ইউটিউবকে টেক্কা দিতে ইউনিভার্সালের সঙ্গে ফেসবুকের চুক্তি

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য ভিডিও পোস্ট জনপ্রিয় করতে ইউনিভার্সাল মিউজিক গ্রুপের সাথে কয়েক বছরের জন্য চুক্তিতে আবদ্ধ হল ফেসবুক। এই চুক্তির ফলে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাদের ভিডিওতে কপিরাইটের ঝামেলা ছাড়াই মিউজিক ব্যবহার করতে পারবেন।

এই চুক্তির আওতায় ইনস্টাগ্রাম ও অকুলাসের জন্য তৈরি ভিডিওতেও ইউনিভার্সালের গান ব্যবহার করা যাবে।

আগে কোনো গানের কপিরাইট না নিয়ে সেটি ভিডিওতে ব্যবহার করা হলে আইন ভঙ্গের দায়ে ওই ভিডিওগুলো সাইট থেকে সরিয়ে ফেলা হত। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে কপিরাইট ভঙ্গের জন্য সৃষ্ট সমস্যা কমানোর লক্ষ্যে এই চুক্তি করল ইউনিভার্সাল মিউজিক ও ফেসবুক।

আইন মেনে ভিডিও পোস্ট জনপ্রিয় করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে ফেসবুক। সামাজিক মাধ্যমটি জানিয়েছে ইউনিভার্সালের সাথে চুক্তি এই লক্ষ্যে তাদের প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে গান ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্য বা পোস্ট তৈরি করাকে উৎসাহিত করতে আরও পদক্ষেপ নেবে তারা।

ইউনিভার্সালের সাথেই প্রথম এরকম চুক্তি করলেও, এটিই শেষ নয়। ওয়ার্নার মিউজিক গ্রুপ ও সনি মিউজিক গ্রুপের সাথেও একই রকম চুক্তি করার জন্য আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে নিউজ সাইট দ্য ভার্জ।

ফেসবুকের বিভিন্ন সার্ভিসে গানের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন রকম পরিকল্পনা করছে সামাজিক মাধ্যমটি। এজন্য বিভিন্ন মিউজিক কোম্পানির সাথে আলোচনা শুরু করেছিল ২০১৫ সালে। এক পর্যায়ে ফেসবুক তাদের সাইটে কপিরাইট ভঙ্গের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা শুরু করে। এতে ফেসবুকের বর্তমান উদ্যোগে ইউজার ও মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি দুটোই লাভবান হবে।

ফেসবুক ভিডিও পোস্ট জনপ্রিয় করার জন্য আরও নানান উদ্যোগ নিচ্ছে। সম্প্রতি ইউটিউব ও নেটফ্লিক্সের মত ভিডিও নির্ভর সাইটের অনুকরণে ‘ফেসবুক ওয়াচ’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মও চালু করেছে সামাজিক মাধ্যমটি।

ব্লগিং ? আমাকে কি জানতে হবে? ব্লগিং করে লাভ কি?

ব্লগিং সম্পর্কে কিছু ধারনা। আজকে আমি যেই বিষয় গুলি নিয়ে আলচনা করব, সেগুলি হলঃ
১. ব্লগিং কি?
২. আমাকে কি জানতে হবে?
৩. ব্লগিং করে লাভ কি?

আমরা আজকে এই তিনটি বিষয় সম্পর্কে ধারনা নেয়ার চেস্টা করব। আশা করি এই ক্লাসের মাধ্যমেই আপনি ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা পাবেন।

১. ব্লগিং কিঃ

ব্লগিং হল এমন একটি বিষয়, যেখানে আপনাকে শুধু একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগে লিখতে হবে। সাধারনত যেই ওয়েবসাইটে ব্লগিং করা হয় সেটাকে ওয়েবসাইট না বলে ব্লগ বলা হয়। আমরা পরবর্তী ক্লাশে ব্লগ সম্পর্কে জানব। ব্লগে আপনার লেখালেখিকেই মূলত ব্লগিং বলা হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ব্লগে কি নিয়ে লেখা হয়? উত্তরঃ একজন ব্লগার যা জানেন তাই ব্লগে লিখে থাকেন, সেটা যেকোনো বিষয় নিয়ে হতে পারে। যেমনঃ ভ্রমন সম্পর্কিত তথ্য, প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য, বই সম্পর্কিত তথ্য, মুভি বিষয়ক তথ্য, কম্পিউটার বিষয়ক তথ্য, ইত্তাদি। আবার অনেক ব্লগার আছেন যারা শুধুমাত্র তার নিজের দৈনন্দিন কারযবলি নোট করে থাকেন। এক কথায় কোন ব্লগে লেখালেখিকেই ব্লগিং বলা হয়। ব্লগিং আবার দুই ধরনের হয়,
ক. প্রফেশনাল ব্লগিং,
খ. গেস্ট ব্লগিং।

প্রফেশনাল ব্লগিং: প্রফেশনাল ব্লগিং হল, নিজস্ব একটা ব্লগ তৈরি করে সেখানে ব্লগিং করা। প্রফেশনাল ব্লগাররা নিজস্ব ডোমেইন ও হস্টিং কিনে তার নিজস্ব ব্লগিং প্লাটফর্ম তৈরি করেন। মূলত এটাই আদর্শ ব্লগিং ব্যবস্থা।

গেস্ট ব্লগিং: গেস্ট ব্লগিং হল অন্য কারো ব্লগে গিয়ে লেখা। ইন্টারনেটে অনেক ব্লগ আছে যেখানে, আপনি লেখার সুযোগ পাবেন। আর আপনার লেখা থেকে যতটুকু আয় হবে তার থেকে আপনি একটা অংশ পাবেন।

এই হল ব্লগিং। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আরও কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন।
২. আমাকে কি জানতে হবেঃ

ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে যা জানতে হবে তা হল, ১. যে ভাষায় ব্লগিং করবেন (ইংরেজি হলেই বেস্ট), ২. রাইটিং স্পিড, ৩. ধৈর্য।
এই তিনটি বিষয় জানা থাকলেই আপনি আপনার ব্লগিং লাইফ শুরু করতে পারেন। আর আপনাকে গাইড লাইন দেয়ার জন্য ব্লগিং স্কুলতো আছেই। ব্লগিং জগতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় হচ্ছে ধৈর্য। ধৈর্য ছাড়া আপনি এখানে উন্নতি করতে পারবেন না। আপনি এক সময় খুবই বিরক্ত হয়ে পরবেন, কিন্তু তখনই আপনাকে আপনার ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে। আর আপনি যদি ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, তাহলেই আপনি সাফল্য পাবেন।
৩. ব্লগিং এর লাভঃ

এতক্ষণে মনে হয় বুঝে গেছেন ব্লগিং কি? এখন আপনাদের বলছি এটি করে কি লাভ? আপনারা জানেন আপনার লেখা গুলি অন্য কেউ পরে উপকৃত হচ্ছে। আপনি যদি খুবই ভালো ভালো বিষয় সম্পর্কে লিখতে পারেন, তাহলে আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিসিটর আসবে। আর ভিসিটর আসলেই আপনার লাভ। যত বেশী ভিসিটর আসবে ততই লাভ। এখন আপনাকে প্রচুর পরিমানে ভিসিটর আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যতদিন আপনি ভালো ভিসিটর না পান, ততদিন আপনাকে বিনামূল্যে কাজ করে যেতে হবে। এতে হতাশার কিছুই নেই। এই শ্রমটুকুই আপনাকে একদিন সাফল্য এনে দিবে।
৪. ব্লগ থেকে আয়

এখন বলি কিভাবে আয় করবেন। ব্লগ থেকে আয়ের বিভিন্ন উপায় আছে, যেমনঃ এফিলেশন, বিজ্ঞাপন প্রদর্শন, স্পন্সর পোস্ট, ইত্যাদি। এখান থেকে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনই সবচেয়ে জনপ্রিয়। ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংস্থা আছে, যারা আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিবে। বিনিময়ে আপনি কি পাবেন? আপনি পাবেন আপনার কাংখিত আয়। বিজ্ঞাপন প্রদর্শন নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলচনা করা হবে।
এভাবেই আপনি আপনার ব্লগ থেকে আয় করতে পারবেন।

ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। সেগুলি নিয়েই আজকের ক্লাশটি সাজানো হয়েছে।



ব্লগিং সম্পর্কে নিশ্চয় জেনেছেন। এখন ব্লগিং শুরু করার পালা। এই যে ভাই, খারান। এখনি দৌড় মারতেছেন। মনে হচ্ছে দোকান থেকে কিনে নিয়ে আসবেন। আরে ভাই এত সহজ না। ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে এমনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যেন পরে না আটকে যান। যাই হোক আজকের ক্লাস এখান থেকেই শুরু করছি।
ব্লগিং শুরু করার আগে যা ভাববেনঃ

১. ব্লগিং এ ইনভেস্ট করবেন কিনাঃ

ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে ইনভেস্ট করবেন কিনা। ইনভেস্ট বলতে আপনার ব্লগ সাইটটি তৈরির কথা বলা হচ্ছে। আপনি প্রথমে ফ্রি ব্লগ দিয়েও শুরু করতে পারেন। আর যদি প্রথমেই প্রফেশনালদের মত শুরু করতে চান, তাহলে কিছু ইনভেস্ট তো করতে হবেই। ইনভেস্ট করা হবে আপনার ব্লগের জন্য ডোমেইন এবং হস্টিং কেনার জন্য। ডোমেইন এবং হস্টিং সম্পর্কে আমি কিছু বলতে চাই না। আমি শুধু বলব, ব্লগিং শুরু করলে ডোমেইন হস্টিং কিনেই শুরু করা উচিত। সেক্ষেত্রে সব মিলিয়ে আপনার ২ থেকে ৩ হাজার টাকার বেশী খরচ হবে না। আর যদি কেউ মনে করে আমি প্রথমেই ইনভেস্ট করব না, তার জন্যও উপায় আছে।
২. ব্লগিং প্লাটফর্মঃ

দ্বিতীয়ত আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কোন প্লাটফর্মে ব্লগ তৈরি করবেন। নিম্নে জনপ্রিয় দুইটি প্লাটফর্ম নিয়ে আলোচনা করা হল।
ওয়ার্ডপ্রেসঃ প্রফেশনাল ব্লগারদের জন্য ওয়ার্ডপ্রেসই বেস্ট। কারন ওয়ার্ডপ্রেসকে ব্লগিং জগতের হিরো বলা হয়। ব্লগিং এ সম্পূর্ণ স্বাধীনতা আপনি ওয়ার্ডপ্রেস থেকেই পেতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেসের সবচেয়ে সুবিধা হল, ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ তৈরি করতে আপনাকে ওয়েব ডেভেলপিং সম্পর্কে জানতে হবে না। ইন্টারনেট সম্পর্কে ধারনা থাকলেই আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটি সুন্দর ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরি করতে হলে আপনাকে ডোমেইন এবং হস্টিং কিনে কাজ করতে হবে।
ব্লগস্পটঃ যারা ফ্রি ব্লগিং করতে চান, তাদের জন্য ব্লগস্পট আশীর্বাদ স্বরূপ। ব্লগস্পট সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের একটি সার্ভিস, তাই এর নিরাপত্তা ১০০% । আপনি ব্লগস্পট এর মাধ্যমে খুব সুন্দর একটি ব্লগ সম্পূর্ণ ফ্রিতে তৈরি করে ফেলতে পারেন। ব্লগস্পট দিয়ে ব্লগ তৈরি করলে আপনার এক টাকাও খরচ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
৩. ব্লগিং এর বিষয়ঃ

এখন আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কি নিয়ে ব্লগিং করবেন। অনেকে আছেন হুট করে এক বিষয় নিয়ে ব্লগিং শুরু করে দেন। এতে তিনি এক পর্যায়ে গিয়ে থামতে বাধ্য হন। কারন তার জ্ঞানের ঝুলি শেষ। তাই আপনাকে এমন একটি বিষয় বেছে নিতে হবে, যেটা আপনি সবচেয়ে ভালো বুঝেন। ধরুন আপনি ঘুরতে ভালোবাসেন, বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান নিয়ে আপনি ব্লগিং করলেই আপনার ভালো হবে। কারন আপনি সেটা সম্পর্কে জানেন। যদি আপনি একটা দর্শনীয় জায়গায় গেলেন কিন্তু আপনি বেড়াতে ভালোবাসেন না। আপনি কি একটা জায়গা সম্পর্কে জানেন জন্যই সেই বিষয় নিয়ে ব্লগিং শুরু করবেন? এটা থবে আপনার ভুল। কারন আপনি ভ্রমন সম্পর্কে আর কিছুই জানেন না। এজন্যই আপনাকে এমন একটা বিষয় বেছে নিতে হবে, যার সম্পর্কে আপনার বিস্তর জ্ঞান রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কিছু জানার নিশ্চয়তা আছে।
৪. সময় দেয়ার নিশ্চয়তাঃ

অনেকেই আছেন শখের বশে ব্লগিং শুরু করেন, কিন্তু পরে সময় দিতে পারেন না। এতে তার কোন লাভ হবে না। কারন হাতে প্রচুর সময় থাকলেই ব্লগিং করা উচিৎ। সাফল্য পাওয়ার পরে বেশী সময় না দিলেও চলে। তাই আপনাকে ব্লগিং এ সময় দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেই ব্লগিং এ নামতে হবে। নতুবা আপনি খুব তাড়াতাড়িই ব্লগিং থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পরবেন।

ব্লগস্পট কি? ব্লগস্পট ব্লগিং সম্পূর্ণ নিয়ম

ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম ব্লগস্পট সম্পর্কে যেনে গেছেন। আজকে ব্লগস্পট নিয়েই আলোচনা করব।


ব্লগস্পট কি?

ব্লগস্পট কি? ব্লগস্পট হল সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের একটি ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম। বর্তমানে যতগুলো ফ্রি ব্লগ সার্ভিস আছে তার মধ্যে সেরা হল ব্লগস্পট। ব্লগস্পটের লিঙ্ক হলঃ http://www.blogger.comএখানে আপনি ফ্রিতে আপনার প্রথম ব্লগটি সুন্দরভাবে তৈরি করতে পারবেন। কোন প্রোগ্রামিং জ্ঞান ছাড়াই এখানে একটি খুব সুন্দর মানের ব্লগ তৈরি করা সম্ভব।
ব্লগস্পট এর সুবিধাঃ

ব্লগস্পট এর মালিক গুগল চেষ্টা করে গ্রাহক কে সর্বচ্চো সুবিধা দেয়ার। আপনি ব্লগ ডিজাইনে ব্লগস্পট থেকে মোটামুটি পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন। ব্লগস্পটের রয়েছে বেশকিছু নিজস্ব থিম। এছাড়া ইন্টারনেটে ফ্রিতে অসংখ্য থিম পাওয়া যায়। আপনি যেকোনো একটি থিম নিয়ে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন। ব্লগস্পোত এর রয়েছে হাই পারফর্মেন্স সার্ভার। আর সবচেয়ে বড় কথা হল এটি এসইও ফ্রেন্ডলি ব্লগিং প্লাটফর্ম, ফলে গুগল থেকে আপনি পাবেন অসংখ্য ভিজিটর। অনেক ব্লগ আছে যেগুলি টাকা দিয়ে তৈরি ব্লগ এর চেয়েও বেশী ভিসিটর পায়। তাই আমি আপনাদের ব্লগস্পট দিয়েই ব্লগিং শুরু করার কথা বলব। তাছাড়া অনেকে প্রথমেই টকা খরছ করতে চায় না, তাদের জন্য তো অবশ্যই ব্লগস্পট।
কেন এটি সেরা?

অনেকেই হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন যে, কেন এটি সেরা? আমি বলব এর মালিক গুগল তাই এটি সেরা। এর ইন্টারফেস আপনার পছন্দ না হলেও এটি সেরা, কারন এর মালিক গুগল। আপনারা আবার বলতে পারেন যে গুগল বলেই সেরা? হ্যাঁ, কারন ব্লগের প্রাণই হচ্ছে ভিজিটর। আপনি যদি কোন ভিজিটর না পান, তাহলে সুন্দর ডিজাইন আপনার কোন কাজে আসবে না। গুগল ব্লগসট কে যে চোখে দেখবে অন্যান্য ফ্রি ব্লগকে নিশ্চয়ই সেই চোখে দেখবে না। ফলে ভিজিটর কিন্তু ব্লগস্পটেই বেশী পাঠাবে। আর আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে, গুগল ই সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন। তাই আগেই ভাবুন, পরে ব্লগস্পটের দিকে এলে আপনিই পিছিয়ে পরবেন। ব্লগস্পটে রয়েছে ডোমেইন পারকিং এর সুবিধা, যা অনেক জায়গাতেই নেই। আর এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। গুগল আপনার কাছ থেকে একটি টাকা চাইবে না, বা কোন প্রকার সুবিধা দাবি করবে না। সব বিষয় চিন্তা করে বলা যায়, ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম হিসেবে ব্লগস্পটই সেরা।
এখান থেকে কি আয় করা সম্ভব?

হ্যাঁ, ব্লগস্পট এর আরেকটি সুবিধা হল এখান থেকে প্রচুর আয় করা সম্ভব। আপনার ব্লগ যদি গুনগত মান-সম্মত হয়, তাহলে আপনি গুগল এর কাছে বিজ্ঞাপনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি অন্যান্য বিজ্ঞাপন সংস্থা থেকেও এখানে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। এজন্য গুগল আপনার কাছ থেকে টাকার ভাগ চাবে না। অনেক ব্লগার আছেন যারা ব্লগস্পট এ ব্লগিং করেই মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন। আমার এক ফ্রেন্ড আছে, যে গত মাসে ৬০ হাজার টাকা আয় করেছে তার দুইটা ব্লগস্পট ব্লগ থেকে। তাই আপনাদের বলব ব্লগস্পটে অন্যান্য প্রফেশনাল ব্লগ এর মতই আয় করা যায়।
কিছু অসুবিধাঃ

সব কিছুতেই একটু অসুবিধা থাকে, তারপরে এটি ফ্রি সার্ভিস। এর অসুবিধা গুলি নিম্নে দেয়া হলঃ
এখানে আপনি সহজেই অন্যদের লেখার সুযোগ দিতে পারবেন না।
এখানে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের মত সম্পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন না।
এখানে গুগলের নির্ধারিত নিয়ম-কানুন গুলি মেনে চলতে হবে।
নিয়ম ভঙ্গ করলে আপনাকে ব্যান করা হতে পারে।
সম্পূর্ণ প্রোগ্রামিং সুবিধা পাবেন না।
ব্লগিং ইন্টারফেস পরিবর্তন করতে পারবেন না।
আপনি শুধুমাত্র ডিজাইন টাই কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

এর পরেও ব্লগস্পটই সেরা, কারন অন্যান্য জায়গায় এর চেয়েও বেশী অসুবিধা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

ব্লগস্পট এ ব্লগ তৈরির সম্পূর্ণ নিয়ম দেখব। ব্লগস্পট এ ব্লগ তৈরি অনেক সহজ। আশা করি আজকের ক্লাশটির পরে আপনারা সবাই ব্লগস্পট এ ব্লগ তৈরি করতে পারবেন।

ব্লগস্পটে ব্লগ খুলতে আপনাকে প্রথমে ব্লগস্পট এর হোমপেজ http://blogger.com এ যেতে হবে।

এখানে আপনার Gmail আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন-ইন করুন। Gmail আইডি না থাকলে তৈরি করে নিন।
কিছুক্ষণের মধ্যে আপনি ব্লগস্পট ড্যাশবোর্ড এ প্রবেশ করবেন।

এখানে আপনার ব্লগ গুলির লিস্ট দেখাবে। নতুন ব্লগ খুলতে New Blog এ ক্লিক করুন।

এখন আপনি নতুন ব্লগ খোলার একটি ফর্ম পাবেন।

এখানে আপনার নতুন ব্লগের ইনফরমেশন (যেমনঃ টাইটেল, এড্রেস, টেমপ্লেট) গুলি দিন। এড্রেস এর সময় একটা এড্রেস Not available দেখালে আরেকটি দিয়ে চেস্টা করুন। এখন Create blog এ ক্লিক করুন।

এখন ব্লগ লিস্টে আপনি আপনার ব্লগটি দেখতে পারবেন।



আপনার ব্লগ এর নামের উপর ক্লিক দিন। এখন আপনাকে আপনার ব্লগ এর কনট্রোল প্যানেল এ নিয়ে যাবে। এখান থেকেই আপনি আপনার ব্লগটি নিয়ন্ত্রন করবেন।


এখানে আপনি আপনার ব্লগের এনালাইটিক্স ট্রাফিক দেখতে পাবেন। আর ব্লগ কিন্তু ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। যেহেতু আপনার ব্লগে কোন পোস্ট নেই, সেহেতু আপনি আপনার ব্লগটি পরীক্ষা করতে পারছেন না। তাই পোস্ট করতে New post এ ক্লিক করুন।

এখন পোস্ট এডিটর ওপেন হবে।



এখানে আপনি আপনার পোস্টটি লিখুন। আশা করি, কিভাবে লিখবেন এটা বলে দিতে হবে না। পোস্ট লিখার পরে Publish বাটনে ক্লিক করুন।

Publish বাটনে ক্লিক করার পরে আপনার সামনে পোস্ট মেনু আসবে।


এখানে আপনি আপনার পোস্ট এর লিস্টগুলি দেখতে পাবেন। এখন আপনি আপনার ব্লগটি দেখতে পারেন। আপনার ব্লগটি দেখতে আপনার ব্লগ এর এড্রেস এ ঢুকুন (ব্লগ খোলার সময় যেটা দিয়েছিলেন) অথবা, View blog এ ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডোতে আপনার ব্লগটি ওপেন হবে।



হয়ে গেল আপনার ব্লগ। আপনার এখন একমাত্র কাজ বেশী বেশী পোস্ট করা। কারন, যত বেশী পোস্ট তত বেশী ভিজিটর - যত বেশী ভিজিটর তত বেশী টাকা।

উন্মোচিত হলো ‘মুক্তিযুদ্ধের গেম’


মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর গেম ‘মুক্তিক‍্যাম্প’ উন্মোচন করা হয়েছে। গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘মাইন্ড ফিশার গেমস’ গেমটি আপাতত শুধু অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মের জন্য আনা হচ্ছে। আর এই গেম খেলতে ১.৫ গিগাবাইট র‍্যামের স্মার্টফোন প্রয়োজন হবে।

এই গেমের শুরুতে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পরিত্যক্ত একটি গ্রাম দেখা যাবে যেখানে কয়েকজন মুক্তিকামী বাঙালি একটি ক্যাম্প বানাতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। ক্যাম্পে আশপাশের গ্রামের লোকজনকে যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার থেকে শুরু করে রোগমুক্তির জন্য ওষুধ সবই মজুদ করা হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে পাকিস্তানি হানাদার নিধনের পরিকল্পনা।

প্রাথমিক পর্যায়ে গেমটি অফলাইনে খেলা যাবে। আগামী বছর এপ্রিল পর্যন্ত এই অফলাইন সংস্করণে দেওয়া হবে বিভিন্ন হালনাগাদ এবং যুক্ত হবে নতুন লেভেল। আর আগামী বছর এপ্রিল মাসেই অনলাইন সংস্করণটি বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

‘হিরোজ অব ৭১’ এর প্রতিষ্ঠান ‘পোর্টব্লিস’ এবং ‘গেম ওভার স্টুডিও’ এক হয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় ‘মাইন্ড ফিশার গেমস’। এই প্রতিষ্ঠানে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জামিলুর রশিদ ও প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা মাশা মুস্তাকিম।

২০১৭ নতুন এবং পরিবর্তিত গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল প্রসেস ! সহজ পদ্ধতি


এটা কারো অজানা নয় যে অ্যাডসেন্স হল বিশ্বের সবথেকে High Paying Contextual অ্যাড প্রোগ্রাম। তাই এগুলো পুনরায় বলার কোন দরকার নেই। এতদিন পর্যন্ত অ্যাডসেন্স (Google adSense ) অ্যাপ্রুভাল প্রসেস খুবই সহজ ছিল। শুধু এপ্লাই করতে হত, গুগল টিম সেটা রিভিউ করত, আর সব ঠিকঠাক থাকলে কয়েক দিনেই অ্যডসেন্স অ্যাপ্রুভ হয়ে যেত। কিন্তু এটা খুবই খুশির খবর যে সম্প্রতি গুগল, নতুন পাবলিশার দের জন্য অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল প্রসেস আরো সহজ করে দিয়েছে। কি কি সুবিদা দেওয়া হয়েছে নতুন এই অ্যাপ্রুভাল প্রসেসে নিচে থেকে স্টেপ বাই স্টেপ দেখেনিন।

চলুন দেখে নেওয়া যাক নতুন অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল প্রসেস :

১) প্রথমে আপনি অ্যাডসেন্সের নীতিমালা মেনে সব কটি সূত্র পূরণ করুন।
২) তারপর অ্যাডসেন্স এ গিয়ে Get Started এ ক্লিক করুন।

৩) এখন আপনার তথ্যগুলি সঠিকভাবে দিয়ে ফর্মটি পূরণ করলে একবারেই আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।

৪) আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে লগ ইন করুন।

৫) এবার আপনার ব্লগের জন্য একটি অ্যাড কোড বানিয়ে আপনার ব্লগে সেটি যোগ করে দিন।

৬) ব্লগ খুলে দেখুন, আপনি যেখানে অ্যাড বসিয়েছিলেন সেখানে ফাকা জায়গা দেখা যাচ্ছে, কোন অ্যাড শো করছে না। ভয়ের কিছু নেই।

৭) যদি আপনার সাইট গুগলের সব নীতি মেনে চলে, তাহলে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সেই ফাকা স্থানে অ্যাড দেখানো শুরু করবে। এবং আপনাকে গিমেলে একটা মেই সেন্ড করা হবে গুগলের তরফ থেকে ।

৮) আপনার আয় যখন ১০ ডলারে পৌঁছোবে তখন গুগল আপনাকে একটি পিন দিয়ে মেল পাঠাবে, এর জন্য অবশ্যই আপনাকে তাদের কিছু তথ্য দিতে হবে কি দিতে হবে সেখানেই দেখতে পাবেন। যদি পিন না আসে চিন্তার কিছু নেই আপনি আবার পিন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং সঠিক ঠিকানা দেবেন, যদি তাও পিন না আসে তাও ভয়ের কিছু নেই আপনি কোন একটা ID প্রুফ দিয়ে আপনার অ্যাড্রেস ভেরিফাই করে নিতে পারবেন, যেমন পাসপোর্ট, ভোটার ID কার্ড ইত্যাদি।

৯) সেই পিন কোড টি আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে দিয়ে দিলেই আপনার ফাইনাল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল হয়ে যাবে।

১০। আপনার ইনকাম যখুন ১০০$ হবে তখুন আপনি অ্যাডসেন্স থেকে টাকা নিতে পারবেন, এর জন্য আপনাকে আগে থেকে আপনার অ্যাকাউন্ট এর বিস্তারিত দিয়ে রাখতে হবে অ্যাডসেন্স সেটিং এ আপনি সব কিছু পেয়ে যাবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করার আগে যা যা করণীয় ?


আমি নিচে যে বিষয় বলেছি তা সব নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কোন ইংরেজি ব্লগ থেকে কপি বা অন্য কোন ব্লগারের অভিজ্ঞতা থেকে না, আমি যেভাবে অ্যাডসেন্স পেয়েছি

অ্যাডসেন্স আবেদন করার পূর্ব চেক করে নিন আমি নিচে যা যা বলেছি তা আপনার ব্লগে আছে কিনা বা আমার বলার সঙ্গে মিচ্ছে কিনা। যদি মিলে তাহলে আপনি নির্দ্বিধাই আবেদন করে দিতে পারেন।

১। ব্লগের বয়স কত হওয়া উচিৎঃ

এই বিষয় টা প্রথমে তুল ধরার একটি বিশেষ কারন হল আমি যত  অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করেছি তার সব কটি ব্লগের বয়স ছিল ৫-৬ মাস+। তাই আমি এটা বলবনা যে আপনার ব্লগ বয়স ৫-৬ মাস হতে হবে এটা আমার অভিজ্ঞতা বললাম, তবে ব্লগের বয়স যদি একটু বেশি হয় তাহলে ভাল হয়, তবে ব্লগের মান, পোস্টের মান, যদি ভাল হয় তাহলে এর কম সময় হলেও সমস্যা নেই। তবে যদি প্রথম বারেই অ্যাডসেন্স পেতে চান তাহলে ব্লগে সময় দিয়ে কিছু ভাল পোস্ট করে, কিছু ভাল ভিজিটর হবার পর আবেদন করুন এতে অ্যাডসেন্স ৯৯% পাবার চান্স থাকে।

২। ব্লগে পোস্ট এর সংখ্যা কত থাকলে অ্যাডসেন্স এর ক্ষেত্রে ভাল ঃ

অনেকেই মনে করে অ্যাডসেন্স এর জন্য ৫০ পোস্ট থাকা চাই কিন্তু এটা আমি বিশ্বাস করিনা, আমি আগেই বলেছি এই পোস্টে সম্পূর্ণ আমার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। আপনি যদি ভাল মানের ১০-১৫ পোস্ট করেন এবং আপনার ব্লগের বয়স যদি একটু পুরনো হয় তাহলে আপনি এই পরিমান পোস্ট দিয়ে অ্যাডসেন্স পেতে পারেন। উদাহারান স্বরূপ এই  ব্লগে পোস্ট ২০ টি আছে কিন্তু আমি অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম ১৫ পোস্টে এবং Approved ও পেয়েছি । তবে আমি বলব আপনি ভাল মানের বেশ কিছু পোস্ট লিখুন তারপর আবেদন করুন এতে disapproved হবার চান্স অনেকটা কমে যাই।

৩। ব্লগে ভিজিটর কত থাকলে অ্যাডসেন্স এর ক্ষেত্রে ভাল ঃ

আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা আমি শেষ যে অ্যাডসেন্স Approved পাই সেই ব্লগে পোস্ট মাত্র ১৫ টি আর পেজ ভিউ প্রতিদিন ছিল ১০ এরও কম লাইফটাইম ২০০০ মত। তবে অনেকেই বলে ব্লগে মিনিমাম ১০০০ ভিজিটর থাকলে তবেই অ্যাডসেন্স পাবেন, কিন্তু আমার সঙ্গে ২ বার এমন হয়নি কম ভিজিটর দিয়েই আমি পেয়ে গেছি, তবে আপনি চেস্ট করুন ভাল কিছু ভিজিটর আনতে তারপর অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করুন। কারন ভাল ভিজিটর না থাকলে অ্যাডসেন্স পেয়েও তো লাভ নেই কারন ইনকাম হবেনা তাই মোটামোটি ভিজিটর বাড়ানোর চেস্টা করুন তারপর আবেদন করুন।
৪। ব্লগকে অবশ্যই Webmastertools এ সাবমিট করুন ঃ

আপনি যদি গুগল থেকে ভিজিটর পেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই webmastertools এ ব্লগ সাবমিট করতে হবে, আর যদি না করেন তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স পাবার আশাও অনেকটা কমে যাবে। তাই এই বিষয় টি ভাল ভাবে লক্ষ রাখেবেন আপনার ব্লগ webmastertools এ সাবমিট আছে কিনা।

৫। ব্লগ পোস্টে কত ওয়ার্ড এর পোস্ট থাকলে অ্যাডসেন্স পেতে সুবিদা ঃ

দেখুন এটা কোন কথাই না, ধরুন আপনি একটি পোস্ট লিখছেন যেটাতে ওয়ার্ড এর প্রয়োজন ৩০০ কিন্তু আপনি ফালতু ১০০০-২০০০ লিখতে যাবেন কেন! তবে হ্যা বেশি ওয়ার্ড এর পোস্ট থাকলে ভাল গুগল ভাল চোখে দেখে থাকে, তবে আমার অভিজ্ঞতার সঙ্গে এই ওয়ার্ড এর সঙ্গে অ্যাডসেন্স এর সম্পর্ক খুজে পাচ্ছিনা। তবে আপনি চেষ্টা করবেন একটু ভাল মানের পোস্ট লিখতে যাতে ভিজিটর আপনার পোস্ট পড়ে আনান্দ পাই। তবে পোস্ট ওয়ার্ড এর সাথে অ্যাডসেন্স এর কোন সম্পর্কে আছে বলে আমার মনে হয়না, শুধু কিছু ভাল মানের পোস্ট লিখুন এখুন ভাল মানের পোস্ট বলতে কি বুঝাতে চাইছি বুঝেতেই পারছেন 😉।

৬। ব্লগ ডিজাইন কতটা গুরুত্ব পূর্ণ অ্যাডসেন্স এর ক্ষেত্রে ঃ

আমি অনেক ব্লগারকে দেখেছি অ্যাডসেন্স নিয়ে পোস্ট লিখেছে এবং সেখানে এই ডিজাইন এর বিষয় টিকে সিরিয়াস ভাবে তুলে ধরেছে, কিন্তু আমি এখুন পর্যন্ত এমন কিছু ব্লগে অ্যাডসেন্স দেখছি যাদের ব্লগ ডিজাইন সব থেকে নিম্ন মানের। তবে চেস্টা করুন একটু ডিজাইন টা সাদা মাটা রাখতে। ফ্রী থিম ব্যবহার করুন আর পেইড কোন সমস্যা নেই, আমার মনে হয় এই ডিজাইন এর বিষয় টা নিজের কাছে অহেতুক ব্লগ ভারি করবেন না ইউজার ফ্রেন্ডলি করবেন তাহলেই চিন্তা নেই

৭। ব্লগার না ওয়ার্ডপ্রেস অ্যাডসেন্স এর জন্য কোনটা ভাল হবে ঃ

আমি এখুন পর্যন্ত ৩ টি অ্যাডসেন্স Approved পেয়েছি যার মধ্যে ২ টি ব্লগার প্লাটফর্ম দিয়ে বানান ব্লগ আর একটি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে 😊। তবে ব্লগার যেহেতু গুগলের আর অ্যাডসেন্সও গুগলের তাই একটু হাল্কা সুবিধা পেতে পারেন তবে আমি সেরকম পার্থক্য লক্ষ করিনি, সম্পূর্ণ নিজের অভিজ্ঞতা বললাম। অ্যাডসেন্স পেতে প্লাটফর্ম নয় কন্টেন্ট টাই মূল বিষয় তাই সেই দিকটাই বেশি জোর দিন।
৮। কি ধরনের ডোমেইন ব্যবহার করা উচিৎ ঃ

আপনি আপনার ব্লগে যেকোনো টপ লেবেল ডোমেইন ব্যবহার করতে পারেন যেমন .com, .in. .net, .org ইত্যাদি তবে ভুলেও ফ্রী ডোমেইন দিয়ে আবেদন করেন না যদিও আমি পরীক্ষা করিনি তবে ফ্রী ডোমেইন দিয়ে না পাবার চান্স ৯৯%, ফ্রী ডোমেইন বলতে আমি .TK, .ML এই সব ফালতু ডোমেইন গুলর কথা বলতে চাইছি। যখুন ব্লগে অ্যাডসেন্স ব্যবহার করবেন অর্থ উপার্জন করবেন তখুন একটু নিজের পকেট থেকে অর্থ ব্যয় করুন না মশাই 😉। আর হ্যা সাবডোমেইন দিয়েও আমি চেস্টা করিনি, তবে শেষ কথা একটা টপ লেবেল ডোমেইন দিয়েই অ্যাডসেন্স আবেদন করুন।

৯। ব্লগে ক্র্যাক , প্যাচ, কপি পোস্ট, গান, মুভি ইত্যাদি নিয়ে পোস্ট করা যাবে কি ঃ

দেখুন অ্যাডসেন্স বলে না আপনি যদি ব্লগার প্লাটফর্ম ব্যবহার করেন এবং ক্র্যাক, প্যাচ, কপি পোস্ট করেন তবুও ব্লগ ডিলিট হয়ে যাই আর এটা তো অ্যাডসেন্স এর বিষয়। আমি নিজেও এসো বন্ধু ব্লগে গান, মুভি, ক্র্যাক সফটওয়্যার অনেক শেয়ার করেছিলাম তবে সব পোস্ট ডিলিট করি তারপর আবেদন করি আপনিও সেটাই করুন তা নাহলে মুশকিল, এখুন আপনার মনে প্রশ্ন থাকতে পারে, বাংলার কিছু বড় বড় ব্লগ গুল তো এই সব কটেন্ট দিয়েও অ্যাডসেন্স পেয়েছে তাহলে বলি গুগল যদি ধরতে পারে তাহলে বিনা নোটিশে ব্যান্ড হবে সেই সব অ্যাকাউন্ট। তাই এই বিষয় টি সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে ভাববেন।

১০। অ্যাডসেন্স আবেদনের আগে ব্লগে যে সকল পেজ থাকা আবশ্যক ঃ

এই বিষয়টি খুবি গুরুত্ব পূর্ণ, আপনি যখুন অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে যাবেন তখুন নিচের যে যে পেজ গুল আমি বলেছি সেগুল অবশ্যই আপনার মেনু সে অ্যাড করে নিবেন, তা না হলে সমস্যাই পড়বেন।

প্রাইভেসি পলিসি পেজ
ব্লগ বা লেখক সম্পর্কে একটি পেজ বানাবেন
যোগাযোগ পেজ বানাবেন
Disclaimer পেজ বানাতে পারেন না হলেও সমস্যা নেই।
সাইট ম্যাপ পেজ বানাবেন।

উপরের পেজ গুল অবশ্যই নিজের ব্লগে মেনু কিংবা সাইড বারে অ্যাড করে নিবেন, তা নাহলে Approved হবে আপনার অ্যাকাউন্ট।

১১। Blogspot.com এই ডোমেইন দিয়ে কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে ঃ

এই বিষয় টি আমি সত্যি ক্লিয়ারনা তবে এখুন মনে হয় অ্যাডসেন্স দেইনা, তবে আগে দিত, আপনি সব সময় টপ লেবেল ডোমেইন দিয়ে চেস্টা করুন অবশ্যই অ্যাডসেন্স পেয়ে যাবেন।

শেষ কিছু কথা ঃ
পরে আমি সব নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি যেগুল আমি অনুসরণ করেছি এবং অ্যাডসেন্স পেয়েছি, তাই আমি উপরে যা বলেছি আপনি অনুসরণ করুন সেই ভাবে নিজের ব্লগটা তৈরি করুন দেখুন আপনার ব্লগ অ্যাডসেন্স পেয়ে যাবে। বাকি গুগল অ্যাডসেন্সের যে Terms and Conditions আছে সেটা নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি পোস্ট করবো। পোস্টটি বেশি বড় করলাম না, জানি যারা নতুন তাদের মধ্যে আরও অনেক একাধিক প্রশ্ন আছে যে গুলো আসতে আসতে পোস্ট করবো আপাতও এই টিপস গুলো ফলো করুন দেখুন কাজে হয়ে যাবে।

গুগল অ্যাডসেন্স এ CPC, Page RPM ও Page CTR কি?


এ্যাডসেন্স পাবলিশারদের জন্য খুবই জরুরী একটি বিষয়। অনেকে এ সহজ বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে না জানার কারনে তাদের এ্যাডসেন্স একাউন্ট হতে আয় বৃদ্ধি করতে পারেন না। গুগল মূলত CPC ও RPM হিসেব করে এ্যাডসেন্স পাবলিশারদের বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা প্রদান করে থাকে। সেই ক্ষেত্রে যার ওয়েবসাইটের CPC ও RPM Rate যত বেশী হবে তার ওয়েবসাইটের ইনকাম তত বেশী হবে। এই সহজ তিনটি বিষয় নিয়ে যাদের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে, তারা আজকের এই পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

গুগল এ্যাডসেন্স থেকে আয় বৃদ্ধি করার প্রধান এবং একমাত্র উপায় হচ্ছে ব্লগের ট্রাফিক বৃদ্ধি করা। যার ব্লগে যত বেশী ভিজিটর থাকবে এ্যাডসেন্স হতে সে তত বেশী আয় করতে সক্ষম হবে। পোষ্টের মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার পূর্বে এটি বিষয় বলে রাখছি যে, আমাদের আজকের পোষ্টের মূল বিষয় CPC ও RPM বৃদ্ধি করা নয়, শুধুমাত্র গুগল AdSense CPC, Page RPM ও Page CTR সম্পর্কে বেসিক ধারনা নেওয়া।
।CPC, Page RPM ও Page CTR কি?
আমরা আজ এই তিনটি বিষয় নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আলাদা আলাদা অংশে ভাগ করে আলোচনা করব। তবে তার পূর্বে এগুলির সাথে সম্পৃক্ত আরো কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলি না জানলে বা পরিষ্কারভাবে ধারনা না নিলে আপনার কনসেপ্ট ক্লিয়ার হবে না।
  • Click কিঃ গুগল এ্যাডসেন্সের ক্ষেত্রে Click বলতে শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন ক্লিককে বুঝানো হয়। এ ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটের কতগুলো পেজে ক্লিক হয়েছে সেটি নির্দেশ করে না।
  • Impression কিঃ এটি দ্বারা আপনার ব্লগের প্রত্যেকটি Page View কে বুঝানো হয়ে থাকে। অধীকন্তু আপনার ব্লগের Page View, Ad View সহ কোন Individual Ad View কেও নির্দেশ করে। সাধারণত Impression তিন ধরনের হয়ে থাকে, যথা-Page views, Page impression ও Ad impression.
  • Page views কিঃ Page views দ্বারা বুঝানো হয়ে থাকে আপনার কাঙ্খিত ব্লগের পেজ এর মাধ্যমে ভিজিটর কতটি বিজ্ঞাপন দেখতে পেয়েছে। ধরুন আপনার ব্লগের একটি পেজে মোট ৩ টি বিজ্ঞাপন রয়েছে, কিন্তু ভিজিটর ঐ পেজের সবগুলি বিজ্ঞাপন দেখেনি অর্থাৎ একটি বিজ্ঞাপন নিচের দিকে থাকার কারনে সেটি ব্রাউজারের উপরে উঠেনি। সে ক্ষেত্রে এখানে আপনার Page views হিসেবে ২ গণনা করা হবে।
  • Page impression কিঃ Page views এবং Page impression একই জিনিস। দুটি দ্বারা প্রায় একই ধরনের বিষয় বুঝানো হয়ে থাকে।
  • Ad impression কিঃ এটি দ্বারা আপনার ব্লগের প্রত্যেকটি পেজের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের হিসাব গণনা করা হয়। ধরুন আপনার ব্লগের একটি পোষ্টে ৩ টি বিজ্ঞাপন রয়েছে এবং পোষ্টটি সর্বমোট ৫ বার ভিজিট করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে Ad impression হিসাব করা হবে ৩x৫=১৫ অর্থাৎ কাঙ্খিত পোষ্টের ১৫ Ad impression গণনা করা হবে।

CTR (Click Through Rate) কি?
একটি ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপনের মোট ভিউ এর মধ্যে কতবার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হয়েছে সেটি বুঝাতে CTR ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ হিসেবে- ধরুন আপনার ব্লগের বিভিন্ন পেজ ১০০ বার ভিউ হয়েছে এবং Add এ মাত্র ১০ জন ভিজিটর ক্লিক করেছে। সে ক্ষেত্রে আপনার CTR হবে ১০% । যদি আপনার ব্লগের পেজ ভিউ হয় ১০০ এবং ৫০ বার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হয়ে থাকে, তবে আপনার CTR দাড়াবে ৫০%। এই CTR দ্বারা শুধুমাত্র আপনার বিজ্ঞাপনের মোট ভিজিটরের ভিউয়ের ক্লিক সংখ্যা হিসাব করা হয়।
CPC (Cost Per Click) কি?
Cost Per Click সম্পর্কে বেশী কিছু বলার প্রয়োজন নাই। কারণ এটি দ্বারা কি বুঝানো হয় তা আপনি নিজেই বুঝতে পারছেন। আপনার বিজ্ঞাপনের প্রতি Click এর কারনে এ্যাডসেন্স আপনাকে কত ডলার পরিশোধ করবে সেটি বুঝানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে যার ক্লিট রেট যত বেশী হবে তার আয়ও তত বেশী হবে। ধরুন-আপনার CPC রেট 0.03$, সে ক্ষেত্রে আপনি প্রতি এড Click এ পাবেন 0.03$ ডলার।
RPM (Revenue Per Mile) কি?
এটি দ্বারা একটি ব্লগের বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক ব্যতীত শুধুমাত্র প্রতি ১০০০ পেজ ভিউ হিসেবে কত ডলার দেওয়া হবে সেটি গণনা করা হয়। ধরুন- আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের RPM 1.25$, এ ক্ষেত্রে গুগল আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের প্রতি ১০০০ বার ভিউ এর জন্য 1.25$ ডলার পরিশোধ করবে।
CTR, CPC ও RPM এর সর্বমোট হিসাবঃ
ইতোপূর্বে আপনি উপরের তিনটি বিষয় থেকে পরিষ্কার ধারনা পেয়েছেন যে, Google AdSense কিভাবে হিসেব করে বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা পরিশোধ করে এবং কিভাবে আপনার এ্যাডসেন্সের আয়ের পরিমান হ্রাস ও বৃদ্ধি পায়। এখন আমি উদাহরনের মাধ্যমে তিনটি বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করব।

উদাহরণ- মনেকরুন আপনার ব্লগে প্রতি মাসে এক লক্ষ পেজ ভিউ হয় এবং আপনার ব্লগের CTR ৩%। অর্থাৎ প্রতি একশত পেজ ভিউ এর মধ্যে মাত্র তিন জন আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে। এ ক্ষেত্রে আপনার নীট CTR হবে (মোট ভিউ x CTR ÷ ১০০) অর্থাৎ (১০০০০০x৩÷১০০) = ৩০০০ বার। আপনার ব্লগের এক লক্ষ পেজ ভিউ এর মধ্যে ৩০০০ জন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেছে। সেই হিসাবে আপনার ব্লগের CPC রেট 0.03$ হয়ে থাকলে মোট ক্লিক রেট হবে (৩০০০x০.৩) = ৯০০ ডলার। অর্থাৎ এক লক্ষ ভিউয়ার এর মধ্যে ৩০০০ বিজ্ঞাপন ক্লিক এর কারনে গুগল আপনাকে ৯০০ ডলার পরিশোধ করবে।

অন্যদিকে আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের RPM 1.25$ হলে আপনি মোট ভিউ হিসাব করে (মোট ভিউ ÷ ১০০০ x ১.২৫) অর্থাৎ (১০০০০০ ÷ ১০০০ x ১.২৫) = ১২৫ ডলার। CTR ব্যতীত শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনের ভিউয়ের জন্য গুগল আপনাকে আরো ১২৫ ডলার পরিশোধ করবে। সেই হিসেবে দেখা যায় কেউ যদি উপরোক্ত যোগ্যতা সম্পন্ন ব্লগের সমন্বয়ে এক লক্ষ ভিউয়ার পায়, তাহলে সে গুগল এ্যাডসেন্স থেকে মাসে ৯০০ + ১২৫ = ১০২৫ ডলার আয় করতে সক্ষম হবে।
সর্বশেষঃ উপরে প্রদত্ত হিসাব এবং AdSense CPC, Page RPM ও Page CTR থেকে আপনি বুঝতে পারছেন যে, আপনি কেন গুগল এ্যাডসেন্স থেকে কম উপার্জন করছেন বা অন্যকেউ কম ভিজিটর পেয়েও আপনার চাইতে বেশী আয় করছে। আপনার ব্লগের CPC, Page RPM ও Page CTR যত বেশী হবে এ্যাডসেন্স থেকে তত বেশী আয় করতে পারবেন। সাধারণত ব্লগের কনটেন্টের মান, র‌্যাংকিং এবং বিজ্ঞাপনের লোকেশনের উপর ভিত্তি করে CPC ও RPM কম বেশী হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে আপনি ভালমানের কনটেন্টের সমন্বয়ে উন্নত দেশের বিজ্ঞাপনকে টার্গেট করতে পারলে এ্যাডসেন্স CPC ও RPM বৃদ্ধি করে ব্লগের আয় বাড়াতে পারবেন।

কিভাবে ব্লগ অথবা ওয়েবসাইটের Page Impressions এবং Traffic বৃদ্ধি করতে হয়?


গুগল AdSense Page Impression কিঃ Page Impression এর কথাটি বল্লেই প্রথমে গুগল AdSense Page Impression এর বিষয়টি চলে আসে। এই জন্য আমি গুগল AdSense Page Impression দিয়ে শুরু করলাম। মূলত Page Impression এর অর্থ হচ্ছে ভিজিটররা কত সময় আপনার ব্লগে অবস্থান করে এবং কতগুলি পোষ্ট/পেজ ভিজিট করে। আপনি যদি Google Adsense কিংবা অন্য কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন Use করে থাকেন তাহলে এই বিষয়টি আপনার জন্য খুবই জরুরী। কারণ আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এবং Page View না থাকলে আপনি যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেও সফল হতে পারবেন না। এই জন্য ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এবং Page View পাওয়ার জন্য আপনার ব্লগে ভাল মানের কনটেন্ট থাকতে হবে। আপনি যখন ব্লগে ইউনিক এবং ভাল মানের কনটেন্ট লিখবেন, তখন ব্লগ ভিজিট করার জন্য কাউকে বলতে হবে না। আপনার ব্লগের কনটেন্টই সার্চ ইঞ্জিন হতে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এবং Page View নিয়ে আসবে। Page Impression এবং ভিজিটর বৃদ্ধি করার জন্য নিম্নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরলাম।
  • ভাল মানের কনটেন্টঃ আমি বার বারই এই কথাটি সবাইকে পরামর্শ দিয়ে থাকি যে, ব্লগে সব সময় ভালমানের ইউনিক কনটেন্ট লিখার জন্য। কারণ ব্লগে ভিজিটর পাওয়ার জন্য সহজ ও প্রধান মাধ্যম হচ্ছে ভালমানের কনটেন্ট। আপনি যখন ব্লগে নিত্য নুতন ইউনিক কনটেন্ট ব্যবহার করবেন তখন এই কনটেন্টই আপনার ব্লগে ভিজির নিয়ে আসবে। আর যখন ভিজিটররা আপনার ব্লগে পড়ে ভালমানের কনটেন্ট পাবে তখন তারা পুনরায় আপনার ব্লগ ভিজিট করবেই। অন্যের ব্লগ থেকে কনটেন্ট কপি করে আপনার ব্লগে ব্যবহার করলে আপনি কোন ভাবেই সফল হতে পারবেন না।
  • নেভিগেশন ম্যানুবারঃ আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইট যে কোন ধরনেরই হোক না কেন অবশ্যই একটি Menu Bar যু্ক্ত করবেন। ম্যানুবারে আপনার ব্লগের প্রধান বিষয়গুলির Label লিংক যুক্ত করে দেবেন। এতে করে ভিজিটররা সহজে বুঝে নিতে পারবে যে, আপনার ব্লগের বিষয় বস্তু কি। যার ফলে সহজে আপনার ব্লগের Page Impression বাড়তে থাকবে।
  • হোম পেজের পোষ্ট Summary: এটি হচ্ছে যে কোন ব্লগের Page Impression বাড়ীয়ে নেওয়ার সহজ একটা পদ্ধতী। আপনার ব্লগের হোম পেজে পোষ্টগুলির Summary সস্পূর্ণ না দিয়ে অল্প কিছু দেবেন এবং বাকী অংশগুলি Read More বাটন যুক্ত করে দিতে পারেন। এতে করে ব্লগের Page View বাড়বেই।
  • ব্লগের Load Time উন্নত করাঃ আপনার ব্লগটি যদি খুব ধীর গতির হয় তাহলে ব্লগে কোনভাবেই ভিজিটর এবং Page View পাবেন না। কারণ ব্লগ যদি Load নিতে বেশী সময় নেয় তাহলে ভিজিটররা বিরক্ত বোধ করবে এবং আপনার ব্লগ থেকে বেরিয়ে যাবে। অধীকন্তু বাংলাদেশের ইন্টারনেট স্পীডের যা অবস্থা তাতে করে বুঝতেই পারছেন যে, ব্লগ স্লো গতির হলে কি হবে।
  • Popular Posts widget যুক্ত করাঃ আপনার ব্লগে পাঠক ধরে রাখার জন্য এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। ভিজিটররা যখন সার্চ ইঞ্জিন হতে কোন একটি পোষ্টের মাধ্যমে আপনার ব্লগে প্রবেশ করবে, তখন সে আপনার জনপ্রিয় পোষ্টগুলি দেখা মাত্র ভিজিট করতে চাইবে। এটি আপনার ব্লগের সাইডবারে যুক্ত করে রাখতে পারেন।
  • Related Posts যুক্ত করাঃ এটি অবশ্যই আপনার ব্লগ পোষ্টের নিচে যুক্ত করে রাখবেন। আপনার ব্লগের পাঠক যখন কোন একটি পোষ্ট পড়বে তখন ব্রাউজার অটোমেটিক পোষ্ট বাছাই করে এ ধরনের Related Posts শো করবে। এর ফলে পাঠক হয়তো এই পোষ্টগুলিও পছন্দ করতে পারে। কাজেই আপনার ব্লগে পাঠক Engage রাখার জন্য এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
  • Random Posts Widget যুক্ত করাঃ এমন কিছু ভিজিটর থাকবেই যারা প্রতিদিন আপনার ব্লগটি ভিজিটর করে। কাজেই তারা এক ধরনের পোষ্ট দেখতে দেখতে বিরক্তবোধ করবে। আপনি যদি Random Posts Widget টি যুক্ত করে রাখেন তাহলে এটি আপনার ব্লগের অগোছাল পোষ্টগুলি শো করবে। এতে করে পাঠক আপনার ব্লগ এর পোষ্ট সম্পর্কে আরও বেশী ধারনা পাবে।
  • Search Box যুক্ত করাঃ ব্লগে অবশ্যই একটি ভালমানের সুন্দর Search Box যুক্ত করে রাখবেন। কারণ পাঠক যখন আপনার ব্লগে তার পছন্দের কোন কিছু খুজবে তখন সে চাইবে সব পোষ্টগুলি না ঘেটে সার্চ করে খুজে নিতে। এ ক্ষেত্রে যদি আপনার ব্লগে সার্চ বক্স না থাকে তাহলে সে বিরক্ত হয়ে চলে যাবে।
  • পোষ্টের মধ্যে Permalink তৈরীঃ যখন আপনি কোন পোষ্ট লিখবেন তখন এই পোষ্ট সম্পর্কিত পূর্বের পোষ্টগুলি Anchor text আকারে Permalink তৈরী করে দিতে পারেন। এর ফলে ভিজিটর আপনার পোষ্টটি পড়ার সময় পূর্বের ঐ পোষ্টটিও সহজে পড়ে নিতে পারবে। যার ফলশ্রুতিতে আপনার ব্লগের Page Impression বাড়তে থাকবে।
  • সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার এবং Forum এ অংশগ্রহনঃ নতুন পোষ্ট করার সাথে সাথে অব্যশই পোষ্টটি Facebook, Twitter এবং Google+ সহ বিভিন্ন সোসিয়াল মিডিয়া সাইটে শেয়ার করে দেবেন। এছাড়া আপনার ব্লগ সম্পর্কিত অন্য কোন ভালমানের ফোরামে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মাধ্যমে আপনার পোষ্টের লিংকটি শেয়ার করে দিতে পারেন। এতে করে ঐ সমস্ত সাইটগুলি থেকে আপনার ব্লগে ভিজিটর বাড়তে থাকবে।
  • পরিষ্কার Background এবং সুন্দর ফন্টঃ ব্লগে কালো রংয়ের Background এবং অস্বচ্ছ Font ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি এমন রংয়ের Background এবং Font ব্যবহার করবেন যাতে ব্লগটির কনটেন্ট পাঠক সহজে দেখতে পারে এবং পড়তে পারে। বাংলা ব্লগের ক্ষেত্রে ফন্ট সমস্যা সামাধানের একটি পোষ্ট করে রাখতে পারেন, যাতে করে সহজে পাঠক ফন্ট সমস্যার সমাধান করে নিতে পারে।
  • বিজ্ঞাপনঃ বেশী লাভের আশায় ব্লগের যেখানে সেখানে ইচ্ছামত নিম্নমানের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করবেন না। এতে করে পাঠকরা বিরক্তবোধ করবে এবং হিতের বিপরীত হতে পারে। কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় সঠিক মাপের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে আপনার ইনকাম বাড়বে এবং পাঠকরাও কোন বিরক্তবোধ করবে না।
শেষ কথাঃ আপনি যদি উপরের সবগুলি পোষ্ট ভালভাবে মেনে চলেন তাহলে আপনার ব্লগের ভিজিটর এবং Page Impression অবশ্যই বাড়বে। আর যারা Google Adsense বিজ্ঞাপন ব্যবহার করছেন তাদের ব্লগের Page Impression বাড়ার মানেই হচ্ছে আয় বেড়ে যাওয়া। তবে সব কিছুর মূলেই হচ্ছে ব্লগের কনটেন্ট। ব্লগে অবশ্যই ভালমানের ইউনিক কনটেন্ট থাকতে হবে। কোন উপায়েই কপি করা কনটেন্ট ব্যবহার করা যাবে না।

Online হতে টাকা আয় করার ৬ টি সহজ টিপস

আরও অন্য দশজন স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মত আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। মাঝে মাঝে আমার নিজের প্রতিও খুব দুঃখ হয় কেন আমি বিগত দুই বৎসর এ সকল সাইটে সময় ব্যয় করলাম। আমি নিজে প্রায় দুই বৎসর ফেইসবুক, টুইটার এবং বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলে সময় পার করেছি। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং করে কাটালাম না।

এ রকম আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। আপনি যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ২-৩ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতয় গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আমিত নির্ধিদ্বায় বলতে পারি এর শুরু থেকে শেষ অব্দি শুধু শূন্য আর শূন্য।


আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, social media and gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর বয়সি আধুনিক জেনারেশনরা ইন্টারনেট হতে অল্প কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।
কেন ছাত্রদের টাকার প্রয়োজনঃ স্কুল কিংবা কলেজ সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু Extra Pocket Money এর প্রয়োজন হয়। এই অল্প টাকা দিয়েই সে তার নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট খাটো সখ এবং প্রয়োজন গুলি মিটিয়ে নিতে পারে। তাছাড়াও স্বাভাবিক ভাবেই এখনকার জেনারেশনের ছাত্রদের Smartphone, Gaming consoles, Cool cloths ইত্যাদি লাগেই। এ গুলি তাদের চলার পথকে আর Smart এবং সুগম করে। এই ছোট খাটো ব্যাপার গুলি অনেক সময় আপনার ফ্যামেলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হতো তেমনি প্রয়োজন গুলিও মিটে যেত। তাছাড়া অনেক গৃহিনী আছেন যাদের বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজই থাকে না। তারা বেশীরভাগ সময় ব্যয় করে ফেইসবুকে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করে। আপনি অযথা এই সময় ব্যয় না করে যদি নিজের কিছু প্রয়োজন মিঠাতে পারেন বা অল্প আয় করতে পারেন তাহলে দুষের কি? নিচে আমি অনলাইন হতে আয় করা সহজ কিছু কৌশল দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে কিছু পয়সা উপার্জন করে নিতে পারবেন।

০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে।
০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।
০৩। Freelancing – একজন লেখক হয়েঃ Freelancing হচ্ছে এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।
০৪। Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Adsense Approv করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approv হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।
০৫। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা উপার্জন করবেন।
০৬। EBAY and AMAZON এ আপনার Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।

উপসংহারঃ আপনারা পোষ্টটি পড়ে হয়তো ভাবছেন এখানে ইন্টারনেট হতে আয় করার কথা বার বার বলা হচ্ছে কিন্তু কিভাবে করবো তা দেখানো হচ্ছে না কেন? আসলে কিভাবে আয় করবেন এটা নিয়ে বর্ণনা করা এই পোষ্টের উদ্দেশ্য নয়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের শুধু আয় করার সহজ কয়েকটি পথ দেখিয়ে দিলাম। যার ফলে আপনি এই পথ ধরে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আর আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে এ সম্পর্কে ইন্টারনেট হতে বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন। তবে আমরাও পরবর্তীতে আলাদাভাবে সব টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। ততক্ষণ আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ..

অনলাইনে আয়

বর্তমানে অনলাইন আয়ের সবচেয়ে আস্থাশীল এবং গ্যারান্টেড ওয়ে হচ্ছে ব্লগিং। আপনার যদি একটা ব্লগ থাকে এবং সেখানে যদি রেগুলার ট্রাফিক থাকে তবে আপনি অবশ্যই সেখান থেকে একটা পরিমাণ আয় জেনারেট করতে পারবেন। ব্লগকে মনিটাইজ করার নানা ধরণের রাস্তা আছে। আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমি ব্লগকে মনিটাইজ করার সেরা পাঁচটি ওয়ে সম্পর্কে বলবো। সাতটি মনিটাইজেশন ওয়ে হচ্ছে – ১. প্রোডাক্ট রিভিউ ২. ইউডেমি কোর্স ৩. গুগল এডসেন্স ৪. এডসেন্স অল্টারস – মিডিয়া ডট নেট ৫. সিপিএ মার্কেটিং ১. প্রোডাক্ট রিভিউ অনলাইনে প্রতিদিন প্রচুর পণ্য কেনাবেচা হয়ে থাকে। আপনি আপনার ব্লগে যেকোন প্রোডাক্টের সম্পুর্ন একটা রিভিউ লিখে সেখানে রেফারেল লিংক দিয়ে ওই পণ্যের দাম থেকে একটা নির্দিষ্ট কমিশন ইনকাম করতে পারেন। অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট এই জন্য সবচেয়ে সুপরিচিত। আপনার ব্লগে অ্যামাজনের প্রোডাক্ট রিভিউ পাবলিশ করবেন। নিস টার্গেটেড ভিজিটর যদি আপনার ব্লগে আসে তাহলে তারা আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে কোন পণ্য কিনলে সেখান থেকে আপনি কমিশন পাবেন। অ্যামাজন ছাড়া ও আরো নানা ধরণের অ্যাফিলিয়েট মার্কেট প্লেস আছে। ডিজিটাল প্রোডাক্টের জন্য ক্লিকব্যাংক সুপরিচিত। ২. ইউডেমি কোর্স ইউডেমি নানা ধরণের কোর্স কেনাবেচার সবচেয়ে সেরা জায়গা। আপনি ওখানের একজন অ্যাফিলিয়েট হিসেবে সাইন আপ করে কোর্স গুলো নিয়ে আপনার ব্লগে রিভিউ লিখতে পারেন। আপনার ব্লগের লিংক থেকে যদি কেউ এসে কোন কোর্স কিনে তাহলে সেখান থেকে আপনি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। ৩. গুগল এডসেন্স আপনি যদি আপনার সাইটকে এড দিয়ে মনিটাইজ করতে চান তাহলে সবচেয়ে সেরা উপায় হল গুগল এডসেন্স। আমার মতে আরো নানা ধরণের এড নেটওয়ার্ক থাকলে ও গুগল এডসেন্স সবচেয়ে রিলায়েবল এবং সুপরিচিত। আমি নিজে গুগল এডসেন্স ইউজার এবং এই রিলেটেড বিস্তারিত ব্লগ পোস্ট নেক্সট টাইম পাবলিশ করা হবে। ৪. এডসেন্স অল্টারস – মিডিয়া ডট নেট এডসেন্সের পরেই সবচেয়ে রিলায়েবল এড নেটওয়ার্ক হলো মিডিয়া ডট নেট। এডসেন্সের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ওরা খুবই স্পর্শকাতর, সামান্য এদিক সেদিক হলে আপনি ব্যান খেতে পারেন। কিন্তু মিডিয়া ডট নেটে সেই সমস্যা নেই। ৫. সিপিএ মার্কেটিং অনলাইন মার্কেটিং এর অন্যতম উপায় হল সিপিএ মার্কেটিং। এর পুর্ন রুপ হচ্ছে কস্ট পার একশন। সিপিএর নানা মার্কেটপ্লেস রয়েছে ম্যাক্সবাউন্টি, পারফ্লি, সিপিএলীড এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। এসব মার্কেটপ্লেস থেকে অফার চুজ করে আপনি আপনার ব্লগে প্রমোট করতে পারেন।

অনলাইনে আয় করার জনপ্রিয় উপায়


ঘরে বসে অনেকভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা এই নিবন্ধ পড়লে তুমি জানতে পারবে। আমি তোমাকে বলে রাখতে চাই যে, অনলাইনে আয় করা বাস্তব জীবনে আয় করার মতোই কঠিন। এখানে এমন কিছু রাস্তা আছে যেগুলোতে কাজ শুরু করা সহজ কিন্তু, এগুলো থেকে বেশী টাকা রোজগার করা যায় না। এ তুলনায় অন্যান্য উপার্জনের পন্থায় ভালো আয়ও হয় আবার, তা ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে। বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের উপায়গুলো নিম্নরুপ,
১।পেড রিভিউ-এর মাধ্যমে আয় রোজগার

সার্ভে বা জরিপ একটা পুরাতন পদ্ধতি আর আমার মনে হয় তুমি এ বিষয়ে জানো। “সার্ভে” সাইটে তুমি গিয়ে নিবন্ধিত হবে আর সার্ভে বা জরিপ আসার অপক্ষা করবে; সার্ভে ফর্ম পূরণ করে তোমার মতামত জানাবে, ব্যস! প্রতিটি সার্ভের জন্যে তুমি টাকা পাবে। এখানে, এমন কিছু ব্যবস্থাও আছে যেখানে, ইমেইল পড়ার ও জবাব দেওয়ারও কাজ থাকে। সার্ভে সাইট হিসেবে অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে-সার্ভে সেভী।
২।নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার

এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো পাঠকদের লেখায় আপডেট হতে থাকে। কোন কোন সাইটে তারা লেখকদের সাথে মুনাফা ভাগ করে নেয়। তুমি এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারো আর তোমার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, তুমি ততো বেশি টাকা পাবে। “শুভং” নামক একটা ওয়েবসাইট আছে যারা তাদের লেখকদের সাথে শতকরা ১০ ভাগ গুগল এডসেন্স-এর লভ্যাংশও ভাগ করে নেয়।
৩।পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এ আয় রোজগার

পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এর সাহায্যে তুমি ওয়েবসাইট(শুধুমাত্র স্পনসরড্ সাইটগুলো‌)ব্রাউজ করার জন্যে টাকা পাবে। এতে আরো উপায় আছে যাতে ওয়েবসাইট সার্ফ করে, ওয়েবসাইট দেখে আর ওয়েবসাইট সার্চ করে টাকা উপার্জন। সত্যকথা বলতে কি, এই সাইটগলো আয়ের তুলনায় অনেক বেশী সময় অপচয় করে। এরা তোমার একেক ইউনিট এডের পেছনে তোমার ব্যয়ের তুলনায় খুবই কম টাকা দেয়। একটা জনপ্রিয় পিটিসি সাইট যারা ভালো অর্থ প্রদানও করে থাকে সেটি হচ্ছে- বাকস্‌.টু
৪।তোমার তোলা ছবির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন

যদি তুমি একজন ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হয়ে থাকো, তবে তোমার তোলা আকর্ষনীয় ছবিগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। অনলাইনের ডিজাইনার্‌রা তাদের প্রজেক্টের জন্যে অনেক ছবি খুঁজে থাকেন, তুমি তাদের নিকট তোমার ছবিগুলো বিক্রি করতে পারো। তুমি তোমার ছবিগুলো আই-স্টক-ফটোস্‌ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে পারো।
৫।গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার

গুগল এডসেন্সে আয় করার জন্যে তোমার একটা সচল ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ প্রয়োজন। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো এমন বিলবোর্ড বা পোস্টার যেখানে তারা(জনৈক অসাধু ব্যবসায়ীরা) দাবি করে যে, তুমি এখান ১০ থেকে ২০ ডলার দৈনিক আয় করতে পারবে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা! গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় তখন যখন, কেউ গুগলের সেসব এডে ক্লিক করে। কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে তোমাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে। কিন্তু, তোমাকে সেসব নকল এডসেন্স শেখার জায়গায় এই সেখানো হয় যে, কিভাবে চুরির লেখা দিয়ে একটা নকল ওয়েবসাইট বানাতে হয়, এটাতো আসল নয় কারণ এটা একটা ধোঁকাবাজি।
google.com/adsense
৬।তোমার মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা পাবে

হ্যাঁ, এটিই নতুন দিনের আয় রোজগার মাধ্যম, এখন তুমি টাকা নিয়ে যেকোন ওয়েবসাইট বা কোম্পানীর ব্যাপারে তোমার মতামত দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে ফেলো তোমার ব্লগে। পেড রিভিউ সাইটগুলো কল্যাণে, এখন তারা(কোম্পানী বা ওয়েবসাইটগুলো) তোমাকে তাদের ব্র্যান্ড, পন্য বা ওয়েবসাইটের বিষয়ে লেখার জন্যে অর্থ পরিশোধ করবে। তোমার এই মতামত বা ব্লগ তাদের নিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করবে আর তারা পাবে অধিক পাঠক ও ক্রেতা। এরকম একটা জনপ্রিয় পেড্‌ রিভিউ সাইট হচ্ছে-সোস্যালস্পার্ক
৭।এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর মাধ্যমে আয় রোজগার(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)

এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে কোন পন্যের প্রচার করবে আর যখন পন্য বিক্রি হবে, তখন তুমি এর থেকে কমিশন পাবে। এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পন্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; তুমি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারো। তুমি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পন্য বিক্রয় করতে পারো।
৮।ব্যানার এডস্‌ বা “ব্যানার” জাতীয় বিজ্ঞাপন বিক্রি করে আয় রোজগার

যদি তোমার একটা প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে, তবে বিজ্ঞাপনদাতারা তোমার ব্লগে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। একেই বলে, ব্যানার এডস্‌ অথবা সরাসরি ইনকামের সুযোগ। তোমার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা যতো বেশি হবে তোমার পাঠক সংখ্যা বাড়বে ততো বেশি হবে আর তোমার আয়ও বাড়তে থাকবে।
৯।ফ্রি-লেন্সিং বা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে অর্থ উপার্জন

ঘরে বসে ফ্রি-লেন্সিং করা আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ। তোমার যদি ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা এড্‌মিনিস্ট্রেশন বা তদারকির কাজে দক্ষতা থাকে তাহলে, তুমি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারো। তুমি চাইলে ফ্রিলেন্সিংভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারো।
১০।টুইটার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা

বিজ্ঞাপনদাতাগণ বর্তমানে তাদের ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপন উদ্যোগগুলো “টুইটার” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন। এজন্যে, তোমার কোন ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট থাকারও প্রয়োজন নেই। এমন অনেক কোম্পানী রয়েছে, যারা টুইটার বিজ্ঞাপনের কাজ করে থাকে যেমন- মেগ-এ-পাই।
অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে পাবেন?

ক।চেকে টাকা পাওয়া

এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম।

খ।পেপেল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

পেপেল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে। অবশ্য, এখনও পেপেল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু শীঘ্রই আসবে।

গ।পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড

এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা রাস্তা। তুমি অডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি।

ঘ।মানিবুকারস্‌ থেকে টাকা প্রাপ্তি

মানিবুকারস্‌ অনেকটা পেপেলের মতোই আর এটা তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা প্রচলিত আছে। মানিবুকারস্‌

ঙ।এলার্টপে-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

এটিও পেপেলের মতোই আর বাংলাদেশে প্রচলিত আছে। তুমি এর টাকা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন থেকে উঠাতে পারো। এলার্টপে

চ।ই-গোল্ড ব্যবহার টাকা প্রাপ্তি

পেপেলের মতোই…ই-গোল্ড

মেসেজ পাঠানোর নতুন অ্যাপ নিয়ে আসছে ইনস্টাগ্রাম


ছবিভিত্তিক সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম তাদের সাইটে মেসেজ পাঠানোর একটি স্বতন্ত্র অ্যাপ চালু করার পরিকল্পনা করছে। গত বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামের এক কর্মকর্তা খবরটি নিশ্চিত করেন বলে জানিয়েছে দ্য ভার্জ।এর আগে ফেসবুক তার মেসেজ পাঠানোর অপশনটিকে স্বতন্ত্র অ্যাপ ‘মেসেঞ্জার’ হিসেবে মুক্তি দিয়েছিল। ইনস্টগ্রামও ফেসবুকের পথ অনুসরণ করে মেসেজ পাঠানোর জন্য ‘ডিরেক্ট’ নামের অ্যাপটি তৈরি করছে।উল্লেখ্য, লেখা বা টেক্সট দিয়ে পোস্ট দেয়ার পরিবর্তে ইনস্টাগ্রামে মূলত ছবি দিয়ে পোস্ট দেয়া হয়। ব্যাপক জনপ্রিয় এই সামাজিক মাধ্যমটি ২০১২ সালে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার দিয়ে কিনে নিয়েছিল ফেসবুক।

‘ডিরেক্ট’ চালু করা হলে ভিন্নধর্মী এই সামাজিক মাধ্যমটির গ্রাহকরা নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

ইনস্টাগ্রামের এক কর্মকর্তা জানান, কাছের বন্ধুদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করা সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা যেন আরও সহজে করা যায় তার জন্য ডিরেক্ট তৈরি করা হচ্ছে। ডিরেক্ট ব্যবহার করে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা ক্যামেরা ব্যবহার করে বন্ধুদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখতে পারবেন।

এখন পর্যন্ত চিলি, ইজরায়েল, ইতালি, পর্তুগাল, তুরস্ক ও উরুগুয়েতে ‘ডিরেক্ট’ অ্যাপ ছাড়া হয়েছে।

চীনে খুলছে গুগলের বিরাট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাগার


চীনে গুগল সেবা বন্ধ থাকলেও সেখানে বেশ বড় আকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেন্টার খুলতে যাচ্ছে টেক জায়ান্ট গুগল। সিলিকন ভ্যালিতে গুগলের এধরণের একাধিক সেন্টার থাকলেও এশিয়াতে এধরণের সেন্টার এই প্রথম। ওই সেন্টারে স্থানীয় ও আঞ্চলিক ভাবে কর্মী নিয়োগ করা হবেও বলে গুগল ব্লগ পোস্টে জানা গেছে।

চীন নিজেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এআই সেক্টরে অনেক কাজ করে যাচ্ছে। গুগলের এই ঘোষণা টেক দুনিয়াতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ইতিমধ্যে এআই সেক্টরে ড্রাইভার ছাড়া গাড়ি, রোবট ফ্যাক্টরি ও ফেসিয়াল রিকগনিশন সফটওয়্যারের মতো নানা বিষয়ে বিপুল সম্ভাবনার কথা উচ্চারিত হচ্ছে সারাবিশ্বে।

এআই প্রধান কোম্পানি হিসেবে গুগলের জন্য এই সেন্টার বেশ গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে গুগলের ক্লাউড ও মেশিন লার্নিং বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেছেন, সিলিকন ভ্যালি, বেইজিং বা অন্য অনেক জায়গায় এর (এআই) প্রচলন থাকলেও সারাবিশ্বের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এআই এর অনেক সম্ভাবনা আছে।

চীনের গুগলের প্রায় ৬০০ কর্মী সরাসরি দুটি অফিসে কাজ করলেও রাষ্ট্রীয় সেন্সরশীপের (গ্রেট ফায়ারওয়াল) কারণে সার্চ ইঞ্জিনসহ গুগলের বিভিন্ন সেবা এখনও বন্ধ। তবে অবস্থার পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে বলে আশাবাদী সেখানকার গুগল কর্তারা।

হ্যাশট্যাগ কি, এবং কেনো ব্যবহার করা হয়?


বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে আমরা প্রতিদিনই #ট্যাগ (হ্যাশট্যাগ) কথা শুনে আসছি। এবং দেখে আসছি কেউ কেউ এটা ব্যবহার করছেন। তবে একসময় যখন ল্যান্ডলাইনের প্রচলন ছিল তখনো টেলিফোন সেটের সবগুলো বাটনের সঙ্গে আমাদের পরিচয় ছিলনা। তখন শুধু এক থেকে নয় এবং শুন্য বাটনের সঙ্গেই আমাদের সাধারণ মানুষের পরিচয় ছিল। তবে যারা তাদেন ফোন লক করে রাখতেন তাদের অবশ্য টেলিফোন সেটের হ্যাশ (#) এবং স্টার(*) বাটনের সঙ্গেও পরিচয় ছিল। কারণ ঐ রকম কিছু কিছু কাজে ব্যবহার করা হতো #ট্যাগ (হ্যাশট্যাগ) ও (*) স্টার বাটন।যখন মোবাইল ব্যবহার অনেক বেড়ে গেলো তখন এ দুইটি বাটনের সঙ্গে সবার বেশি বেশি পরিচয় ঘটে। কারণ মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে এবং ব্যালেন্স দেখতে এ দুইটি বাটনের প্রয়োজন হয়।

তবে গত কয়েক বছরে মোবাইলের বাটন ডায়াল করা ছাড়াও আমরা # বাটনের একটি ব্যবহার দেখছি। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর তা হলো, যেকোনো ইভেন্ট বা বিষয়কে একতাবদ্ধ করতে এর ব্যবহার। প্রায়ই আমাদের চোখে পড়ে হ্যাশট্যাগ (#ট্যাগ) সম্বলিত স্ট্যাটাস বা ছবি।

অনেকেই বুঝতে পারেন না, এই স্ট্যাটাস বা ছবির পেছনে কেনো আঠার মতো লেগে আছে হ্যাশ (#)। এটা দিয়ে ব্যবহারকারীরা কি বুঝাতে চাচ্ছেন?

আসলে এটাকে মাইক্রোব্লগিং এর ভাষায় বলা হয় হ্যাশট্যাগ। এটা একই ধরনের বক্তব্যকে একীভূত করে। যেমন, সামনে আসছে একুশের বই মেলা। এখন যদি কেউ মেলা সম্পর্কে তথ্য বা কোনো বক্তব্য দিতে ব্যবহার করে #একুশেরমেলা তবে বুঝতে হবে এই রিলেটেড আরো বক্তব্য বা তথ্য আছে এই হ্যাশট্যাগে।

আপনি যখন কোনো শব্দের শুরুতেই হ্যাশট্যাগ (#ট্যাগ) ব্যবহার করবেন তখন সেটি নীল বর্ণ ধারণ করবে। অর্থাৎ সেটা একটা লিংক-এ পরিণত হবে। পরবর্তিতে এই রিলেটেড সকল স্ট্যাটাস বা ছবি যদি একই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে দেয়া হয় তবে সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহারকারীরা সহজেই সব এক জায়গাতে পাবেন। অর্থাৎ এটি সবার মতামত এক করার একটি উদ্যোগ।

তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হয়, হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের সময় ব্যবহৃত শব্দে যাতে কোনো স্পেস না থাকে। স্পেস থাকলে এটা লিংক তৈরি করতে পারে না।

সাধারণত কোনো বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে হ্যাশট্যাগের ব্যবহার বেশি। ইদানিং অবশ্য এর বিভিন্ন ব্যবহার বেড়েছে। আজকাল সিনেমার প্রচারেও এর ব্যবহার ব্যাপক ভাবে হচ্ছে। আবার কেউ কোনো বিষয়কে প্রাধান্য দিতেও একই কাজ করেন। কেউবা শুধুই নিজেদের ভেতর আড্ডার জন্যেও এমনটা করতে পারেন।

হ্যাশট্যাগের ব্যবহার শুরু হয় মূলত মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে। পড়ে ২০১৩ সালের জুনে ফেসবুকেও এর ব্যবহার শুরু হয়। এখন গুগলপ্লাসেও এর ব্যবহার দেখা যায়। হ্যাশট্যাগের জনপ্রিয়তা এতো বেড়ে যায় যে শেষ পর্যন্ত ‘হ্যাশট্যাগ’ শব্দটি ২০১৪ সালের জুন মাসে অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারিতেও জায়গা করে নেয়।

শিশুদের জন্য ফেসবুকের বিশেষ সেবা


সারা দিনের শত কর্মব্যস্ততার মধ্যেও এক-দুবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঢুঁ মারা চাই-ই চাই। বিশেষ করে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের মধ্যে আগ্রহটা যেন আরো বেশি। তবে ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী ১৩ বছর বয়স না হলে অ্যাকাউন্ট খোলা যায় না।

অবশ্য অনেকেই বয়স বাড়িয়ে কারসাজি করে খোলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। তবে এখন সে সমস্যাও সমাধান হয়ে গেল। কেননা, এবার শিশুদের জন্যও সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমটি ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে এসেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় সোমবার শিশুদের ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা একটি মেসেঞ্জার বাজারে ছেড়েছে ফেসবুক। তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত অ্যাপলের আইফোনেই মিলবে এই সুবিধা।

ফেসবুকের প্রোডাক্ট ম্যানেজার লরেন চেংয়ের বরাত দিয়ে খালিজ টাইমস জানায়, শিশুদের মেসেঞ্জারে থাকছে চ্যাটিং ও ভিডিওকলের সুবিধা। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুরা ব্যবহার করতে পারবে মেসেঞ্জারটি। এ ক্ষেত্রে নজরদারি করতে পারবেন মা-বাবারা।

লরেন বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য একটি মেসেজিং অ্যাপের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, যা একদিকে তাদের প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সহায়তা করবে, আবার মা-বাবার নিয়ন্ত্রণেও থাকবে।’

এক বিবৃতিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী ৯৩ শতাংশ শিশুর স্মার্টফোন অথবা ট্যাব ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ শিশুর নিজস্ব ফোন রয়েছে। ফলে তাঁরা ইচ্ছা করলেই ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু এই বয়সে ফেসবুক তাদের জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে।

ফেসবুক জানায়, শিশুদের জন্য মেসেঞ্জারটি টেকনোলজির ইতিবাচক, নিরাপদ, সঠিক দিকগুলো তুলে ধরবে।

এবার বাংলা ভাষায় চালু হলো গুগল অ্যাডসেন্স


বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল এবার বাংলা ভাষায় তাদের গুগল অ্যাডসেন্স সেবা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশের অনলাইন গণমাধ্যম প্রকাশকদের জন্য গুগল এই সেবা চালু করেছে, যাতে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের অনলাইনে বাংলা কনটেন্ট থেকে আয় করতে পারে। রাজধানীর লা মেরিডিয়েন হোটেলে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই সেবা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে গুগল।

এ উপলক্ষে গুগল টিম দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া প্রকাশকদের জন্য এক কর্মশালার আয়োজন করে। এতে মিডিয়া প্রকাশকদের গুগল অ্যাডসেন্স সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়, যাতে তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ফলপ্রসূ বা কার্যকর উপায়ে এটি ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারে। কর্মশালাটি আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো, গুগল অ্যাডসেন্স সেবার বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে এ সম্পর্কে প্রকাশকদের আরো অবগত করা এবং তাদের এ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সময়ের সেরা চর্চাগুলো বা উদাহরণগুলো জানানো। এতে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনকারী মিডিয়া প্রকাশকরা আরো বেশি পরিমাণে আয় করতে পারবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

বাংলা ভাষায় গুগল অ্যাডসেন্স সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নিজেদের এ-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন গুগলের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ম্যানেজার আহমদ শাহ নওয়াজ, গুগলের সাউথ এশিয়া ফ্রন্টিয়ারের কান্ট্রি কনসালট্যান্ট হাশমী রাফসানজানী, গুগলের সাউথ ইস্ট এশিয়ার (এসইএ) পার্টনার মানিটাইজেশন স্পেশালিস্ট অজয় লুথার, প্রথম আলো ডিজিটালের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আহতেরাম উদ্দিন এবং গুগলের সিপিটি পার্টনারের রিডহোয়ার-এর জিতিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৩৫টি মিডিয়া প্রকাশনা কোম্পানির প্রায় ৭০ জন অতিথি এতে অংশ নেন।

গুগল অ্যাডসেন্স ১২ বছরের বেশি সময় ধরে মিডিয়া প্রকাশকদের অনলাইন কনটেন্ট থেকে অধিক পরিমাণে আয় করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে আসছে। বর্তমানে ২০ লাখের বেশি মানুষ গুগল অ্যাডসেন্স সেবা ব্যবহারের মাধ্যমে আয় করছে। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে অনলাইন মিডিয়ায় বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পাওয়ার চাহিদা নিয়মিত বাড়ছে। সে জন্য বাংলাদেশি মিডিয়া প্রকাশকদের অনলাইনে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনের মাধ্যমে আয় করা এবং একই সঙ্গে বিজ্ঞাপনদাতাদেরও বাংলা অনলাইন মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান গ্রাহক বা পাঠকদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ এনে দিতে গুগল অ্যাডসেন্স সেবা চালু করা হয়েছে।

গুগলের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ম্যানেজার আহমদ শাহ নওয়াজ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সামাজিক সম্মিলনমূলক এই কর্মশালার আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল, গুগল অ্যাডসেন্স সেবার বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরে এ সম্পর্কে মিডিয়া প্রকাশকদের আরো অবগত করা এবং তাদের এ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সময়ের সেরা চর্চাগুলো বা উদাহরণগুলো জানানো, যাতে তারা বাংলা ভাষায় কনটেন্ট পরিবেশনের মাধ্যমে আরো বেশি পরিমাণে আয় করতে পারেন। আমরা বাংলাদেশ ও ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা লাখ লাখ বাংলাভাষী মানুষের জন্য বাংলা ভাষায় গুগল অ্যাডসেন্স সেবা চালু করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত।’

গুগল সম্পর্কে
গুগলের মিশন বা অভীষ্ট লক্ষ্য হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী তথ্য সংগঠিত করা এবং সেটাকে যতটা সম্ভব সর্বজনীন ব্যবহার ও উপকার সাধনের উপযোগী করে তোলা। সার্চ ইঞ্জিন, ম্যাপস বা মানচিত্র, জিমেইল, অ্যান্ড্রয়েড, গুগল প্লে, ক্রোম ও ইউটিউব প্রভৃতি প্রযুক্তি সেবা ও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে শতকোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অর্থপূর্ণ ভূমিকা পালন ও অবদান রেখে চলেছে গুগল। একই সঙ্গে গুগল বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ও জনপ্রিয়তা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হয়ে উঠেছে। গুগল হচ্ছে অ্যালফাবেট ইনকরপোরেশনের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান।

রম্য : ইন্টারনেট আমাদের যেসব ক্ষতি করল


আজ বিশ্ব ইন্টারনেট দিবস। ইন্টারনেট যখন ছিল না, তখন এবং যখন আছে, তখনকার পার্থক্য কোথায়? পার্থক্য যেটাই হোক, ইন্টারনেট আসাতে আমাদের একটু ক্ষতিই হয়ে গেল। দেখা যাক সেসব ক্ষতি কী।

১. যখন ইন্টারনেট ছিল না, তখন ফেসবুক বলে কোনো বস্তু ছিল না। ইন্টারনেটের যুগে ফেসবুক ছাড়া যেন মানুষের চলেই না।

২. ইন্টারনেট না থাকার সময়ে ‘লাইক’, ‘কমেন্ট’, ‘শেয়ার’ নিয়ে মানুষের মাতামাতি ছিল না। ইন্টারনেট যুগে ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুকে কতগুলো লাইক, কমেন্ট আর শেয়ার পাওয়া গেল, তা চেক করে এখনকার মানুষ। এগুলো নিয়ে আছে ‘বাড়তি টেনশন’!

৩. ইন্টারনেট না থাকার যুগে মানুষ কষ্ট করে চিঠি লিখত, সেই চিঠি ডাকে পাঠিয়ে প্রার্থনা করত, ‘মাবুদ, চিঠি যেন প্রাপক বেঁচে থাকতে তার হাতে গিয়ে পৌঁছায়’! ইন্টারনেটের এ যুগে চিঠি যেন জাদুঘরে ঠাঁই নিচ্ছে। এ যুগে মানুষ মুহূর্তেই মেসেজ ‘সেন্ড’ করছে, ওপ্রান্তে ‘সিন’ হচ্ছে, ‘রিপ্লাই’ আসছে ত্বরিতগতিতে।

৪. যখন ইন্টারনেট ছিল না, তখন কেউ ‘পোক’ শব্দটার সঙ্গে পরিচিত ছিল না। ইন্টারনেট থাকার যুগে ফেসবুকে পোক মারা এখন ডালভাত।

৫. ইন্টারনেট না থাকার সময়ে কোনো সেলিব্রেটির মধ্যে ব্যক্তিগত আলাপচারিতার ‘স্ক্রিনশট’ অনলাইনে ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয় ছিল না। এ যুগে অহরহ সেলিব্রেটিদের বিভিন্ন ধরনের স্ক্রিনশট অনলাইনে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে!

৬. যখন ইন্টারনেট ছিল না, তখন মানুষের স্মরণশক্তি প্রখর ছিল। যেকোনো তথ্য মানুষ মনে রাখত। এ যুগে নিজের স্মরণশক্তির নিয়ে মানুষ নিজেই সংশয়ে থাকে। যেকোনো তথ্যের জন্য গুগল ছাড়া যেন গতি নই।

৭. ‘যেভাবে খেলে চিকন হবেন’, ‘অফিসে জনপ্রিয় হওয়ার অজানা কৌশল’ এ রকম উদ্ভট শিরোনামের কোনো সংবাদ দেখেনি ইন্টারনেটবিহীন যুগের মানুষ। ‘বউকে বশে রাখার ১০১টি উপায়’, ‘প্রেমিকার মন জয়ের গোপন কৌশল’ হাবিজাবি সব শিরোনামে কথিত সংবাদ এখন ইন্টারনেটে বানের জলের মতো ভেসে বেড়ায়!

ইন্টারনেট কি? | ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে? | মহাবিস্তারিত


যখন আপনি ইন্টারনেট এ কারো সাথে চ্যাট করেন কিংবা কাওকে মেইল সেন্ড করেন তখন কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে এই কাজ গুলো সম্পূর্ণ হতে কতোগুলো আলাদা কম্পিউটার একসাথে কাজ করে যাচ্ছে? আপনি টেবিলে বা কোলে আপনার কম্পিউটার নিয়ে বসে আছেন, আর আরেক প্রান্তে আপনার বন্ধু কম্পিউটার নিয়ে প্রস্তুত হয়ে বসে আছে আপনার সাথে যোগাযোগ করার জন্য। কিন্তু আপনি আর আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের ফাঁকের মধ্যে আরো ডজন খানি কম্পিউটার রয়েছে যা আপনার আর আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের মধ্যের ফাঁকা স্থান পূরণ করছে। আর এভাবেই একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটার সংযুক্ত রয়েছে গোটা পৃথিবী জুড়ে আর এটাই হলো দ্যা ইন্টারনেট। কিন্তু এই আলদা আলদা কম্পিউটার গুলো নিজেদের ভেতর সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হয় কীভাবে? বন্ধুরা চলুন এই সমস্ত বিষয়টি একদম কাছ থেকে পরিদর্শন করে আসি।
ইন্টারনেট কি?
বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যাবস্থা এখন অনেক উন্নত হয়ে গেছে আর এই সবই কৃতিত্ব তার, যার নাম হলো ইন্টারনেট। গত ২০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে মোটামুটি ২১০টি আলাদা দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে এর বিস্তার। এমনকি পৃথিবীর অনেক দরিদ্রতর দেশও সংযুক্ত হয়ে পড়েছে এই জালে।

আপনি আমি সহ বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন যে, ইন্টারনেট শব্দটির মানে হচ্ছে অনলাইনে চলে যাওয়া। কিন্তু সত্য কথা বলতে এটি একটি সাধারন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ছাড়া আর কিছুই নয়। মনেকরুন একটি রাস্তার কথা যা পুরো পৃথিবী জুড়ে পেঁচিয়ে রয়েছে। যেমন করে রাস্তা দিয়ে ট্র্যাফিক বয়ে গিয়ে তার গন্তব্যে পৌঁছে ঠিক তেমনি বিভিন্ন কম্পিউটার দিয়ে ডাটা বয়ে গিয়ে তার গন্তব্যে পৌঁছে। আর এটাই হলো ইন্টারনেট এর মূল ভিত্তি। ইন্টারনেট হলো আসলে একেকটি আলাদা কম্পিউটারের একসাথে সংযুক্ত হয়ে থাকার একটি সিস্টেম (আপনার ঘরের কম্পিউটার, অফিসের কম্পিউটার, স্কুল কলেজের কম্পিউটার)।

একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটারের সংযোগ করা থাকে বিভিন্ন উপায়ে। কোন কম্পিউটার গুলো সংযুক্ত থাকে পুরাতন কপার ক্যাবল দ্বারা আবার কোন গুলো ফাইবার-অপটিক ক্যাবল (যা আলোর স্পন্দনের মধ্যে ডাটা সেন্ড করে) দ্বারা আবার কোন কম্পিউটার গুলো বেতার কানেকশানে যুক্ত থাকে (বেতার কানেকশান মানে আমরা যাকে ওয়্যারলেস বুঝি, এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে) এবং কোন কম্পিউটার গুলো স্যাটালাইটের সাথে সংযুক্ত থাকে। আর এইভাবেই আমরা উপভোগ করতে পারি ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজ সুবিধা, ইমেইল সেবা, অথবা ডাউনলোড করি এমপিথ্রী মিউজিক ফাইলস।
ইন্টারনেটের আসল কাজ কি?

ইন্টারনেটের চাকরিটা আসলে খুব সহজ, সে শুধু এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ডাটার আদান এবং প্রদান করে, ব্যাস। যে মেশিন গুলো একত্রিত হয়ে ইন্টারনেট তৈরি করেছে তাদের প্রধান কাজই হলো ডাটা আদান আর প্রদান। বাস্তবিকভাবে তুলনা করতে গেলে ইন্টারনেটকে পোস্টাল সার্ভিসের সাথে তুলনা করা যায়।

পোস্টাল সার্ভিসে চিঠি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় আদান প্রদান করা হয়। কিন্তু এটা কোন ব্যাপার না যে চিঠি কার কাছ থেকে আসলো বা চিঠির ভেতর কি লেখা আছে। আবার চিঠি একদম ফাঁকা থাকলেও পোস্টাল সার্ভিসের কোন যায় আসে না। তার কাজ চিঠি পৌঁছানো ব্যাস তা পৌঁছে দেবে। ইন্টারনেটও একইভাবে কাজ করে।

পোস্টাল সার্ভিসের মতো ইন্টারনেটও অনেক তথ্য ধারণ করে তা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পৌঁছে দেয়। এরমানে হলো যদি কোন ডাটা আদান প্রদান করানো হয় তবে ইন্টারনেট সেটি সম্পূর্ণ করে দেবে। এখন আপনি ইমেইল পাঠালেন না কাওকে ম্যাসেজ করলেন এর সাথে ইন্টারনেটের কোন লেনাদেনা নেই। তবে যে কাজেই ডাটা আদান প্রদান করার বিষয় আছে সেটিই ইন্টারনেট সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করবে, ব্যাস। এখন এই ডাটা আদান প্রদানের সূত্রের উপর ভিত্তি করে আমরা নতুন নতুন ব্যবহার খুঁজে বেড় করছি। যেমন যখন দুই ইউরোপিয়ান বিনিয়োগকারী স্কাইপ তৈরি করলেন তখন তারা টেলিফোনের কথা বলাকে নেটে নিয়ে আসলেন। তারা একটি প্রোগ্রাম তৈরি করলেন যেখানে আমাদের কথা ডাটাতে পরিণত হতে পারে এবং তা আদান প্রদানের মাধ্যমে কথাবার্তা চলতে থাকে। কিন্তু কখনোয় সরাসরি আমাদের কথা আদান প্রদান করিয়ে স্কাইপের জন্য আলাদা ইন্টারনেট তৈরি করা সম্ভব ছিল না।
ইন্টারনেটের ডাটা গুলো কীভাবে আদান প্রদান করা হয়?

ইন্টারনেট মূলত টেলিফোন নেটওয়ার্ক এর মতো কাজ করে থাকে। কিন্তু ইন্টারনেটের ডাটা বহন করা আর টেলিফোন লাইনে কল করা আলাদা ব্যাপার। আপনি যখন আপনার কোন বন্ধুকে রিং করেন তখন আপনার টেলিফোনে আপনি এবং আপনার বন্ধুর মধ্যে একটি সরাসরি কানেকশান (বা সার্কিট) ওপেন হয়ে যায়। আপনি যতক্ষণ টেলিফোনে কানেক্ট হয়ে থাকেন, সার্কিটটি ততোক্ষণ ওপেন হয়ে থাকে। একটি টেলিফোনের সাথে আরেকটি টেলিফোনকে কানেক্ট থাকার পদ্ধতিকে সার্কিট সুইচিং বলা হয়। কখন কার কথা শোনা যাবে আর কার কথা পাঠানো হবে তা নিয়ন্ত্রন করে ইলেক্ট্রনিক টেলিফোন এক্সচেঞ্জ সিস্টেম।

কিন্তু বন্ধুরা একটু ভেবে দেখলে বুঝতে পারবেন যে, সার্কিট সুইচিং কোন নেটওয়ার্ক স্থাপন করার জন্য সত্যিই অদক্ষ একটি পদ্ধতি। আপনি যখনই ফোনে আপনার বন্ধুর সাথে সংযুক্ত হয়ে থাকবেন তখন সেই লাইনে আপনার সাথে অন্য কেউ সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেনা। (মনে করুন, আপনি কাওকে একটি ইমেইল টাইপ করছেন, টাইপ করতে ঘণ্টা লেগে যেতে পারে, আর এই সময়ে যদি আপনাকে আর কেউ কোন মেইল সেন্ড করতে না পারে তবে?) মনে করুন আপনি টেলিফোনে অনেক ধিরেধিরে কথা বলছেন বা কথা বলতে বলতে লম্বা ফাঁকা নিচ্ছেন বা কথা বলতে গিয়ে ফোন রেখে কফির মগ আনতে গেলেন। তো আপনি তো তখন কোন তথ্য প্রেরন করছেন না, কিন্তু তারপরেও আপনার ফোন আপনার বন্ধুর ফোনের সাথে কানেক্টেড হয়ে রয়েছে। আপনাকে প্রত্যেকটা সেকেন্ডের জন্য বিল চার্জ করা হচ্ছে এবং আপনি কথা বলুন আর নাই বলুন ফোন কানেক্টেড থাকা মানে আর অন্য কেউ সেই লাইনে ফোন করতে পারবে না। তাই সার্কিট সুইচিং কখনোয় আদর্শ নেটওয়ার্ক হতে পারে না। তাহলে ইন্টারনেট কি ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডাটা বহন করে?
প্যাকেট সুইচিং

ইন্টারনেট তার ডাটা বহন করতে এখনো কখনো কখনো সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। যেমন আপনি যদি ডায়াল-আপ কানেকশান (যেখানে আপনার কম্পিউটার আপনার ইন্টারনেট প্রদানকারীর কাছে পৌঁছাতে একটি টেলিফোন নাম্বার ডায়াল করে, আর এটি কোন সাধারন ফোন কলের মতোই কাজ করে) ব্যবহার করেন ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হতে। এখানে আপনি অনলাইনে আসার জন্য সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করলেন। তাই আমি কানেক্টেড থাকা পর্যন্ত কেউ আপনাকে ফোন করতে পারবেনা। এবং আপনাকে কানেক্ট থাকার প্রত্যেক সেকেন্ডের জন্য টাকা দিতে হবে। এবং বদলে আপনার নেট কানেকশান কাজ করবে একদম কচ্ছপ গতিতে।

কিন্তু বেশিরভাগ ইন্টারনেট ডাটা বহন করা হয়ে থাকে সম্পূর্ণ নতুন এক পদ্ধতিতে যার নাম হলো প্যাকেট সুইচিং। মনে করুন আপনি আপনার কোন ইন্ডিয়ান বন্ধুকে ইমেইল পাঠাতে চাচ্ছেন। তো এখানে আপনার ইন্ডিয়ান বন্ধু এবং আপনাকে সরাসরি কানেক্টেড থাকার কোন প্রয়োজন নেই এই সম্পূর্ণ মেইলটি একবারে পাবার জন্য। প্যাকেট সুইচিং এ আপনার মেইলটি পাঠানোর পরে তা অনেক গুলো খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। আর এই প্রত্যেকটি খণ্ডকে বলা হয়ে থাকে প্যাকেটস। প্রত্যেকটি প্যাকেটের গায়ে ট্যাগ করা থাকে যে তাদের কথায় যেতে হবে এবং তারা আলদা আলদা পথে ভ্রমণ করতে পারে। খণ্ডগুলো যখন তাদের গন্তব্যে পৌঁছে যায় তখন সেগুলো আবার একত্রিত হয়ে যায়, যাতে তা মেইল রূপে প্রদর্শিত হতে পারে।

প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি হতে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে থাকে। আপনার কখনোয় প্রয়োজন পড়বে না কারো সাথে একেবারে কানেক্টেড হয়ে থাকার। তাই আপনি কারো লাইন একদমই বন্ধ করে রাখছেন না। অন্য কেউ একই সময়েই একই লাইন ব্যবহার করতে পারে। এবং নির্দিষ্ট প্যাকেট গুলো ঠিক মতোই আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। যেহেতু প্যাকেট গুলো আলাদা আলাদা পথে ভ্রমন করে পৌছায় তাই কোন বাঁধা বিঘ্ন ঘটে না। ফলে অনেক ফাস্ট স্পীড দেখতে পাওয়া যায়।
প্যাকেট সুইচিং কীভাবে কাজ করে?

প্যাকেট সুইচিং কীভাবে কাজ করে তা বোঝার আগে আপনার বোঝা দরকার যে কীভাবে সার্কিট সুইচিং কাজ করে তার সম্পর্কে। মনে করুন আপনি অ্যামেরিকাতে থাকেন এবং বাংলাদেশে চলে আসার প্লান করলেন। মনে করুন আপনি শুধু আপনার মালপত্র নয় বরং সাথে আপনার বিল্ডিং ও তুলে নিয়ে আসার কথা ভাবছেন 😛 তবে ভেবে দেখুন একটি দুঃস্বপ্নের কথা যেখানে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে আপনার গোটা বাড়ি বহন করে নিয়ে আসছেন। তাহলে আপনাকে কি করতে হবে?

প্রথমত একটি এমন রাস্তা দেখতে হবে যা দিয়ে সহজে আপনি ভ্রমন করতে পারবেন। তারপরে আপনার কিছু ট্রাকের প্রয়োজন পড়বে। এবং সমুদ্র পার করার জন্য আপনার প্রয়োজন পড়বে একটি স্পেশাল জাহাজ। ভেবে দেখুন পুরা ব্যাপারটা কতটা কঠিন হয়ে পড়লো। আর এতো কিছু একসাথে বহন করার জন্য আপনি কয়েকদিন পিছিয়ে যাবেন। কারন আপনার গন্তব্য অনেক স্ল্যো হয়ে যাবে। আবার ঐ একই রাস্তায় যদি অন্যকেউ আসার চেষ্টা করে তবে সেও বাঁধাগ্রস্থ হয়ে পড়বে। আসলে সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি এই একইভাবে কাজ করে। এবং এই পদ্ধতিতেই টেলিফোন কল হয়ে থাকে।

এখন আরেকটি অবস্থা কল্পনা করুন। মনে করুন আপনি আপনার বিল্ডিংটি খুলে ফেললেন এবং প্রত্যেকটা ইট নাম্বারিং করলেন। প্রত্যেকটি ইটকে একেকটি খামে ভরলেন এবং একেকটি পথে তা আপনার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলেন। কোন গুলো গেলো হয়তো জাহাজে আবার কোন গুলো গেলো হয়তো আকাশ পথে। তারপর যখন সব ইটগুলো একত্রে পৌঁছে গেলো তখন ইটগুলোর নাম্বার গুলো মিলিয়ে আবার আগের বিল্ডিং তৈরি হয়ে যাবে। যেহেতু ইটগুলো আলাদা আলাদা রাস্তা দিয়ে ভ্রমন করে এসেছে তাই রাস্তায় কোন জ্যামের সৃষ্টি করবে না। এবং অন্যরা একই সময়ে একই রাস্তা ব্যবহার করতে পারবে।

আর ঠিক এই পদ্ধতিতেই প্যাকেট সুইচিং কাজ করে। যখন আপনি ইমেইল করেন বা ব্রাউজার দিয়ে কোন সাইট ব্রাউজ করেন তখন সকল ডাটাগুলো অনেক গুলো প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে যায় এবং তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।
কীভাবে কম্পিউটাররা ইন্টারনেটে বিভিন্ন কাজ করে থাকে?

পুরো ইন্টারনেট জুড়ে শতশত মিলিয়ন কম্পিউটার রয়েছে। কিন্তু এরা প্রত্যেকেই কিন্তু একই কাজ করে না। এদের মধ্যে কিছু কম্পিউটার শুধু তথ্য সংগ্রহ করে রাখে এবং কোন তথ্য কোথাও থেকে অনুরোধ করা হলে সেখানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর এই মেশিন গুলোকে বলা হয় সার্ভার। যে মেশিন গুলো কোন ডকুমেন্ট স্টোর করে রাখে তাদের বলা হয় ফাইল সার্ভার। যে সার্ভার গুলো আপনার আমার মেইল ধারণ করে রাখে, এদের বলা হয় মেইল সার্ভার। এবং যে সার্ভার গুলো ওয়েবপেজ ধারণ করে রাখে তাদের বলা হয় ওয়েব সার্ভার। ইন্টারনেটে বহুত মিলিয়ন সার্ভার রয়েছে।

যে কম্পিউটার গুলো সার্ভার থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এদের বলা হয় ক্লায়েন্ট কম্পিউটার। আপনি যখন মেইল চেক করার জন্য ইন্টারনেটে প্রবেশ করেন তখন আপনার কম্পিউটারটি হলো ক্লায়েন্ট, আপনার আইএসপি (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার) হলো সার্ভার এবং মেইলটি আসে মেইল সার্ভার থেকে। ইন্টারনেটে সার্ভারের তুলনায় ক্লায়েন্টের সংখ্যা বেশি, প্রায় বিলিয়ন খানেক।

যখন দুটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে তথ্য আদান প্রদান করতে থাকে তখন একে বলা হয়ে থাকে পিরস (Peers)। আপনি যদি আপনার বন্ধুর সাথে ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং করেন বা ফটো আদান প্রদান করেন তবে এটি হলো পির টু পির (peer-to-peer) (P2P) কমুনিকেসন। পি টু পি তে কখনো আপনার কম্পিউটার ক্লায়েন্ট হিসেবে আচরন করে আবার কখনো আপনার কম্পিউটার সার্ভার হসেবে আচরন করে। মনে করুন আপনি আপনার বন্ধুকে ফটো সেন্ড করলেন, তখন আপনার কম্পিউটার সার্ভার হিসেবে কাজ করলো (ফটো সেন্ড করলো)। এবং আপনার বন্ধুর কম্পিউটার ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করবে (ফটো অ্যাক্সেস করবে)। আবার আপনার বন্ধু ফটো সেন্ড করলে তার কম্পিউটার সার্ভার হিসেবে কাজ করবে (ফটো সেন্ড করলো) আর আপনার কম্পিউটার এবার ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করবে (ফটো অ্যাক্সেস করবে)।

শুধু সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট ছাড়াও আরেকটি মধ্যম কম্পিউটার রয়েছে যা ইন্টারনেটের আরেকটি অংশ। আর এর নাম হলো রাউটার। এটি শুধু আলাদা সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে থাকে। আপনার বাড়িতে বা স্কুলে বা অফিসে যদি একাধিক কম্পিউটার থাকে তবে রাউটার সকলকে একত্রিত করে ইন্টারনেটে কানেক্ট করতে সাহায্য করে।

টিসিপি/আইপি (TCP/IP) এবং ডিএনএস (DNS)

ইন্টারনেটে ডাটা আদান প্রদান করার আসল ব্যাপারটি কিন্তু মোটেও কোন ঘরের ইট খামে করে বহন করার মতো সহজ নয়। ইন্টারনেটের ডাটা গুলো কোন মানুষ যেমন আপনি বা আমি দ্বারা নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়। প্রত্যেকটি দিন নেটে অসংখ্য ডাটা আদান প্রদান করা হয়ে থাকে—খসড়া ভাবে প্রায় ৩ বিলিয়ন ইমেইলস এবং প্রচুর পরিমানে ট্র্যাফিক বিভিন্ন ডাটা ডাউনলোড এবং আপলোড করছে বিশ্বের ২৫০ মিলিয়ন ওয়েবসাইট জুড়ে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যদি এই সকল ডাটা গুলোকে প্যাকেটে পরিণত করে পাঠানো হয়ে থাকে এবং কারো যদি কোন কন্ট্রোলই না থাকে তবে কীভাবে এই প্যাকেট গুলো না হারিয়ে প্রত্যেকে আসল গন্তব্যে পৌঁছে যায়?

আর এর উত্তর হচ্ছে টিসিপি/আইপি (TCP/IP) বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল/ইন্টারনেট প্রোটোকল। এই সিস্টেমটিই সকল প্যাকেট গুলোকে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। এটি বলতে পারেন টু ইন ওয়ান সিস্টেম। কম্পিউটারের দুনিয়ায় “প্রোটোকল” মানে হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড যা প্রত্যেকে বিশ্বাস করে এবং সকল জিনিষ নিশ্চিতভাবে পৌঁছে গেছে তা নিশ্চিত করে। এখন আপনার মনে অবশ্যই প্রশ্ন জাগছে যে, টিসিপি/আইপি আসলে কি কাজ করে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ইন্টারনেট প্রোটোকল বা আইপি হলো একটি সাধারন অ্যাড্রেসিং সিস্টেম। ইন্টারনেটে অবস্থিত সকল মেশিন আমারটা আপনারটা সবারটাতেই একটি ভিন্ন আইপি থাকে। যখন প্রত্যেকটি মেশিনে আলাদা আলাদা আইপি থাকবে তখন কোন মেশিন কোনটা তা সহজেই চেনা যাবে এবং সে অনুসারে প্যাকেট পাঠানো সম্ভব হয়ে থাকে। আইপি অ্যাড্রেস মূলত কিছু সংখ্যার সন্নিবেশ হয়ে থাকে। এবং সংখ্যা গুলো কমা বা কোলন ব্যবহার করে আলাদা করা হয়ে থাকে।

ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু আলাদা হয়ে থাকে। ওয়েবসাইটে আইপির বদলে সহজে মনে রাখার জন্য নাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন (Techubs.Net)। এই সিস্টেমের নাম হলো ডিএনএস বা ডোমেইন নেম সার্ভার। ডোমেইন নেম ব্রাউজারে প্রবেশ করানোর পড়ে কম্পিউটার এই আইপি খুঁজতে আরম্ভ করে এবং আইপি খুঁজে পেলে ওয়েব সার্ভার থেকে সাইট ওপেন হয়ে যায়।

আইপি মূলত দুই প্রকারের হয়ে থাকে। একটি হলো IPv4 এবং আরেকটি IPv6। আইপিভি৪ এ চার খণ্ডের ডিজিট থাকে। যেমন 12.34.56.78 অথবা 123.255.212.55। কিন্তু দ্রুত বর্ধমান ইন্টারনেট জগতে আজ আর নতুন কোন আইপিভি৪ অ্যাড্রেস অবশিষ্ট নেই। তাই নতুন এক সিস্টেম উদ্ভবন করা হয়েছে যার নাম হলো আইপিভি৬। এটি আইপিভি৪ এর তুলনায় অনেক লম্বা। 123a:b716:7291:0da2:912c:0321:0ffe:1da2 হলো আইপিভি৬ এর উদাহরণ। [আইপি অ্যাড্রেস নিয়ে আরো জানুন]

এই কন্ট্রোল সিস্টেমের আরেকটি অংশ হলো ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল বা টিসিপি। এই সিস্টেমটি নির্ধারণ করে যে, একটি আইপি থেকে আরেকটি আইপিতে কীভাবে প্যাকেট সেন্ড করতে হবে। এবং এই সিস্টেমটি রিসিভ হওয়া প্যাকেট গুলোকে একত্রিত করে। আবার প্যাকেট সেন্ড করার সময় কোন প্যাকেট হারিয়ে গেলে আবার রি-সেন্ড করে।

খবর: techubs.net

বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৩ জনের ১ জন শিশু: ইউনিসেফ


বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর তিন জনের মধ্যে এক জন শিশু। আজ ইউনিসেফের প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে, ডিজিটাল ওয়াল্ডের ঝুঁকিপূর্ণ দিক থেকে শিশুদের রক্ষায় তাদের জন্য অন-লাইনে নিরাপদ প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

ইউনিসেফ এই প্রথম ডিজিটাল প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে ব্যাপকভাবে জরিপ চালিয়ে শিশুদের ওপর এর প্রভাব এবং তাদের জীবনে ডিজিটাল প্রযুক্তির ঝুঁকি এবং সুযোগ উভয় বিষয় দি ‘স্টেট অব অব দি ওয়াল্ড’স চিলড্রেন ২০১৭’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উপস্থাপন করেছে।

এতে যুক্তিসহকারে উল্লেখ করা হয়,সরকারি এবং বেসরকারি উভয় খাতের কেউই শিশুদের ডিজিটাল প্রযুক্তির নতুন ঝুঁকি ও ক্ষতির ব্যাপারে পদক্ষেপ রাখেনি।

এ প্রসঙ্গে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক এ্যান্থনী লেক বলেন, আরো ভালোর জন্য এবং আরো খারাপের জন্য যাই বলি না কেন ডিজিটাল প্রযুক্তি এখন আমাদের জীবনে অপরিহার্য একটি বিষয়।
ইউটিউব থেকে আয় করার ৫ টি উপায়

ইউটিউব থেকে আয় করার ৫ টি উপায়


বেশিরভাগ মানুষ ইউটিউব ব্যাবহার করে সম্পূর্ণ মজার খোঁড়াক হিসেবে। কেউ ব্যাবহার করে নিজের বিভিন্ন ক্রিয়েটিভিটি প্রদর্শন করে রাতারাতি খ্যাতি পাওয়ার জন্য আবার কেউ এটি ব্যাবহার করে নিজের এবং বন্ধুবান্ধবদের একান্ত কিছু স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সারাজীবন। কিংবা কেউ হয়তো বিদেশে থাকা প্রিয়জনের কাছে নিজেদের বিশেষ আয়োজন বা মুহূর্ত পৌঁছে দেয় ইউটিউব এ আপলোড করা একটি ভিডিও এর মাধ্যমে।

কিন্তু যেসকল মানুষ প্রতিনিয়ত ইউটিউব ব্যাবহার করে শুধু শখের বসে তারা জানেই না যে আপনার আপলোড করা এই ভিডিও গুলো অনায়াসে হতে পারে আপনার আয়ের উৎস। খুব সহজ সাধারন কিছু নিয়ম অনুসরন করে অনলাইনের আয়ের যেকোনো ক্ষেত্র থেকে অনেক দ্রুত আয় করা যায় ইউটিউব থেকে। শুধু জানতে হয় আয়ের সঠিক পথ। তো চলুন দেখে নেই কি কি ভাবে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন –

১. ইউটিউব থেকে আয় করুন অ্যাডসেন্স দিয়ে

এটাই ইউটিউব থেকে আয় করার সবথেকে জনপ্রিয় এবং বড় মাধ্যম। আমরা সকলেই জানি যে ইউটিউব হচ্ছে গুগল এর একটি সেবা। আবার গুগল অ্যাডসেন্স ও গুগলের। তাই ইউটিউব এর ব্যাপারে গুগলের প্রাধান্য অনেক। এমনকি আপনি মাত্র কয়েকটা ছোট ছোট ভিডিও দিয়েই একটি অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ করাতে পারবেন। আর সবথেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য ইউটিউব হচ্ছে অন্যতম সহজ একটি পদ্ধতি। সেরা আর্নাররা শুধুমাত্র ইউটিউব অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করে মাসে কয়েক লক্ষ ডলার পর্যন্ত আয় করে থেকে!

২. নিজের পণ্য বিক্রি করে

ধরুন আপনার নিজের একটা ফ্যাশন হাউজ আছে। এখন আপনি যদি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ডজ সম্পর্কে কিছু ভিডিও তৈরি করেন এবং সাথে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছুটা রিভিও যুক্ত করে আপলোড করেন তবে ইউটিউব হতে পারে আপনার নিজের পণ্য মার্কেটিং এর সবথেকে বড় মাধ্যম। এখন আপনি বলতে পারেন যে এভাবে কত জনই বা কিনতে পারে। কিন্তু আপনি জানেন কি ইউটিউব এ আপনি কি পরিমান ভিসিটর পেতে পারেন? যেকোনো বিষয়ের উপর ভিডিও গুলোর ভিউ থেকে আপনি সহজেই তা বুজতে পারবেন। আর সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে ওয়েব সার্চ এর তাবৎ ক্রয়যোগ্য (অর্থাৎ যে কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে মানুষ কোন প্রোডাক্ট কিনার জন্যই সার্চ করে) সার্চের বেশিরভাগটাই ইউটিউবে হয়। মানে কেউ কোন পণ্য কিনার জন্য মন স্থির করলে সেই পণ্য সম্পর্কে জানতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউটিউব ভিডিওই দেখে থাকে।

৩. এফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর রিভিউ করে

এটি ইউটিউব ব্যাবহারের আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এই ক্ষেত্রে মানুষ আমাজন বা অন্য কোন এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এর পণ্যের এফিলিয়েশন করে থাকে। সাধারনত নিজের এফিলিয়েট লিঙ্ক ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে দিয়ে দেওয়া হয় এবং ভিডিও তে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিও প্রদান করা হয়। সেই ভিডিও থাকাকালীন কেউ যদি ঐ লিঙ্কের মাধ্যমে গিয়ে কোন পণ্য ক্রয় করে থাকে তবে এফিলিয়েটর কমিশন পায়। এইভাবে এফিলিয়েশন করলে খুবই কম খরচে বা বিনা খরচে আপনি সহজেই মাস গেলে অনেক টাকা কামিয়ে নিতে পারবেন।

৪. ইউটিউব এর পার্টনার হোন

বর্তমানে পৃথিবী ব্যাপী প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি ইউটিউব পার্টনার আছেন। পার্টনাররা ভাড়ার ভিত্তিতে ভিডিও অভারলেয় করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং আয় ইউটিউব এর সাথে ভাগাভাগি করে নেয়। তাদেরদে অনেক সময় ব্রান্ডদের এন্টারটেইনার বা ভিডিও মার্কেটার হিসেবে হায়ার করাও হয়ে থাকে। অনেক সময় একটা ব্রান্ডের জন্য বিশেষ ভিডিও তৈরি করেও এরা অনেক টাকা উপার্জন করে।

৫. আপনার ভিডিওর ডেসক্রিপশনে লিঙ্ক বিক্রি করুন

এটা অনেক মজার একটা আয়। ধরুন যেকোনো বিষয়ের উপর আপনার একটা ভিডিও ইউটিউব এ প্রথম দিকে আছে। এই মুহূর্তে এই ধরনের প্রোডাক্ট যাদের আছে আপনি চাইলেই তাদের কাছে এককালীন অথবা দীর্ঘমেয়াদী শর্তে একটা লিঙ্ক বিক্রি করতে পারেন যা আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে থাকবে। কয়েকটা ভিডিও তে এসইও করেই আপনি এইভাবে লিঙ্ক বিক্রি শুরু করতে পারেন।

তবে এই ক্ষেত্রে ভিডিও তে অবশ্যই ভালো মানের ভিসিটর থাকতে হবে আর এভাবে লিঙ্ক দিয়ে আপনি আপনার নিজের ওয়েবসাইট বা ওয়েব ব্লগেও প্রচুর পরিমান ট্রাফিক আনতে পারেন।

এইধরনের আরও বেশ কিছু উপায় আছে ইউটিউব থেকে আয় করার। তবে সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে কাজ করার মানসিকতা। নিয়মিত কাজ করলে যেকোন উপায়েই আপনি আয় করতে পারবেন। কিংবা আপনি নিজেও আরও আরও উপায় খুজে পাবেন আয় করার।