Showing posts with label গুগল অ্যাডসেন্স. Show all posts
Showing posts with label গুগল অ্যাডসেন্স. Show all posts

২০১৭ নতুন এবং পরিবর্তিত গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল প্রসেস ! সহজ পদ্ধতি


এটা কারো অজানা নয় যে অ্যাডসেন্স হল বিশ্বের সবথেকে High Paying Contextual অ্যাড প্রোগ্রাম। তাই এগুলো পুনরায় বলার কোন দরকার নেই। এতদিন পর্যন্ত অ্যাডসেন্স (Google adSense ) অ্যাপ্রুভাল প্রসেস খুবই সহজ ছিল। শুধু এপ্লাই করতে হত, গুগল টিম সেটা রিভিউ করত, আর সব ঠিকঠাক থাকলে কয়েক দিনেই অ্যডসেন্স অ্যাপ্রুভ হয়ে যেত। কিন্তু এটা খুবই খুশির খবর যে সম্প্রতি গুগল, নতুন পাবলিশার দের জন্য অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল প্রসেস আরো সহজ করে দিয়েছে। কি কি সুবিদা দেওয়া হয়েছে নতুন এই অ্যাপ্রুভাল প্রসেসে নিচে থেকে স্টেপ বাই স্টেপ দেখেনিন।

চলুন দেখে নেওয়া যাক নতুন অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল প্রসেস :

১) প্রথমে আপনি অ্যাডসেন্সের নীতিমালা মেনে সব কটি সূত্র পূরণ করুন।
২) তারপর অ্যাডসেন্স এ গিয়ে Get Started এ ক্লিক করুন।

৩) এখন আপনার তথ্যগুলি সঠিকভাবে দিয়ে ফর্মটি পূরণ করলে একবারেই আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।

৪) আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে লগ ইন করুন।

৫) এবার আপনার ব্লগের জন্য একটি অ্যাড কোড বানিয়ে আপনার ব্লগে সেটি যোগ করে দিন।

৬) ব্লগ খুলে দেখুন, আপনি যেখানে অ্যাড বসিয়েছিলেন সেখানে ফাকা জায়গা দেখা যাচ্ছে, কোন অ্যাড শো করছে না। ভয়ের কিছু নেই।

৭) যদি আপনার সাইট গুগলের সব নীতি মেনে চলে, তাহলে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সেই ফাকা স্থানে অ্যাড দেখানো শুরু করবে। এবং আপনাকে গিমেলে একটা মেই সেন্ড করা হবে গুগলের তরফ থেকে ।

৮) আপনার আয় যখন ১০ ডলারে পৌঁছোবে তখন গুগল আপনাকে একটি পিন দিয়ে মেল পাঠাবে, এর জন্য অবশ্যই আপনাকে তাদের কিছু তথ্য দিতে হবে কি দিতে হবে সেখানেই দেখতে পাবেন। যদি পিন না আসে চিন্তার কিছু নেই আপনি আবার পিন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং সঠিক ঠিকানা দেবেন, যদি তাও পিন না আসে তাও ভয়ের কিছু নেই আপনি কোন একটা ID প্রুফ দিয়ে আপনার অ্যাড্রেস ভেরিফাই করে নিতে পারবেন, যেমন পাসপোর্ট, ভোটার ID কার্ড ইত্যাদি।

৯) সেই পিন কোড টি আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে দিয়ে দিলেই আপনার ফাইনাল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল হয়ে যাবে।

১০। আপনার ইনকাম যখুন ১০০$ হবে তখুন আপনি অ্যাডসেন্স থেকে টাকা নিতে পারবেন, এর জন্য আপনাকে আগে থেকে আপনার অ্যাকাউন্ট এর বিস্তারিত দিয়ে রাখতে হবে অ্যাডসেন্স সেটিং এ আপনি সব কিছু পেয়ে যাবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করার আগে যা যা করণীয় ?


আমি নিচে যে বিষয় বলেছি তা সব নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কোন ইংরেজি ব্লগ থেকে কপি বা অন্য কোন ব্লগারের অভিজ্ঞতা থেকে না, আমি যেভাবে অ্যাডসেন্স পেয়েছি

অ্যাডসেন্স আবেদন করার পূর্ব চেক করে নিন আমি নিচে যা যা বলেছি তা আপনার ব্লগে আছে কিনা বা আমার বলার সঙ্গে মিচ্ছে কিনা। যদি মিলে তাহলে আপনি নির্দ্বিধাই আবেদন করে দিতে পারেন।

১। ব্লগের বয়স কত হওয়া উচিৎঃ

এই বিষয় টা প্রথমে তুল ধরার একটি বিশেষ কারন হল আমি যত  অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করেছি তার সব কটি ব্লগের বয়স ছিল ৫-৬ মাস+। তাই আমি এটা বলবনা যে আপনার ব্লগ বয়স ৫-৬ মাস হতে হবে এটা আমার অভিজ্ঞতা বললাম, তবে ব্লগের বয়স যদি একটু বেশি হয় তাহলে ভাল হয়, তবে ব্লগের মান, পোস্টের মান, যদি ভাল হয় তাহলে এর কম সময় হলেও সমস্যা নেই। তবে যদি প্রথম বারেই অ্যাডসেন্স পেতে চান তাহলে ব্লগে সময় দিয়ে কিছু ভাল পোস্ট করে, কিছু ভাল ভিজিটর হবার পর আবেদন করুন এতে অ্যাডসেন্স ৯৯% পাবার চান্স থাকে।

২। ব্লগে পোস্ট এর সংখ্যা কত থাকলে অ্যাডসেন্স এর ক্ষেত্রে ভাল ঃ

অনেকেই মনে করে অ্যাডসেন্স এর জন্য ৫০ পোস্ট থাকা চাই কিন্তু এটা আমি বিশ্বাস করিনা, আমি আগেই বলেছি এই পোস্টে সম্পূর্ণ আমার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। আপনি যদি ভাল মানের ১০-১৫ পোস্ট করেন এবং আপনার ব্লগের বয়স যদি একটু পুরনো হয় তাহলে আপনি এই পরিমান পোস্ট দিয়ে অ্যাডসেন্স পেতে পারেন। উদাহারান স্বরূপ এই  ব্লগে পোস্ট ২০ টি আছে কিন্তু আমি অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম ১৫ পোস্টে এবং Approved ও পেয়েছি । তবে আমি বলব আপনি ভাল মানের বেশ কিছু পোস্ট লিখুন তারপর আবেদন করুন এতে disapproved হবার চান্স অনেকটা কমে যাই।

৩। ব্লগে ভিজিটর কত থাকলে অ্যাডসেন্স এর ক্ষেত্রে ভাল ঃ

আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা আমি শেষ যে অ্যাডসেন্স Approved পাই সেই ব্লগে পোস্ট মাত্র ১৫ টি আর পেজ ভিউ প্রতিদিন ছিল ১০ এরও কম লাইফটাইম ২০০০ মত। তবে অনেকেই বলে ব্লগে মিনিমাম ১০০০ ভিজিটর থাকলে তবেই অ্যাডসেন্স পাবেন, কিন্তু আমার সঙ্গে ২ বার এমন হয়নি কম ভিজিটর দিয়েই আমি পেয়ে গেছি, তবে আপনি চেস্ট করুন ভাল কিছু ভিজিটর আনতে তারপর অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করুন। কারন ভাল ভিজিটর না থাকলে অ্যাডসেন্স পেয়েও তো লাভ নেই কারন ইনকাম হবেনা তাই মোটামোটি ভিজিটর বাড়ানোর চেস্টা করুন তারপর আবেদন করুন।
৪। ব্লগকে অবশ্যই Webmastertools এ সাবমিট করুন ঃ

আপনি যদি গুগল থেকে ভিজিটর পেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই webmastertools এ ব্লগ সাবমিট করতে হবে, আর যদি না করেন তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স পাবার আশাও অনেকটা কমে যাবে। তাই এই বিষয় টি ভাল ভাবে লক্ষ রাখেবেন আপনার ব্লগ webmastertools এ সাবমিট আছে কিনা।

৫। ব্লগ পোস্টে কত ওয়ার্ড এর পোস্ট থাকলে অ্যাডসেন্স পেতে সুবিদা ঃ

দেখুন এটা কোন কথাই না, ধরুন আপনি একটি পোস্ট লিখছেন যেটাতে ওয়ার্ড এর প্রয়োজন ৩০০ কিন্তু আপনি ফালতু ১০০০-২০০০ লিখতে যাবেন কেন! তবে হ্যা বেশি ওয়ার্ড এর পোস্ট থাকলে ভাল গুগল ভাল চোখে দেখে থাকে, তবে আমার অভিজ্ঞতার সঙ্গে এই ওয়ার্ড এর সঙ্গে অ্যাডসেন্স এর সম্পর্ক খুজে পাচ্ছিনা। তবে আপনি চেষ্টা করবেন একটু ভাল মানের পোস্ট লিখতে যাতে ভিজিটর আপনার পোস্ট পড়ে আনান্দ পাই। তবে পোস্ট ওয়ার্ড এর সাথে অ্যাডসেন্স এর কোন সম্পর্কে আছে বলে আমার মনে হয়না, শুধু কিছু ভাল মানের পোস্ট লিখুন এখুন ভাল মানের পোস্ট বলতে কি বুঝাতে চাইছি বুঝেতেই পারছেন 😉।

৬। ব্লগ ডিজাইন কতটা গুরুত্ব পূর্ণ অ্যাডসেন্স এর ক্ষেত্রে ঃ

আমি অনেক ব্লগারকে দেখেছি অ্যাডসেন্স নিয়ে পোস্ট লিখেছে এবং সেখানে এই ডিজাইন এর বিষয় টিকে সিরিয়াস ভাবে তুলে ধরেছে, কিন্তু আমি এখুন পর্যন্ত এমন কিছু ব্লগে অ্যাডসেন্স দেখছি যাদের ব্লগ ডিজাইন সব থেকে নিম্ন মানের। তবে চেস্টা করুন একটু ডিজাইন টা সাদা মাটা রাখতে। ফ্রী থিম ব্যবহার করুন আর পেইড কোন সমস্যা নেই, আমার মনে হয় এই ডিজাইন এর বিষয় টা নিজের কাছে অহেতুক ব্লগ ভারি করবেন না ইউজার ফ্রেন্ডলি করবেন তাহলেই চিন্তা নেই

৭। ব্লগার না ওয়ার্ডপ্রেস অ্যাডসেন্স এর জন্য কোনটা ভাল হবে ঃ

আমি এখুন পর্যন্ত ৩ টি অ্যাডসেন্স Approved পেয়েছি যার মধ্যে ২ টি ব্লগার প্লাটফর্ম দিয়ে বানান ব্লগ আর একটি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে 😊। তবে ব্লগার যেহেতু গুগলের আর অ্যাডসেন্সও গুগলের তাই একটু হাল্কা সুবিধা পেতে পারেন তবে আমি সেরকম পার্থক্য লক্ষ করিনি, সম্পূর্ণ নিজের অভিজ্ঞতা বললাম। অ্যাডসেন্স পেতে প্লাটফর্ম নয় কন্টেন্ট টাই মূল বিষয় তাই সেই দিকটাই বেশি জোর দিন।
৮। কি ধরনের ডোমেইন ব্যবহার করা উচিৎ ঃ

আপনি আপনার ব্লগে যেকোনো টপ লেবেল ডোমেইন ব্যবহার করতে পারেন যেমন .com, .in. .net, .org ইত্যাদি তবে ভুলেও ফ্রী ডোমেইন দিয়ে আবেদন করেন না যদিও আমি পরীক্ষা করিনি তবে ফ্রী ডোমেইন দিয়ে না পাবার চান্স ৯৯%, ফ্রী ডোমেইন বলতে আমি .TK, .ML এই সব ফালতু ডোমেইন গুলর কথা বলতে চাইছি। যখুন ব্লগে অ্যাডসেন্স ব্যবহার করবেন অর্থ উপার্জন করবেন তখুন একটু নিজের পকেট থেকে অর্থ ব্যয় করুন না মশাই 😉। আর হ্যা সাবডোমেইন দিয়েও আমি চেস্টা করিনি, তবে শেষ কথা একটা টপ লেবেল ডোমেইন দিয়েই অ্যাডসেন্স আবেদন করুন।

৯। ব্লগে ক্র্যাক , প্যাচ, কপি পোস্ট, গান, মুভি ইত্যাদি নিয়ে পোস্ট করা যাবে কি ঃ

দেখুন অ্যাডসেন্স বলে না আপনি যদি ব্লগার প্লাটফর্ম ব্যবহার করেন এবং ক্র্যাক, প্যাচ, কপি পোস্ট করেন তবুও ব্লগ ডিলিট হয়ে যাই আর এটা তো অ্যাডসেন্স এর বিষয়। আমি নিজেও এসো বন্ধু ব্লগে গান, মুভি, ক্র্যাক সফটওয়্যার অনেক শেয়ার করেছিলাম তবে সব পোস্ট ডিলিট করি তারপর আবেদন করি আপনিও সেটাই করুন তা নাহলে মুশকিল, এখুন আপনার মনে প্রশ্ন থাকতে পারে, বাংলার কিছু বড় বড় ব্লগ গুল তো এই সব কটেন্ট দিয়েও অ্যাডসেন্স পেয়েছে তাহলে বলি গুগল যদি ধরতে পারে তাহলে বিনা নোটিশে ব্যান্ড হবে সেই সব অ্যাকাউন্ট। তাই এই বিষয় টি সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে ভাববেন।

১০। অ্যাডসেন্স আবেদনের আগে ব্লগে যে সকল পেজ থাকা আবশ্যক ঃ

এই বিষয়টি খুবি গুরুত্ব পূর্ণ, আপনি যখুন অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে যাবেন তখুন নিচের যে যে পেজ গুল আমি বলেছি সেগুল অবশ্যই আপনার মেনু সে অ্যাড করে নিবেন, তা না হলে সমস্যাই পড়বেন।

প্রাইভেসি পলিসি পেজ
ব্লগ বা লেখক সম্পর্কে একটি পেজ বানাবেন
যোগাযোগ পেজ বানাবেন
Disclaimer পেজ বানাতে পারেন না হলেও সমস্যা নেই।
সাইট ম্যাপ পেজ বানাবেন।

উপরের পেজ গুল অবশ্যই নিজের ব্লগে মেনু কিংবা সাইড বারে অ্যাড করে নিবেন, তা নাহলে Approved হবে আপনার অ্যাকাউন্ট।

১১। Blogspot.com এই ডোমেইন দিয়ে কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে ঃ

এই বিষয় টি আমি সত্যি ক্লিয়ারনা তবে এখুন মনে হয় অ্যাডসেন্স দেইনা, তবে আগে দিত, আপনি সব সময় টপ লেবেল ডোমেইন দিয়ে চেস্টা করুন অবশ্যই অ্যাডসেন্স পেয়ে যাবেন।

শেষ কিছু কথা ঃ
পরে আমি সব নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি যেগুল আমি অনুসরণ করেছি এবং অ্যাডসেন্স পেয়েছি, তাই আমি উপরে যা বলেছি আপনি অনুসরণ করুন সেই ভাবে নিজের ব্লগটা তৈরি করুন দেখুন আপনার ব্লগ অ্যাডসেন্স পেয়ে যাবে। বাকি গুগল অ্যাডসেন্সের যে Terms and Conditions আছে সেটা নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি পোস্ট করবো। পোস্টটি বেশি বড় করলাম না, জানি যারা নতুন তাদের মধ্যে আরও অনেক একাধিক প্রশ্ন আছে যে গুলো আসতে আসতে পোস্ট করবো আপাতও এই টিপস গুলো ফলো করুন দেখুন কাজে হয়ে যাবে।

গুগল অ্যাডসেন্স এ CPC, Page RPM ও Page CTR কি?


এ্যাডসেন্স পাবলিশারদের জন্য খুবই জরুরী একটি বিষয়। অনেকে এ সহজ বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে না জানার কারনে তাদের এ্যাডসেন্স একাউন্ট হতে আয় বৃদ্ধি করতে পারেন না। গুগল মূলত CPC ও RPM হিসেব করে এ্যাডসেন্স পাবলিশারদের বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা প্রদান করে থাকে। সেই ক্ষেত্রে যার ওয়েবসাইটের CPC ও RPM Rate যত বেশী হবে তার ওয়েবসাইটের ইনকাম তত বেশী হবে। এই সহজ তিনটি বিষয় নিয়ে যাদের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে, তারা আজকের এই পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

গুগল এ্যাডসেন্স থেকে আয় বৃদ্ধি করার প্রধান এবং একমাত্র উপায় হচ্ছে ব্লগের ট্রাফিক বৃদ্ধি করা। যার ব্লগে যত বেশী ভিজিটর থাকবে এ্যাডসেন্স হতে সে তত বেশী আয় করতে সক্ষম হবে। পোষ্টের মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার পূর্বে এটি বিষয় বলে রাখছি যে, আমাদের আজকের পোষ্টের মূল বিষয় CPC ও RPM বৃদ্ধি করা নয়, শুধুমাত্র গুগল AdSense CPC, Page RPM ও Page CTR সম্পর্কে বেসিক ধারনা নেওয়া।
।CPC, Page RPM ও Page CTR কি?
আমরা আজ এই তিনটি বিষয় নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আলাদা আলাদা অংশে ভাগ করে আলোচনা করব। তবে তার পূর্বে এগুলির সাথে সম্পৃক্ত আরো কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলি না জানলে বা পরিষ্কারভাবে ধারনা না নিলে আপনার কনসেপ্ট ক্লিয়ার হবে না।
  • Click কিঃ গুগল এ্যাডসেন্সের ক্ষেত্রে Click বলতে শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন ক্লিককে বুঝানো হয়। এ ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটের কতগুলো পেজে ক্লিক হয়েছে সেটি নির্দেশ করে না।
  • Impression কিঃ এটি দ্বারা আপনার ব্লগের প্রত্যেকটি Page View কে বুঝানো হয়ে থাকে। অধীকন্তু আপনার ব্লগের Page View, Ad View সহ কোন Individual Ad View কেও নির্দেশ করে। সাধারণত Impression তিন ধরনের হয়ে থাকে, যথা-Page views, Page impression ও Ad impression.
  • Page views কিঃ Page views দ্বারা বুঝানো হয়ে থাকে আপনার কাঙ্খিত ব্লগের পেজ এর মাধ্যমে ভিজিটর কতটি বিজ্ঞাপন দেখতে পেয়েছে। ধরুন আপনার ব্লগের একটি পেজে মোট ৩ টি বিজ্ঞাপন রয়েছে, কিন্তু ভিজিটর ঐ পেজের সবগুলি বিজ্ঞাপন দেখেনি অর্থাৎ একটি বিজ্ঞাপন নিচের দিকে থাকার কারনে সেটি ব্রাউজারের উপরে উঠেনি। সে ক্ষেত্রে এখানে আপনার Page views হিসেবে ২ গণনা করা হবে।
  • Page impression কিঃ Page views এবং Page impression একই জিনিস। দুটি দ্বারা প্রায় একই ধরনের বিষয় বুঝানো হয়ে থাকে।
  • Ad impression কিঃ এটি দ্বারা আপনার ব্লগের প্রত্যেকটি পেজের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের হিসাব গণনা করা হয়। ধরুন আপনার ব্লগের একটি পোষ্টে ৩ টি বিজ্ঞাপন রয়েছে এবং পোষ্টটি সর্বমোট ৫ বার ভিজিট করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে Ad impression হিসাব করা হবে ৩x৫=১৫ অর্থাৎ কাঙ্খিত পোষ্টের ১৫ Ad impression গণনা করা হবে।

CTR (Click Through Rate) কি?
একটি ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপনের মোট ভিউ এর মধ্যে কতবার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হয়েছে সেটি বুঝাতে CTR ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ হিসেবে- ধরুন আপনার ব্লগের বিভিন্ন পেজ ১০০ বার ভিউ হয়েছে এবং Add এ মাত্র ১০ জন ভিজিটর ক্লিক করেছে। সে ক্ষেত্রে আপনার CTR হবে ১০% । যদি আপনার ব্লগের পেজ ভিউ হয় ১০০ এবং ৫০ বার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হয়ে থাকে, তবে আপনার CTR দাড়াবে ৫০%। এই CTR দ্বারা শুধুমাত্র আপনার বিজ্ঞাপনের মোট ভিজিটরের ভিউয়ের ক্লিক সংখ্যা হিসাব করা হয়।
CPC (Cost Per Click) কি?
Cost Per Click সম্পর্কে বেশী কিছু বলার প্রয়োজন নাই। কারণ এটি দ্বারা কি বুঝানো হয় তা আপনি নিজেই বুঝতে পারছেন। আপনার বিজ্ঞাপনের প্রতি Click এর কারনে এ্যাডসেন্স আপনাকে কত ডলার পরিশোধ করবে সেটি বুঝানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে যার ক্লিট রেট যত বেশী হবে তার আয়ও তত বেশী হবে। ধরুন-আপনার CPC রেট 0.03$, সে ক্ষেত্রে আপনি প্রতি এড Click এ পাবেন 0.03$ ডলার।
RPM (Revenue Per Mile) কি?
এটি দ্বারা একটি ব্লগের বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক ব্যতীত শুধুমাত্র প্রতি ১০০০ পেজ ভিউ হিসেবে কত ডলার দেওয়া হবে সেটি গণনা করা হয়। ধরুন- আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের RPM 1.25$, এ ক্ষেত্রে গুগল আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের প্রতি ১০০০ বার ভিউ এর জন্য 1.25$ ডলার পরিশোধ করবে।
CTR, CPC ও RPM এর সর্বমোট হিসাবঃ
ইতোপূর্বে আপনি উপরের তিনটি বিষয় থেকে পরিষ্কার ধারনা পেয়েছেন যে, Google AdSense কিভাবে হিসেব করে বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা পরিশোধ করে এবং কিভাবে আপনার এ্যাডসেন্সের আয়ের পরিমান হ্রাস ও বৃদ্ধি পায়। এখন আমি উদাহরনের মাধ্যমে তিনটি বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করব।

উদাহরণ- মনেকরুন আপনার ব্লগে প্রতি মাসে এক লক্ষ পেজ ভিউ হয় এবং আপনার ব্লগের CTR ৩%। অর্থাৎ প্রতি একশত পেজ ভিউ এর মধ্যে মাত্র তিন জন আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে। এ ক্ষেত্রে আপনার নীট CTR হবে (মোট ভিউ x CTR ÷ ১০০) অর্থাৎ (১০০০০০x৩÷১০০) = ৩০০০ বার। আপনার ব্লগের এক লক্ষ পেজ ভিউ এর মধ্যে ৩০০০ জন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেছে। সেই হিসাবে আপনার ব্লগের CPC রেট 0.03$ হয়ে থাকলে মোট ক্লিক রেট হবে (৩০০০x০.৩) = ৯০০ ডলার। অর্থাৎ এক লক্ষ ভিউয়ার এর মধ্যে ৩০০০ বিজ্ঞাপন ক্লিক এর কারনে গুগল আপনাকে ৯০০ ডলার পরিশোধ করবে।

অন্যদিকে আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের RPM 1.25$ হলে আপনি মোট ভিউ হিসাব করে (মোট ভিউ ÷ ১০০০ x ১.২৫) অর্থাৎ (১০০০০০ ÷ ১০০০ x ১.২৫) = ১২৫ ডলার। CTR ব্যতীত শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনের ভিউয়ের জন্য গুগল আপনাকে আরো ১২৫ ডলার পরিশোধ করবে। সেই হিসেবে দেখা যায় কেউ যদি উপরোক্ত যোগ্যতা সম্পন্ন ব্লগের সমন্বয়ে এক লক্ষ ভিউয়ার পায়, তাহলে সে গুগল এ্যাডসেন্স থেকে মাসে ৯০০ + ১২৫ = ১০২৫ ডলার আয় করতে সক্ষম হবে।
সর্বশেষঃ উপরে প্রদত্ত হিসাব এবং AdSense CPC, Page RPM ও Page CTR থেকে আপনি বুঝতে পারছেন যে, আপনি কেন গুগল এ্যাডসেন্স থেকে কম উপার্জন করছেন বা অন্যকেউ কম ভিজিটর পেয়েও আপনার চাইতে বেশী আয় করছে। আপনার ব্লগের CPC, Page RPM ও Page CTR যত বেশী হবে এ্যাডসেন্স থেকে তত বেশী আয় করতে পারবেন। সাধারণত ব্লগের কনটেন্টের মান, র‌্যাংকিং এবং বিজ্ঞাপনের লোকেশনের উপর ভিত্তি করে CPC ও RPM কম বেশী হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে আপনি ভালমানের কনটেন্টের সমন্বয়ে উন্নত দেশের বিজ্ঞাপনকে টার্গেট করতে পারলে এ্যাডসেন্স CPC ও RPM বৃদ্ধি করে ব্লগের আয় বাড়াতে পারবেন।

Online হতে টাকা আয় করার ৬ টি সহজ টিপস

আরও অন্য দশজন স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মত আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। মাঝে মাঝে আমার নিজের প্রতিও খুব দুঃখ হয় কেন আমি বিগত দুই বৎসর এ সকল সাইটে সময় ব্যয় করলাম। আমি নিজে প্রায় দুই বৎসর ফেইসবুক, টুইটার এবং বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলে সময় পার করেছি। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং করে কাটালাম না।

এ রকম আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। আপনি যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ২-৩ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতয় গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আমিত নির্ধিদ্বায় বলতে পারি এর শুরু থেকে শেষ অব্দি শুধু শূন্য আর শূন্য।


আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, social media and gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর বয়সি আধুনিক জেনারেশনরা ইন্টারনেট হতে অল্প কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।
কেন ছাত্রদের টাকার প্রয়োজনঃ স্কুল কিংবা কলেজ সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু Extra Pocket Money এর প্রয়োজন হয়। এই অল্প টাকা দিয়েই সে তার নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট খাটো সখ এবং প্রয়োজন গুলি মিটিয়ে নিতে পারে। তাছাড়াও স্বাভাবিক ভাবেই এখনকার জেনারেশনের ছাত্রদের Smartphone, Gaming consoles, Cool cloths ইত্যাদি লাগেই। এ গুলি তাদের চলার পথকে আর Smart এবং সুগম করে। এই ছোট খাটো ব্যাপার গুলি অনেক সময় আপনার ফ্যামেলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হতো তেমনি প্রয়োজন গুলিও মিটে যেত। তাছাড়া অনেক গৃহিনী আছেন যাদের বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজই থাকে না। তারা বেশীরভাগ সময় ব্যয় করে ফেইসবুকে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করে। আপনি অযথা এই সময় ব্যয় না করে যদি নিজের কিছু প্রয়োজন মিঠাতে পারেন বা অল্প আয় করতে পারেন তাহলে দুষের কি? নিচে আমি অনলাইন হতে আয় করা সহজ কিছু কৌশল দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে কিছু পয়সা উপার্জন করে নিতে পারবেন।

০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে।
০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।
০৩। Freelancing – একজন লেখক হয়েঃ Freelancing হচ্ছে এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।
০৪। Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Adsense Approv করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approv হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।
০৫। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা উপার্জন করবেন।
০৬। EBAY and AMAZON এ আপনার Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।

উপসংহারঃ আপনারা পোষ্টটি পড়ে হয়তো ভাবছেন এখানে ইন্টারনেট হতে আয় করার কথা বার বার বলা হচ্ছে কিন্তু কিভাবে করবো তা দেখানো হচ্ছে না কেন? আসলে কিভাবে আয় করবেন এটা নিয়ে বর্ণনা করা এই পোষ্টের উদ্দেশ্য নয়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের শুধু আয় করার সহজ কয়েকটি পথ দেখিয়ে দিলাম। যার ফলে আপনি এই পথ ধরে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আর আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে এ সম্পর্কে ইন্টারনেট হতে বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন। তবে আমরাও পরবর্তীতে আলাদাভাবে সব টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। ততক্ষণ আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ..

এবার বাংলা ভাষায় চালু হলো গুগল অ্যাডসেন্স


বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল এবার বাংলা ভাষায় তাদের গুগল অ্যাডসেন্স সেবা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশের অনলাইন গণমাধ্যম প্রকাশকদের জন্য গুগল এই সেবা চালু করেছে, যাতে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের অনলাইনে বাংলা কনটেন্ট থেকে আয় করতে পারে। রাজধানীর লা মেরিডিয়েন হোটেলে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই সেবা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে গুগল।

এ উপলক্ষে গুগল টিম দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া প্রকাশকদের জন্য এক কর্মশালার আয়োজন করে। এতে মিডিয়া প্রকাশকদের গুগল অ্যাডসেন্স সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়, যাতে তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ফলপ্রসূ বা কার্যকর উপায়ে এটি ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারে। কর্মশালাটি আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো, গুগল অ্যাডসেন্স সেবার বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে এ সম্পর্কে প্রকাশকদের আরো অবগত করা এবং তাদের এ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সময়ের সেরা চর্চাগুলো বা উদাহরণগুলো জানানো। এতে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনকারী মিডিয়া প্রকাশকরা আরো বেশি পরিমাণে আয় করতে পারবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

বাংলা ভাষায় গুগল অ্যাডসেন্স সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নিজেদের এ-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন গুগলের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ম্যানেজার আহমদ শাহ নওয়াজ, গুগলের সাউথ এশিয়া ফ্রন্টিয়ারের কান্ট্রি কনসালট্যান্ট হাশমী রাফসানজানী, গুগলের সাউথ ইস্ট এশিয়ার (এসইএ) পার্টনার মানিটাইজেশন স্পেশালিস্ট অজয় লুথার, প্রথম আলো ডিজিটালের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আহতেরাম উদ্দিন এবং গুগলের সিপিটি পার্টনারের রিডহোয়ার-এর জিতিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৩৫টি মিডিয়া প্রকাশনা কোম্পানির প্রায় ৭০ জন অতিথি এতে অংশ নেন।

গুগল অ্যাডসেন্স ১২ বছরের বেশি সময় ধরে মিডিয়া প্রকাশকদের অনলাইন কনটেন্ট থেকে অধিক পরিমাণে আয় করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে আসছে। বর্তমানে ২০ লাখের বেশি মানুষ গুগল অ্যাডসেন্স সেবা ব্যবহারের মাধ্যমে আয় করছে। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে অনলাইন মিডিয়ায় বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পাওয়ার চাহিদা নিয়মিত বাড়ছে। সে জন্য বাংলাদেশি মিডিয়া প্রকাশকদের অনলাইনে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনের মাধ্যমে আয় করা এবং একই সঙ্গে বিজ্ঞাপনদাতাদেরও বাংলা অনলাইন মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান গ্রাহক বা পাঠকদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ এনে দিতে গুগল অ্যাডসেন্স সেবা চালু করা হয়েছে।

গুগলের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ম্যানেজার আহমদ শাহ নওয়াজ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সামাজিক সম্মিলনমূলক এই কর্মশালার আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল, গুগল অ্যাডসেন্স সেবার বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরে এ সম্পর্কে মিডিয়া প্রকাশকদের আরো অবগত করা এবং তাদের এ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সময়ের সেরা চর্চাগুলো বা উদাহরণগুলো জানানো, যাতে তারা বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনের মাধ্যমে আরো বেশি পরিমাণে আয় করতে পারেন। আমরা বাংলাদেশ ও ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা লাখ লাখ বাংলাভাষী মানুষের জন্য বাংলা ভাষায় গুগল অ্যাডসেন্স সেবা চালু করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত।’

গুগল সম্পর্কে
গুগলের মিশন বা অভীষ্ট লক্ষ্য হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী তথ্য সংগঠিত করা এবং সেটাকে যতটা সম্ভব সর্বজনীন ব্যবহার ও উপকার সাধনের উপযোগী করে তোলা। সার্চ ইঞ্জিন, ম্যাপস বা মানচিত্র, জিমেইল, অ্যান্ড্রয়েড, গুগল প্লে, ক্রোম ও ইউটিউব প্রভৃতি প্রযুক্তি সেবা ও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে শতকোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অর্থপূর্ণ ভূমিকা পালন ও অবদান রেখে চলেছে গুগল। একই সঙ্গে গুগল বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ও জনপ্রিয়তা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হয়ে উঠেছে। গুগল হচ্ছে অ্যালফাবেট ইনকরপোরেশনের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান।