্চ ইন্জিনে তা সার্চ করে থাকিযেমন আপনি যদি বাংলাদেশের সকল খবরের কাগজের ওয়েব সাইটের লিংক চান তাহলে হয়তো গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবেন “Bangladesh newspaper links”এর পর সার্চ দিলে দেখবেন কিছুক্ষণ পর অনেক গুলো ওয়েব সাইটের লিংক আপনার সামনে এসে হাজির
এখনআমি মনে মনে ভাবতে পারেন সাইট গুলোর লিংক কী ভাবে এখানে এলোগুগল কি সাইটগুলোকে বাছাই করেছে না কি সাইটগুলোকে গুগলে সাবমিট করার জন্য কেউ আবেদন করেছেউপরের দুটো ভাবনাই ঠিকতবে আগে আবেদন তার পর বাছাই করাআর সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন হল এই দুই এর সমন্বয়অর্থা সঠিক ভাবে সার্চ ইন্জিনে সাইট সাবমিট থেকে শুরু করে এর বাছাইকরণ করার সবই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন
সার্চইন্জিনে সাবমিট করা সকল সাইটকে গুগল একটা লিস্ট বা ফলাফল প্রকাশ করেসার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রধান কাজ থাকে এই তালিকায় প্রথম পেজে থাকাআর গুগল এই তালিকা প্রকাশ করে একটি সাইটের জনপ্রিয়তা, প্রয়োজনীয়তা,গুরুত্বপূর্ণতা সহ সকল কোয়ালিটি বিবেচনা করেআর এসইও এর কাজ হল একটি সাইটের সার্চ ইন্জিনের জন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন করে তোলা

কি কারণে এই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা :

আপনাদরঅনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমরা এসইও করবোএর সহজ উত্তর হয় ওয়েব সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানোএকটি ভিজিটর ছাড়া ওয়েব সাইট এর কোন মূল্য নেইআর ভিজিটর বাড়ানোর মূল্য রয়েছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের এর গুরুত্বসার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে
  • এর মাধ্যমে আপনার সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া
  • আপনার ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা
  • সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা
  • বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে
  • তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসাবে কাজ করে

সার্চ ইঞ্জিন কয় প্রকার :

অনেকের মনেই প্রশ্ন আসতে পারে সার্চ ইঞ্জিন কত প্রকার হুম , অবশ্যই এই ধরনের প্রশ্ন করাটা স্বাভাবিক অস্বাভাবিক কিছু না
সার্চ ইঞ্জিনকে আমরা মুলত ৫ ভাগে ভাগ করতে পারি যেমন
  • ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন
  • ডাইরেক্টরিস সার্চ ইঞ্জিন
  • হাইব্রিড সার্চ ইঞ্জিন
  • ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিন
  • স্পেশিয়ালিটি সার্চ ইঞ্জিন
এবার আমরা এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো

ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন

ক্রলারনির্ভর সার্চ ইঞ্জিন স্বয়ংক্রিয় সফ্টওয়্যার প্রোগ্রামের মাধ্যমে এবং ওয়েব পেজ শ্রেণীবিভক্তকরনের মাধ্যমে জরিপ করে থাকেএই ক্রলার নির্ভর এই কাজটি যেই প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা হয় তাকে আমরা বিভিন্ন নামে চিনি যেমন স্পাইডারস, ক্রলারস, রোবটস অথবা বুটস এই ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন এর প্রধান এবং একমাত্র কাজ হল নতুন নতুন ওয়েব পেইজকে ইনডেক্স করা এবং সেটা কী- ওয়ার্ড এর উপর নির্ভর করে সার্চ রেজাল্টে দেখানো
ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন হল এগুলো , যেমন
Google (www.google.com)
Ask Jeeves (www.ask.com)

ডাইরেক্টরিস সার্চ ইঞ্জিন

ডিরেক্টরিসসার্চ ইঞ্জিন মানবীয় সম্পাদনায় পরিচালিত এবং তারাই সিদ্ধান্ত নেয় কি বিষয়শ্রেণীতে সাইট ব্যবহার করা হয়েছেএবং তারাই নির্দিষ্ট বিভাগেরডিরেক্টরিডাটাবেস এর কাজ সম্পাদন করে
আমরা উদাহরন সুরুপ দুইটি ডাইরেক্টরিস এর নাম উল্লেখ করতে পারি
Yahoo Directory (www.yahoo.com)
Open Directory (www.dmoz.org)

হাইব্রিড সার্চ ইঞ্জিন

আমরাইতি মধ্যেই জেনে গেছি ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন এবং ডাইরেক্টিরিস সার্চ ইঞ্জিন এর কাজ কিন্তূ যখন ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন এবং ডাইরেক্টরিস সার্চ ইঞ্জিন এক সাথে কাজ করে তাকেই আমরা হাইব্রিড সার্চ ইঞ্জিন বলি আমরা হাইব্রিড সার্চ ইঞ্জিনের উদাহরন সুরুপ দেখাতে পারি
Yahoo (www.yahoo.com)
Google (www.google.com)

ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিন :ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিন অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফলাফল নিয়ে থাকে এবং সকল রেজাল্টকে একত্র করে রেজাল্ট দেখায়

ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিনের উদাহরন , যেমন
Metacrawler (www.metacrawler.com)
Dogpile (www.dogpile.com)

স্পেশিয়ালিটি সার্চ ইঞ্জিন :

স্পেশালিষ্ট সার্চ ইঞ্জিনের প্রধান কাজ নিশ রিলেটেড সার্চের কাঠামো উন্নত করা
স্পেহালিস্ট সার্চ ইঞ্জিন অনেক রয়েছে , যেমন
Shopping
- Froogle (www.froogle.com)
- Yahoo Shopping (www.shopping.yahoo.com)
- BizRate (www.bizrate.com)
- PriceGrabber (www.pricegrabber.com)
- PriceSpy (www.pricespy.co.nz)
Local Search
- NZPages (www.nzpages.co.nz)
- SearchNZ (www.searchnz.co.nz)
- NZS (www.nzs.com)
Domain Name Search
- iServe (www.iserve.co.nz)
- Freeparking (www.freeparking.co.nz)
Freeware & Shareware Software Search
- Tucows (www.tucows.com)
- CNET Download.com (www.download.com)

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করেঃ

এখনআপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে সার্চ ইঞ্জিন গুল কিভাবে কাজ করেপ্রতিটিসার্চ ইঞ্জিনের একটি স্বকীয় ধরন আছে কাজ করার জন্যতবে প্রায় সব সার্চ ইঞ্জিনের কর্ম পদ্ধতি এর জন্য একই উপকরন ব্যাবহার করেমূলত ৩ টি প্রধানসফটওয়্যার এর মাধ্যমে কাজ করে থাকে সার্চ ইঞ্জিন সমূহআর এই
তিনটি সফটওয়্যার হলঃ
  • স্পাইডার সফটওয়্যার
  • ইনডেক্স সফটওয়্যার
  • কুয়েরি সফটওয়্যার
এবার আমরা দেখি এরা কে কি কাজ করেআর এদের সমন্বিত কাজ ই হোল একটা সার্চ ইঞ্জিন এর কাজ

স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software)

প্রথমেইআসি স্পাইডার সফটওয়্যার এর কথায়আমারা অনেকেই একে সার্চ বটবা রোবটহিসাবেও বলে থাকিসাধারণত বলা হয়, স্পাইডার সফটওয়্যার ওয়েব এ ভেসে বেড়ায় এবং নতুন পেজ এর সন্ধান করে এবং তা সার্চ ইঞ্জিন এ যোগ করেআসলে মূলত সার্চ স্পাইডার এর কাজ হল একটি ওয়েব পেজের মধ্যকার সকল ইলিমেন্ট গুলকে কালেকশন করাএই ধরনের সফটওয়ার গুলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফাইয়ার ফক্স বা গুগল ক্রোম এর মত কাজ করেঅর্থা আপনার ব্রাউজার যেমন কোন পেজ আপনার ডিসপ্লে এর সামনে হাজির হওয়ার জন্য অনুরোধ করে, ঠিক তেমনি এইটি ও অনুরোধ করে একটি পেজকে
তবে এখানে পার্থক্য হল, স্পাইডার সফটওয়্যার কোণ ডিজাইন, ইমেজ, ফ্ল্যাশ ইত্যাদি র প্রতি কোন আগ্রহ দেখায় নাসে সুধুমাত্র আগ্রহ দেখায় ওয়েবসাইটের HTML , টেক্সট, ইউআরএল, লিঙ্ক এইসব এর প্রতি
এর আগ্রহ শুধুমাত্র টেক্সট, ইউআরএল, লিঙ্ক এইসব এর প্রতিআর এইসকল তথ্য জোগাড় করে স্প্যাইডার সফটওয়্যার

ইনডেক্স সফটওয়্যার (Index Software)

ইনডেক্সসফটওয়্যার এর প্রধান কাজ হল একটি ওয়েব সাইট এর সকল ডাটা গুলো স্পাইডার থেকে গ্রহন করে তা সার্চ ইঞ্জিন এ সংরক্ষণ করা বা ক্যাচ ধরে রাখাআসলে ইনডেক্স সফটওয়্যার সফটওয়্যার স্পাইডার সফটওয়্যার এর কালেক্ট করা ডাটা এনালাইজ করেস্পাইডার সফটওয়্যার যখন অনুরধ করে, ইনডেক্স সফটওয়্যার তা এনালাইজ করে এখানে এক এক সার্চ ইঞ্জিন এর একেক রকম এলগরিদম আছেযেমন গুগল ও বিং এর সিক্রেট এলগরিদম আছেইনডেক্স সফটওয়্যার কোণ পেজ এর টেক্সট,লিঙ্ক, ইউআরএল যা স্পাইডার সফটওয়্যার দেয়, সেইগুলো এনালাইজ করে স্কোরিং করে যে মানুষ যা সার্চ করছে, তার সাথে এই পেজটি কতটুকু সম্পর্কযুক্ত ও গুরুত্বপূর্ণসুতরাং ইনডেক্স সফটওয়্যার তাই স্কোরিং করে যা স্পাইডার সফটওয়্যার কালেক্ট করে

কুয়েরি সফটওয়্যার (Query Software)

আমরাযখন কোন সার্চ ইঞ্জিনে কোন কিছু লিখে থাকি তখন এটাকেই দেখে থাকেযখন আমরা কোন কিছু লিখে সার্চ দেই তখন কুয়েরি সফটওয়্যার ইনডেক্স সফটওয়ার থেকে ডাটা গুলো এন্যালাইজ করে সবচেয়ে রিলিভেন্ট রেজাল্ট প্রকাশ করে
তারমানে প্রথমে স্প্যাইডার সফটওয়্যার একটি ওয়েব পেজ এর সকল তথ্য কালেকশন করে তা যাচাই বাছাই করা জন্য ইনডেক্স সফট এ পাঠায় এবং ইনডেক্স সফট তা এন্যালাইজ করে লিস্টিং করে এবং কুয়েরি সফটওয়্যার এর প্রয়োজন অনুসারে তা ভিজিটর এর কাছে প্রদর্শন করে

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের এলিমেন্ট :

বন্ধুরা আমরা আমাদের ক্লাসের একেবারেই শেষ প্রান্তে চলে এসেছি J
এখন আমরা সার্চ ইঞ্জিনের ইলিমেন্টস নিয়ে আলোচনা করবো
সার্চ ইঞ্জিনের ইলিমেন্টস গুলো হল :
  • HTML Content
  • Titles, Descriptions, and Metatags
  • Internal Link Structure
  • External Links
  • Sitemap
  • Link building
  • Content
  • Keywords
  • Anchor text