Showing posts with label সোস্যাল সাইট. Show all posts
Showing posts with label সোস্যাল সাইট. Show all posts

ইউটিউবকে টেক্কা দিতে ইউনিভার্সালের সঙ্গে ফেসবুকের চুক্তি

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য ভিডিও পোস্ট জনপ্রিয় করতে ইউনিভার্সাল মিউজিক গ্রুপের সাথে কয়েক বছরের জন্য চুক্তিতে আবদ্ধ হল ফেসবুক। এই চুক্তির ফলে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাদের ভিডিওতে কপিরাইটের ঝামেলা ছাড়াই মিউজিক ব্যবহার করতে পারবেন।

এই চুক্তির আওতায় ইনস্টাগ্রাম ও অকুলাসের জন্য তৈরি ভিডিওতেও ইউনিভার্সালের গান ব্যবহার করা যাবে।

আগে কোনো গানের কপিরাইট না নিয়ে সেটি ভিডিওতে ব্যবহার করা হলে আইন ভঙ্গের দায়ে ওই ভিডিওগুলো সাইট থেকে সরিয়ে ফেলা হত। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে কপিরাইট ভঙ্গের জন্য সৃষ্ট সমস্যা কমানোর লক্ষ্যে এই চুক্তি করল ইউনিভার্সাল মিউজিক ও ফেসবুক।

আইন মেনে ভিডিও পোস্ট জনপ্রিয় করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে ফেসবুক। সামাজিক মাধ্যমটি জানিয়েছে ইউনিভার্সালের সাথে চুক্তি এই লক্ষ্যে তাদের প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে গান ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্য বা পোস্ট তৈরি করাকে উৎসাহিত করতে আরও পদক্ষেপ নেবে তারা।

ইউনিভার্সালের সাথেই প্রথম এরকম চুক্তি করলেও, এটিই শেষ নয়। ওয়ার্নার মিউজিক গ্রুপ ও সনি মিউজিক গ্রুপের সাথেও একই রকম চুক্তি করার জন্য আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে নিউজ সাইট দ্য ভার্জ।

ফেসবুকের বিভিন্ন সার্ভিসে গানের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন রকম পরিকল্পনা করছে সামাজিক মাধ্যমটি। এজন্য বিভিন্ন মিউজিক কোম্পানির সাথে আলোচনা শুরু করেছিল ২০১৫ সালে। এক পর্যায়ে ফেসবুক তাদের সাইটে কপিরাইট ভঙ্গের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা শুরু করে। এতে ফেসবুকের বর্তমান উদ্যোগে ইউজার ও মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি দুটোই লাভবান হবে।

ফেসবুক ভিডিও পোস্ট জনপ্রিয় করার জন্য আরও নানান উদ্যোগ নিচ্ছে। সম্প্রতি ইউটিউব ও নেটফ্লিক্সের মত ভিডিও নির্ভর সাইটের অনুকরণে ‘ফেসবুক ওয়াচ’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মও চালু করেছে সামাজিক মাধ্যমটি।

ব্লগিং ? আমাকে কি জানতে হবে? ব্লগিং করে লাভ কি?

ব্লগিং সম্পর্কে কিছু ধারনা। আজকে আমি যেই বিষয় গুলি নিয়ে আলচনা করব, সেগুলি হলঃ
১. ব্লগিং কি?
২. আমাকে কি জানতে হবে?
৩. ব্লগিং করে লাভ কি?

আমরা আজকে এই তিনটি বিষয় সম্পর্কে ধারনা নেয়ার চেস্টা করব। আশা করি এই ক্লাসের মাধ্যমেই আপনি ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা পাবেন।

১. ব্লগিং কিঃ

ব্লগিং হল এমন একটি বিষয়, যেখানে আপনাকে শুধু একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগে লিখতে হবে। সাধারনত যেই ওয়েবসাইটে ব্লগিং করা হয় সেটাকে ওয়েবসাইট না বলে ব্লগ বলা হয়। আমরা পরবর্তী ক্লাশে ব্লগ সম্পর্কে জানব। ব্লগে আপনার লেখালেখিকেই মূলত ব্লগিং বলা হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ব্লগে কি নিয়ে লেখা হয়? উত্তরঃ একজন ব্লগার যা জানেন তাই ব্লগে লিখে থাকেন, সেটা যেকোনো বিষয় নিয়ে হতে পারে। যেমনঃ ভ্রমন সম্পর্কিত তথ্য, প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য, বই সম্পর্কিত তথ্য, মুভি বিষয়ক তথ্য, কম্পিউটার বিষয়ক তথ্য, ইত্তাদি। আবার অনেক ব্লগার আছেন যারা শুধুমাত্র তার নিজের দৈনন্দিন কারযবলি নোট করে থাকেন। এক কথায় কোন ব্লগে লেখালেখিকেই ব্লগিং বলা হয়। ব্লগিং আবার দুই ধরনের হয়,
ক. প্রফেশনাল ব্লগিং,
খ. গেস্ট ব্লগিং।

প্রফেশনাল ব্লগিং: প্রফেশনাল ব্লগিং হল, নিজস্ব একটা ব্লগ তৈরি করে সেখানে ব্লগিং করা। প্রফেশনাল ব্লগাররা নিজস্ব ডোমেইন ও হস্টিং কিনে তার নিজস্ব ব্লগিং প্লাটফর্ম তৈরি করেন। মূলত এটাই আদর্শ ব্লগিং ব্যবস্থা।

গেস্ট ব্লগিং: গেস্ট ব্লগিং হল অন্য কারো ব্লগে গিয়ে লেখা। ইন্টারনেটে অনেক ব্লগ আছে যেখানে, আপনি লেখার সুযোগ পাবেন। আর আপনার লেখা থেকে যতটুকু আয় হবে তার থেকে আপনি একটা অংশ পাবেন।

এই হল ব্লগিং। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আরও কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন।
২. আমাকে কি জানতে হবেঃ

ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে যা জানতে হবে তা হল, ১. যে ভাষায় ব্লগিং করবেন (ইংরেজি হলেই বেস্ট), ২. রাইটিং স্পিড, ৩. ধৈর্য।
এই তিনটি বিষয় জানা থাকলেই আপনি আপনার ব্লগিং লাইফ শুরু করতে পারেন। আর আপনাকে গাইড লাইন দেয়ার জন্য ব্লগিং স্কুলতো আছেই। ব্লগিং জগতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় হচ্ছে ধৈর্য। ধৈর্য ছাড়া আপনি এখানে উন্নতি করতে পারবেন না। আপনি এক সময় খুবই বিরক্ত হয়ে পরবেন, কিন্তু তখনই আপনাকে আপনার ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে। আর আপনি যদি ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, তাহলেই আপনি সাফল্য পাবেন।
৩. ব্লগিং এর লাভঃ

এতক্ষণে মনে হয় বুঝে গেছেন ব্লগিং কি? এখন আপনাদের বলছি এটি করে কি লাভ? আপনারা জানেন আপনার লেখা গুলি অন্য কেউ পরে উপকৃত হচ্ছে। আপনি যদি খুবই ভালো ভালো বিষয় সম্পর্কে লিখতে পারেন, তাহলে আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিসিটর আসবে। আর ভিসিটর আসলেই আপনার লাভ। যত বেশী ভিসিটর আসবে ততই লাভ। এখন আপনাকে প্রচুর পরিমানে ভিসিটর আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যতদিন আপনি ভালো ভিসিটর না পান, ততদিন আপনাকে বিনামূল্যে কাজ করে যেতে হবে। এতে হতাশার কিছুই নেই। এই শ্রমটুকুই আপনাকে একদিন সাফল্য এনে দিবে।
৪. ব্লগ থেকে আয়

এখন বলি কিভাবে আয় করবেন। ব্লগ থেকে আয়ের বিভিন্ন উপায় আছে, যেমনঃ এফিলেশন, বিজ্ঞাপন প্রদর্শন, স্পন্সর পোস্ট, ইত্যাদি। এখান থেকে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনই সবচেয়ে জনপ্রিয়। ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংস্থা আছে, যারা আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিবে। বিনিময়ে আপনি কি পাবেন? আপনি পাবেন আপনার কাংখিত আয়। বিজ্ঞাপন প্রদর্শন নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলচনা করা হবে।
এভাবেই আপনি আপনার ব্লগ থেকে আয় করতে পারবেন।

ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। সেগুলি নিয়েই আজকের ক্লাশটি সাজানো হয়েছে।



ব্লগিং সম্পর্কে নিশ্চয় জেনেছেন। এখন ব্লগিং শুরু করার পালা। এই যে ভাই, খারান। এখনি দৌড় মারতেছেন। মনে হচ্ছে দোকান থেকে কিনে নিয়ে আসবেন। আরে ভাই এত সহজ না। ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে এমনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যেন পরে না আটকে যান। যাই হোক আজকের ক্লাস এখান থেকেই শুরু করছি।
ব্লগিং শুরু করার আগে যা ভাববেনঃ

১. ব্লগিং এ ইনভেস্ট করবেন কিনাঃ

ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে ইনভেস্ট করবেন কিনা। ইনভেস্ট বলতে আপনার ব্লগ সাইটটি তৈরির কথা বলা হচ্ছে। আপনি প্রথমে ফ্রি ব্লগ দিয়েও শুরু করতে পারেন। আর যদি প্রথমেই প্রফেশনালদের মত শুরু করতে চান, তাহলে কিছু ইনভেস্ট তো করতে হবেই। ইনভেস্ট করা হবে আপনার ব্লগের জন্য ডোমেইন এবং হস্টিং কেনার জন্য। ডোমেইন এবং হস্টিং সম্পর্কে আমি কিছু বলতে চাই না। আমি শুধু বলব, ব্লগিং শুরু করলে ডোমেইন হস্টিং কিনেই শুরু করা উচিত। সেক্ষেত্রে সব মিলিয়ে আপনার ২ থেকে ৩ হাজার টাকার বেশী খরচ হবে না। আর যদি কেউ মনে করে আমি প্রথমেই ইনভেস্ট করব না, তার জন্যও উপায় আছে।
২. ব্লগিং প্লাটফর্মঃ

দ্বিতীয়ত আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কোন প্লাটফর্মে ব্লগ তৈরি করবেন। নিম্নে জনপ্রিয় দুইটি প্লাটফর্ম নিয়ে আলোচনা করা হল।
ওয়ার্ডপ্রেসঃ প্রফেশনাল ব্লগারদের জন্য ওয়ার্ডপ্রেসই বেস্ট। কারন ওয়ার্ডপ্রেসকে ব্লগিং জগতের হিরো বলা হয়। ব্লগিং এ সম্পূর্ণ স্বাধীনতা আপনি ওয়ার্ডপ্রেস থেকেই পেতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেসের সবচেয়ে সুবিধা হল, ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ তৈরি করতে আপনাকে ওয়েব ডেভেলপিং সম্পর্কে জানতে হবে না। ইন্টারনেট সম্পর্কে ধারনা থাকলেই আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটি সুন্দর ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরি করতে হলে আপনাকে ডোমেইন এবং হস্টিং কিনে কাজ করতে হবে।
ব্লগস্পটঃ যারা ফ্রি ব্লগিং করতে চান, তাদের জন্য ব্লগস্পট আশীর্বাদ স্বরূপ। ব্লগস্পট সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের একটি সার্ভিস, তাই এর নিরাপত্তা ১০০% । আপনি ব্লগস্পট এর মাধ্যমে খুব সুন্দর একটি ব্লগ সম্পূর্ণ ফ্রিতে তৈরি করে ফেলতে পারেন। ব্লগস্পট দিয়ে ব্লগ তৈরি করলে আপনার এক টাকাও খরচ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
৩. ব্লগিং এর বিষয়ঃ

এখন আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কি নিয়ে ব্লগিং করবেন। অনেকে আছেন হুট করে এক বিষয় নিয়ে ব্লগিং শুরু করে দেন। এতে তিনি এক পর্যায়ে গিয়ে থামতে বাধ্য হন। কারন তার জ্ঞানের ঝুলি শেষ। তাই আপনাকে এমন একটি বিষয় বেছে নিতে হবে, যেটা আপনি সবচেয়ে ভালো বুঝেন। ধরুন আপনি ঘুরতে ভালোবাসেন, বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান নিয়ে আপনি ব্লগিং করলেই আপনার ভালো হবে। কারন আপনি সেটা সম্পর্কে জানেন। যদি আপনি একটা দর্শনীয় জায়গায় গেলেন কিন্তু আপনি বেড়াতে ভালোবাসেন না। আপনি কি একটা জায়গা সম্পর্কে জানেন জন্যই সেই বিষয় নিয়ে ব্লগিং শুরু করবেন? এটা থবে আপনার ভুল। কারন আপনি ভ্রমন সম্পর্কে আর কিছুই জানেন না। এজন্যই আপনাকে এমন একটা বিষয় বেছে নিতে হবে, যার সম্পর্কে আপনার বিস্তর জ্ঞান রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কিছু জানার নিশ্চয়তা আছে।
৪. সময় দেয়ার নিশ্চয়তাঃ

অনেকেই আছেন শখের বশে ব্লগিং শুরু করেন, কিন্তু পরে সময় দিতে পারেন না। এতে তার কোন লাভ হবে না। কারন হাতে প্রচুর সময় থাকলেই ব্লগিং করা উচিৎ। সাফল্য পাওয়ার পরে বেশী সময় না দিলেও চলে। তাই আপনাকে ব্লগিং এ সময় দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেই ব্লগিং এ নামতে হবে। নতুবা আপনি খুব তাড়াতাড়িই ব্লগিং থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পরবেন।

ব্লগস্পট কি? ব্লগস্পট ব্লগিং সম্পূর্ণ নিয়ম

ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম ব্লগস্পট সম্পর্কে যেনে গেছেন। আজকে ব্লগস্পট নিয়েই আলোচনা করব।


ব্লগস্পট কি?

ব্লগস্পট কি? ব্লগস্পট হল সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের একটি ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম। বর্তমানে যতগুলো ফ্রি ব্লগ সার্ভিস আছে তার মধ্যে সেরা হল ব্লগস্পট। ব্লগস্পটের লিঙ্ক হলঃ http://www.blogger.comএখানে আপনি ফ্রিতে আপনার প্রথম ব্লগটি সুন্দরভাবে তৈরি করতে পারবেন। কোন প্রোগ্রামিং জ্ঞান ছাড়াই এখানে একটি খুব সুন্দর মানের ব্লগ তৈরি করা সম্ভব।
ব্লগস্পট এর সুবিধাঃ

ব্লগস্পট এর মালিক গুগল চেষ্টা করে গ্রাহক কে সর্বচ্চো সুবিধা দেয়ার। আপনি ব্লগ ডিজাইনে ব্লগস্পট থেকে মোটামুটি পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন। ব্লগস্পটের রয়েছে বেশকিছু নিজস্ব থিম। এছাড়া ইন্টারনেটে ফ্রিতে অসংখ্য থিম পাওয়া যায়। আপনি যেকোনো একটি থিম নিয়ে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন। ব্লগস্পোত এর রয়েছে হাই পারফর্মেন্স সার্ভার। আর সবচেয়ে বড় কথা হল এটি এসইও ফ্রেন্ডলি ব্লগিং প্লাটফর্ম, ফলে গুগল থেকে আপনি পাবেন অসংখ্য ভিজিটর। অনেক ব্লগ আছে যেগুলি টাকা দিয়ে তৈরি ব্লগ এর চেয়েও বেশী ভিসিটর পায়। তাই আমি আপনাদের ব্লগস্পট দিয়েই ব্লগিং শুরু করার কথা বলব। তাছাড়া অনেকে প্রথমেই টকা খরছ করতে চায় না, তাদের জন্য তো অবশ্যই ব্লগস্পট।
কেন এটি সেরা?

অনেকেই হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন যে, কেন এটি সেরা? আমি বলব এর মালিক গুগল তাই এটি সেরা। এর ইন্টারফেস আপনার পছন্দ না হলেও এটি সেরা, কারন এর মালিক গুগল। আপনারা আবার বলতে পারেন যে গুগল বলেই সেরা? হ্যাঁ, কারন ব্লগের প্রাণই হচ্ছে ভিজিটর। আপনি যদি কোন ভিজিটর না পান, তাহলে সুন্দর ডিজাইন আপনার কোন কাজে আসবে না। গুগল ব্লগসট কে যে চোখে দেখবে অন্যান্য ফ্রি ব্লগকে নিশ্চয়ই সেই চোখে দেখবে না। ফলে ভিজিটর কিন্তু ব্লগস্পটেই বেশী পাঠাবে। আর আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে, গুগল ই সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন। তাই আগেই ভাবুন, পরে ব্লগস্পটের দিকে এলে আপনিই পিছিয়ে পরবেন। ব্লগস্পটে রয়েছে ডোমেইন পারকিং এর সুবিধা, যা অনেক জায়গাতেই নেই। আর এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। গুগল আপনার কাছ থেকে একটি টাকা চাইবে না, বা কোন প্রকার সুবিধা দাবি করবে না। সব বিষয় চিন্তা করে বলা যায়, ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম হিসেবে ব্লগস্পটই সেরা।
এখান থেকে কি আয় করা সম্ভব?

হ্যাঁ, ব্লগস্পট এর আরেকটি সুবিধা হল এখান থেকে প্রচুর আয় করা সম্ভব। আপনার ব্লগ যদি গুনগত মান-সম্মত হয়, তাহলে আপনি গুগল এর কাছে বিজ্ঞাপনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি অন্যান্য বিজ্ঞাপন সংস্থা থেকেও এখানে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। এজন্য গুগল আপনার কাছ থেকে টাকার ভাগ চাবে না। অনেক ব্লগার আছেন যারা ব্লগস্পট এ ব্লগিং করেই মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন। আমার এক ফ্রেন্ড আছে, যে গত মাসে ৬০ হাজার টাকা আয় করেছে তার দুইটা ব্লগস্পট ব্লগ থেকে। তাই আপনাদের বলব ব্লগস্পটে অন্যান্য প্রফেশনাল ব্লগ এর মতই আয় করা যায়।
কিছু অসুবিধাঃ

সব কিছুতেই একটু অসুবিধা থাকে, তারপরে এটি ফ্রি সার্ভিস। এর অসুবিধা গুলি নিম্নে দেয়া হলঃ
এখানে আপনি সহজেই অন্যদের লেখার সুযোগ দিতে পারবেন না।
এখানে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের মত সম্পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন না।
এখানে গুগলের নির্ধারিত নিয়ম-কানুন গুলি মেনে চলতে হবে।
নিয়ম ভঙ্গ করলে আপনাকে ব্যান করা হতে পারে।
সম্পূর্ণ প্রোগ্রামিং সুবিধা পাবেন না।
ব্লগিং ইন্টারফেস পরিবর্তন করতে পারবেন না।
আপনি শুধুমাত্র ডিজাইন টাই কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

এর পরেও ব্লগস্পটই সেরা, কারন অন্যান্য জায়গায় এর চেয়েও বেশী অসুবিধা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

ব্লগস্পট এ ব্লগ তৈরির সম্পূর্ণ নিয়ম দেখব। ব্লগস্পট এ ব্লগ তৈরি অনেক সহজ। আশা করি আজকের ক্লাশটির পরে আপনারা সবাই ব্লগস্পট এ ব্লগ তৈরি করতে পারবেন।

ব্লগস্পটে ব্লগ খুলতে আপনাকে প্রথমে ব্লগস্পট এর হোমপেজ http://blogger.com এ যেতে হবে।

এখানে আপনার Gmail আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন-ইন করুন। Gmail আইডি না থাকলে তৈরি করে নিন।
কিছুক্ষণের মধ্যে আপনি ব্লগস্পট ড্যাশবোর্ড এ প্রবেশ করবেন।

এখানে আপনার ব্লগ গুলির লিস্ট দেখাবে। নতুন ব্লগ খুলতে New Blog এ ক্লিক করুন।

এখন আপনি নতুন ব্লগ খোলার একটি ফর্ম পাবেন।

এখানে আপনার নতুন ব্লগের ইনফরমেশন (যেমনঃ টাইটেল, এড্রেস, টেমপ্লেট) গুলি দিন। এড্রেস এর সময় একটা এড্রেস Not available দেখালে আরেকটি দিয়ে চেস্টা করুন। এখন Create blog এ ক্লিক করুন।

এখন ব্লগ লিস্টে আপনি আপনার ব্লগটি দেখতে পারবেন।



আপনার ব্লগ এর নামের উপর ক্লিক দিন। এখন আপনাকে আপনার ব্লগ এর কনট্রোল প্যানেল এ নিয়ে যাবে। এখান থেকেই আপনি আপনার ব্লগটি নিয়ন্ত্রন করবেন।


এখানে আপনি আপনার ব্লগের এনালাইটিক্স ট্রাফিক দেখতে পাবেন। আর ব্লগ কিন্তু ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। যেহেতু আপনার ব্লগে কোন পোস্ট নেই, সেহেতু আপনি আপনার ব্লগটি পরীক্ষা করতে পারছেন না। তাই পোস্ট করতে New post এ ক্লিক করুন।

এখন পোস্ট এডিটর ওপেন হবে।



এখানে আপনি আপনার পোস্টটি লিখুন। আশা করি, কিভাবে লিখবেন এটা বলে দিতে হবে না। পোস্ট লিখার পরে Publish বাটনে ক্লিক করুন।

Publish বাটনে ক্লিক করার পরে আপনার সামনে পোস্ট মেনু আসবে।


এখানে আপনি আপনার পোস্ট এর লিস্টগুলি দেখতে পাবেন। এখন আপনি আপনার ব্লগটি দেখতে পারেন। আপনার ব্লগটি দেখতে আপনার ব্লগ এর এড্রেস এ ঢুকুন (ব্লগ খোলার সময় যেটা দিয়েছিলেন) অথবা, View blog এ ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডোতে আপনার ব্লগটি ওপেন হবে।



হয়ে গেল আপনার ব্লগ। আপনার এখন একমাত্র কাজ বেশী বেশী পোস্ট করা। কারন, যত বেশী পোস্ট তত বেশী ভিজিটর - যত বেশী ভিজিটর তত বেশী টাকা।

মেসেজ পাঠানোর নতুন অ্যাপ নিয়ে আসছে ইনস্টাগ্রাম


ছবিভিত্তিক সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম তাদের সাইটে মেসেজ পাঠানোর একটি স্বতন্ত্র অ্যাপ চালু করার পরিকল্পনা করছে। গত বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামের এক কর্মকর্তা খবরটি নিশ্চিত করেন বলে জানিয়েছে দ্য ভার্জ।এর আগে ফেসবুক তার মেসেজ পাঠানোর অপশনটিকে স্বতন্ত্র অ্যাপ ‘মেসেঞ্জার’ হিসেবে মুক্তি দিয়েছিল। ইনস্টগ্রামও ফেসবুকের পথ অনুসরণ করে মেসেজ পাঠানোর জন্য ‘ডিরেক্ট’ নামের অ্যাপটি তৈরি করছে।উল্লেখ্য, লেখা বা টেক্সট দিয়ে পোস্ট দেয়ার পরিবর্তে ইনস্টাগ্রামে মূলত ছবি দিয়ে পোস্ট দেয়া হয়। ব্যাপক জনপ্রিয় এই সামাজিক মাধ্যমটি ২০১২ সালে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার দিয়ে কিনে নিয়েছিল ফেসবুক।

‘ডিরেক্ট’ চালু করা হলে ভিন্নধর্মী এই সামাজিক মাধ্যমটির গ্রাহকরা নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

ইনস্টাগ্রামের এক কর্মকর্তা জানান, কাছের বন্ধুদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করা সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা যেন আরও সহজে করা যায় তার জন্য ডিরেক্ট তৈরি করা হচ্ছে। ডিরেক্ট ব্যবহার করে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা ক্যামেরা ব্যবহার করে বন্ধুদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখতে পারবেন।

এখন পর্যন্ত চিলি, ইজরায়েল, ইতালি, পর্তুগাল, তুরস্ক ও উরুগুয়েতে ‘ডিরেক্ট’ অ্যাপ ছাড়া হয়েছে।

হ্যাশট্যাগ কি, এবং কেনো ব্যবহার করা হয়?


বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে আমরা প্রতিদিনই #ট্যাগ (হ্যাশট্যাগ) কথা শুনে আসছি। এবং দেখে আসছি কেউ কেউ এটা ব্যবহার করছেন। তবে একসময় যখন ল্যান্ডলাইনের প্রচলন ছিল তখনো টেলিফোন সেটের সবগুলো বাটনের সঙ্গে আমাদের পরিচয় ছিলনা। তখন শুধু এক থেকে নয় এবং শুন্য বাটনের সঙ্গেই আমাদের সাধারণ মানুষের পরিচয় ছিল। তবে যারা তাদেন ফোন লক করে রাখতেন তাদের অবশ্য টেলিফোন সেটের হ্যাশ (#) এবং স্টার(*) বাটনের সঙ্গেও পরিচয় ছিল। কারণ ঐ রকম কিছু কিছু কাজে ব্যবহার করা হতো #ট্যাগ (হ্যাশট্যাগ) ও (*) স্টার বাটন।যখন মোবাইল ব্যবহার অনেক বেড়ে গেলো তখন এ দুইটি বাটনের সঙ্গে সবার বেশি বেশি পরিচয় ঘটে। কারণ মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে এবং ব্যালেন্স দেখতে এ দুইটি বাটনের প্রয়োজন হয়।

তবে গত কয়েক বছরে মোবাইলের বাটন ডায়াল করা ছাড়াও আমরা # বাটনের একটি ব্যবহার দেখছি। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর তা হলো, যেকোনো ইভেন্ট বা বিষয়কে একতাবদ্ধ করতে এর ব্যবহার। প্রায়ই আমাদের চোখে পড়ে হ্যাশট্যাগ (#ট্যাগ) সম্বলিত স্ট্যাটাস বা ছবি।

অনেকেই বুঝতে পারেন না, এই স্ট্যাটাস বা ছবির পেছনে কেনো আঠার মতো লেগে আছে হ্যাশ (#)। এটা দিয়ে ব্যবহারকারীরা কি বুঝাতে চাচ্ছেন?

আসলে এটাকে মাইক্রোব্লগিং এর ভাষায় বলা হয় হ্যাশট্যাগ। এটা একই ধরনের বক্তব্যকে একীভূত করে। যেমন, সামনে আসছে একুশের বই মেলা। এখন যদি কেউ মেলা সম্পর্কে তথ্য বা কোনো বক্তব্য দিতে ব্যবহার করে #একুশেরমেলা তবে বুঝতে হবে এই রিলেটেড আরো বক্তব্য বা তথ্য আছে এই হ্যাশট্যাগে।

আপনি যখন কোনো শব্দের শুরুতেই হ্যাশট্যাগ (#ট্যাগ) ব্যবহার করবেন তখন সেটি নীল বর্ণ ধারণ করবে। অর্থাৎ সেটা একটা লিংক-এ পরিণত হবে। পরবর্তিতে এই রিলেটেড সকল স্ট্যাটাস বা ছবি যদি একই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে দেয়া হয় তবে সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহারকারীরা সহজেই সব এক জায়গাতে পাবেন। অর্থাৎ এটি সবার মতামত এক করার একটি উদ্যোগ।

তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হয়, হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের সময় ব্যবহৃত শব্দে যাতে কোনো স্পেস না থাকে। স্পেস থাকলে এটা লিংক তৈরি করতে পারে না।

সাধারণত কোনো বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে হ্যাশট্যাগের ব্যবহার বেশি। ইদানিং অবশ্য এর বিভিন্ন ব্যবহার বেড়েছে। আজকাল সিনেমার প্রচারেও এর ব্যবহার ব্যাপক ভাবে হচ্ছে। আবার কেউ কোনো বিষয়কে প্রাধান্য দিতেও একই কাজ করেন। কেউবা শুধুই নিজেদের ভেতর আড্ডার জন্যেও এমনটা করতে পারেন।

হ্যাশট্যাগের ব্যবহার শুরু হয় মূলত মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে। পড়ে ২০১৩ সালের জুনে ফেসবুকেও এর ব্যবহার শুরু হয়। এখন গুগলপ্লাসেও এর ব্যবহার দেখা যায়। হ্যাশট্যাগের জনপ্রিয়তা এতো বেড়ে যায় যে শেষ পর্যন্ত ‘হ্যাশট্যাগ’ শব্দটি ২০১৪ সালের জুন মাসে অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারিতেও জায়গা করে নেয়।

শিশুদের জন্য ফেসবুকের বিশেষ সেবা


সারা দিনের শত কর্মব্যস্ততার মধ্যেও এক-দুবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঢুঁ মারা চাই-ই চাই। বিশেষ করে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের মধ্যে আগ্রহটা যেন আরো বেশি। তবে ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী ১৩ বছর বয়স না হলে অ্যাকাউন্ট খোলা যায় না।

অবশ্য অনেকেই বয়স বাড়িয়ে কারসাজি করে খোলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। তবে এখন সে সমস্যাও সমাধান হয়ে গেল। কেননা, এবার শিশুদের জন্যও সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমটি ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে এসেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় সোমবার শিশুদের ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা একটি মেসেঞ্জার বাজারে ছেড়েছে ফেসবুক। তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত অ্যাপলের আইফোনেই মিলবে এই সুবিধা।

ফেসবুকের প্রোডাক্ট ম্যানেজার লরেন চেংয়ের বরাত দিয়ে খালিজ টাইমস জানায়, শিশুদের মেসেঞ্জারে থাকছে চ্যাটিং ও ভিডিওকলের সুবিধা। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুরা ব্যবহার করতে পারবে মেসেঞ্জারটি। এ ক্ষেত্রে নজরদারি করতে পারবেন মা-বাবারা।

লরেন বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য একটি মেসেজিং অ্যাপের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, যা একদিকে তাদের প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সহায়তা করবে, আবার মা-বাবার নিয়ন্ত্রণেও থাকবে।’

এক বিবৃতিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী ৯৩ শতাংশ শিশুর স্মার্টফোন অথবা ট্যাব ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ শিশুর নিজস্ব ফোন রয়েছে। ফলে তাঁরা ইচ্ছা করলেই ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু এই বয়সে ফেসবুক তাদের জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে।

ফেসবুক জানায়, শিশুদের জন্য মেসেঞ্জারটি টেকনোলজির ইতিবাচক, নিরাপদ, সঠিক দিকগুলো তুলে ধরবে।

এবার বাংলা ভাষায় চালু হলো গুগল অ্যাডসেন্স


বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল এবার বাংলা ভাষায় তাদের গুগল অ্যাডসেন্স সেবা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশের অনলাইন গণমাধ্যম প্রকাশকদের জন্য গুগল এই সেবা চালু করেছে, যাতে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের অনলাইনে বাংলা কনটেন্ট থেকে আয় করতে পারে। রাজধানীর লা মেরিডিয়েন হোটেলে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই সেবা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে গুগল।

এ উপলক্ষে গুগল টিম দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া প্রকাশকদের জন্য এক কর্মশালার আয়োজন করে। এতে মিডিয়া প্রকাশকদের গুগল অ্যাডসেন্স সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়, যাতে তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ফলপ্রসূ বা কার্যকর উপায়ে এটি ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারে। কর্মশালাটি আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো, গুগল অ্যাডসেন্স সেবার বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে এ সম্পর্কে প্রকাশকদের আরো অবগত করা এবং তাদের এ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সময়ের সেরা চর্চাগুলো বা উদাহরণগুলো জানানো। এতে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনকারী মিডিয়া প্রকাশকরা আরো বেশি পরিমাণে আয় করতে পারবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

বাংলা ভাষায় গুগল অ্যাডসেন্স সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নিজেদের এ-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন গুগলের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ম্যানেজার আহমদ শাহ নওয়াজ, গুগলের সাউথ এশিয়া ফ্রন্টিয়ারের কান্ট্রি কনসালট্যান্ট হাশমী রাফসানজানী, গুগলের সাউথ ইস্ট এশিয়ার (এসইএ) পার্টনার মানিটাইজেশন স্পেশালিস্ট অজয় লুথার, প্রথম আলো ডিজিটালের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আহতেরাম উদ্দিন এবং গুগলের সিপিটি পার্টনারের রিডহোয়ার-এর জিতিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৩৫টি মিডিয়া প্রকাশনা কোম্পানির প্রায় ৭০ জন অতিথি এতে অংশ নেন।

গুগল অ্যাডসেন্স ১২ বছরের বেশি সময় ধরে মিডিয়া প্রকাশকদের অনলাইন কনটেন্ট থেকে অধিক পরিমাণে আয় করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে আসছে। বর্তমানে ২০ লাখের বেশি মানুষ গুগল অ্যাডসেন্স সেবা ব্যবহারের মাধ্যমে আয় করছে। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে অনলাইন মিডিয়ায় বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পাওয়ার চাহিদা নিয়মিত বাড়ছে। সে জন্য বাংলাদেশি মিডিয়া প্রকাশকদের অনলাইনে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনের মাধ্যমে আয় করা এবং একই সঙ্গে বিজ্ঞাপনদাতাদেরও বাংলা অনলাইন মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান গ্রাহক বা পাঠকদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ এনে দিতে গুগল অ্যাডসেন্স সেবা চালু করা হয়েছে।

গুগলের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ম্যানেজার আহমদ শাহ নওয়াজ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সামাজিক সম্মিলনমূলক এই কর্মশালার আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল, গুগল অ্যাডসেন্স সেবার বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরে এ সম্পর্কে মিডিয়া প্রকাশকদের আরো অবগত করা এবং তাদের এ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সময়ের সেরা চর্চাগুলো বা উদাহরণগুলো জানানো, যাতে তারা বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনের মাধ্যমে আরো বেশি পরিমাণে আয় করতে পারেন। আমরা বাংলাদেশ ও ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা লাখ লাখ বাংলাভাষী মানুষের জন্য বাংলা ভাষায় গুগল অ্যাডসেন্স সেবা চালু করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত।’

গুগল সম্পর্কে
গুগলের মিশন বা অভীষ্ট লক্ষ্য হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী তথ্য সংগঠিত করা এবং সেটাকে যতটা সম্ভব সর্বজনীন ব্যবহার ও উপকার সাধনের উপযোগী করে তোলা। সার্চ ইঞ্জিন, ম্যাপস বা মানচিত্র, জিমেইল, অ্যান্ড্রয়েড, গুগল প্লে, ক্রোম ও ইউটিউব প্রভৃতি প্রযুক্তি সেবা ও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে শতকোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অর্থপূর্ণ ভূমিকা পালন ও অবদান রেখে চলেছে গুগল। একই সঙ্গে গুগল বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ও জনপ্রিয়তা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হয়ে উঠেছে। গুগল হচ্ছে অ্যালফাবেট ইনকরপোরেশনের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান।